এ,কে,এম,খোরশেদ আলম
নাটোর জেলা সংবাদদাতাঃ
নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলা দুর্লভপুর গ্রাম থেকে চুরির অভিযোগে ২ জনকে আটক করেছে নলডাঙ্গা থানা পুলিশ।
নলডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন
ইং ১০/০৬/২০২৩ তারিখ সকাল অনুমান ১০.৩০ ঘটিকার সময় আসামী ১। মোঃ মনজুর মোল্লা (৪২), পিতা- মোঃ জয়েন মোল্লা,রি সাং- দুর্লভপুর (হাইস্কুল সংলগ্ন), ২। মোঃ রাসেল সরকার (২৪), পিতা- মোঃ বাবু মিয়া,সাং- দুর্লভপুর (রেলকলোনী), উভয় থানা-নলডাঙ্গা, জেলা- নাটোর দ্বয় নলডাঙ্গা থানাধীন মোঃ সাত্তার সরদার (৬০)পিতা- মৃত আবু তাহের সরদার, সাং- সরকুতিয়া পূর্বপাড়া, থানা- নলডাঙ্গা, জেলা- নাটোর এর বাড়িতে কেহ না থাকার সুযোগে উক্ত বাড়ীর জানালা ভেঙ্গে তাহার শয়ন কক্ষে থাকা স্টীলের বাক্সে রক্ষিত নগদ ২০,০০০/-টাকা ও একজোড়া স্বর্ণের বালা, যাহার ব্রঞ্চ সহ ওজন ৫৩.৩৮ গ্রাম, মূল্য অনুমান ২৪,০০০/-টাকা চুরি করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা কালে স্থানীয় জনগনের সহায়তায় নলডাঙ্গা থানা পুলিশ আসামীদের আটক করে এবং মালামাল উদ্ধার করেন। আসামীদের বিরুদ্ধে নলডাঙ্গা থানার মামলা নং-০৭ তাং-১০-০৬-২০২৩ ইং ধারা- ৪৫৪/৩৮০/৪১১ পেনাল কোড রুজু করিয়া বিজ্ঞ আদালতে সোপদ করা হয়েছে।
Author: desk
-

নলডাঙ্গায় চুরির অভিযোগে আটক ২
-

সুন্দরবন থেকে পাচারকালে ১৬০কেজি জবাইকৃত হরিণের মাংস উদ্ধার
অমল তালুকদার, পাথরঘাটা(বরগুনা)থেকে: ১১ জুন রবিবার রাতে পুলিশের অভিযানে একটি মাছধরা ট্রলার সহ ৪বস্তা হরিণের মাংস উদ্ধার করা হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চরদুয়ানী নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (পুলিশ পরিদর্শক) মোঃ শহিদুল ইসলাম সরদার।
বরগুনার পাথরঘাটা চরদুয়ানী নৌ-পুলিশের চলমান সমুদ্রে ৬৫ দিনের মাছধরা নিষেধাজ্ঞার টহলকালে এই মাংসগুলো জব্দ করা হয় বলে জানিয়েছেন শহিদুল ইসলাম সরদার ।
খোজ নিয়ে জানাগেছে, রবিবার রাত অড়াইটার দিকে সুন্দরবন থেকে মাছধরা ট্রলারযোগে পাচারকালে ৪টি বস্তাবন্দী অবস্থায় ১৬০ কেজি জবাইকৃত হরিণের মাংসসহ একটি মাছধরা ট্রলার বলেশ্বর নদের চরদুয়ানী শাখা খালের গোড়ায় জাহাঙ্গীর মেম্বরের কয়লার ঘাটে নোঙড় করে। এসময় পাচারকারীরা চরদুয়ানী ফাঁড়ির টহল পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ ওই ট্রলারে মাছধরা জালের ভেতরে লুকানো অবস্থায় হরিণের মাংসগুলো জব্দ করে।
ধারণা করা হচ্ছে ওই স্থান থেকে সড়কপথে মাংসগুলো ভোর হওয়ার আগেই তাদের গন্তব্যে পৌঁছে দেয়ার জন্য মজুদ করা হয়েছিল।
এরিপোর্ট তৈরিকালে উদ্ধারকৃত মাংস এবং ট্রলারটির আইনানুগ ব্যবস্থা প্রকৃয়াধিন ছিল।
-

ঠাকুরগাঁওয়ে ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ২ আহত ৪
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি॥ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে মোটরসাইকেল, নছিমন ও থ্রিহুইলার (পাগলু)’র ত্রিমুখী সংঘর্ষে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। একই ঘটনায় জন আহত হয়েছেন আরও ৪।
রোববার ১১ জুন ঠাকুরগাঁও-বালিয়াডাঙ্গী মহাসড়কের বালিয়া পুকুর নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- জেলার রাণীশংকৈল উপজেলার মুজাহিদাবাদের খতু মোহাম্মদের ছেলে আলিম উদ্দীন (৫৫) ও আরাজি চন্দনচহট মালি বস্তি গ্রামের মৃত দরবারুর ছেলে আবুল হোসেন (৬৭)।
আহতরা হলেন- বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বড়বাড়ী ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান (৪৫), আমজানখোর ইউনিয়নের হরিণমারী গ্রামের আবেদুল (৪০), ভানোর ইউনিয়নের হলদিবাড়ী গ্রামের হাবিবুর রহমান (৩৬) ও রাণীশংকৈল উপজেলার মহেশপুর গ্রামের সহিদুল ইসলাম (৫০)।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঠাকুরগাঁও থেকে গরু নিয়ে একটি নছিমন ও একটি থ্রিহুইলার (পাগলু) বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা শহরের চৌরাস্তার দিকে যাচ্ছিল। হঠাৎ করে অন্যদিক থেকে মোটরসাইকেল নিয়ে মহাসড়কে উঠেন ইউপি সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান। এতে প্রথমে পাগলুর সাথে মুখোমুখি ধাক্কা লাগে। আর এসময় পিছনে থাকা নছিমন এসে পাগলুকে ধাক্কা দেয়। এতে পাগলু ও মোটরসাইকেল দুমড়ে মুচড়ে গেলে ঘটনাস্থলেই পাগলুর যাত্রী আলিম উদ্দীন মারা যান।
পরে বালিয়াডাঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে
কর্তব্যরত চিকিৎসক আবুল হোসেনকে ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতাল ও বাকিদের রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল এবং ১ জনকে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে রেফার্ড করেন। পরে দুপুরে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আবুল হোসেন মারা যান।বালিয়াডাঙ্গী থানার উপ-পরিদর্শক আব্দুস সোবহান জানান, ঘটনাস্থলে আলিম উদ্দীন ও পরে দুপুরে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আবুল হোসেন মারা যান। ঘটনাস্থল থেকে দুমড়ে মুচড়ে যাওয়া মোটরসাইকেল, নছিমন ও থ্রিহুইলার (পাগলু) উদ্ধার করে বালিয়াডাঙ্গী থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।
গৌতম চন্দ্র বর্মন
ঠাকুরগাঁও -

ময়মনসিংহ সদরে ইউপি চেয়ারম্যান, সদস্য ও সচিবদের মৌলিক প্রশিক্ষণ
মোঃ আরিফ রববানী ময়মনসিংহ
স্থানীয় পর্যায়ে সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড জনগনের মাঝে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষে ময়মনসিংহ সদর উপজেলার ইউপি চেয়ারম্যান, সদস্য ও সচিবদের মাঝে ইউনিয়ন পরিষদ সম্পর্কিত মৌলিক প্রশিক্ষণ কোর্স অনুষ্ঠিত হয়েছে।শনিবার (১০ই জুন) সকাল ১০ টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউট (এন আই এলজি)আয়োজনে উপজেলা প্রশাসনের বাস্তবায়নে ৩ দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন করা হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চ্যুয়ালী যুক্ত থেকে বক্তব্য দেন,ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক মোস্তাফিজার রহমান । জেলা প্রসাশক মোস্তাফিজার রহমান বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে জনপ্রতিনিধিদের বিভিন্ন কর্মকান্ড সঠিকভাবে পালন করতে হবে। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সচিব ও মেম্বারদের সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী করণীয় নিয়ে দীর্ঘসময় আলোচনা করেন তিনি। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা আব্দুল সালাম এর সঞ্চালনায় এ সময় স্থানীয় সরকার উপপরিচালক সফিকুল ইসলাম উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আশরাফ হোসাইন, সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এসোসিয়েশন এর সভাপতি ও সিরতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবু সাঈদ সহ উপজেলার সিরতা,চর নিলকক্ষিয়া, দাপুনিয়া,ভাবখালী,চর ঈশ্বরদিয়া,খাগডহর এই ৬টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্য ও সচিবরা উপস্থিত ছিলেন। ১০,১১,১২ ই জুন তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করবেন উপজেলার সকল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সচিব, ইউপি সদস্য ও সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্যবৃন্দ।
-

সরকারি সহায়তা ছাড়াই চলছে ‘রানাপাশা মাহমুদিয়া রহমানিয়া এতিমখানা’
ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক
মানব শিশুরা নিষ্পাপ, বেহেশতের ফুল। সে ধনীর দুলালই হোক বা হতদরিদ্র অসহায় মা-বাপ হারা এতিম শিশুই হোক। কিন্তু আমাদের সমাজে অসহায় দরিদ্র এতিম শিশুদের দায়িত্বভার অনেকেই নিতে চাই না। তাই এসব অসহায় এতিম শিশুরা পেটের দায়ে ক্ষুধা নিবারণ করতে পথে পথে ঘুরে বেড়ায়। যে কারণে কেউ কেউ ওই সকল অসহায়, দরিদ্র এতিম শিশুদের টোকাই বা পথশিশু বলে সম্বোধন করে থাকি। যা কোনভাবেই মেনে নিতে পরতেন না ঝালকাঠির জেলার নলছিটির রানাপাশা গ্রামের মরহুম মতিয়ার রহমান মল্লিক। তিনি ঢাকায় একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যাবসায়ি। স্বপরিবারে ঢাকাতে বসবাস করলেও এলাকার অসহায়, দরিদ্র এতিম শিশুদের প্রতি তার মমত্ববোধ ও ভালোবসা থেকেই ২০১৪ইং সালে নিজ এলাকায় তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ‘রানাপাশা মাহমুদিয়া এতিমখানা ও হাফেজি মাদরাসা’। এ প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে ৩০ জন এতিম শিশু আছে। যারা এই এতিমখানায় থেকে হাফেজি পড়ছেন। তাদের ভরণ পোষন প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকেই করা হচ্ছে।
সরেজমিন গিয়ে এ প্রতিবেদকের সাথে কথা হয় প্রতিষ্ঠানের মরহুম মতিয়ার রহমানের জেষ্ঠ্য পুত্র প্রতিষ্ঠানের সভাপতি মো. মিজানুর রহমান মল্লিক এর সাথে। তিনি জানান, ২০১৪ সালে নিজ বাড়ির আঙ্গিনায় ৩৩ শতাংশ জমির উপড় এতিম শিশুদের জন্য ‘রানাপাশা মাহমুদিয়া এতিমখানা ও হাফেজি মাদরাসা’র দোতলা ভবন নির্মাণ করেন মরহুম মতিয়ার রহমান মল্লিক। সেই থেকে চলছে সম্পূর্ণ ব্যাক্তি উদ্যোগে কারো কোন সাহায্য সহযোগিতা ছাড়া নিজ অর্থায়নে প্রতিষ্ঠিত এতিমখানা ও হাফেজি মাদরাসা। ইতমধ্যে ২০১৯ সালের নভেম্বর মাসে ইন্তেকাল করেন ‘রানাপাশা মাহমুদিয়া এতিমখানা ও হাফেজি মাদরাসা’র প্রতিষ্ঠাতা মতিয়ার রহমান মল্লিক। এর আগে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের ব্যায়ভার বহনের জন্য দান করে গিয়েছেন ১ এরর কৃষি জমি এবং রানাপাশা নতুন হাটে তার নিজস্ব ২০টি দোকানঘর। কিন্তু এ থেকে যা আয় হয়, তা দিয়ে বর্তমানে ৩০ জন এতিম শিশুর ভরণ পোষন, শিক্ষক ও কর্মচারিদের বেতন সহ অন্যান্য খরচ বহন করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই পারিবারিক ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান ‘টি সি কনসোর্টিয়াম’ প্রতিষ্ঠানের ব্যায়ভার বহন করা হচ্ছে বলেও জানান প্রতিষ্ঠানের সভাপতি মো. মিজানুর রহমান মল্লিক।
তিনি আরো জানান, ব্যাবসায়িক কারণে স্বপরিবারে ঢাকাতে থাকলেও প্রতিষ্ঠানটি যাতে ভালোভাবে চলে, এতিম শিশুদের যাতে থাকা খাওয়ায় কষ্ট না হয় তা দেখভাল করতে প্রতিমাসে এরবার বাড়িতে আসেন এবং নিজেই সবকিছু তদারকি করেন। বর্তমানে এতিম শিশুদের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় ‘রানাপাশা মাহমুদিয়া এতিমখানা ও হাফেজি মাদরাসা’র দোতলা ভবনটির ৩য় তলার কাজ শুরু করেছেন তিনি। যা অল্প কিছুদিনের মধ্যেই শেষ হবে। প্রতিষ্ঠানটি নিবন্ধনের জন্য জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরে আবেদন করা হয়েছে। নিবন্ধিত হওয়ার পরে সরকারি সহায়তা পেলে আরও ভালভাবে চলবে বলে মনে করেন ‘রানাপাশা মাহমুদিয়া এতিমখানা ও হাফেজি মাদরাসা’র প্রতিষ্ঠাতা মরহুম মতিয়ার রহমানের জেষ্ঠ্য পুত্র প্রতিষ্ঠানের সভাপতি মো. মিজানুর রহমান মল্লিক। -

বই পড়লে জ্ঞান বাড়ে”তাই নিয়মিত বই পড়ুন
স্টাফ রিপোর্টার:- নিরেন দাস
প্রিয় পাঠক ভাই ও বোনেরা বর্তমান বাংলাদেশ পুলিশ এর অতিরিক্ত আইজিপি”ব্যাপক সুনামধন্য পুলিশ কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান হাবিব মহোদয়ের লেখা “ঠার বেদে জনগোষ্ঠীর ভাষা” বইটি ২০২৩-ইং সালের অমর একুশে বইমেলায় শৈল্পিক গুণমান বিচারে পাঞ্জেরী প্রকাশিত ও গবেষক কর্তৃক নির্বাচিত এই বইটি পড়ে বেদে জনগোষ্ঠীদের সম্পর্কে আরো অসংখ্য অজানা অনেক কিছু জানতে পারবেন। তাই দেড়ি না করে আজই দেশের যেকোনো লাইব্রেরী থেকে বইটি সংগ্রহ করে নিজে বইটি পড়ুন পাশাপাশি অন্যকেও বইটি পড়তে উৎসাহিত করুন।
প্রচারেঃ- সাংবাদিক নিরেন দাস
(স্টাফ রিপোর্টার)
দৈনিক নতুন বাজার পত্রিকা
(সাধারণ সম্পাদক)
উপজেলা প্রেসক্লাব,আক্কেলপুর”জয়পুরহাট।
(যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক)
বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটি,রাজশাহী বিভাগীয় কমিটি।
(সহ-প্রচার সম্পাদক)
সাংবাদিক উন্নয়ন সোসাইটি অব বাংলাদেশ(ইউএসবি) কেন্দ্রীয় কমিটি। -

নীলফামারী জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায়- তথ্য মন্ত্রী
মোঃ হামিদার রহমান নীলফামারী প্রতিনিধিঃ নীলফামারীতে ১১ জুন রোজ রোববার বিকেল ৩ ঘটিকার সময় জেলা শিল্পকলা একাডেমি নীলফামারী, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নীলফামারী জেলা শাাখার আয়োজনে বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত আনুষ্ঠানিক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. হাছান মাহমুদ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ও যুগ্ম- সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটি , প্রধান বক্তা সুজিত রায় নন্দী, সাংগঠনিক সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটি, উদ্বোধক- আসাদুজ্জামান নুর, সংসদ সদস্য নীলফামারী- ২ , বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এ্যাড. হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়া, সাবেক -সংসদ সদস্য ও কার্যনির্বাহী সদস্য বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটি, এ্যাড. সফুরা বেগম রুমি, সাবেক, সংসদ সদস্য ও কার্যনির্বাহী সদস্য- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটি, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আফতাব উদ্দিন সরকার এমপি নীলফামারী- ১ ও সভাপতি -বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ডিমলা উপজেলা শাখা, সভাপতিত্ব করেন দেওয়ান কামাল আহমেদ, সভাপতি- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নীলফামারী জেলা শাখা ও মেয়র- নীলফামারী পৌরসভা, সঞ্চালনায়ঃ এ্যাড. মমতাজুল হক, সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নীলফামারী জেলা শাখা ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নীলফামারী, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা, সাবেক এমপি নীলফামারী -৩ ও সভাপতি- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ জলঢাকা উপজেলা শাখা এবং আবু সাঈদ শামীম, সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ জলঢাকা উপজেলা শাখা এবং জেলার সকল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী সহ ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। -

শেরপুরের একজন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নুরুল ইসলাম হিরো
মোঃতারিফুল আলম (তমাল)
শেরপুর জেলা প্রতিনিধিসনদসর্বস্ব নামমাত্র মুক্তিযোদ্ধা তিনি নন, মুক্তিযুদ্ধ থেকে উৎসারিত চেতনার ফল্গুধারা তার রন্ধ্রে-রন্ধ্রে প্রবহমাণ। তার যুদ্ধ একাত্তরেই সীমাবদ্ধ ছিল না, তিনি যুদ্ধ করে চলছেন এখনও। তিনি কেবল পাকিস্তান সেনাবাহিনী বা তাদের এ-দেশীয় জামায়াতি দোসরদের বিরুদ্ধেই যুদ্ধ করেননি, তাকে লড়তে হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের চেয়েও বড় আরেকটি যুদ্ধে। সেই যুদ্ধটি তার নিজ পরিবারের বিরুদ্ধে, বাবার বিরুদ্ধে, মায়ের বিরুদ্ধে, বোনের বিরুদ্ধে, বোনের স্বামীর বিরুদ্ধে। সশস্ত্র বহিঃশত্রুর বিরুদ্ধে ৯ মাস যুদ্ধ করার চেয়ে ৪৫ বছর ধরে নিজের নিরস্ত্র পরিবারের বিরুদ্ধ যুদ্ধ করা নিঃসন্দেহে কঠিন।
নুরুল ইসলাম হিরোর ছোটবোন নুরুন নাহারের বিয়ে হয় ১৯৭৯ সালে, শেরপুরের আল-বদর কমান্ডার কামারুজ্জামানের সাথে। কর্মক্ষেত্র থেকে বাড়িতে এসে হিরো যখন জানতে পান বাবা -মা একজন রাজাকারের সাথে নুরুন নাহারের বিয়ে ঠিক করেছেন, তখন তিনি সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন ঐ বিয়ে ভাঙার জন্য। বিয়ে ভাঙতে ব্যর্থ হয়ে তার মাকে তিনি বলেছিলেন, ‘তুমি ভুল করছ, মা, আওয়ামী লীগ একদিন ক্ষমতায় আসবে। তখন যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবে, তোমার মেয়ে তখন বিধবা হবে, মনে রেখো।’মাকে এ-কথা বলে ব্যর্থ-বিধ্বস্ত হতাশ-হতোদ্যম হিরো তৎক্ষণাৎ বাড়ি ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন এবং পরিবারের সাথে সম্পর্ক প্রায় ছিন্ন করেছিলেন। যে রাজাকারদের বিরুদ্ধে মাত্র আট বছর আগে তিনি অস্ত্র ধরেছিলেন, আট বছর পর সেই রাজাকারদেরই এক কমান্ডারের সাথে আপন বোনের বিয়েকে তিনি গণ্য করেছিলেন জীবনের বৃহত্তম পরাজয় হিশেবে। বোনের সাথে সব ধরনের সম্পর্ক ছিন্ন করেছিলেন হিরো। কামারুজ্জামান শেরপুরে যতবার সংসদ-নির্বাচন করেছিল, হিরু ততবার তার বিরোধিতা করেছিলেন এবং পাঁচটি নির্বাচনের একটিতেও জিততে পারেনি জামায়াত-নেতা কামারুজ্জামান। হিরো চাকুরী করতেন অগ্রণী ব্যাংকে । প্রতিটি নির্বাচনের সময় তিনি ছুটি নিয়ে এসে বন্ধু বান্ধবদের এবং তার অনুসারীদেরকে ঐক্যবদ্ধ করে নিজেদের ব্যয়ে আওয়ামী লীগ এর প্রার্থীর পক্ষে দিবারাত্রি প্রচারণা করতেন। তার কাজে শতভাগ সততা, স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা আজকের যুগে তুলনাহীন। জীবনে অন্যায়ের সাথে কখনও আপোষ করেননি। নীতি ও আদর্শ থেকে কখনও তিনি পিছলে পড়েননি। বংগবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত চেতনা বাস্তবায়নে তিনি জীবন বাজী রেখে কাজ করে যাচ্ছেন। অর্থ, সম্পদের প্রতি তার কোন মোহ নেই। বোনের বিয়ের ৩৬ বছর পরও পরিবারের সাথে আপস করেননি হিরো। আপন ভগ্নীপতি কামারুজ্জামানের ফাঁসির দাবিতে হিরো আন্দোলন করে গেছেন এবং ২০১৪ সালের বিজয় দিবসের মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশে ঘোষণা দেন যে কামারুজ্জামানের ফাসি কার্যকরের পর শেরপুরের মাটিতে তার লাশ কবর দিতে দেয়া হবেনা। সেই দাবীতে তার নেতৃত্বে বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ আন্দোলন চালিয়ে যান এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট স্মারকলিপি পেশ করেন। ২০১৫ এর ১১ এপ্রিল ফাসি কার্যকর হচ্ছে জেনে তিনি ঢাকা থেকে শেরপুরে আসার সকল সড়ক অবরোধ করার ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। শেরপুরের জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা তাকে নকলা থেকে অনুনয় বিনয় করে ডেকে নিয়ে এসে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি ও সেক্টর কমান্ডার ফোরামের নেতৃবৃন্দের সাথে আলোচনায় বসে অবরোধ তুলে নেয়ার জন্য অনুরোধ জানান। সরকারের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অনুরোধে সরকারের সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শেষ পর্যন্ত অবরোধ তুলে নেন। তবে তিনি এখনও মনে করেন, এলাকায় যুদ্ধপরাধীদের। কবরের সিদ্ধান্ত মোটেই সঠিক হয়নি। বাংলাদেশে নিজের একমাত্র বোনের স্বামীর ফাসির রায় দ্রততার সাথে দেয়া, ফাসি কার্যকরের পর এলাকায় কবর না দেয়ার ঘোষণা তিনিই একমাত্র দিয়েছেন, যা একটি বিরল ঘটনা। একজন সত্যিকারের প্রকৃত দেশপ্রেমীক। -

পরিবেশ সাংবাদিকতায় প্রকাশ ঘোষ বিধান কে সম্মাননা
পাইকগাছা(খুলনা) প্রতিনিধি।।
পরিবেশ সংরক্ষণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখায় পরিবেশ সাংবাদিকতায় প্রকাশ ঘোষ বিধান কে সম্মাননা স্মারক দেওেয়া হয়েছে। ১০ জুন শনিবার বাংলাদেশ স্কাউটস খুলনা রেলওয়ে জেলা সদর দপ্তর মিলায়তনে বেদে জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন শীর্ষক আলোচনা সভায় তাকে পরিবেশ সাংবাদিকতায় সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।সোজন বাদিয়ার ঘাট এর আয়োজনে বাংলাদেশ স্কাউটস খুলনা রেলওয়ে জেলা সদর দপ্তর মিলায়তনে কবি,গবেষক ও সংগঠক স ম হাফিজুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিধি ছিলেন, খুলনা নর্দান ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এণ্ড টেকনোলজি এর রেজিষ্ট্রার প্রফেসর ড. মো: শাহ আলম।বিশেষ অতিথি ছিলেন,বাংলাদেশ স্কাউটস খুলনা রেলওয়ে অ লের আ লিক উপ -কমিশনার মো:ফজলুল বারী মল্লিক, ফকিরহাট কাজি আজহার আলি কলেজের প্রভাষক আবুল আহসান টিটু, পরিবেশ বাদী সংগঠণ বনবিবি র সভাপতি সাংবাদিক ও কলামিস্ট প্রকাশ ঘোষ বিধান, নজরুল গবেষক কবি সৈয়দ আলি হাকিম।অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, মো: শাহজাহান আলী।ইমদাদুল হক,
পাইকগাছা,খুলনা। -

পাইকগাছায় চরম ঝুঁকিতে গড়ইখালীর ভাঙ্গন কবলিত খুদখালী এলাকা; ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বিকল্প প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণ
পাইকগাছায় সুন্দরবন সংলগ্ন গড়ইখালীর খুদখালীর ভাঙ্গন কবলিত এলাকা চরম ঝুঁকিতে রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা ভেঙ্গে যে কোন মুহূর্তে দুই উপজেলার ৫ ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হতে পারে এমন আশঙ্কায় ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় বিকল্প প্রতিরক্ষাবাঁধ নির্মাণ করা হচ্ছে।
উপজেলা প্রশাসনের দিক নির্দেশনায় ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের তদারকিতে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ প্রতিরক্ষাবাঁধ নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন করছে। উল্লেখ্য, উপজেলার সুন্দরবন সংলগ্ন গড়ইখালী ইউনিয়নের কুমখালীর খুদখালী এলাকায় ওয়াপদার বেড়িবাঁধে স্বাধীনতার পূর্বে ভাঙ্গন দেখা দেয়। ভাঙ্গন রোধে স্থানী কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় প্রতিবছর ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা। যে কোন দুর্যোগ কিংবা ভরাপূর্ণিমার সময়ে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার মধ্যে থাকে অত্র এলাকার মানুষ। ইতোমধ্যে ভাঙ্গন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা নিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।
সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় প্রাথমিক কাজ শুরু করলেও ভাঙ্গনে চরম ঝুঁকি দেখা দিয়েছে খুদখালী এলাকার মিজানের বাড়ী হতে সিরাজুলের বাড়ী পর্যন্ত ১৭৫ মিটার ওয়াপদার বেড়িবাঁধ। পুরাতন বেড়িবাঁধের বেশিরভাগ অংশ ইতোমধ্যে ভাঙ্গনে শিবসা নদীতে ভেসে গিয়েছে। ফলে গনের সময় নদীতে অস্বাভাবিক পানি বৃদ্ধি পেলে যে কোন মুহূর্তে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা থেকে ভেঙ্গে পোল্ডার অভ্যন্তরে পানি ঢুকে পড়তে পারে এমন আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।
ইউপি চেয়ারম্যান জিএম আব্দুস সালাম কেরু জানান, ভরা আমাবস্যা-পুর্ণিমা আসলেই নদীতে অস্বাভাবিক পানি বৃদ্ধি পায়। এ সময় ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা ভেঙ্গে গেলে পাইকগাছা উপজেলার গড়ইখালী, চাঁদখালী, লস্কর এবং কয়রা উপজেলার আমাদী ও মহেশ^রীপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে এমন আশঙ্কা রয়েছে। বিষয়টি স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ¦ আক্তারুজ্জামান বাবু, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মমতাজ বেগম ও পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহোদয় ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বিকল্প প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণ করার নির্দেশনা দিয়েছেন। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান আররাদ কর্পোরেশন এর সহযোগিতায় পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষের তদারকিতে স্কেভেটর দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে শনিবার সকাল থেকে বিকল্প প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়েছে। তবে ওয়াপদার নীচে সরকারি খাস জমিতে বসবাসরত অনেকেই নির্মাণ কাজে বাঁধা দিচ্ছেন বলে স্থানীয় এ জনপ্রতিনিধি জানান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলী আরাফাত জাহান, আওয়ামী লীগনেতা আব্দুস সাত্তার, আবুল কালাম, আব্দুল মজিদ গাইন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের আবু তাহের।ইমদাদুল হক,
পাইকগাছা,খুলনা।