Blog

  • নেছারাবাদে জামিনে বেরিয়ে বিএনপি সমর্থিত চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে নৌকার কর্মীকে মারধরের অভিযোগ

    নেছারাবাদে জামিনে বেরিয়ে বিএনপি সমর্থিত চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে নৌকার কর্মীকে মারধরের অভিযোগ

    আনোয়ার হোসেন,

    নেছারাবাদে মামলা থেকে জামিনে বেরিয়ে এসে মো: জালিস মাহামুদ(৩০) নামে এক নৌকা কর্মীর হাতপা বেধে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। রোববার রাতে ইউপি চেয়ারম্যান মিজান গাজীর বাসার কাছাকাছি বসবাসরত ওই জালিসকে ধরে নিয়ে ফুলরাজ গাজী, রিয়াজ হোসেন রাজু এবং সাকিল হাওলাদার তাকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত করে। অভিযুক্ত ফুলরাজ গাজী, সাকিল এবং রিয়াজ হোসেন রাজু এলাকার বিএনপি জামাত সমর্থিত ইউপি চেয়ারম্যান মিজান গাজীর লোক। চেয়ারম্যান মিজান গাজীর নেতৃত্বে জালিসকে ধরে নিয়ে চেয়ারম্যানের বাড়ীতে আটকে রেখে জালিসকে পিটানো হয়েছে।

    জালিসের পিতা ইদ্রিস গাজীর এমন অভিযোগ করেন।বিষয়টি স্থানীয়রা খবর পেয়ে রাতেই ৯৯৯ কল করে পুলিশের মাধ্যমে তাকে উদ্ধার করে নেছারাবাদ হাসপাতালে পাঠায়। হাসপাতালের জরুরী বিভাগের কর্তব্যরত ডাক্তার তার অবস্থা গুরুতর দেখে জরুরী ভিত্তিতে ঐ রাতেই উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেলে পাঠান।

    এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পিতা ইদ্রিস গাজী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। এলাকার জামাত বিএনপি সমর্থিত ইউপি চেয়ারম্যান মিজান গাজী সম্প্রতি ওই ইউনিয়ন থেকে স্বতন্ত্র পদে ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। জালিস মাহামুদ নির্বাচনে নৌকার পক্ষে কাজ করায় পূর্বের ক্ষোভ থেকে তাকে এ মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয় লোকজন সহ পরিবারের।

    প্রতিবেশি মো: দানিয়াল শেখ জানায়, রোববার রাতে জালিস ঢাকা থেকে বাড়ী ফিরছিলো। এমনসময় চেয়ারম্যান মিজান গাজী মটরসাইকেল যোগে পুজা দেখে বহর নিয়ে বাড়ী ফিরছিল। তখন পথে জালিসকে দেখে চেয়ারম্যান তাকে উচ্চবাচ্চ কথা শুরু করে। জালিস তার প্রতিবাদ করায় চেয়ারম্যানের সাথে থাকা ফুলরাজ গাজী,রাজু হাওলাদার এবং সাকিল হাওলাদার জালিসকে মারধর শুরু করে। একপর্যায়ে চেয়ারময়্যানের নির্দেশে জালিসকে বেধে ফুজরাজের বাড়ীতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তার হাত পা বেধে অমানুষিক নির্যাতন চালায়।

    প্রতিবেশি কামাল জানান, আমাদের গুয়ারেখা চেয়ারম্যান ইউপি উপ নির্বাচনে জালিস সহ আমরা নৌকার কাজ করেছি। তখন চেয়ারম্যান আমাদের নিষেধ করেছিল। তাতেও তার পক্ষে কাজ করিনি। কারন তিনি হলেন জামাত বিএনপি সমর্থিত। তাই তিনি সর্বদা তার বাহীনি দিয়ে ভিবিন্ন সময় আমাদের হুমকি ধামকি সহ নানান ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছে। তারই রেশ ধরে গতরাতে মিজান গাজীর নেতৃত্বে আমাদের একনিষ্ঠ নৌকার কর্মী জালিসকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে অমানুষিক ভাবে মারধর করেছে। জালিসের অবস্থা মুমর্ষ হওয়ায় বর্তমানে তাকে ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে।

    জালিসের পিতা ইদ্রিস গাজী অভিযোগে উল্লেখ করেন, আমার ছেলে ঢাকা থেকে বাড়ীতে আসছিলো ফুলরাজ এর বাড়ীর সামনে রাস্তার উপর পৌঁছামাত্র বিবাদীরা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ওৎ পেতে থাকিয়া আমার ছেলেকে অতর্কিত ভাবে হাতে লাঠিসোটা ও লোহার রড নিয়া পিছন থেকে আক্রমন করে এবং এলোপাথাড়ি ভাবে মারপিট শুরু করে। বিবাদীদের মারপিটে মাথার পিছনে ও পায়ে রক্তাক্ত ফাটা জখম হয়। তখন আমার ছেলের ডাক-চিৎকারে আমি সহ স্থানীয় লোকজন ছুটে আসিলে বিবাদীরা আমাকেও মারপিট করার চেষ্টা করে ও খুন জখমের ভয়ভীতি দেখায়। চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে বিবাদী ফুলরাজ এর ঘরে নিয়া আটকে রাখে। আমার ছেলে পকেটে থাকা নগদ টাকা-পয়সা ও একটি আংটি নিয়া যায়। আমি এ বিষয়ে নেছারাবাদ থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছি।

    অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান মিজান গাজী বলেন, আমি পূজা দেখে রাতে বাড়ী ফিরছিলাম। এমনসময় জালিস এবং সোহেল নামে দুইজন লোক আমার পথরোধ করে মারার জন্য চেষ্টা করে। এমনসময় আমার কর্মীরা জালিসকে ধরে ফেলে বাড়ীতে নিয়ে আসি। পরে থানায় খবর দিয়ে পুলিশে দিয়ে দেই। তবে তাকে কোন মারধর করা হয়নি।

    নেছারাবাদ থানার অফিসার ইন চার্জ (ওসি) মো: গোলাম সরোয়ার জানান, গুয়ারেখায় রাতে একটি ঘটনার বিষয়ে চেয়ারম্যান সহ অপর একটি পক্ষ পাল্টাপাল্টি অভিযোগ দিয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • অসুস্থ গরুর মাংস বিক্রির অপরাধে আগৈলঝাড়ায় ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে মাংস জব্দ প্রতিষ্ঠান সীলগালা

    অসুস্থ গরুর মাংস বিক্রির অপরাধে আগৈলঝাড়ায় ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে মাংস জব্দ প্রতিষ্ঠান সীলগালা

    বি এম মনির হোসেনঃ-

    বরিশালের আগৈলঝাড়ায় অসুস্থ গরু জবাই করে মাংস বিক্রির অপরাধে আটমন মাংস জব্দ করে ওই ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সীলগালা করে দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। ২৩ অক্টোবর সোমবার দুপুরে ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক ও উপজেলা সহকারী কমিশনার উম্মে ইমামা বানিন উপজেলার গৈলা বাজারে এই অভিযান পরিচালনা করেন। আদালতের পেশকার ভুমি অফিসের নাজির সোহেল আমিন জানান, উপজেলার সেরাল গ্রামের আদম আলী শিকদারের ছেলে কসাই সেন্টু শিকদার সোমবার সকালে গোপনে অসুস্থ গরু জবাই করে তার মাংস গৈলা বাজারে তার দোকানে বিক্রির খবর পেয়ে অভিযান পরিচালনা করে ভ্রাম্যমান আদালত। অভিযান টের পেয়ে কসাই সেন্টু শিকদার পালিয়ে যায়।
    অভিযানে কসাইর দোকানে ফ্রিজে রাখা এবং বিক্রির জন্য ঝুলিয়ে রাখা আটমন গরুর মাংস জব্দ করে ভ্রাম্যমান আদালত। এসময় অভিযুক্ত কসাই সেন্টু সিকদারের দোকান সীলগালা করে দিয়েছে আদালত। জব্দকৃত গরুর মাংস মাটি চাপা দিয়ে বিনস্ট করে দেয়া হয়েছে। অভিযানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রণি সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ রাফিউল আলম।

  • টেকনাফে র‌্যাবের অভিযানে ইয়াবা ও মিয়ানমারের টাকাসহ আটক-১

    টেকনাফে র‌্যাবের অভিযানে ইয়াবা ও মিয়ানমারের টাকাসহ আটক-১

    কে এম নুর মোহাম্মদ
    কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি

    কক্সবাজারের টেকনাফের রইক্ষ্যংপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ৩০ হাজার পিস ইয়াবা ও মিয়ানমারের ৬০ হাজার কিয়াট টাকাসহ এক মাদক কারবারীকে আটক করেছে র‌্যাব-১৫।

    আটককৃত মাদক কারবারী হলেন, টেকনাফ হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড রইক্ষ্যং এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে মোঃ শাহ আলম (৩৮)।

    কক্সবাজার র‌্যাব-১৫,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও
    সিনিয়র সহকারী পরিচালক (ল’ এন্ড মিডিয়া)
    মোঃ আবু সালাম চৌধুরী গণমাধ্যমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

    তিনি জানান, সোমবার (২৩ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৫টার দিকে র‌্যাব-১৫, আভিযানিক দলের গোয়েন্দা তৎপরতা ও নজরদারীর প্রেক্ষিতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে,টেকনাফ থানাধীন হোয়াইক্যং ইউনিয়নের রইক্ষ্যংপাড়া এলাকায় কতিপয় মাদক কারবারী অবৈধ মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট ক্রয়-বিক্রয় অথবা অন্যত্র চালানের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১৫, সিপিসি-২, হোয়াইক্যং ক্যাম্পের একটি চৌকস আভিযানিক দল বর্ণিত স্থানে মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। আভিযানিক দল বর্ণিত এলাকার শাহ আলমের বসত ঘরের সামনে পৌঁছালে র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে কৌশলে পালানোর চেষ্টাকালে একজন মাদক কারবারীকে আটক করতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে আটককৃত ব্যক্তিকে তল্লাশী করে তার হেফাজত থেকে সর্বমোট ৩০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, মিয়ানমারের ৬০ হাজার কিয়াট এবং ১টি বাটন মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

    এছাড়াও ধৃত ব্যক্তি তার সাথে থাকা অপর তিনজন সহযোগীর নাম ও ঠিকানা প্রকাশ করে এবং তারা র‌্যাবের উপস্থিতি বুঝতে পেরে কৌশলে পালিয়ে যায় মর্মে স্বীকার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত ও পলাতক মাদক কারবারীরা বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করে দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবার কারবার করে আসছিল। তারা আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য পাশ্ববর্তী সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে নিজেদের হেফাজতে মজুদ এবং পরবর্তীতে তা স্থানীয় এলাকা ও কক্সবাজারের বিভিন্ন পয়েন্টে তাদের নির্ধারিত এজেন্টদের মাধ্যমে বিক্রয় করে মাদক সেবনকারীদের নিকট পৌঁছে দিতো। একই সাথে তারা এই মাদক পাচারে অবলম্বন করতো নিত্য নতুন অভিনব পদ্ধতি।

    তিনি আরো জানান, উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য ইয়াবাসহ ধৃত ও পলাতক মাদক কারবারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • রাজারহাটে শারদীয় শুভেচ্ছা বিনিময়ে সাবেক ছাত্রনেতা  এটিএম ফিরোজ মন্ডল

    রাজারহাটে শারদীয় শুভেচ্ছা বিনিময়ে সাবেক ছাত্রনেতা এটিএম ফিরোজ মন্ডল

    রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি : তারিখ:২৩-১০-২০২৩ইং।কুড়িগ্রামের রাজারহাটে শারদীয় দূগাপূজা উপলক্ষে সনাতনী ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে মন্দিরে মন্দিরে গিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন সাবেক ছাত্রনেতা এটিএম ফিরোজ মন্ডল।গতকাল রোববার রাতে শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে পূজামণ্ডপে শতাধিক মোটরসাইকেল এবং স্হানীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে কুশল বিনিময় ও ৩০টি মন্দির কমিটির মাঝে নগদ অর্থ প্রদান করেন এটিএম ফিরোজ মন্ডল।এই বিষয়ে জানতে চাইলে এটিএম ফিরোজ মন্ডল সাংবাদিকদের বলেন ধর্ম যারযার উৎসব সবার। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা আমাদের প্রতিবেশী।
    সনাতনী ভাই বোনদের সব থেকে বড় উৎসব হচ্ছে দূর্গা পূজা। রাজারহাট উপজেলায় শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গাপূজা উদযাপিত হওয়া উপজেলা প্রশাসন,আইন শৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীসহ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আপাকে ধন্যবাদ জানাই।আমি সকল ধর্মের ভাই বোনদের পাশে আছি এবং আগামীতেও থাকবো।#(ছবি সংযুক্ত)

    এনামুল হক সরকার
    রাজারহাট কুড়িগ্রাম ।

  • রংপুর রেঞ্জ পরিচালক কর্তৃক কুড়িগ্রামের বিভিন্ন পুজামন্ডপের আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি পরিদর্শন

    রংপুর রেঞ্জ পরিচালক কর্তৃক কুড়িগ্রামের বিভিন্ন পুজামন্ডপের আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি পরিদর্শন

    ২৩ অক্টোবর সোমবার কুড়িগ্রাম জেলার বিভিন্ন উপজেলার পুজা মন্ডপে আইন-শংখলা রক্ষায় নিয়োজিত আনসার ও ভিডিপি সদস্য-সদস্যাদের শৃংখলা ও দায়িত্ব পালন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী রংপুর রেঞ্জের পরিচালক মোঃ আব্দুস সামাদ, বিভিএম, পিভিএমএস। এসময় তিনি দায়িত্ব পালনকারী সদস্য-সদস্যাদের খোঁজ-খবর নেন। সুন্দরভাবে দায়িত্ব পালন করার জন্য সদস্য-সদস্যাদেরকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং বিসর্জন না হওয়া পর্যন্ত সুষ্ঠুভাবে দায়িত্বপালন করার জন্য দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি কুড়িগ্রাম সদরের কালিবাড়ী সার্ব জনীনকেন্দ্রীয় পুজামন্ডপে পৌছালে পুজা মন্ডপ কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ কমিটির অন্যান্য সদস্যগণ তাকে ফুল দিয়ে বরণ করেন। এসময় বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি পক্ষ থেকে পরিচালক পুজা কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ কমিটির অন্যান্য সদস্যদেরকে ফুল ও মিষ্টি দিয়ে শারদীয় শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী, কুড়িগ্রামের জেলা কমান্ড্যান্ট মোঃ নাহিদ হাসান জনি, সহকারী জেলা কমান্ড্যান্ট মোঃ ইবনুল হক ও আনসার ও ভিডিপি রংপুর রেঞ্জের সহকারী পরিচালক আছাদুজ্জামান, সার্কেল অ্যাডজুট্যান্ট মাহবুব উজ জামান, কুড়িগ্রাম সদরের উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা মোঃ মোশাররফ হোসেন।

    এবছর কুড়িগ্রাম জেলার ৯টি উপজেলায় ৫৪৮টি পুজামন্ডপে ১০৫ পিসি, ৫৪৮ জন এপিসি, ১৭৪৯ জন ভিডিপি পুরুষ সদস্য এবং ১০৯৬ জন ভিডিপি মহিলা সদস্যা সর্বমোট ৩৪৯৮ জন আনসার ও ভিডিপি সদস্য পুজা মন্ডপের আইন-শৃংখলা রক্ষার কাজে নিয়োজিত আছেন।

    পুজামন্ডপ পরিদর্শন শেষে পরিচালক রংপুর রেঞ্জ কুড়িগ্রাম জেলা আনসার ও ভিডিপি কার্যালয়ে চলমান ৪র্থ ধাপ অস্ত্রসহ ভিডিপি মৌলিক প্রশিক্ষণ ও বেসিক কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন এবং প্রশিক্ষণার্থীদের সাথে মতবিনিময় করেন।

  • সাভার ২২৩টিসহ দেশে ৩২ হাজারের বেশি পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত

    সাভার ২২৩টিসহ দেশে ৩২ হাজারের বেশি পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত

    হেলাল শেখঃ বাংলাদেশের মধ্যে শুধু সাভার ও আশুলিয়ায় ২২৩টি পূজামন্ডপসহ সারাদেশে প্রায় ৩২ হাজার পূজামন্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত বছর ৩২ হাজারের বেশি এবং ২০২১ইং সালে ৩২ হাজার ১২৮টি পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়। মহা ষষ্ঠপূজার মধ্যদিয়ে পাঁচদিনব্যাপী শারদীয় দুর্গাপূজা চলে।
    মঙ্গলবার বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে বাঙালির এই শারদীয় উৎসব। হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় এ ধর্মীয় উৎসবকে ঘিরে এখন সারাদেশে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। দুর্গাপূজাকে আনন্দমুখর করে তুলতে দেশজুড়ে পূজামন্ডপগুলো বর্ণাঢ্য সাজে সাজানো হয়েছে। সূত্র জানায়, এই দুর্গাপূজা উপলক্ষে কিছু এলাকায় মেলা বসানো হয়েছে। সাভার ও আশুলিয়ায় শান্তিপূর্ণ ভাবে ধর্মীয় উৎসব পালন করছেন সকল শ্রেণী পেশার মানুষ, অনেকেই বলছেন, ধর্ম যার যার উৎসব সবার।
    সারাদেশের পূজামন্ডপগুলোতে দূর্গা দেবীর বোধন অনুষ্ঠিত হয়। শারদীয় দূর্গাউৎসবের প্রাক্কালে এই বোধনের মাধ্যমে দক্ষিণায়নের নিদ্রিত দেবী দূর্গার নিদ্রা ভাঙার জন্য বন্দনা পূজা করা হয়। দেশের মণ্ডপে-মন্দিরে প মীতে সায়ংকালে তথা সন্ধ্যায় এই বন্দনা পূজা অনুষ্ঠিত হয়। মঙ্গলবার ২৪ অক্টোবর দশমী। সূত্রমতে, সারাদেশে ৩২হাজারের বেশি পূজামন্ডপে দর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঢাকা মহানগরে পূজা হচ্ছে ২শতাধিক জায়গায়। সাভার উপজেলা ও পৌরসভা এবং আশুলিয়ায় গত ২০২১ সালে ২০৪টি জায়গায় পূজার আয়োজন করা হয় ২০২২ সালে তারচেয়ে একটু বেশি এবং ২০২৩সালে ২২৩টি পূজা মন্ডপে পূজা অনুষ্ঠান চলছে। এর মধ্যে ১নং শিমুলিয়া ইউনিয়নে দূর্গা মন্দির। ইয়ারপুর ইউনিয়নের নরসিংহপুরসহ হিন্দু পাড়ায় মন্দির স্থাপন করা হয়।
    বিশেষ করে রাবণের হাত থেকে সীতাকে উদ্ধার করতে লংকা যাত্রার আগে শ্রী রামচন্দ্র দেবীর পূজার আয়োজন করেছিলেন শরৎকালের অমাবর্ষা তিথিতে, যা শারদীয় দূর্গা উৎসব নামে পরিচিত। দেবীর শরৎকালের পূজাকে এজন্যই হিন্দুমতে অকাল বোধনও বলা হয়। দুর্গোৎসব উপলক্ষে মহামান্য রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিন ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণীতে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। বিজয়া দশমীর দিন শোভাযাত্রায় প্রতিমা বিসর্জন দেয়া হয়।
    পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নির্মল কুমার চ্যাটার্জিসহ সংশ্লিষ্টরা গণমাধ্যমকে জানান, বর্তমান সরকার রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে আসার পর প্রতিবছর ধারাবাহিক ভাবে পূজার মন্ডপ এর সংখ্যা বেড়েছে। দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, নিরাপত্তার ক্ষেত্রে আস্থা, সরকারি অনুদান ও শুভানুধ্যায়ীদের অনুদান নিঃসন্দেহে পূজার সংখ্যা বাড়ার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখছে। রাজধানী ঢাকা ও সাভার আশুলিয়াসহ সারাদেশের প্রতিটি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা রক্ষায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী-পুলিশ, আনসার, র‌্যাব ও বিডিআর সদস্যরা দায়িত্ব পালনে রয়েছেন। পুলিশ ও র‌্যাবের পাশাপাশি প্রায় প্রতিটি মণ্ডপে স্বেচ্ছাসেবক দল দায়িত্ব পালন করছেন। বিশেষ করে রাজধানীর ঢাকেরশ্বরী মন্দির প্রাঙ্গনে মহানগর পূজা কমিটির উদ্যোগে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে। উক্ত দুর্গাপূজায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

  • শিবলী সাদিক এমপি’র আর্থিক অনুদান পেল ৪২টি পূজা মন্ডপ

    শিবলী সাদিক এমপি’র আর্থিক অনুদান পেল ৪২টি পূজা মন্ডপ

    জাকিরুল ইসলাম, বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:

    শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে দিনাজপুর-৬ আসনের সংসদ সদস্য শিবলী সাদিক এমপি’র ব্যক্তিগত তহবিল থেকে দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার ৪২টি পূজা মন্ডপে আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়েছে। গতকাল দিনব্যাপী উপজেলা আ’লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপজেলার ৪২টি পূজা মন্ডপে উপস্থিত হয়ে মন্দির কমিটির সভাপতি ও সম্পাদকের হাতে নগদ ৫ হাজার টাকার অর্থ প্রদান করেন।

    উপজেলা আ’লীগের সাবেক অন্যতম সদস্য ও ইউপি চেয়ারম্যান ইউনুছ আলী মন্ডল বলেন, মাননীয় সংসদ সদস্য শিবলী সাদিক ঢাকায় সরকারী কাজ ও সংসদীয় দলের জরুরী সভায় অবস্থান করায়, তার পক্ষ থেকে প্রত্যেক পূজা মন্ডপে ৫ হাজার টাকা প্রদানের নির্দেশ দেন। সেই ধারাবাহিকতায় দলীয় নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সাথে নিয়ে নগদ এ অর্থ প্রদান করা হয়।

    এসময় পৌর মেয়র অধ্যক্ষ আককাস আলী, উপজেলা আ’লীগের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি শীবেশ কুন্ডু, সাবেক সহ-সভাপতি নাডু গোপাল কুন্ডু, রহমত আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক মাস্টার, যুবলীগ সভাপতি আবু হেনা মোস্তফা কামাল, ভাইস-চেয়ারম্যান মেজবাউল ইসলাম, সাবেক ছাত্রনেতা প্রিতিময় হোসেন পলাশ, যুবলীগ নেতা শাহিনুর ইসলাম, পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক খায়রুল আলম (মুকুট), ছাত্রলীগ সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক, যুগ্ম সম্পাদক মুরাদ ইসলামসহ বীর মুক্তিযোদ্ধা, জনপ্রতিনিধি, হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ, উপজেলা আ’লীগ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

    পরিদর্শনকালে আ’লীগ নেতৃবৃন্দ সামাজিক সম্প্রীতি ও ধর্মীয় সদ্ভাব বজায় রেখে নির্বিঘ্নে উৎসবমুখর পরিবেশে পূজা উদযাপনের বিষয়ে তাঁদের বক্তব্য তুলে ধরেন।

    মো. জাকিরুল ইসলাম জাকির
    বিরামপুর, দিনাজপুর।

  • সুজানগরে নৌকার প্রচারণায় এমপি পদপ্রার্থী কামরুজ্জামান উজ্জল

    সুজানগরে নৌকার প্রচারণায় এমপি পদপ্রার্থী কামরুজ্জামান উজ্জল

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগরঃ পাবনার সুজানগরে শেখ হাসিনা সরকারের উন্নয়ন ও স্মার্ট বাংলাদেশ গড়া নিয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে এবং আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকার প্রচারণায় উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি হাজী আফতাব আলীর সভাপতিত্বে রবিবার অনুষ্ঠিত উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন পাবনা জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সম্পাদক ও পাবনা-২ আসনের নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী কামরুজ্জামান উজ্জল। প্রধান বক্তা ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সুজানগর উপজেলা শাখার সভাপতি ও পৌরসভার সাবেক মেয়র আলহাজ্ব আব্দুল ওহাব। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সহ সভাপতি ও সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের রোকন, পাবনা জেলা আ.লীগের উপ প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন তোফা, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান কল্লোল, ও সাগরকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান ও আমিনপুর থানা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি শাহীন চৌধুরী।অন্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন তাতীবন্দ ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন মৃধা, আহম্মদপুর ইউপি চেয়ারম্যান কামাল হোসেন মিয়া, রাণীনগর ইউপি চেয়ারম্যান জিএম তৌফিকুল আলম পিযুষ, মানিকহাট ইউপি চেয়ারম্যান শফিউল ইসলাম, সাবেক চেয়ারম্যান ডাঃ মজিবর রহমান,সাতবাড়ীয়া ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন,ভায়না ইউপি চেয়ারম্যান আমিন উদ্দিন, হাটখালী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুর রশিদ মাষ্টার, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রনেতা সাইফুল আলম বিপুল,রাণীনগর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের যুগ্ন সম্পাদক আব্দুল মালেক, উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান সাইদ, পৌর আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি জুয়েল রানা,আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগ সুজানগর পৌর শাখার আহ্বায়ক শ্রী রাজু রায়, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জাহিদুল ইসলাম তমাল ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ তুষার প্রমুখ ।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি

  • সুজানগরের ৬১টি পূজা মন্ডপে কামরুজ্জামান উজ্জলের আর্থিক অনুদান প্রদান

    সুজানগরের ৬১টি পূজা মন্ডপে কামরুজ্জামান উজ্জলের আর্থিক অনুদান প্রদান

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগরঃ শারদীয় দূর্গা পূজা উপলক্ষ্যে পাবনার সুজানগর উপজেলার ৬১টি পূজা মন্ডপে আর্থিক অনুদান প্রদান করেছেন পাবনা জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সম্পাদক ও পাবনা-২ আসনের নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী কামরুজ্জামান উজ্জল। রবিবার প্রতিটি পূজা মন্ডপে নগদ পাঁচ হাজার টাকা করে ব্যক্তিগত তহবিল থেকে এ আর্থিক অনুদান প্রদান করেন জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সম্পাদক কামরুজ্জামান উজ্জল। আর্থিক অনুদান প্রদানকালে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সুজানগর উপজেলা শাখার সভাপতি ও পৌরসভার সাবেক মেয়র আলহাজ্ব আব্দুল ওহাব, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সহ সভাপতি ও সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের রোকন, পাবনা জেলা আ.লীগের উপ প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন তোফা, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান কল্লোল, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শ্রী সুবোধ কুমার নটো, সাগরকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান ও আমিনপুর থানা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি শাহীন চৌধুরী, তাতীবন্দ ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন মৃধা, আহম্মদপুর ইউপি চেয়ারম্যান কামাল হোসেন মিয়া, রাণীনগর ইউপি চেয়ারম্যান জিএম তৌফিকুল আলম পিযুষ, মানিকহাট ইউপি চেয়ারম্যান শফিউল ইসলাম, সাবেক চেয়ারম্যান ডাঃ মজিবর রহমান,সাতবাড়ীয়া ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন,ভায়না ইউপি চেয়ারম্যান আমিন উদ্দিন, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ সুজানগর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক শ্রী তরিত কুমার কুন্ডু, পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ মিলন, হিন্দু ধর্মীয় নেতা বাবলু কুমার সাহা, পৌর কাউন্সিলর হেলাল উদ্দিন,রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রনেতা সাইফুল আলম বিপুল, উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান সাইদ, পৌর আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি জুয়েল রানা,আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগ সুজানগর পৌর শাখার আহ্বায়ক শ্রী রাজু রায়, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জাহিদুল ইসলাম তমাল ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ তুষার সহ উপজেলার হিন্দু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন । আর্থিক অনুদান প্রদানকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পাবনা জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সম্পাদক ও পাবনা-২ আসনের নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী কামরুজ্জামান উজ্জল বলেন, আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় থাকলে সব ধর্মের মানুষ নিরাপদে তাদের ধর্ম পালন করতে পারে। আমাদের সংবিধানেও সব ধর্ম ও বর্ণের মানুষের সমান অধিকার সুনিশ্চিত করা হয়েছে। বাংলাদেশ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষের নিরাপদ আবাসভূমি উল্লেখ করে তিনি বলেন বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামীলীগ সরকার জাতি-বর্ণ-ধর্ম-গোষ্ঠি নির্বিশেষে সবার উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। তাই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আবারও নৌকায় ভোট দিয়ে দেশে সুশাসন ও উন্নয়ন বজায় রাখতে সকলের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • সুজানগর উপজেলার ৫৯০০ জন কৃষক পেলেন বিনামূল্যে বীজ ও সার

    সুজানগর উপজেলার ৫৯০০ জন কৃষক পেলেন বিনামূল্যে বীজ ও সার

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর ঃ পাবনার সুজানগর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষিদের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে রবিবার উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রাফিউল ইসলামের সভাপতিত্বে বীজ ও সার বিতরণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন সুজানগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীনুজ্জামান শাহীন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন পৌর মেয়র রেজাউল করিম রেজা ও উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছা.মর্জিনা খাতুন। স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মাহে আলম। অনুষ্ঠানে উপজেলা কৃষকলীগের সভাপতি আব্দুস ছাত্তারসহ উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের কৃষক-কৃষাণীরা উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীনুজ্জামান কৃষি বান্ধব সরকারের কৃষি উন্নয়নে নানাবিধ কর্মসূচির ভুয়সী প্রসংশা করেন এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে কৃষি বিভাগের প্রসংসা করে কৃষককে অধিক পরিমাণে ফসল ফলনে আন্তরিকভাবে কাজ করার আহবান জানান। উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রাফিউল ইসলাম জানান, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রবি/২০২৩-২৪ মৌসুমে সরিষা সহ রবি ফসলের আবাদ বৃদ্ধির জন্য কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় সুজানগর উপজেলার ৫৯০০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হচ্ছে। এই প্রনোদনা কর্মসূচিতে ১২০০জন কৃষকের প্রত্যেকে ২০কেজি করে গম বীজ, ১০ কেজি ডিএপি সার ও ১০ কেজি করে এমওপি সার, ১০০ জন কৃষক ০২ কেজি করে ভূট্রা বীজ, ২০ কেজি ডিএপি সার ও ১০ কেজি করে এমওপি সার, ৩৫০০ জন কৃষক ০১ কেজি করে সরিষা বীজ, ১০ কেজি ডিএপি সার ও ১০ কেজি করে এমওপি সার, ৪০০ জন কৃষক ০১ কেজি করে শীতকালীন পেঁয়াজ বীজ, ১০ কেজি ডিএপি সার ও ১০ কেজি করে এমওপি সার, ১০০ জন কৃষক ০১ কেজি করে মুগ বীজ, ১০ কেজি ডিএপি সার ও ০৫ কেজি করে এমওপি সার, ২০০ জন কৃষক ০৫ কেজি করে মসুর বীজ, ১০ কেজি ডিএপি সার ও ০৫ কেজি করে এমওপি সার, ২০০ জন কৃষক ০৮ কেজি করে খেসারী বীজ, ১০ কেজি ডিএপি সার ও ০৫ কেজি করে এমওপি সার এবং ২০০ জন কৃষক ১০ কেজি করে চিনাবাদাম বীজ, ১০ কেজি ডিএপি সার ও ০৫ কেজি করে এমওপি সার পাবেন।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি ।