Author: desk

  • নড়াইলের দূত-পাতাল বিলে খাল খননে প্রাণ ফিরেছে ৩০০ বিঘা পতিত জমির

    নড়াইলের দূত-পাতাল বিলে খাল খননে প্রাণ ফিরেছে ৩০০ বিঘা পতিত জমির

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
    নড়াইল সদর উপজেলার সিংগাশোলপুর ইউনিয়নের দূত-পাতাল বিলে তিনশ বিঘা পতিত
    জমিতে ফসল উৎপাদনের সম্ভাবনা দেখায় স্বপ্ন দেখছেন ওই অঞ্চলের হাজারো কৃষক
    পরিবার। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, দীর্ঘ দিনের জলাবদ্ধতার কারনে সঠিক সময়ে ফসল রোপন করতে পারতেন না
    স্থানীয় কৃষকরা। যার ফলে দূত-পাতাল বিলে অনাবাদি হয়ে পড়ে থাকত তিনশত বিঘা
    জমি। পতিত এই জমিতে চাষাবাদ করে ভাগ্য ফিরাতে ৩ বছর ধরে স্থানীয়দের নিয়ে
    মিটিং করে আলোচনা করে ক্যানাল ভিত্তিক খাল খননের উদ্যোগ নেন খাল খননের
    উদ্যোগ নেন স্থানীয় ইউপি সদস্য শেখর বিশ্বাস। গ্রাম বাসিদের সাথে নিয়ে যে
    যা পারে তাই দিয়ে টাকা যোগাড় করে শুরু করেন কেনাল ভিত্তিক খাল খননের কাজ।
    ইতিমধ্যে খাল খননের কাজ শেষ হয়েছে।
    সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কেনাল ভিত্তিক এই খাল খননের জন্য ওই বিলের প্রায়
    তিনশত বিঘা জমির জলাবদ্ধতার নিরাসন হয়েছে। চাষাবাদের উপযোগী হয়ে উঠেছে
    পতিত জমি-সমূহ৷ জমি গুলোতে তিন ফসলি ফসল উৎপাদন করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন
    স্থানীয় চাষিরা।
    জমির মালিক কৃষক তবিবুর রহমান বলেন, জলাবদ্ধতার কারনে আমরা এই জমিতে কোন
    ফসল উৎপাদন করতে পারতাম না। ইউপি মেম্বার শেখর বিশ্বাসের উদ্যোগে আমরা
    সকলে একত্রিত হয়ে এই কেনাল ভিত্তিক খাল খনন করেছি। এখন থেকে এই বিলে ৩ টি
    ফসল উৎপাদন করা যাবে। যা জেলার কৃষিতে একটি বড় ভূমিকা রাখবে।
    শোলপুর গ্রামের সুনাম মন্ডল বলেন, মেম্বর শেখর বিশ্বাস আমাদের একত্রিত
    করে এই খাল খনন করেছে। যার ফলে আমরা সকলে উপকৃত হয়েছি। খাল খননের জন্য
    অনাবাদি এই জমি ফসল উৎপাদনের জন্য উপযুক্ত হয়ে উঠেছে।
    এ বিষয়ে জানতে সিংগাশোলপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নং ওয়ার্ড মেম্বর শেখর
    বিশ্বাস বলেন, এই মাঠে ৫ থেকে ৭ টি গ্রামের প্রায় হাজারো পরিবারের জমি
    রয়েছে। জলাবদ্ধতার কারনে কেউ ফসল উৎপাদন করতে পারেনা। জমিতে ফসল উৎপাদনের
    জন্য কেনাল ভিত্তিক খাল খননের জন্য আমি ৩ বছর ধরে সকলের বাড়ি বাড়ি গিয়ে
    কথা বলেছি। সকলে আমার সাথে এক মত হয়ে খাল খননের উদ্যোগ নেন। পরবর্তীতে
    সকলের সহযোগিতায় যে যা পাওে সেই টাকা উত্তোলন করে এই খাল খনন করা হয়েছে।
    যার ফলে এই দূত-পাতালের বিলের কৃষকেরা নতুন করে ৩ ফসল উৎপাদনের সম্ভাবনা
    খুজে পেয়েছে।
    স্থানীয় সরকার বিষয়টি নজরে দিলে কেনাল ভিত্তিক এই খালটি আরো সুন্দর হবে।
    যার ফলে ৭ টি গ্রামের হাজারো পরিবার তাদের জমিতে ৩ টি ফসল ঘরে তুলতে
    পারবে। এই কৃষি পণ্য নড়াইলে কৃষিতে একটি বড় ধরনের ভূমিকা রাখবে বলে আমি
    মনে করি।
    সিংগাশোলপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ সাইফুল ইসলাম হিটু বলেন,আমরা
    চেষ্টা করেছিলাম সরকারী ভাবে এখানে একটি খাল খনন করার জন্য। তার আগেই
    এলাকার মানুষের সহযোগিতায় কেনাল টি খনন করা হয়েছে। এতে করে অনেক ফসল
    উৎপাদন হবে।
    পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী উজ্জ্বল কুমার সেন বলেন,আমাদের
    নজরে বিষয়টি এসেছে। আমরা চেষ্টা করবো মন্ত্রনালয়ে প্রকল্প দিয়ে এখানে
    একটি খাল খনন করার।

  • বানারীপাড়ায় এক নারীর কারসাজিতে দশম শ্রেনীর ছাত্রী ধর্ষণের শিকার- ভিডিও ধারন

    বানারীপাড়ায় এক নারীর কারসাজিতে দশম শ্রেনীর ছাত্রী ধর্ষণের শিকার- ভিডিও ধারন

    মোঘল সুমন শাফকাত,বরিশাল॥
    বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার সলিয়াবাকপুরের শাখারিয়ায় রুবিনা আক্তার ছবি ও ইয়াছিনের সহযোগীতায় ফজলুল হক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেনীর ছাত্রী গণধর্ষণ হওয়ার ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার নং ৬। মামলার বাদী ও সরেজমিনে গিয়ে জানাযায়, উপজেলার সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের শাখারিয়া গ্রামের প্রবাসী শহিদের স্ত্রী রুবিনা আকতার ছবির (৩৮) সাথে পাশ্ববর্তী বসবাসকারী খোকন বেপারির স্ত্রী নার্গিস বেগমের সুসম্পর্ক থাকায় ১১ জুন রবিবার রাত সারে দশটার দিকে তিনি বাসায় একা রয়েছেন এমন দাবির প্রেক্ষিতে নার্গিস
    বেগমের মেয়ে দশম শ্রেনীর ছাত্রী ঝর্ণাকে (ছদ্মনাম) তার সাথে ঘুমানোর জন্য অনুরোধ করে বিভিন্ন ভাবে ফুসলিয়ে তার বাড়িতে নিয়ে আসে। পরবর্তীতে রাত ১২ টার দিকে রুবিনা আক্তার ছবি মেয়েটিকে মিথ্যা কথা বলে ঘর থেকে বাহির করে একই গ্রামের জলিল হাওলাদারের ছেলে সোহাগ(২৩) ও সায়েদ মোল্লার ছেলে
    মেহেদীর(২৭) হাতে তুলে দেয়। মেয়েটি ভয়ে ডাক চিৎকার দিতে গেলে মেয়েটির সাথে থাকা ওড়না দিয়ে মুখ বেধে বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে পাশেই একটি বসত ঘরে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে তার ভিডিও ধারণ করে মুঠোফোনে। জানাগেছে ঐ বাড়ির মালিক জাকির হোসেন সেনাবাহিনীতে চাকরি করে সেখানেই পরিবার নিয়ে থাকেন। গ্রামের ঘর সম্পত্তি দেখাশোনা জন্য গত ৩ বছর আগে একই গ্রামের ইয়াছিন নামের এক যুবককে দায়িত্ব দেন। রুবিনা আক্তার ছবি ও ইয়াছিন ধর্ষকদের সহযোগিতা করে গরীব অসহায় মেয়েটির এমন সর্বনাশ করায় এলাকা জুড়ে তোলপাড়
    চলছে। এলাকাবাসী ধর্ষকদের ও তাদের সহোযোগিতাকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন। এবিষয়ে বানারীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি এস এম মাসুদ আলম চৌধুরী জানান, অভিযোগ পাওয়ার পরে সরেজমিনে
    তদন্ত করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এবং মেয়েটিকে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালের ওসিসিতে পরিক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। এ দিকে এলাকার একটি প্রভাবশালী মহল মামলা থেকে ধর্ষকদের সহযোগীতাকারী ইয়াছিনের নাম কাটানোর জন্য জোড় তদবির চালাচ্ছে বলে এলাকায়
    গুঞ্জন চলছে।

  • নড়াইলের বিশাল আকারের হাতির মতো বড় ৫৫ মণের টাইগার

    নড়াইলের বিশাল আকারের হাতির মতো বড় ৫৫ মণের টাইগার

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে:
    নড়াইলের ৫৫ মণের টাইগারের সঙ্গে পালসার ফ্রি কোরবানির ঈদ এলেই দেখা মেলে বাহারি নাম ও বিশাল আকৃতির গরুর। এবারও এর ব্যত্যয় ঘটেনি। সাদা কালো রঙের শান্ত প্রকৃতির গরুর নাম রাখা হয়েছে নড়াইলের টাইগার। গরুটি যিনি কিনবেন তিনি উপহার হিসেবে পাবেন একটি পালসার মোটরসাইকেল। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে জানান, নড়াইলের টাইগার আসন্ন কোরবানির জন্য প্রস্তুত। গরুটি বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তার মালিক সেলিম মোল্যা (২৪)। সেলিম জেলার লোহাগড়া উপজেলার দিঘলিয়া দক্ষিণপাড়া গ্রামের রবিউল মোল্যার ছেলে।
    গরুটি দেখতে আসা অবসারপ্রাপ্ত সেনা সদস্য মিশানুর গাজী বলেন, আমি এর আগে এতো বড় ষাঁড় গরু দেখেনি। লোকমুখে শুনেছি তাই ষাঁড়টিকে দেখতে আসমলাম। অনেক ভালো লাগলো। তবে বুঝতে পেরেছি খামারি অনেক কষ্ট করে ষাঁড়টিকে এতো বড় করেছে।
    আরেক দর্শনার্থী নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী নাহিদ ঢাকা মেইলকে বলেন, নড়াইলের টাইগার বিশাল আকারের হাতির মতো বড় দেখতে। আমার খুব ভালো লেগেছে দেখে।
    মিরাজুল ইসলাম নামে একজন বলেন, সেলিম আমার পরিচয়ে ভাগ্নে হয়। তার বাড়িতে বড় একটি ষাঁড় গরু কোরবানির জন্য প্রস্তুত করছে। আমি প্রায় তার বাড়িতে ষাঁড় গরুটি দেখতে আসি। ষাঁড়টি বেশ বড়। আমি মাঝে মধ্যে তাকে গরুটি লালন পালনে সহায়তা করি।
    গরুর মালিক সেলিম মোল্যার সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, নড়াইলের টাইগার গরুটি হলস্টেইন ফ্রিজিয়ান জাতের। তার বয়স ৪ বছর। দৈর্ঘ্য প্রায় সাড়ে ১২ ফুট, উচ্চতা ৬ ফুট, ওজন প্রায় ৫৫ মণ। আসন্ন কোরবানির ঈদে তাকে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।
    ক্ষতিকর ও মোটাতাজাকরণের কোনো প্রকার ওষুধ প্রয়োগ ছাড়াই দেশীয় প্রাকৃতিক খাবার বিচালি, ঘাস, খৈল, ভুষি, খুদের ভাত, কুড়া ইত্যাদি খাবার খাইয়ে বড় করা হয়েছে গরুটিকে। অতি আদর যত্নে লালন পালন করেছি। তার প্রতি অনেক মায়াও তৈরি হয়েছে। প্রতিদিন প্রায় ১ হাজার টাকা খাবারের পেছনে খরচ হয়। বাড়িতে রেখেই তাকে কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। তাকে বিক্রি করতে হবে এ কথা ভেবেই চোখে জল চলে আসছে।
    গরুটির মালিকের দাবি এই এলাকার মধ্যে সবচেয়ে বড় গরু। বিশাল দেহের অধিকারী হওয়ায় প্রতিদিন দেখতে অনেকেই ভিড় করছেন। মাঝে মধ্যে গরু ব্যবসায়ী ও সাধারণ ক্রেতারা আসছেন গরুটি কিনতে। মালিক গরুটির দাম হাঁকিয়েছেন ২০ লাখ টাকা। কাঙ্খিত দাম পেলেই বিক্রি করতে চান। গরুটি যিনি কিনবেন উপহার হিসেবে তাকে একটি পালসার মোটরসাইকেল দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন মালিক সেলিম মোল্যা।
    নড়াইলের টাইগারের মালিক সেলিম মোল্যার মা সেলিনা বেগম কান্না জড়িত কণ্ঠে বলেন, গরুটি ৪ বছর আমরা লালল পালন করছি। কোরবানির সময় প্রায় চলে আসছে। সঠিক দাম পেলে আমরা গরুটি বিক্রি করব।
    এ বিষয়ে লোহাগড়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) ডা. লেলিন প্রধান বলেন, লোহাগড়া প্রাণিসম্পদ অফিস থেকে খামারিদের বিভিন্ন ধারনের পারমর্শ ও সহোযোগিতা করা হচ্ছে। কোরবানির পশুর চাহিদার চেয়ে উপজেলায় বেশি পশু রয়েছে। আশা করছি এবার ঈদুল আযাহায় খামারিরা গরুর ভালো দাম পাবেন।
    উল্লেখ্য, নড়াইল প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলায় এবার কোরবানিযোগ্য গবাদি পশু মজুদ আছে ৫৪ হাজার ৪৯০টি। কোরবানির জন্য পশুর চাহিদা রয়েছে ৩২ হাজার ১৪৫টি। অর্থাৎ ২২ হাজার ৭৭৫টি গবাদি পশু উদ্বৃত রয়েছে।
    এবারের কোরবানিতে নড়াইল জেলায় ৩টি উপজেলা নড়াইল সদর, লোহাগড়া ও কালিয়ায় ৪ হাজার ৫৯৯টি খামারে কৃষকের মজুদ থাকা গবাদি পশুর মধ্যে ষাঁড় রয়েছে ১২ হাজার ৯৫৮টি, বলদ ২ হাজার ৫৭১টি এবং গাভী রয়েছে ৪ হাজার ১৬৯টি। মোট গরুর সংখ্যা ১৯ হাজার ৬৯৮টি। এছাড়া ছাগল এবং ভেড়া রয়েছে ৩৫ হাজার ১৯২টি। যার মধ্যে ছাগল ৩৫ হাজার ১০৩টি এবং ৮৯টি ভেড়া রয়েছে।

  • র‌্যাব-১২’র অভিযানে ৯৭৮ পিচ Buprenorphine injection সহ ২ জন নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক

    র‌্যাব-১২’র অভিযানে ৯৭৮ পিচ Buprenorphine injection সহ ২ জন নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। জঙ্গী, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন, এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামী গ্রেফতারে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।

    ১। এর ধারাবাহিকতায় মোঃ মারুফ হোসেন পিপিএম, অধিনায়ক র‌্যাব-১২ সিরাজগঞ্জ এর দিক নির্দেশনায় ১৩/০৬/২০২৩ তারিখ রাত্রী ০৩.৪০ ঘটিকার গোপন সাংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১২’র স্পেশাল কোম্পানীর একটি চৌকষ আভিযানিক দল সিরাজগঞ্জ জেলার সদর থানাধীন রহমতগঞ্জ, কাঠেরপুল চৌরাস্তার ইসলামী ব্যাংকের সামনে অপর পাশে পাকা রাস্তার উপর একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশী চালিয়ে নেশাজাতীয় ৯৭৮(নয়শত আটাত্তর) পিচ বুপ্রেনরফিন ইনজেকশনসহ ০২ জন নারী মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে। এছাড়াও তাদের সাথে থাকা মাদক ক্রয়-বিক্রয়ের কাজে ব্যবহৃত ০১টি মোবাইল জব্দ করা হয়।

    ২। গ্রেফতারকৃত আসামীঃ ১। মোছাঃ পারুল (৫৩), স্বামী- মোঃ আঃ করিম, সাং-মংলাপাড়া ২। মোছাঃ আমেনা খাতুন (৫১), স্বামী- মোঃ আঃ সাত্তার, সাং-খাসুরিয়া, উভয় পোঃ- ডাঙ্গাপাড়া, থানা-হাকিমপুর ও জেলা-দিনাজপুর।

    ৩। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, এই মাদক ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন যাবত আইন প্রয়োগকারী সংস্থার চোখ ফাঁকি দিয়ে সিরাজগঞ্জ সহ বিভিন্ন জেলায় অবৈধ নেশাজাতীয় মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিল।

    ৪। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মামলার দায়ের করত সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

    এ ধরণের মাদক উদ্ধার অভিযান সচল রেখে মাদকমুক্ত সোনার বাংলা গঠনে র‌্যাব-১২ বদ্ধপরিকর।

    র‌্যাব-১২ কে তথ্য দিন – মাদক , অস্ত্রধারী ও জঙ্গিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে অংশ নিন।

    স্বাক্ষরিত…….

    মোঃ আবুল হাশেম সবুজ

    লেফটেন্যান্ট কমান্ডার বিএন

    ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার

    সিপিএসসি, সিরাজগঞ্জ,র‌্যাব-১২

    মোবা-০১৭৭৭-৭১১২৫৮

  • তেঁতুলিয়ায় ইউএনও’র সহযোগিতায় ভিডব্লিউবি কার্ড ফিরে পেলেন জোসনা বানু

    তেঁতুলিয়ায় ইউএনও’র সহযোগিতায় ভিডব্লিউবি কার্ড ফিরে পেলেন জোসনা বানু

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম, তেতুলিয়া প্রতিনিধিঃ তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) সোহাগ চন্দ্র সাহার সহযোগিতায় ভালনারেবল উইমেন বেনেফিট (ভিডব্লিউবি) কার্ড ফিরে পেয়েছেন জোসনা বানু। গত বুধবার (৭ জুন) উপজেলার দেবনগড় ইউনিয়ন পরিষদে উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার উপস্থিতিতে জোসনা বানুকে ভিডব্লিউবির এই কার্ড বিতরণ করা হয়।

    জানা যায়, উপজেলার দেবনগড় ইউনিয়নে ৪৬৪ জন মহিলা এই ভিডব্লিউবি কার্ড পেয়েছেন। উপজেলা কমিটি কর্তৃক ওই ইউনিয়নে ২০২৩-২০২৪ চক্রে ভিডব্লিউবি উপকারভোগীদের নামের চুড়ান্ত তালিকা ৩(ক) এ প্রকাশ করা হয়। পরে ওই ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের শেখগছ গ্রামের ওয়াহিদুলের স্ত্রী জোসনা বানুর নাম চুড়ান্ত তালিকার ১৭নং ক্রমিকে প্রকাশ পাই। জোসনা বানুর নাম প্রকাশের পর ৭নং ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ তাকে একাউন্ট খোলার জন্য খবর দেন। জোসনা বানু ডাচ্ বাংলা ব্যাংকে চলতি বছরের গত এপ্রিল মাসের ২৬ তারিখ একটি একাউন্ট খুলেন। একাউন্ট খোলার পর ইউনিয়ন পরিষদে বিনামূল্যের চাল নিতে গেলে জোসনা বানুকে চাল না দিয়ে তার পরিবর্তে খাটিয়াগছ গ্রামের মোস্তফার স্ত্রী মজিতাকে দেয়া হয়। জোসনা বানু দু’চোখে অশ্রু ফেলিয়ে বাড়িতে ফেরত চলে আসেন। এরপর জোসনা বানু গণমাধ্যমকর্মীকে অবগতসহ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা ভিডব্লিউবি কমিটির সভাপতি বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ করেন।

    এ বিষয়ে রংপুরের দৈনিক দাবানল পত্রিকায় প্রকাশিত নিউজ ও লিখিত অভিযোগ নজরে নিয়ে ইউএনও সোহাগ চন্দ্র সাহা ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্য এবং মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার সমন্বয়ে প্রকৃত ভিডব্লিউবি প্রাপ্ত জোসনা বানুকে কার্ড প্রদানে বিশেষ নির্দেশনা দেন।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোহাগ চন্দ্র সাহা বলেন, ‘এ বিষয়ে পত্রিকায় নিউজ প্রকাশসহ একটি লিখিত অভিযোগ করা হয়েছিল তারই সত্যতা যাচাই করে জোসনা বানুকে ভিডব্লিউবি কার্ডটি দেয়া হয়েছে। পরবর্তীতে এ ধরণের কোনো ঘটনা কেউ ঘটালে তাকে ছাড় দেয়া হবে না।’

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।

  • পঞ্চগড় তেতুলিয়া মহাসড়কে  মৃত্যুর মিছিল কোনক্রমে কমছে না  এ যেন মৃত্যুফাঁদ

    পঞ্চগড় তেতুলিয়া মহাসড়কে মৃত্যুর মিছিল কোনক্রমে কমছে না এ যেন মৃত্যুফাঁদ

    মোহাম্মদ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় :
    তেতুলিয়া মহাসড়কে কোন ক্রমেই মৃত্যুর মিছিল বন্ধ হচ্ছে না কে দেখবে যে সন্তান হারাচ্ছে সেই জানে এযে কত যন্ত্রণা সরো জমিনে গিয়ে দেখা যায় রাস্তার বেহাল দশা ক্ষতবিক্ষত রাস্তা কিছুদিন আগেও রাস্তাটি ভালো ছিল কিন্তু সংস্কার করতে গিয়ে হিতে বিপরীত রাস্তার উপরে বালির ব্যবসা কেউবা মড়িচ শুকাচ্ছে খরকুটো শুকাত দেখা যাচ্ছে ছবি তুলতে গেলে দুই ৩ জন বাধা দিতে আসে তাও আমরা থেমে থাকে নি। সড়ক দুর্ঘটনার ব্যাপারে হাইওয়ে পুলিশে দায় এরাতে পারে না এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন ও কিছুটা নীরব।
    আর কত আর কত বাবা মায়ের ছেলে সন্তান ভাই হারালে উপজেলা প্রশাসন সরব হবে এটাই দেখার বিষয় বলে মন্তব্য করেন স্থানীয়রা সেই পর্যন্ত ভালো থাকুন।
    পঞ্চগড় জেলা হতে মোহাম্মদ বাবুল হোসেন

  • সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি জমত আলী দেওয়ান

    সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি জমত আলী দেওয়ান

    হেলাল শেখঃ ঢাকা জেলার সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক, বর্তমানে নবগঠিত কমিটির সহ-সভাপতি হাজী জমত আলী দেওয়ান সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
    আওয়ামীলীগ নেতা হাজী জমত আলী দেওয়ান বলেন, ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে খুশি, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, জাতীয় শ্রমিকলীগ, কৃষকলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগসহ আওয়ামী সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা মার্কার বিজয়ের লক্ষে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। ঈদের পর থেকেই জাতীয় নির্বাচনের প্রচারণা শুরু করা হবে জানিয়ে তিনি আবারও সবাইকে পবিত্র ঈদুল আযহার ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, “ঈদ মোবারক” ঈদ মোবারক” ঈদ মোবারক”।

  • আশুলিয়ায় চাঁদাবাজ, অপহরণকারী ও কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসীদের সাথে জড়িত কারা?

    আশুলিয়ায় চাঁদাবাজ, অপহরণকারী ও কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসীদের সাথে জড়িত কারা?

    হেলাল শেখ,
    বিশেষ প্রতিনিধিঃ ঢাকার আশুলিয়ায় চাঁদাবাজ, অপহরণকারী কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসীদের সাথে জড়িত কারা? পুলিশ কেন তাদেরকে গ্রেফতার করছেন না বলে সচেতন মহলের অভিযোগ। কিশোর গ্যাং এর ধারাবাহিক হামলা ও চুরি ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড বেড়েই চলেছে, এতে আইন-শৃঙ্খলার চরম অবনতি হয়েছে বলে অভিমত প্রকাশ করছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীগণ ও বিভিন্ন মহল। এ বিষয়ে মোঃ সাইফুল ইসলাম ও মোঃ আসাদুল হাবিব আশুলিয়া থানায় মামলা করার জন্য পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছেন কিন্তু একটি মামলা রেকর্ড হয়েছে।
    ঢাকার আশুলিয়ার জামগড়া হেয়ন গার্মেন্টস রোডে বকুল ভুঁইয়ার বাড়ি এবং ভুঁইয়া পাড়া, ফকিরবাড়ি ও ভাদাইলের আশপাশের এলাকায় কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাস বাহিনীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী-ধারাবাহিক ভাবে হামলায় ভাংচুর ও অপহরণ খুনের ঘটনা ঘটিয়েছে শতাধিক কিশোর গ্যাং সদস্যরা, তারা প্রায়ই করছে অপহরণ-খুনসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকা-। এইসব অপরাধীদেরকে আশ্রয় প্রশ্রয় দাতা কারা? পুলিশ প্রশাসন ও র‌্যাবকে জানানো হলেও তেমন কোনো ব্যবস্থা না নেয়ার কারণে এসব অপরাধীরা প্রকাশ্যে অপরাধ করছে বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন।
    কিছুদিন আগে আশুলিয়ার জামগড়া হেয়ন গার্মেন্টস রোডে বকুল ভুঁইয়া’র বাড়ি ঘরসহ এলাকায় দোকানপাটে হামলা ও ভাংচুর করে কিশোর গ্যাং বাহিনীর প্রায় শতাধিক সদস্য, তারা খুবই ভয়ংকর ভাবে মুখোশ পড়ে এই হামলা চালিয়েছে, এ সময় মটরসাইকেলসহ একাধিক গাড়ি ভাংচুর ও দোকানপাটে বাড়ি ঘরে হামলা করেছে তারা। এলাকায় চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, খুন, ধর্ষণ, চাঁদাবাজি, অপহরণসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড করছে এসব কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাস বাহিনীর সদস্যরা। ভাইয়ের হাতে ভাই খুন, ছেলের হাতে বাবা মা, শিক্ষার্থীর হাতে শিক্ষক খুন, বন্ধুদের হাতে বন্ধু হত্যার ঘটনা ঘটেছে। জনগণের প্রশ্ন এইসব অপরাধের দায় কারা নিবে?। বিশেষ করে বাংলাদেশ পুলিশ ও র‌্যাব দুই-চারজনকে আটক করলেও তারা অনেকেই আদালত থেকে জামিনে এসে আবারও সেই অপরাধমূলক কর্মকান্ড করে বেড়ালেও পুলিশ তাদেরকে আটক করছেন না বলে অনেকেই জানান।
    জানা গেছে, আশুলিয়ার জামগড়া এলাকার হেয়ন গার্মেন্টস ও রূপায়ন আবাসন ১-এর মাঠের ভেতরে মাঝে মধ্যে গভীর রাতে গুলির শব্দ শুনে আতংকিত হয় এলাকাবাসী। প্রশ্ন: এই অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী কারা? তাদের সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের ভয়ে আশপাশের এলাকার মানুষ রাতে বাহিরে বেড় হতে সাহস করে না। এর আগে ১৬ বছরের নাজমা গণধর্ষণের শিকার হয়ে মারা যায়, এরপর আশুলিয়ার চিত্রশাইল হাজী ইউনুছ আলী কলেজের শিক্ষক উৎপল কুমার সরকারকে নির্মমভাবে কাঠের ষ্ট্যাম্প দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেছে স্থানীয় উজ্জল মিয়ার বখাটে ছেলে ওই এলাকার কিশোর গ্যাং প্রধান আশরাফুল আহসান ওরফে জিতু দাদা। এই মামলায় পিতা পুত্র গ্রেফতার হলেও কিশোর অপরাধ থেমে নেই এলাকায়। অনেকেই জানান, আশুলিয়ায় মাঝে মধ্যে রূপায়ন মাঠের ভেতরে ও হেয়ন মোড়সহ বিভিন্ন এলাকায় গার্মেন্টসের শ্রমিকদের মোবাইল ও নগদ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। পোশাক কারখানায় ৫-৭ ও ১০ তারিখে বেতন দেওয়া হলেই কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসীদের বেশি আড্ডা লক্ষ্য করা যায় বলে স্থানীয়রা জানান। সেই সাথে চুরি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড করে তারা।
    ঢাকার প্রধান শিল্পা ল আশুলিয়ায় বেশিরভাগ মানুষ বহিরাগত ও শিক্ষার্থীসহ উঠতি বয়সের কিশোরদের সাথে মিলিত হয়ে গঠন করেছে বিভিন্ন গ্রুপ ও কিশোর গ্যাং, দাদা গ্রুপ, ৫ স্টার, ৭ স্টার ও বড় ভাই গ্রুপ ইত্যাদি। যাদের বয়স ১২ থেকে ১৮ বছর বা তার চেয়ে কম-বেশি। সূত্রমতে আশুলিয়া থানাধীন ধামসোনা ইউনিয়নের ভাদাইল, পাবনারটেক, রূপায়ন আবাসন ১ এর মাঠ, ইয়ারপুর ইউনিয়নের জামগড়া, বাগবাড়ি রোড, বটতলা, গফুর মন্ডল স্কুলের আশপাশের এলাকা, হেয়ন গার্মেন্টস রোড, বেরণ ছয়তালা, চিত্রশাইল, ঘোষবাগ, বাগানবাড়ি, ইউসুফ মার্কেট, ইয়ারপুর গ্রাম, বাগবাড়ি, নরসিংহপুর, আশুলিয়া ইউনিয়নের জিরাবো বাগানবাড়ি, পুরাতন আশুলিয়া, অন্যদিকে কাঠগড়া, তেতুলতলা, কাঁঠালতলা ও চিত্রশাইল, মানিকগঞ্জ পাড়া, গাজিররচট, বগাবাড়ি, বাইপাইল, এনায়েতপুর, শ্রীপুর এবং শিমুলিয়া ইউনিয়নের জিরানি বাজার থেকে আমতলা পর্যন্ত কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাস বাহিনী গ্রুপ তৈরি করে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড করছে বলে অভিযোগ উঠেছে বিভিন্ন মহলে। অনেকেই বলেন, এসব কিশোর গ্যাং ও বাহিনীর লিডার থাকলেও বরাবরই তারা ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকে যায়। একজন সদস্যকে মোবাইল ফোনে খবর দিলেই মোটরসাইকেল নিয়ে ১০থেকে ২০মিনিটের মধ্যে ৩০-৪০জন বা শতাধিক কিশোর মুখোশ পড়ে হাজির হয়ে দলবদ্ধভাবে তাদের অপরাধমূলক কর্মকান্ড করে থাকে। তাদের কাজে কেউ বাঁধা দিলে তাদেরকে মারপিট করে, এমনকি হত্যার মতো ঘটনা ঘটিয়ে থাকে তারা। জানা গেছে, এর আগে গত বছরে ধামসোনা ইউপি’র ৬নং ওয়ার্ড মেম্বারের বাড়িসহ ভাদাইল এলাকায় প্রায় শতাধিক যুবক মোটরসাইকেল যোগে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করতে গেলে স্থানীয় সাদেক ভুঁইয়া মেম্বার ও তার লোকজন মসজিদের মাইকে ডাকাত পড়েছে বলে ঘোষণা দিলে তাদেরকে গণপিটুনি দেয় জনগণ। এই বাহিনীর বেশিরভাগ ছেলেদের বয়স ১৬ থেকে ২২ বছর হবে বলে স্থানীয়রা জানান। এ ব্যাপারে অনেকেই বলেছেন যে, ঝুট ব্যবসা নিয়ে আশুলিয়া থানা যুবলীগের আহ্বায়ক কবির হোসেন সরকার গ্রুপ ও সাদেক হোসেন ভুঁইয়া মেম্বার গ্রুপের সংঘর্ষ হয়। এ বিষয়ে জানতে আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুজ্জামান এর সাথে যোগাযোগ করে তাকে পাওয়া যায়নি। অনেক অভিযোগ ও মামলার মিমাংসা করার অভিযোগ উঠেছে কিছু পুলিশের বিরুদ্ধে। পুলিশের দাবি কেউ মিমাংসা করলে আমাদের করার কিছু থাকে না।
    র‌্যাব-৪ জানায়, গত (১৮ মে ২০২৩ইং) তারিখে বিকেল ৪টার দিকে আশুলিয়া থানাধীন শ্রীপুর মোজারমিল এলাকার একটি পুকুর থেকে এক যুবকের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ভিকটিম মোঃ ফারাবী আহমেদ হৃদয় (২১) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল এন্ড কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র এবং স্থানীয় মোঃ ফজলুল হক মিয়ার বড় ছেলে হৃদয়। গত ৮মে ২০২৩ইং জামগড়া নিজ বাসা থেকে বের হওয়ার পর থেকে ভিকটিম হৃদয় নিখোঁজ ছিলেন। জানা যায়, কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসী মোঃ ময়েজ হোসেন পরাণ (২২)সহ ৪-৫ জন তাকে অপহরণ করে ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে না পেয়ে তাকে হত্যা করে, পরে জানা যায়, ভিকটিমের পরিবারের কাছে টাকা চাওয়ার আগেই তাকে হত্যা করা হয়েছে। ওইদিন বিকালেই হৃদয়কে হত্যা করে লাশ গুম করার জন্য বস্তাবন্দি করে শ্রীপুর এলাকায় নিয়ে একটি পুকুরে ফেলে দেয়, দুইদিন পর লাশ ভেসে উঠলে আবার তারা ৮টি ইট বস্তার ভেতরে দিয়ে পানিতে ফেলে দেয়, যাতে লাশ না দেখা যায়। এর একপর্যায়ে আশুলিয়া থানা পুলিশ ও র‌্যাব-৪ এর অভিযানে একজনকে আটক করে তার তথ্যের ভিত্তিতে লাশ উদ্ধার ও পৃথক স্থান থেকে মোট ৪জনকে আটক করেন র‌্যাবের চৌকস একটি দল। আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুব্রত চন্দ্র রায় বলেন, কিশোর গ্যাং বাহিনীর হামলা ও সন্ত্রাসী কর্মকা-ে আইন-শৃঙ্খলার অবনতি হয়েছে, আমাদের পক্ষ থেকে চেষ্টা করছি যাতে আইন-শৃঙ্খলার উন্নতি হয় সেই ভাবে কাজ করছি, অপরাধীদেরকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত আছে বলেও তিনি জানান।

  • ঢাকা জেলার শ্রেষ্ঠ করদাতা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রোমান ভুঁইয়া’র পক্ষ থেকে ঈদ উপলক্ষে শুভেচ্ছা বার্তা

    ঢাকা জেলার শ্রেষ্ঠ করদাতা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রোমান ভুঁইয়া’র পক্ষ থেকে ঈদ উপলক্ষে শুভেচ্ছা বার্তা

    হেলাল শেখঃ ব্যবসায়ীসহ সকল শ্রেণি পেশার মানুষকে পবিত্র ঈদুল আযহার ঈদ উপলক্ষে বিশেষ শুভেচ্ছা বার্তা জানিয়েছেন ঢাকার ঢাকা জেলার পর পর ৬বার শ্রেষ্ঠ করদাতা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক আলহাজ্ব মোঃ তানভীর আহমেদ রোমান ভুঁইয়া। পবিত্র ঈদুল আযহার (ঈদ) উপলক্ষে সকলেই যেন মিলেমিশে আনন্দ উপভোগ করেন এই প্রত্যাশা তাঁর।সবাইকে পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা, “ঈদ মোবারক” ঈদ মোবারক” ঈদ মোবারক”।
    বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব তানভীর আহমেদ রোমান ভুঁইয়া বলেন, পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে বিশেষ শুভেচ্ছা বার্তা-আমাদের মতো সবার প্রিয় ভাই বন্ধুদের প্রতি আহ্বান যে, আপনারা যারা বিত্তবান, সামর্থবান, একাধিক পশু কুরবানি দিচ্ছেন, আপনাদের বাড়ির আশেপাশে কিংবা আপনাদের জানামতে একটু দূরে হলেও যাদের সামর্থ নেই পশু কুরবানি করার মতো কিন্তু তাদের ঘরে ছোট ছোট অবুঝ শিশু বাচ্চা আছে, তাদেরকে যেন আমাদের কুরবানির ঈদের দিন নিজেদের আত্মীয়-স্বজনের ভাগ থেকে কিছু গোস্ত অর্থাৎ মাংস তাদের বাসায় পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করি। তিনি আরো বলেন,ওই সমস্ত মধ্যবিত্ত লোকজন লজ্জায় বাসা থেকে অনেকেই বের হবে না, এমনিভাবে আমরা যারা স্থানীয় বাসিন্দা আছি, আমাদের পশু কুরবানি করছি, সবাই মিলে একজন দুজন, চারজন করে ঐ সমস্ত ফ্যামিলির মধ্যে কুবানির গোস্ত পৌঁছে দিলে আমার মনে হয় তেমন কেউ আর বাকি থাকবে না, ইচ্ছা থাকলে উপায় হবে ইনশাআল্লাহ। পরিশেষে সবাইকে আবারও ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে সবার সুস্বাস্থ্য কামনা করেন মানবতার ফেরিওয়ালা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক, আলহাজ্ব তানভীর আহমেদ রোমান ভুঁইয়া।
    এই বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রোমান ভুঁইয়া ব্যবসার ব্যাপারে বলেন, আমি ব্যবসায়ী হিসেবে সরকারকে কখনো করফাঁকি দেইনি, আমি সততার সাথে ব্যবসা করি, আমার ব্যবসার শুরু থেকে পর্যায়ক্রমে ব্যবসা যখন বড় হচ্ছে-সেই থেকে কখনো করফাঁকি দেওয়ার চিন্তা মাথায় ঢোকেনি, ব্যবসা শুরু করার পরের বছর থেকেই আমি নিজে আয়করদাতা হিসেবে রেজিস্ট্রেশন করি। তিনি আরো বলেন, আমার ব্যবসা যতো এগিয়েছে, কর দেওয়া ততটাই বাড়িয়েছি। তানভীর আহমেদ রোমান ভুঁইয়া আরো বলেন, আমি ২০১৬ সালে প্রথমবার ঢাকা জেলার সেরা করদাতা হিসেবে সম্মাননা স্মারক পাই, এরপর ২০১৭, ২০১৮, ২০১৯, ২০২০, ২০২১ ও ২০২২ সালে আবারও ঢাকা জেলা সেরা করদাতা হিসেবে নির্বাচিত হয়ে সম্মান অর্জন করেছি। আমি মনে করি আমাদের কাউকে কখনোই রাষ্ট্রের সঙ্গে বেঈমানি করা উচিৎ না। তেমনি বিত্তবান, সামর্থবান সম্মানিত ব্যক্তিগণ হাদিস কুরআনের নিয়ম মেনে যাকাত দেওয়া উচিৎ, কুরবানির পশুর মাংস গোস্ত সঠিক ভাবে বিতরণ করাসহ মানুষকে ভালোবাসা ও সম্মান করা দরকার। বিশেষ করে চিরসত্য বার্তা- সম্পদ খাবে লোকে, দেহ খাবে পৌঁকে। যারা দাপট দেখায়, অহংকার করে, সাবধান: একদিন সব ছেড়ে চলে যেতে হবে।
    জানা গেছে, বিশেষ করে মানবতার ফেরিওয়ালা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ঢাকা জেলা শ্রেষ্ঠ করদাতা জনাব আলহাজ্ব তানভীর আহমেদ রোমান ভুঁইয়া একজন ভালো মানুষ, তিনি সবার সাথে হাসিমুখে কথা বলেন, তাঁর ভেতরে কোনো অহংকার নাই। এই মানুষটি অনেক কষ্টে সততার সাথে ব্যবসা করে এখন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী হয়েছেন। (বন্ধন ডিস্ট্রিবিউশন অ্যান্ড সাপ্লাইয়ার নায়ফা ট্রেড বিডি ও গ্লোরী ডিস্ট্রিটিং কর্পোরেশনের স্বত্বাধিকারী) আলহাজ্ব তানভীর আহমেদ রোমান ভুঁইয়া। তিনি ব্যবসায়ীসহ সকল শ্রেণী পেশার মানুষকে পবিত্র ঈদুল আযহার ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, “ঈদ মোবারক” ঈদ মোবারক” ঈদ মোবারক”।

  • নড়াইল জেলা পুলিশ নারী কাবাডি দল বাংলাদেশ পুলিশের জেলা পর্যায়ে প্রথম প্রতিনিধিত্বদানকারী

    নড়াইল জেলা পুলিশ নারী কাবাডি দল বাংলাদেশ পুলিশের জেলা পর্যায়ে প্রথম প্রতিনিধিত্বদানকারী

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি

    নড়াইল জেলা পুলিশ নারী কাবাডি দল প্রথমবারের মত “বাংলাদেশ পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ। বাংলাদেশ পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৩” এ রানার্সআপ নড়াইল জেলা পুলিশ নারী কাবাডি দল।
    ক্রীড়া ও সংস্কৃতির ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ নড়াইল। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান,
    বাংলাদেশের ৬৪ টি জেলার মধ্যে নড়াইল জেলা পুলিশ নারী কাবাডি দল প্রথমবারের মত “বাংলাদেশ পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৩” এ প্রতিনিধিত্ব করে। নড়াইল জেলার পুলিশ সুপার পৃষ্ঠপোষকতায় নড়াইল জেলা পুলিশ নারী কাবাডি দল গ্রুপ পর্বে প্রতিটি দলকে হারিয়ে দলটি তার নিজ যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখতে সক্ষম হয় এবং চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। গত ১ জুন গুলিস্তান বাংলাদেশ কাবাডি স্টেডিয়ামে ডিএমপি ও নড়াইল জেলা পুলিশ নারী কাবাডি দলের ম্যাচ দিয়ে পর্দা উঠেছিলো এই চ্যাম্পিয়নশিপের। ১১ জুন (রবিবার) বিকালে একই ভেন্যুতে ‘বাংলাদেশ পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৩’ এর চূড়ান্ত প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়। নড়াইল জেলা পুলিশ নারী কাবাডি দল ও ডিএমপি নারী কাবাডি দলের মধ্যে ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এ খেলায় ৩২-৩০ পয়েন্টে নড়াইল জেলা পুলিশ নারী কাবাডি দল রানার্সআপ হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে পুরস্কার বিতরণ করেন ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ, বাংলাদেশ, জনাব চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন, বিপিএম (বার), পিপিএম মহোদয়। বাংলাদেশ পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৩ টুর্নামেন্ট পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি সৈয়দ নুরুল ইসলাম বিপিএম (বার), পিপিএম এর সভাপতিত্বে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতির সভানেত্রী ডা. তৈয়বা মুসাররাত জাঁহা চৌধুরী। এ সময় নড়াইল জেলা পুলিশ নারী কাবাডি দলের অভিভাবক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নড়াইল জেলার পুলিশ সুপার মোসাঃ সাদিরা খাতুন।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইজিপি বলেন, কাবাডি আমাদের দেশের খেলা, মাটির খেলা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এ খেলাকে জাতীয় খেলা হিসেবে ঘোষণা করেছেন। এক সময় কাবাডি খেলা হারিয়ে যেতে বসেছিল। বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশন দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে এ খেলা আয়োজন করেছে। কাবাডি খেলাকে সারাদেশে ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ কাবাডি খেলায় ভালো করছে, আগামীতে আরও ভাল করতে হবে। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, এ খেলায় আমরা একদিন বিশ্বের বুকে চ্যাম্পিয়ন হবো। তিনি চ্যাম্পিয়ন এবং রানার্সআপ দলের খেলোয়াড়দের প্রশংসা করেন ও অভিনন্দন জানান।
    প্রতিযোগিতায় নারী দলে নড়াইলের মেবী চাকমা বেস্ট রেইডার, ডিএমপির ইয়াসমিন খানম বেস্ট ক্যাচার এবং ডিএমপির ইশারাত জাহান সাদিকা বেস্ট খেলোয়াড় মনোনীত হয়েছেন। পরে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি বিজয়ী ও রানার্সআপ দলের দলের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।