Author: desk

  • নওগাঁ’র বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা শফিক খান-এর ইন্তেকাল

    নওগাঁ’র বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা শফিক খান-এর ইন্তেকাল

    রওশন আরা শিলা,নওগাঁ প্রতিনিধি ঃ নওগাঁয় বীর মুক্তিযোদ্ধা, প্রবীন রাজনীতিবিদ, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব শফিকুল ইসলাম খান ইন্তেকাল করেছেন। তিনি নওগাঁ’র প্রবীন আইনজীবি ইয়ার আলী খানের পুত্র এবং নওগাঁ সরকারী কলেজ থেকে অধ্যক্ষ হিসেবে অবসরপাপ্ত প্রফেসর মোঃ শরিফুল ইসলাম খানের বড় ভাই। তিনি নওগাঁ’র আপমর জনগনের কাছে শফিক খান হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি ম্যাজিষ্ট্রেট হিসেবে বিভিন্ন স্থানে দায়িত্ব পালন করেছেন। সবশেষ বগুড়া কালেক্টরেট থেকে ২০০৩ সালে অবসরগ্রহণ করেন। সেই থেকে অবসর জীবানযাপন করছিলেন।
    তিনি বেশ কিছুদিন যাবৎ বাধ্যক্যজনিত নানা রোগেব্যধিতে আক্রান্ত ছিলেন। ১১ জুন রবিবার রাত রাত ১২টা ১০ মিনিটে রাজশাহী পপুলার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
    তিনি স্ত্রী, দুই কন্যা, ভাইবোনসহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন, বন্ধুবান্ধব, সুভানুধ্যায়ী এবং মুক্তিযুদ্ধের সহযোদ্ধাদের রেখে গেছেন। তাঁর এক কন্যা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং আরেক কন্যা ঢাকা ভাসানটেক কলেজের শিক্ষক হিসেবে কর্তব্যরত রয়েছেন।
    পারিবারিকভাবে জানানো হয়েছে শফিক খান বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ নওগাঁ’র প্রথম কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এ ছাড়াও তিনি জাসদের রাজনীতির সাথে জড়িত এবং নওগাঁ জেলা কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ভালো একজন টেনিস খেলোয়াড় ছিলেন। একজ ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব হিসেবে জেলা ক্রীড়া সংস্থার নির্বাহী কমিটির সদস্যও ছিলেন।
    রবিবার বাদ আছর নওগাঁ নওযোয়ান ঈদগাহ মাঠে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদান এবং নামাজে জানাজা শেষে কেন্দ্রীয় কবরস্থানের মুক্তিযোদ্ধা অংশে তাঁর দাফন সম্পন্ন হয়। তাঁর নামাজে জানাজায় বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারী কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ব্যক্তি, ক্রীড়া, সাংস্কৃতি ও সামাজিক সংগঠনের সদস্যবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
    বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিক খানের মৃত্যুতে নওগাঁ জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ কায়েস উদ্দিন, সাধারন সম্পাদক শফিক ছোটনসহ সকল সদস্য গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। সেই সাথে শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদান জানিয়েছেন।#

  • সাংবাদিক পুত্র শিশু রিহানকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন

    সাংবাদিক পুত্র শিশু রিহানকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন

    রওশন আরা শিলা,নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি:
    নওগাঁর পত্নীতলা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইখতিয়ার উদ্দীন আজাদ এর একমাত্র শিশুপুত্র রাগিব ইশরাক রিহান জন্মগত হৃদরোগে ভূগছেন। বয়স ১৭ মাস প্রায়। বর্তমানে রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হসপিতাল লিঃ এর নবজাতক, শিশু ও স্টাকচারাল ইন্টারভেনশাল কার্ডিওলজিস্ট এবং ইনটেনসিভিন্ট ব্রিগেডিয়ার জেনারেল অধ্যাপক নুরুন নাহার ফাতেমা (অবঃ) এর তত্ত¡াবধানে চিকিৎসা নিচ্ছেন শিশু রিহান। তিনিসহ অন্যান্য চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শিশুটির রক্তনালির অপারেশন জরুরি। এজন্য ইন্ডিয়ার বেঙ্গালুরুতে নিয়ে কার্ডিয়াক সার্জন ডা: দেবী প্রসাদ শেঠির নিকট অপারেশন করতে পরামর্শ দিয়েছেন। এতে চিকিৎসা বাবদ আট (০৮) লক্ষাধিক টাকার প্রয়োজন। কিন্তু শিশুটির চিকিৎসা ব্যয় করানো দরিদ্র পরিবারের একার পক্ষে সম্ভব নয়। তাই সমাজের বিত্তবান ও সচ্ছল ব্যক্তিদের নিকট আর্থিক সাহায্যের আবেদন চেয়েছেন। সহৃদয়বান ব্যক্তিরা শিশু রিহানকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন। সাহায্য পাঠাতে যোগাযোগ করুণ ও বিকাশ (পারসোনাল) নম্বর: ০১৭২৮৬৩৭৪৪০ (শিশুর পিতা)। ইখতিয়ার উদ্দীন আজাদ, হিসাব নং-০০২০৭৭০৮৬, সোনালী ব্যাংক লি: পত্নীতলা শাখা, নওগাঁ । হিসাব নং-১১৮০১২১২২৪৩৭৮৬৮, মার্কেন্টাইল ব্যাংক লি: নজিপুর শাখা, নওগাঁ । হিসাব নং-এফ-২৭২০, ইসলামি ব্যাংক লি: নজিপুর শাখা, নওগাঁ।

    পত্নীতলা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও রাগিব ইশরাক রিহানের বাবা ইখতিয়ার উদ্দীন আজাদ বলেন, আমি গরিব মানুষ সাংবাদিকতা করে কয় টাকা আর কামায় করি সাংবাদিকতা পেশা দেশ ও দশের সেবা করা। আমি দেশের বিত্তবান সহ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট আকুল আবেদন জানাচ্ছি আমার অবুঝ শিশুর জিবন বাঁচাতে এগিয়ে আসুন। #

  • পাইকগাছা শিবসা নদীর চরে ৯০ কেজি ওজনের ডলফিন উদ্ধার

    পাইকগাছা শিবসা নদীর চরে ৯০ কেজি ওজনের ডলফিন উদ্ধার

    পাইকগাছা ( খুলনা) প্রতিনিধি।। খুলনার পাইকগাছা শিবসা নদীর চর থেকে ৯০ কেজি ওজনের ডলফিন উদ্ধার করেছে। সোমবার সকাল ৬ টায় পৌরসভার শিববাটী ব্রিজ সংলগ্ন ভবেন্দ্র নাথ সানার বাড়ির সামনে নদীর চরে আটকা পড়ে ডলফিনটি। এলাকাবাসী জানান, রাতের জোয়ারের সময় ডলফিন মাছ শিকার করার সময় চরে উঠে আটকা পড়ে যায়।
    এলাকাবাসী বিশাল আকৃতির ডলফিন টি উদ্ধার করে নদীতে অবমুক্ত করার সময় তার মৃত্যু হয়। স্থানীয় ভবেন্দ্র নাথ সানা জানান, সকালে উঠে দেখে নদীর চরে একটি বিশাল আকারের মাছ বেঁধে আছে। পরে দেখাগেল এটি ডলফিন। সে কারণ মাছটি উদ্ধার করে নদীতে অবমুক্ত করতে গিয়ে দেখাযায় ডলফিনটি মারা গেছে।
    মৃত্যু ডলফিনটি দেখতে হাজার হাজার মানুষ শিবসা নদীর চরে ভিড় জমাচ্ছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ডলফিনটি নদীর চরে রাখা ছিল।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা,খুলনা।

  • পাইকগাছায় নার্সারীতে জোড় কলম তৈরীতে ব্যস্ত সময় পার করছে শ্রমিকরা

    পাইকগাছায় নার্সারীতে জোড় কলম তৈরীতে ব্যস্ত সময় পার করছে শ্রমিকরা

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা,খুলনা।।
    পাইকগাছার নার্সারী গুলিতে চারা উৎপাদনে মালিক ও শ্রমিকরা জোড় কলম তৈরীর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছে।তিব্র গরম ও রোদের মধ্যে শ্রমিকরা মাথার উপর ছাতা দিয়ে কাজ করছে। মাতৃগুণ বজায় রাখা, দ্রুত ফলন, রোগ প্রতিরোধে ক্ষমতা বাড়ানো এবং অধিক ফলন পেতে অঙ্গজ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। গাছের চারা তৈরীর পদ্ধতির নাম কলম। এ কলম তৈরীতে রয়েছে নানা নাম ও পদ্ধতি। যেমন, গুটি কলম, শাখা কলম (কাটিং), চোখ কলম বা বাডিং। তবে কলম তৈরীতে গ্রাফটিং বা জোড় কলম, কাটিং বা উপজোড় কলম উল্লেখযোগ্য পদ্ধতি।

    যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গাছ যৌন কোষ বা তার অঙ্গজ কোষ থেকে নতুন স্বতন্ত্র গাছ সৃষ্টি করে তাকে বংশবিস্তার বলা হয়। যেমন যৌন বংশবিস্তার ও অযৌন বংশবিস্তার। গাছ রোপনের মুল উদ্দেশ্য হলো ভাল, উন্নতমান ও মাতৃগুণ সম্পন্ন ফল পাওয়া। এ কারনে ফল গাছ রোপনের ক্ষেত্রে যৌন পদ্ধতির তুলনায় অযৌন পদ্ধতির চারা/কলম গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এ পদ্ধতিতে উৎপাদিত চারা/কলম রোপন করলে মাতৃগুণ সম্পন্ন ফল পাওয়া যায়। গাছে তাড়াতাড়ি ফল ধরে এবং গাছ ছোট হয় বিধায় অল্প জায়গায় অনেক গাছ লাগানো যায়। অযৌন বংশবিস্তার পদ্ধতিগুলোর মধ্যে ব্লেফট গ্রাফটিং বা ফাটল জোর কলম একটি অন্যতম পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে একাধিক ফল গাছে কলম করা যায়। অন্যান্য জোড় কলমগুলোর তুলনায় ফাটল জোড় কলম পদ্ধতিতে কাটা স্থানের দুই পাশ দিয়ে জোড়া লাগে বিধায় জোড়াটি সবল হয় এবং সহজে জোড়া স্থানটি ভাঙ্গা সম্ভবনা থাকে না। তুলনা মুলক ভাবে এ পদ্ধতি অন্যান্য জোড় কলম পদ্ধতিগুলোর তুলনায় সহজ। সফলতার হার বেশি এবং খরচ ও কম পড়ে। এ কলম তৈরী করতে গ্রাফটিং চাকু, ব্লেড, সিকাচার, পলিথিন ক্যাপ, পলিথিন ফিতা, সুতলী, গাছের ডগা বা সায়ন এবং কলম তৈরীতে দক্ষ কারিগর বা মালির প্রয়োজন হয়। মে থেকে জুলাই পর্যন্ত কলম করার উপযুক্ত সময়। কারণ এ সময় বাতাসের আদ্রতা ও গাছের কোষের কার্যকারিতা বেশি থাকে। তাড়াতাড়ি জোড়া লাগে এবং সফলতার হারও বেশি থাকে।

    উপজেলার গদাইপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে ছোট-বড় প্রায় ৫ শতাধিত নার্সারী গড়ে উঠেছে। যার উল্লেখযোগ্য সংখ্যা রয়েছে গদাইপুর গ্রামে। মৌসুম শুরুতে চারা তৈরীর জন্য নার্সারী মালিক ও কর্মচারীরা ব্যস্ত হয়ে ওঠে। জোড় কলম তৈরী করতে গাছের ডালের সঙ্গে গাছের ডাল জোড়া লাগিয়ে জোড় কলম তৈরী করা হয়। তেজপাতার সঙ্গে কাবাবচিনি, আম সঙ্গে আম, ছবেদার সঙ্গে খিরখাজুর, আতা সঙ্গে দেশী আতা জোড় দিয়ে জোড় কলম তৈরী করা হয়। কাঁটা জাতীয় কুল সহ বিভিন্ন ফলের চারা চোখ বসিয়ে বাডিং কলম তৈরী করা হয় এবং ফুল জাতীয় গাছের ডাল কেঁটে সরাসরি মাটিতে পুতে কমল তৈরী করা হয়।

    জানাগেছে, উপজেলার বিভিন্ন নার্সারীতে চলতি মৌসুমে আম, পেয়ারা, জামসহ বিভিন্ন ফলের ১০ লাখ ও কুলের প্রায় ১৫ লাখ কলম তৈরী হচ্ছে। গদাইপুর গ্রামের নার্সারী মালিক হাবিবুর রহমান জানান, গত বছর তার নার্সারীতে উৎপাদিত চারা বিক্রি করতে না পারায় ক্ষেতে শুকিয়ে নষ্ট হয়ে যাওয়ায় আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এ বছরও তিনি নার্সারীতে চারা উৎপাদনে ব্যস্ত রয়েছে। হিতামপুর গ্রামের রজনীগন্ধা নার্সারীর মালিক সুকনাথ পাল জানান, তার নার্সারীতে দেড় লাখ জোড় কলম তৈরী করা হয়ে গেছে আর ৫০ হাজার তৈরীর কাজ চলছে। গদাইপুর গ্রামের অবস্থিত সততা নার্সারীর মালিক অঞ্জনা রানী পাল জানান তার নার্সারীতে বিভিন্ন জাতের কুলের প্রায় এক লাখ কলম তৈরী করছেন। শ্রমিকের অভাবে কলম তৈরী করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। তবে কলম তৈরীর সময় পার হয়ে গেলে এ মৌসুমের আর কলম তৈরী করা যাবে না। সে কারনে কলম তৈরীতে অধিক পয়সা খরচ হচ্ছে। নার্সারীতে বিভিন্ন জাতের হাইব্রীড জাত কাটিমন আম, মাল্টা, পিয়ারা, সফেদা, জামরুল। তাছাড়া এ সব কলমের মধ্যে থাই পেয়ারা, জামরুল, মালাটা, কদবেল, কমলালেবু, আমসহ বিভিন্ন জাতের কলম রয়েছে।

    পাইকগাছা উপজেলা নার্সারী মালিক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অশোক কুমার পাল জানান,বিগত বছর চারা বিক্রি না হওয়ায় ক্ষেতে চারা শুকিয়ে নস্ট হয়েছে। এতে নার্সারী মালিকরা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। সে কারণে এবছর কলম কম হচ্ছে। তাছাড়া কলম তৈরীর শ্রমিক ঠিকমত না পাওয়ায় উচ্চ মূল্যে শ্রমিক নিয়ে কলম তৈরী করতে হচ্ছে। কারণ সময় চলে গেলে এ মৌসুমে আর কলম তৈরী করা যাবে না। গদাইপুর এলাকার তৈরী কলম বাংলাদেশের চট্টগ্রাম, দিনাজপুর, রংপুর, সিলেট, বরিশাল, কুমিল্লা, রাজশাহী সহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ হচ্ছে। তবে ঠিকমত বাজার দর না পাওয়ায় নার্সারী মালিকরা আশানারুপ ব্যবসা করতে পারছে না।

    নার্সারী ব্যবসায়ীরা জানান, চারা উৎপাদনে সরকারি ভাবে লোনের ব্যবস্থা করলে দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে নার্সারী শিল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ জাহাঙ্গীর আলম জানান, পাইকগাছার নার্সারী শিল্প খুলনা জেলা শীর্ষ পর্যায়ে রয়েছে। নার্সারী ব্যবসায়ীরা চারা বিক্রি করার আশানারুপ বাজার ধরতে না পারায় তারা কিছুটা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। নার্সারী ব্যবসা করে মালিক, ব্যবসায়ীরা সাবলম্বী হচ্ছে। তেমনি নার্সারীতে নিয়জিত হাজার হাজার শ্রমিকের কর্মসংস্থান হচ্ছে। নার্সারীতে উৎপাদিত চারা সবুজ বননায়নে উল্লেখ যোগ্য ভূমিকা রেখে পরিবেশের ভারশাম্য রক্ষা করছে। তেমনি ভাবে দেশের আর্থ-সামাজিক অবদান।

  • সবাইকে পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ইয়ারপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবুর রহমান

    সবাইকে পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ইয়ারপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবুর রহমান

    হেলাল শেখঃ সবাইকে পবিত্র ঈদুল আযহার ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ঢাকার আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সংগ্রামী সভাপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের সৈনিক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক জনাব মজিবুর রহমান শাহেদ,“ঈদ মোবারক”।
    আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবুর রহমান শাহেদ বলেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ঢাকা-১৯ আসনের এমপি এবং ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সম্মানিত সিনিয়র সহ-সভাপতি আলহাজ্ব ডাঃ এনামুর রহমান ও আশুলিয়া থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফারুক হাসান তুহিনসহ আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও আওয়ামী সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীসহ দেশবাসী সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা। তিনি আরো বলেন, সবার প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি যে, সকল হিংসা বিবাদ ভুলে গিয়ে জাতি-ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা মার্কার বিজয়ের লক্ষ্যে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে, আল্লাহ চাইলে আবারও নৌকা মার্কা বিপুল ভোটে বিজয়ী হবে ইনশাআল্লাহ। ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে খুশি, তাই সবাইকে আবারও ঈদের শুভেচ্ছা-“ঈদ মোবারক” ঈদ মোবারক” ঈদ মোবারক”।

  • আশা এনজিও কর্মীদের প্রহারে স্বামী-স্ত্রী আহত

    আশা এনজিও কর্মীদের প্রহারে স্বামী-স্ত্রী আহত

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরের সীমান্তবর্তী মান্দা উপজেলায় কিস্তির টাকা না দিতে না পারায় সদস্য রোজিনা বেগম ও তার স্বামী আজিজার ইসলামকে প্রহারের অভিযোগ উঠেছে ‘আশা’ নামের একটি বেসরকারি সংস্থার (এনজিও) কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ১২ জুন সোমবার ভুক্তভোগী রোজিনা বাদি হয়ে আদালতে মামলা করেছেন। এঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে আশা সমিতির সাধারণ সদস্যরা বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সমিতির একাধিক সদস্য বলেন, তারা সদস্য প্রহারের ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। এর ব্যতক্রম হলে তারা কেউ কিস্তি-সঞ্চয় দিবেন না।
    ভুক্তভোগী রোজিনা জানান, চলতি বছর ‘আশা’ এনজিওর মান্দা উপজেলার সতীহাট শাখা থেকে তিনি ৮০ হাজার টাকা ঋণ গ্রহণ করেন। কিস্তির টাকা নিয়মিত পরিশোধ করে আসছে।কিন্তু সমস্যার কারণে গত ৭জুন বুধবার নির্ধারিত দিনে তিনি সাপ্তাহিক কিস্তির টাকা দিতে ব্যর্থ হন।
    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ওই দিন রাতেই ‘আশার’ শাখা ব্যবস্থাপক আব্দুল মান্নান হোসেনের নেতৃত্বে ৬-৭ জন ব্যক্তি রোজিনা বেগমের বাড়িতে গিয়ে অকথ্য ভাষায় গালাগালি, শ্লীলতাহানি ও প্রহার করে। এতে রোজিনা ও তার স্বামী আজিজার ইসলাম আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (টিএইচও) ডা. বিজয় কুমার রায় তাদের হাসপাতালে ভর্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এবিষয়ে জানতে চাইলে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে এনজিওর মান্দা সতীহাট শাখা ব্যবস্থাপক আব্দুল মান্নান বলেন, “সাপ্তাহিক কিস্তির টাকা দিতে না পারলে রাতে তাদের বাসায় যাওয়া হয়। ওই সময় তারা আমাদের ওপড় চড়াও হলে নিজেদের মারধরেই তারা আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। তিনি বলেন, এরা ঋণের টাকা না দেবার জন্য এসব করছে।
    এ বিষয়ে মান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোসা. লায়লা আঞ্জুমান বানু বলেন, কিস্তির টাকা সংগ্রহ করার জন্য কোনো এনজিওর কারো বাসা-বাড়িতে যাওয়ার নিয়ম নাই। এছাড়া কিস্তি না পেয়ে গ্রাহককে মারধর করার বিষয়টি খুবই উদ্বেগজনক। বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।#

  • কেশবপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আয়োজনে পুষ্টি সপ্তাহ উদ্বোধন

    কেশবপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আয়োজনে পুষ্টি সপ্তাহ উদ্বোধন

    কেশবপুর প্রতিনিধিঃ ‘মজবুত হলে পুষ্টির ভিত, স্মার্ট বাংলাদেশ হবে নিশ্চিত’ এ প্রতিপাদ্যকে সামনে নিয়ে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্োরর জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের আয়োজনে ১২জুন সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্ার চত্বরে বেলুন উড়িয়ে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের উদ্বোধন ও র‌্যালি এবং আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত করা হয়।
    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম এম আরাফাত হোসেনের সভাপতিত্বে হাসপাতালের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আলমগীর। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা সাদেক, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সজীব সাহা, কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদা আক্তার, শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা বিমল কুমার কুন্ডু, শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. মাহফুজুর রহমান প্রমুখ।
    এসময় উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মুহা. আলমগীর হোসেন, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পুলোক কুমার সিকদার, পল্লি উন্নয়ন কর্মকর্তা সুজন কুমার চন্দ্র, আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) আহসানুল মিজান রুমিসহ হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্স উপস্থিত ছিলেন। সভায় গর্ভবতী নারী, দুগ্ধদানকারী মা, শিশু, কিশোরী ও বয়স্কদের পুষ্টি বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

    মোঃ জাকির হোসেন কেশবপুর ,যশোর।

  • কেশবপুরে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন বিদ্যানন্দকাটি ফুটবল একাদশ জয়ী

    কেশবপুরে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন বিদ্যানন্দকাটি ফুটবল একাদশ জয়ী

    কেশবপুর প্রতিনিধিঃ যশোরের কেশবপুরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক অনুর্ধ্ব-১৭) উদ্বোধন করা হয়েছে। ১২জুন বিকেলে কেশবপুর শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ও উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্ট এর উদ্বোধন করেন যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনের সংসদ সদস্য শাহীন চাকলাদার।
    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম এম আরাফাত হোসেনের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেশবপুর পৌর মেয়র রফিকুল ইসলাম, কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মফিজুর রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এস এম রুহুল আমীন, সাংগঠনিক সম্পাদক গৌতম রায়, দপ্তর সম্পাদক মফিজুর রহমান, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক জয় সাহা, অতিরিক্ত সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান সহ বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যানরা উপস্থিক ছিলেন। উদ্বোধনী খেলায় মুখোমুখি হয় কেশবপুর পৌরসভা ফুটবল একাদশ বনাম বিদ্যানন্দকাটি ইউনিয়ন ফুটবল একাদশ। নির্ধারিত সময়ের ভেতর উভয় দলই কোন গোল করতে না পারায় খেলাটি টাইব্রেকারে গড়ায়। টাইব্রেকারে বিদ্যানন্দকাটি ইউনিয়ন ফুটবল একাদশ ৩-১ গোলের ব্যবধানে কেশবপুর পৌরসভা ফুটবল একাদশকে পরাজিত করে বিজয়ী হয়েছে। খেলায় ম্যান অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হন বিদ্যানন্দকাটি ইউনিয়ন ফুটবল একাদশের গোলকিপার সোহেল রানা।

  • কুড়িগ্রামে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়ীতে প্রেমিকার অনশন

    কুড়িগ্রামে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়ীতে প্রেমিকার অনশন

    এম এস সাগর,

    কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

    কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়ীতে প্রেমিকার অনশনে দেখা গেছে।

    জানা গেছে, দীর্ঘ ৪ বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক তারই ফলশ্রুতিতে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন শুরু করেছে এক কলেজছাত্রী। সোমবার (১২জুন) সকাল থেকে বড়ভিটা ইউনিয়নের নওদাবশ এলাকার প্রেমিক কার্তিক চন্দ্র শর্মার পুত্র (কুড়িগ্রাম সরকারী কলেজের অর্নাস তৃতীয় বর্ষের ছাত্র) বিষ্ণু চন্দ্র শর্মার বাড়িতে অবস্থান করছেন। প্রেমিকের বাড়ী থেকে শারীরিক নির্যাতন করে বের করে দেয়ার বারবার চেষ্টা চালাচ্ছেন প্রেমিক পরিবার। ঘটনাটি জানাজানি হলে অনশনরত প্রেমিকা কে দেখতে হাজারো মানুষের ঢল নামে ঐ প্রেমিকের বাড়ীতে। এ সুযোগে বাড়ী থেকে চম্পট দিয়েছেন প্রেমিক বিষ্ণু চন্দ্র শর্মা। ঘটনাটি ৯৯৯ মাধ্যমে জানতে পেরে ফুলবাড়ী থানার এস আই নাজমুল হোসেন ঘটনাস্থল আসলে পরিবারের পক্ষ থেকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দেয় প্রেমিকের পরিবার। ভুক্তভোগী ওই কলেজছাত্রী ফুলবাড়ী উপজেলা ও ইউনিয়নের নাগদহ গ্রামের মৃত্যু মনমোহন চন্দ্র রায় ও শ্রীমতি রেনুকা (সিন্দু) রাণীর তৃতীয় কন্যা।

    স্থানীয়‌রা জানান, ঐ প্রেমিকা দরিদ্র পরিবারের সন্তান হওয়ায় বিয়ে দেয়ার দাবি জানান তারা।

    ওই কলেজছাত্রী জানান, চার বছর ধরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক। প্রেমের ফাঁদে ফেলে প্রেমিক বিষ্ণু চন্দ্র শর্মা তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেছে। সম্প্রতি বিষ্ণু চন্দ্র শর্মা কে বিয়ের জন্য চাপ দিচ্ছিলেন সে। কিন্তু তাতে রাজি হননি প্রেমিক। এখন সম্পর্ক অস্বীকার করছে প্রেমিক। তার পরিবারও এই সম্পর্ক মানতে নারাজ। এই পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়েই প্রেমিকের বাড়িতে গিয়ে তিনি অনশন শুরু করেছেন। প্রেমিক বিয়ে না করলে আত্মঘাতি হবেন বলেও জানান ওই কলেজছাত্রী।

    অনশনরত প্রেমিকার পরিবারের দাবি আমরা সম্প্রদায়ের মানুষ। আমাদের অল্পতে জাত চলে যায় তাই আমাদের মেয়েটির যেহেতু ক্ষতি করেছে তাই আমরা বিয়ের দাবি জানাচ্ছি।

    ফুলবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ ফজলুর রহমানের সাথে কথা হলে তিনি জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ প্রেরণ করা হয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • বরগুনায় দায়িত্ববাহকদের সাথে এনসিটিএফ সদস্যদের জবাবদিহিতামূলক অধিবেশন  অনুষ্ঠিত

    বরগুনায় দায়িত্ববাহকদের সাথে এনসিটিএফ সদস্যদের জবাবদিহিতামূলক অধিবেশন অনুষ্ঠিত

    বরগুনা প্রতিনিধি।

    বরগুনার বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সিবিডিপি’র ওয়াই মুভস প্রজেক্টের ব্যবস্থাপনায় রবিবার বেলা ১২টায় বরগুনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সুবর্ণজয়ন্তী মিলনায়তনে দায়িত্ববাহকদের সাথে এনসিটিএফ সদস্যদের জবাবদিহিতামূলক অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের সহযোগিতায় আয়োজিত অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন নলটনা ইউনিয়ন এনসিটিএফ’র সভাপতি সাইফুননাহার ফিহা।
    জবাবদিহিতামূলক অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শুভ্রা দাস। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মেহেরুন নাহার মুন্নি, জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা মোঃ রফিকুল ইসলাম, বরগুনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এডভোকেট সঞ্জীব কুমার দাস, সাবেক সভাপতি জাকির হোসেন মিরাজ, মনির হোসেন কামাল, জেলা টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি জাফর হোসেন হাওলাদার।
    অতিথিবৃন্দ ছাড়াও অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বরগুনা প্রেসক্লাবের অর্থ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবীর মৃধা, জেলা টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক জয়দেব রায়, বরগুনা প্রেসক্লাবের সহ সাধারণ সম্পাদক ও ডিবিসি বরগুনা প্রতিনিধি মালেক মিঠু, বেতাগী এনসিটিএফ’র সভাপতি খায়রুল ইসলাম মুন্না, বরগুনা সদর উপজেলার শিশু সাংসদ আকিব হোসেন রাফি, এনসিটিএফ বরগুনা সদরের সাংগঠনিক সম্পাদক তাইয়্যেবা ইসলাম অরণী, বেতাগীর শিশু বিষয়ক গবেষক তাকওয়া তারিন নূপুর, এনসিটিএফ বেতাগী উপজেলার সাধারণ সম্পাদক জান্নাতুল বাকিয়া মিম, এনসিটিএফ নলটোনায় ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সিফাত হোসেন, পাথরঘাটা উপজেলার সাধারণ সম্পাদক নাহিদুল ইসলাম নিহাদ, পাথরঘাটা উপজেলার সভাপতি নাজমুস সাকিব, শিশু গবেষক তাসলিমা , আমতলী উপজেলার মারজিয়া সুমাইয়া, আরিফুল ইসলাম প্রমুখ।
    এনসিটিএফ নেতৃবৃন্দ এলাকার বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে অধিবেশনে আলোচনা করেন এবং সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে প্রধান অতিথির নিকট বিভিন্ন প্রশ্ন উত্থাপন করেন।
    অধিবেশন সঞ্চালনা করেন এনসিটিএফ বরগুনার সদর উপজেলার সভাপতি উম্মে হাবিবা রূপা।