August 31, 2025, 10:25 pm
ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
ময়মনসিংহের সদর উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা গণিত অলিম্পিয়াডে অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশনায় গণিত ক্লাবের ৮ জন শিক্ষার্থী প্রযোগিতার মূল পর্বে উন্নীত হয়েছে। জাতীয় পর্যায়ে তারা সাফল্য লাভ করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করছেন।
জানা গেছে, আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডে শুধু প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যায়ের ৩য় থেকে ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা অন্তর্ভুক্ত। কিন্তু দেশে গণিতকে জনপ্রিয় করতে সব উৎসবে চার ক্যাটাগরিতে শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়, প্রাইমারি (তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণি), জুনিয়র (ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি), সেকেন্ডারি (নবম ও দশম শ্রেণি) ও হায়ার সেকেন্ডারি (একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি)। সানকিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রাইমারী (৩য় থেকে পঞ্চম শ্রেণি) ক্যাটাগরিতে অংশ নিচ্ছে।
এ প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক সাবিনা ইয়াসমিন
বলেন, আনুষ্ঠানিকভাবে ২০০৪ সালে গণিত অলিম্পিয়াড শুরু হলেও এই বিশাল কর্মযজ্ঞ শুরু হয়েছিল মূলত ২০০১ সালের জুনে। প্রতিযোগিতা চূড়ান্ত রূপ নেয় ২০০৩ সালে ময়মনসিংহে। সানকিপাড়া সরকারি বিদ্যালয়ে ওই বছরের ৩১ জানুয়ারি ও ১ ফেব্রুয়ারি দুই দিনের উৎসবের মধ্যে দিয়ে দেশে যাত্রা শুরু করে গণিত অলিম্পিয়াড; যা পরে গণিত উৎসবে রূপ নেয়।
তিনি আরও বলেন, গণিতের মতো একটি বিষয় নিয়ে যে উৎসব হতে পারে, তা গত ২০ বছর ধরে আমরা দেখছি। গণিত ভীতিকে জয় করে গণিত ক্লাবের ৩৫ জন শিক্ষার্থী আজ স্বপ্ন দেখে বিশ্বজয়ের। সেই লক্ষ্যে বিগত ৫ মাস টানা পরিশ্রম করে যাচ্ছে টিম গণিত ক্লাবের প্রতিটি সদস্য, শিক্ষার্থী ও অভিভাবক। ইউএনও মহোদয়ের নেতৃত্বে গণিত ক্লাবের আমরা সকল প্রশিক্ষক নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছি। ফলস্বরুপ প্রথমবারের মতো জাতীয় গণিত অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণ করার যোগ্যতা অর্জন করেছে ৮ জন শিক্ষার্থী। জাতীয় পর্যায়েও শিক্ষার্থীরা সাফল্য লাভ করবে আশা করছি ।
গণিত ক্লাবে নিয়মিত ক্লাস করা একজন শিক্ষার্থী জানায়, প্রতিযোগিতায় কী ধরনের সমস্যা দেওয়া হবে তার কোনো নিয়ম নেই। তাই কমন পড়ার সম্ভাবনা নেই। তবে সাধারণত, বিভাগীয় গণিত অলিম্পিয়াডে ৭০-৭৫ মিনিট সময়ের ভেতর ১০-১২টি সমস্যার সমাধান করতে হয়।