বিশেষ প্রতিনিধি : ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার ইন্দের জিত সাগরের সাথে বানারীপাড়ার মানবাধিকার কর্মী ও বিশিষ্ঠ সাংবাদিক এস মিজানুল ইসলাম সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। রবিবার ২২ অক্টোবর সন্ধ্যায় বানারীপাড়া পৌরসভার আবাসিক কক্ষে মিলিত হন। এ সময় সহকারী হাই কমিশনার ইন্দের জিত সাগর সৌহার্দ্যপূর্ণ ভাবে মিজানুলের সাথে আলাপ করেন। সাক্ষাতের সময় সহকারী হাই কমিশনার ইন্দের জিত সাগর বানারীপাড়া উপজেলার প্রথিতযসা ব্যক্তিদের মধ্যে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের নেতা কুমুদ বিহারী গুহ ঠাকুরতা, বুদ্ধিজীবি জ্যোর্তিময় গুহ ঠাকুরতা, অধ্যাপক সুখরঞ্জণ সমাদ্দার, মনোরমা বসু মাসি মা, কবি শংখ ঘোষ অনেক লেখক, কবি সাহিত্যিকদের এবং শিক্ষিতজনের শহর বলে মন্তব্য করেন। এখানের ধর্মীয় সম্প্রীতির বিষয়টি দেখে তিনি অত্যন্ত খুশি হয়েছেন। সহকারী হাই কমিশনার ইন্দের জিত সাগর বলেন স্বাধীনতার সময় ভারত মুক্তিযোদ্ধাদের সার্বিক সহযোগীতা করেছিল উল্লেখ করেন। এ সময় পৌর মেয়র অ্যাডভোকেট সুভাষচন্দ্র শীল উপস্থিত ছিলেন। তার সাথেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। তিনি পৌর ভবনের আবাসিক কক্ষের বিভিন্ন আলোকচিত্র দেখেন।#
Blog
-

নড়াইলে নির্বিঘ্নে চলছে নামাজ ও পূজা: সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত এসপি সাদিরা খাতুন
উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে :
নড়াইলে সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত এসপি সাদিরা খাতুন। একই স্থানে মসজিদ-মন্দির নির্বিঘ্নে চলছে নামাজ ও পূজা। ধর্মীয় সম্প্রীতির উজ্জ্বল নিদর্শন চিত্রা নদীর পাড়ে নড়াইল পৌরসভার মহিষখোলা এলাকায়। প্রায় চার দশক ধরে হিন্দু ও মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষ পরষ্পরের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে তাদের ধর্মীয় উৎসব উদযাপন করছে। ঐহিত্য মেনে সেই উৎসবে সামিলও হচ্ছেন সবাই।
ছোট্ট একটি মাঠের একপাশে মসজিদ আর অন্যপাশে মন্দির। সময় হলে কেউ যাচ্ছেন নামাজে, আর কেউ যাচ্ছেন দেবী দর্শনে। স্বাধীনভাবে যার যার ধর্ম পালন করছেন সবাই চলছেন সম্প্রতি রক্ষা করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এক সময় নড়াইলের পুরান সাব রেজিস্ট্রি কার্যালয়টি মহিষখোলায় ছিল। সেই কার্যালয়ের পাশেই ১৯৭৪ সালে মহিষখোলা পুরাতন সাব রেজিস্ট্রি অফিস জামে মসজিদ নামের এই মসজিদটি প্রতিষ্ঠিত হয়। পরে ১৯৯২ সালে নতুন করে মসজিদের নির্মাণকাজ শুরু হয়। আর ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠা করা হয় মহিষখোলা সার্বজনীয় পূজা মন্দির। নিজস্ব জায়গায় মন্দিরটি প্রতিষ্ঠিত হয়ে
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চিত্রা নদীর পাড়ে একটি ছোট্ট মাঠে মধ্যে তিনটি স্থাপনা রয়েছে। মাঠের পশ্চিম পাশে মসজিদ, আর উত্তর পাশে রয়েছে মন্দিরটি। মন্দিরটি উত্তর-দক্ষিণমুখী। মন্দির থেকে একটু সামনে এগোলেই রয়েছে শরীফ আব্দুল হাকিম ও নড়াইল এক্সপ্রেস হাসপাতাল। আর মাঠের দক্ষিণ পাশে রয়েছে একটি রাস্তা।
এলাকাবাসী জানান, দীর্ঘদিন ধরে হিন্দু মুসলিম সকল ধর্মের লোকজন একই সাথে বসবাস করছেন। তাদের মধ্যে কোনো সমস্যা হচ্ছে না। একে অপরের পাশে থাকি সব সময়। বাইরের লোকজন এসে এটা দেখে খুব অবাক হন।
মসজিদের মুয়াজ্জিন ও খাদেম সিদ্দিকুর রহমান বলেন, আমাদের আজান ও নামাজের সময়সূচি তৈরি করেছেন তারা। সেই মতে পূজা চলে, আমরাও নামাজ পড়ছি নির্বিঘ্নে। আমরা খুবই শান্তিতে ধর্ম পালন করছি।
মহিষখোলা পুরাতন সাব-রেজিস্ট্রি জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ মো. ইনামূল হক বলেন, ১০ বছর ধরে এখানের মসজিদে আছি। মসজিদের পাশেই রয়েছে মন্দির। এ পর্যন্ত ধর্ম পালনে কোনো সমস্যা হয়নি, ইনশাল্লাহ আগামীতেও হবে না।
মন্দিরের সাংগঠনিক সম্পাদক শিক্ষক প্রলয় কুমার ভৌমিক বলেন, আমাদের নদীর বাধাঘাটে আমরা পূজার সরঞ্জাম ধুয়ে পবিত্র করি, মুসলিম ভাইয়েরা একই জায়গায় ওযু করেন। এটা আমাদের সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এটা যুগ যুগ থাকুক তাই চাই।
মন্দিরের পুরোহিত অমর কৃষ্ণ সমাদ্দার বলেন, তাদের নামাজ আর আমাদের পূজার নাচ-গানে কোনো সমস্যা হচ্ছে না, বরং কেউ আমাদের সাথে ঝামেলা করতে আসলে তা প্রতিহত করে। আমরা যুগ যুগ ধরে একসাথেই চলছি।ওই এলাকার কয়েকজন স্থায়ী বাসিন্দার সাথে কথা হলে তারা বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে আমরা হিন্দু-মুসলিম একই পরিবারের সদস্য হিসেবে এলাকায় বসবাস করে আসছি। আমাদের এলাকায় কখনও ধর্ম নিয়ে কোনো বিরোধে লিপ্ত হইনি। এই এলাকার মানুষ মনে প্রাণে অসাম্প্রদায়িক। প্রত্যেকেই নিজ নিজ ধর্ম পালনের পাশাপাশি অন্য ধর্মের প্রতিও শ্রদ্ধাশীল।
মন্দিরে পূজা দেখতে আসা লোহাগড়ার হৃদয় দাস বলেন, আমি আগেই এখানকার কথা শুনেছিলাম। একই জায়াগায় পাশাপাশি মন্দির ও মসজিদে যে যার ধর্ম পালন করে। এটা দেখে বেশ ভালো লাগলো। সবাই এ রকম মিলেমিশে থাকলে তো ধর্ম নিয়ে কোনো ঝগড়া থাকত না
মন্দিরে পূজা দেখতে আসেন মুসলিম নারীরা সন্তান নিয়ে পূজার মেলায় ঘুরতে আসা সাগরিকা বলেন, আমাদের একই স্থানে পূজা আর নামাজ চলে, এটাই আমাদের নড়াইলের গৌরব। আমরা এটি নিয়ে গর্ববোধ করি।
নড়াইলের পুলিশ সুপার মোসা. সাদিরা খাতুন বলেন, সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত আমাদের নড়াইল। এটাই বাংলাদেশের চিত্র হওয়া উচিত।
-

নড়াইলের বিভিন্ন পূজামন্ডপ পরিদর্শন করেন এসপি সাদিরা খাতুন
উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে:
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত হলো শারদীয় দুর্গাপূজা- মহাঅষ্টমী উৎসব।
নড়াইল সদর থানার বিভিন্ন পূজামন্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসব এর মহাঅষ্টমী পরিদর্শন করেন নড়াইল জেলার পুলিশ সুপার মোসাঃ সাদিরা খাতুন। তিনি আজ মহাঅষ্টমীতে সদর থানার কেন্দ্রীয় টাউন কালিবাড়ি পূজা মন্ডপে উপস্থিত হলে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এডভোকেট সুবাস চন্দ্র বোস এবং জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি অশোক কুমার কুন্ডু স্বাগত জানান । এরপর কমলাপুর উত্তর ও পূর্বপাড়া সার্বজনীন দূর্গা পূজা মন্ডপে পরিদর্শনে গেলে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এডভোকেট সুবাস চন্দ্র বোস এর সহধর্মিণী মিনতি রাণী বোস পুলিশ সুপার মহোদয়কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। বাধাঘাট সার্বজনীন পূজা মন্ডপে পুলিশ সুপার উপস্থিত হলে অসীম কাপুড়িয়া পুলিশ সুপার মোসা: সাদিরা খাতুনকে উত্তরীয় পড়িয়ে দেন। এছাড়া তিনি মিতালী সংঘ সার্বজনীন পূজা মন্ডপ, রূপগঞ্জ বাজার কালীবাড়ি সার্বজনীন পূজা মন্ডপ সহ অন্যান্য পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করেন এবং নিরাপত্তার বিষয়ে খোঁজ খবর নেন।
এসময় পুলিশ সুপার সাথে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন; তারেক আল মেহেদী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( ক্রাইম এন্ড অপস্); মোঃ দোলন মিয়া, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল); মীর শরিফুল হক, ডিআইও ১; মোঃ ছাব্বিরুল আলম, অফিসার ইনচার্জ, জেলা গোয়েন্দা শাখা; মোঃ ওবাইদুর রহমান, অফিসার ইনচার্জ, সদর থানাসহ অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তাবৃন্দ। -

চট্টগ্রামের খুলশী থানার অভিযানে বিদাশি মদসহ শরীফ হোসেন গ্রেফতার
মোঃ শহিদুল ইসলাম
বিশেষ প্রতিনিধিঃচট্টগ্রাম নগরীর খুলশী থানার অভিযানে ৬০ বোতল বিদেশী মদসহ এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আরও ২ জন পলাতক রয়েছেন।
সোমবার (২৩ অক্টোবর) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খুলশী থানাধীন সর্দার বাহাদুর নগরের দিদারুল আলম ভিলার ৫নং বাসার ভিতর অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ বিদেশী মদসহ ঐ মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছেন খুলশী থানা পুলিশ।
জব্দকৃত ৬০ বোতল বিদেশী মদের বাজার মূল্য ৬ লাখ টাকা। গ্রেফতারকৃত আসামি শরীফ হোসেন মীরশ্বরাই থানাধীন ফুলমুগরার বুজন নগরের মুক্তার বাড়ীর কামাল উদ্দিনের ছেলে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে খুলশী থানার ওসি রুবেল হাওলাদার সাংবাদিকদের বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে ধৃত আসামি শরীফের বাসা থেকে ৬০ বোতল বিদেশী মদ উদ্ধার করিছি।
-

স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-সচিব শাহানা আখতার জাহানের দেওপাড়া ইউপির কার্যক্রম পরিদর্শন
নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার দেওপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শন করলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ- পরিচালক (উপ-সচিব)
শাহানা আখতার জাহান। সোমবার দুপুরে তিনি দেওপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে পরিষদ ভবনে কিছু সময় কাটান এবং পরিদর্শ বহিতে মন্তব্য লিখে স্বাক্ষরও করেন। এ সময় দেওপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও গোদাগাড়ি উপজেলা যুবলীগের অর্থবিষায়ক সম্পাদক, বিশিষ্ঠ ব্যবসায়ী মোঃ বেলাল উদ্দীন সোহেল, যুবলীগ নেতা মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, ইউপি সদস্য, কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।দেওপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ বেলাল উদ্দীন সোহেল এ প্রতিবেদককে উপ- সচিব মহোদয় ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন প্রকল্পের কার্যক্রম পরিদর্শন করে প্রশাংসা করেছেন। আগামী এধরনের উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন।
মোঃ হায়দার আলী
রাজশাহী। -

ঐতিহাসিক উপজেলা দিবস উপলক্ষে সুনামগঞ্জে জাতীয়পার্টির আলোচনা সভা
দোয়ারাবাজার সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
সুনামগঞ্জ জেলা জাতীয় পাটির উদ্যোগে
ঐতিহাসিক উপজেলা দিবস পালন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২৩ অক্টোবর) উকিলপাড়াস্থ দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় কৃষক পার্টি, কেন্দ্রীয় কমিটি যুগ্ম আহবায়ক, জেলা জাতীয় পাটির সহ-সভাপতি ও আবাদি কৃষক নেতা ডাঃ আব্দুল আউয়াল এর সভাপতিত্বে ও জেলা জাতীয় যুব সংহতি যুগ্ম আহবায়ক গোলাম হোসেন অভির পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছেন, সুনামগঞ্জ জেলা জাতীয় পাটির সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আবু নছর অহিদ কনা মিয়া, জেলা জাতীয় পাটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিরাই উপজেলা জাতীয় পাটির আহবায়ক এড.শেখ মো.জাহির আলী,
প্রধান বক্তা সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট আব্দুল মজিদ মাষ্টারের সুযোগ্য পুত্র সুনামগঞ্জ ৪ আসনের জাতীয় পাটির মনোনয়ন প্রত্যাশী এডভোকেট নাজমুল হুদা হিমেল, জেলা জাতীয় পাটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ছাতক উপজেলা জাপার সভাপতি আবুল লেইছ কাহার দোয়ারাবাজার উপজেলা জাপার সাংগঠনিক সম্পাদক নুর হোসেন মো. আব্দুল্লাহ,
শেখ জাহির আলী আহবায়ক দিরাই উপজেলা জাতীয় পার্টি, হারুন অর রশীদ সভাপতি শান্তিগন্জ উপজেলা জাতীয় পার্টি
আনেয়ার হোসেন, সেলিম উদ্দিন, দিলরব হোসেন, ঝুনু তালুকদার, জাপানেতা বুকুল মিয়া,আবুল কালাম, নুরুল হক প্রমুখ।
-

৩ লাখ টাকা মুক্তিপণ না পেয়ে মাদ্রাসা ছাত্র হাসিবকে খুন করল ঘাতকেরা। মৃতদের উদ্ধার, আটক-৭
অমল তালুকদার, পাথরঘাটা (বরগুনা) থেকে: মুক্তিপণের ৩ লাখ টাকা না পাওয়ায় অপহৃত হাসিব (১৪)কে শেষপর্যন্ত হত্যা করলো সংঘবদ্ধ অপহরণকারী ঘাতকেরা। পুলিশের প্রথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত ও মুল পরিকল্পনাকারী আব্দুল্লাহ আল নোমান হত্যার দায় স্বীকার করেছে। এরপরে তার কথিতমতে রবিবার রাতে পাথরঘাটার বাইনচটকী এলাকার বিষখালী নদীর তির থেকে ড্রামে ভরে মাটিচাপা দেয়া অবস্থায় হাসিবুলের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।
এর আগে শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে পূজা দেখতে যাওয়ার কথা বলে বের হয় শিশু হাসিবুল। নিখোজের ৩ দিন পর ওই কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
ঘাতকের হাতে নির্মমভাবে হত্যাকান্ডের শিকার হাসিব পাথরঘাটার সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ পাথরঘাটা গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে।
হত্যার আগে অপহরণকারীরা মুক্তিপণের ৩ লাখ টাকা চেয়ে পরিবারের কাছে হাসিবুলকে নির্যাতনের একটি ভিডিও মুঠোফোনের মাধ্যমে পাঠায়।
এবং তারা হাসিবের ব্যবহৃত মোবাইল থেকে পরিবারের কাছে মুক্তিপণের তিন লাখ টাকা চেয়ে বারবার ডায়েল করতে থাকে।
এঘটনায় বরগুনা জেলা ডিবিপুলিশ এবং পাথরঘাটা থানাপুলিশের যৌথঅভিযানে অপহরণকারী দলের অভিযুক্ত ৭ জনকে আটক করেছে । তবে ওই অপহরণকারী দলের প্রধান আবদুল্লাহ আল নোমানের নাম বললেও ন্যায় বিচার এবং তদন্তের স্বার্থে বাকিদের নাম বলেননি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
ঘাতক আবদুল্লাহ আল নোমান উপজেলার সদর ইউনিয়নের বাদুরতলা গ্রামের মহিবুল্লাহর ছেলে।
পাথরঘাটা থানার উপপরিদর্শক সাব-ইন্সপেক্টর আলী হোসেন জানান, অপহরণের পর থেকে তাদের অনুসন্ধান অব্যাহত ছিল। তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে দেখা যায় অপহরণকারীরাা বারবার স্থান পরিবর্তন করছে। যেকারণে তাদের কব্জায় নিতে এতটা বিলম্ব হয়েছে। বিষখালী নদী সংলগ্ন কাকচিড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ বাইনচটকি স্লুইজগেট এলাকা থেকে মাটিতে পুঁতে রাখা ড্রামের ভেতরে অর্ধগলিত মরদেহটি পাওয়া যায়।
পুলিশ সূত্রে জানাগেছে, অপহরণকারীদের কমপক্ষে ৭জনের একটি সংঘবদ্ধ দল ছিল। ৩ লাখ টাকার জন্য হাসিবকে অপহরণ করে প্রথমে পাথরঘাটা পৌর শহরের ঈমান আলী সড়কের একটি বাসায় নির্যাতন করে এবং ওই নির্যাতনের ভিডিওটি পরিবারের কাছে পাঠানো হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, মুক্তিপণের টাকা না পেয়ে ওই বাসায় বসেই হাসিবকে হত্যা করে একটি প্লাস্টিকড্রামে ভরে ইজিবাইকে করে দক্ষিণ বাইনচটকি এলাকায় নিয়ে যায়। সেখানে মাটিতে পুঁতে রাখে তারা।
তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে পাথরঘাটার হোগলাপাশা গ্রামের শ্বশুর বাড়ি ইউনুস মুন্সির ঘরে অভিযান করে আসামি আব্দুল্লাহ আল নোমানকে গ্রেপ্তার করে ডিবিপুলিশ। পরে নোমানকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে জানায়, হাসিবকে কৌশলে আসামির পৌরশহরের ঈমানআলী রোডের ভাড়া বাসায় নিয়ে যায়। খাওয়ানো হয় ঘুমের ওষুধ। এরপর রাতে ঘুম পাড়িয়ে রাখা হয় সাকিবকে।
২১ অক্টোবর শনিবার সকালে হাসিবের হাত, পা, মুখ বাধা এবং নির্যাতনের একটি ভিডিও পাঠিয়ে দ্রুত মুক্তিপণের টাকা দাবী করা হয়। দাবীকৃত টাকা না পেয়ে শিশু হাসিবকে গলায় রশি দিয়ে ফাঁস লাগিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে। (২২ অক্টোবর রবিবার সকালে হাসিবুলের মৃতদেহ আসামি নোমানের শ্বশুর বাড়ি নিয়ে যায়। সেখানে ঘরের মধ্যে লুকিয়ে রাখে। সন্ধ্যায় আসামি নোমানের সুমন্দি আব্দুর রহিম মুন্সির সহযোগিতায় ইজিবাইক চালক আব্দুর রহিম কাজির গাড়িতে করে দক্ষিণ বানচটকি মজিদ খার বাড়ির সামনের রাস্তার গর্তে মাটিচাপা দিয়ে রাখে। এরপরে আসামি নোমানের কথিতমতে মতে হাসিবের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ ।
এঘটনায় এপরযন্ত গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- গহরপুর গ্রামের মহিউদ্দিনের ছেলে অভিযুক্ত আব্দুল্লাহ আল নোমান (১৯), তার সম্বন্ধী ইউনুসের ছেলে আ. রহিম মুন্সি,নোমানের শ্বশুর মো. ইউনুস (৬৫), ফুফাত ভাই সৈয়দ আলী মাঝির ছেলে মো. জসিম (৩০), ইউনুসের মেয়ে তানজিলা (২৩), স্ত্রী তাহিরা (১৯), শাশুড়ি রহিমা (৫৫), ইজিবাইক চালক আব্দুর রহিম কাজি (৪৫)।
পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)মোঃ শাহ আলম হাওলাদার বলেন, আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। এর সঙ্গে আরও কেউ আছে কিনা এবং কোনো রহস্য আছে কিনা তা অনুসন্ধান শেষে বলা যাবে।
-

গোপালগঞ্জে সড়ক দূর্ঘটনায় চিকিৎসক নিহত
স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জের শেখ সায়েরা খাতুন মেডিকেল কলেজের সার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা: তপন কুমার মন্ডল (৩৮) সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন।
রোববার (২২ অক্টোবর) রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
আজ সোমবার (২৩ অক্টোবর) সকালে ফরিদপুরের ভাংগা হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খায়রুল আলম ও গোপালগঞ্জ শেখ সায়েরা খাতুন মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা: মো. জাকির হোসেন বিষয় নিশ্চিত করেছেন।
নিহত ডা: তপন কুমার মন্ডল বাগেরহাট জেলার চিতলমারী উপজেলার পরানপুর গ্রামের গৌর দাস মন্ডলের ছেলে ও গোপালগঞ্জের শেখ সায়েরা খাতুন মেডিকেল কলেজের সার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ছিলেন।
নিহত চিকিৎসকের স্ত্রী ডা: শর্মীষ্ঠা ঘোষাল জানান, তারা বর্তমানে মিরপুরে থাকেন। রোববার দুপুরে গোপালগঞ্জ থেকে ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে ঢাকায় ফিরছিলেন তার স্বামী ডা: তপন কুমার মন্ডল। পথে মুকসুদপুরে গেড়াখোলায় ব্যক্তিগত গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হন তিনি। সেখান থেকে প্রথমে গোপালগঞ্জে পরে সন্ধ্যায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজের নিয়ে নিবির পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেয়া হয়। সেখানে রাতেই তার মৃত্যু হয়।
গোপালগঞ্জের শেখ সায়েরা খাতুন মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা: মো. জাকির হোসেন বলেন, ডা: তপন কুমার মন্ডলের দূর্ঘটনার কথা জানতে পেরে আমরা ছুটে যাই। প্রথমে গোপালগঞ্জ চিকিৎসা দেওয়া হয় পরে তাকে আমরা ঢাকা মেডিকেল কলেজে নিয়ে যাই। ডা: তপন কুমার মন্ডলের মৃত্যুতে আমরা শোকাহত। আজ ভোরে তার মরদেহ গোপালগঞ্জের শেখ সায়েরা খাতুন মেডিকেল কলেজে আনা হয়। এরপর তাকে তার গ্রামের বাড়ি বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার পরানপুর গ্রামে নেয়া হয়েছে। সেখানে ধর্মীয় মতে তার অন্তেষ্টিক্রিয়া করা হবে। ডা: তপন মন্ডলের মৃত্যুতে আমরা কালো ব্যাচ ধারনসহ শেক বার্তা জানিয়েছি।
ফরিদপুরের ভাংগা হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খায়রুল আলম জানান, সোমবার দুপুর দেড়টার দিকে গোপালগঞ্জ থেকে ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে ঢাকায় যাচ্ছিলেন। এসময় মুকসুদপুরের গেরাখোলা এলাকায় দুর্ঘটনার শিকার হন তিনি। আমরা জানতে পেরেছি আহত ওই চিকিৎসক রাতে মারা গেছে। #
-

উপকূলের মোংলা সমুদ্র বন্দরে দূরবর্তী সতর্কতা সংকেত, আকাশ মেঘাচ্ছন্ন
এস এম সাইফুল ইসলাম কবির,বাগেরহাট :পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি ক্রমেই ঘনীভূত হচ্ছে। গভীর নিম্নচাপ কেন্দ্রে বাতাসের গতিবেগ একটানা ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে সাগর উত্তাল হয়ে উঠেছে।
নিম্নচাপের প্রভাবে সোমবার (২৩ অক্টোবর) ভোর থেকে বাগেরহাটের মোংলা সমুদ্র বন্দরসহ সংলগ্ন উপকূলীয় এলাকাজুড়ে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন রয়েছে। সেই সঙ্গে উপকূলে বয়ে যাচ্ছে হালকা-মাঝারি ঝোড়ো বাতাসও। এদিকে এ নিম্নচাপের কারণে মোংলা সমুদ্র বন্দরকে ১ নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অফিস।মোংলা আবহাওয়া অফিস ইনচার্জ হারুন অর রশিদ বলেন, গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলে ঝড়-বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। সিগন্যাল বাড়লে সেই সঙ্গে বাড়বে বৃষ্টি-বাতাসও। আপাতত ১ নম্বর সিগন্যাল জারি রয়েছে, এর ফলে উপকূলের আকাশ মেঘলা রয়েছে।
-

সেরনিয়াবাত আশিক আব্দুল্লাহ’র গৌরনদীর বিভিন্ন পুজা মন্ডপ পরিদর্শন
বি এম মনির হোসেনঃ-
বরিশালের গৌরনদীতে শুভ অষ্টমী পূজায় বিভিন্ন পুজা মন্ডপ পরিদর্শন করেছেন বরিশালের জেলা আওয়ামী লীগের অন্যতম নির্বাহী সদস্য , জাতির পিতার নাতি সেরনিয়াবাত আশিক আব্দুল্লাহ।এ সময় মন্ডপে উপস্থিত ভক্ত ও দর্শনার্থীদের সাথে শারদীয় শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করেন তিনি। মন্ডপ পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন পৌর মেয়র ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ হারিছুর রহমান হারিছ, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এইচএম জয়নাল আবেদীন, জেলা পরিষদের সদস্য রাজু আহম্মেদ হারুন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ফরহাদ হোসেন মুন্সী, উপজেলা আওয়ামীলীগের কোষাধ্যক্ষ ভোলা সাহা, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আনিছুর রহমান, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জুবায়েরুল ইসলাম সান্টু, সাধারণ সম্পাদক মোঃ লুতফুর রহমান দিপ, ছাত্রলীগ নেতা মাহামুদুর রহমান সাগর সেরনিয়াবাত, টরকী বন্দর শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দ মন্দির পূজা উদ্যাপন কমিটির উপদেষ্টা অমর কৃষ্ণ রায়, সভাপতি ভজন কুন্ড, সহ-সভাপতি শিশির কুমার কুন্ড, সাধারণ সম্পাদক সমীর সরকার, সহ সম্পাদক শেখর দত্ত বনিক, সুদেব মন্ডল সহ অন্যান্যরা।
