Category: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ

  • পঞ্চগড়ে নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে বিজিবি মহাপরিচালক

    পঞ্চগড়ে নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে বিজিবি মহাপরিচালক

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড়:
    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় মতবিনিময় সভা করেছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে তেঁতুলিয়া উপজেলার সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে স্থাপিত অস্থায়ী বিজিবি ক্যাম্পে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
    সভায় বিজিবির রিজিওন কমান্ডার, পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা কাজী মো. সায়েমুজ্জামান, পুলিশ সুপার রবিউল ইসলামসহ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা, সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    মতবিনিময় সভায় বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে বিজিবি একটি পেশাদার, শৃঙ্খলাবদ্ধ এবং রাজনৈতিকভাবে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাহিনী হিসেবে অর্পিত সব দায়িত্ব পালনে প্রস্তুত রয়েছে। ভোটাররা যেন নিরাপদ ও শঙ্কামুক্ত পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সে লক্ষ্যে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করা হবে।

    তিনি জানান, দেশের চার হাজার ৪২৭ কিলোমিটার সীমান্ত নিরাপদ রেখে সারা দেশের ৪৯৫টি উপজেলার মধ্যে ৪৮৯টিতে ৩৭ হাজারের বেশি বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। সীমান্তবর্তী ৬১টি উপজেলায় বিজিবি এককভাবে নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করবে। এ ছাড়া ৩০০টি সংসদীয় আসনে ঝুঁকি বিবেচনায় বিজিবি মোবাইল ও স্ট্যাটিক ফোর্স হিসেবে দায়িত্বে থাকবে।

    নির্বাচনকালীন দায়িত্ব পালনের জন্য বিজিবি সদস্যদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ, বিশেষ ব্রিফিং, আচরণবিধি ও পরিস্থিতি মোকাবিলায় অনুশীলন সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জানান মহাপরিচালক। ভোটকেন্দ্র, ব্যালট, নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কুইক রেসপন্স ফোর্স, র‍্যাপিড অ্যাকশন টিম, কে-৯ ডগ স্কোয়াড, ড্রোন ও বডি অন ক্যামেরা ব্যবহারের প্রস্তুতি রাখা হয়েছে।

    মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী আরও বলেন, পঞ্চগড় একটি গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত ও পর্যটন জেলা। সীমান্তে চোরাচালান, অবৈধ অনুপ্রবেশ, মাদক ও অস্ত্র পাচার প্রতিরোধে বিজিবি অতিরিক্ত সতর্কতা ও তৎপরতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে।

    তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, সরকার, নির্বাচন কমিশন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, গ্রহণযোগ্য ও সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হবে।

    এর আগে বিজিবি মহাপরিচালক হেলিকপ্টারে তেঁতুলিয়া পাইলট সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে অবতরণ করেন। পরে তিনি সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে স্থাপিত বেস ক্যাম্প পরিদর্শন ও বিজিবি সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন

  • গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে বিজিবি মহা পরিচালকের শ্রদ্ধা

    গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে বিজিবি মহা পরিচালকের শ্রদ্ধা

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহা পরিচালক মেজর জেনারেল এ কে এম নাজমুল হাসান।

    আজ রবিবার (২০ আগষ্ট) সকাল সাড়ে ৮টায় টুঙ্গিপাড়ায় পৌঁছে বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধ বেদিতে পুস্পমাল্য অর্পণ করে গভীর শ্রদ্ধা জানান বিজিবি মহাপরিচালক। শ্রদ্ধা নিবেদনের পর বঙ্গবন্ধুর প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এসময় একটি চৌকস দল গার্ড অব অনার প্রদান করে, বেজে ওঠে বিগউলের সুর।

    পরে বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের শহীদ সদস্যদের রুহের মাগফেরাত এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনা করে ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাত করেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বঙ্গবন্ধু ভবনে রক্ষিত মন্তব্য বহিতে মন্তব্য লিখে স্বাক্ষর করে। এরপর বিজিবি সদস্যদের হাতে উপহার ও ফল তুলে দেন।

    এসময় বিজিবির সদর দপ্তরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, যশোর রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ও অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দসহ সকল স্তরের বিজিবি সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

    বিজিবি’র বিভিন্ন ইউনিটের অপারেশনাল, প্রশিক্ষণ ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিদর্শনের অংশ হিসেবে খুলনা সেক্টরে যাত্রাপথে বিজিবি মহাপরিচালক টুঙ্গিপাড়া যাত্রা বিরতি করেন। #

  • বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ

    বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ

    বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বাংলা অর্থ:বাংলাদেশ সীমান্ত রক্ষক) বাংলাদেশের একটি আধাসামরিক বাহিনী। এর কাজ হল মূলত বাংলাদেশের সীমান্ত রক্ষা করা। এর প্রধান কার্যালয় ঢাকার পিলখানায় অবস্থিত। বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের পূর্বে এর নাম ছিল ইস্ট পাকিস্তান রাইফেল্‌স (ইপিআর)।