শুক্রবার, ২০ মে ২০২২, ০৩:৩৯ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
সংবাদ শিরোনাম :
দালালরা নিয়েছে লাখ লাখ টাকা: অভিযানে গ্যাসের ৫ শতাধিক অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন! কেউ কারো বিরুদ্ধে বদনাম না করাই মঙ্গল-প্রকৃত সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান ঘন ঘন যান্ত্রিক ত্রুটিতে আতংকে থাকেন রোগীরা ঝিনাইদহ জেনারেল হাসপাতালের লিফট চালায় সিকিউরিটি গার্ড সুজানগর পৌরসভার উদ্যোগে পারিবারিক সাইলো বিতরণ সুজানগরে স্কুল ছাত্রীকে পিটিয়ে জখম করার ঘটনায় অভিযুক্ত ফাহাদ গ্রেফতার সুজানগরে স্কুল ছাত্রীকে পিটিয়ে জখম, অভিযুক্ত বখাটের গ্রেফতার দাবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন সুজানগর পৌরসভা ঝিনাইদহ মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১ মুন্সীগঞ্জে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১ নড়াইলের ছাত্রলীগের সাবেক দুই নেতা সিলেটে থেকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ
পাইকগাছায় খেঁজুরের রস আহরণে ব্যস্ত গাছিরা

পাইকগাছায় খেঁজুরের রস আহরণে ব্যস্ত গাছিরা

ইমদাদুল হক,পাইকগাছা,খুলনা।।
পাইকগাছায় শীতের আগমনে গাছিরা খেঁজুরের রস আহরণের জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। গ্রামবাংলার ঐতিহ্যের সাথে খেঁজুরের রস ও শীতকালের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক। শীতের মূল উৎসবই হলো শীতের পিঠা ও পায়েশ। যার মূল উপাদান খেঁজুরের রস, ঝোলাগুড় ও পাটালী। শীতের সকালে রোদে বসে যেমন পিঠা খেতে শিশু থেকে শুরু করে বয়োবৃদ্ধ সকলের ভাল লাগে। শিশু, যুবক, বৃদ্ধ সবাই মেতে উঠে পিঠা খাওয়ার উৎসবে। গাছের মাথায় অনেকখানি বাকল তুলে সেখানে হাঁড়ি বেঁধে এ রস সংগ্রহ করা হয়।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় ৪৬ হাজার ২শ রস আহরণ যোগ্য খেঁজুরগাছ আছে। উপজেলার গদাইপুর গ্রামের গাছি আফিল উদ্দীন জানান, অন্য মৌসুমে তিনি বিভিন্ন কাজ করেন। কিন্তু শীত এলেই খেঁজুরগাছ কাটায় ব্যস্ত হয়ে পড়েন। এ অ লে খেঁজুর রসের পর্যাপ্ত চাহিদা থাকায় ভালো আয় করেন। এছাড়া শীতের সময় ধনী-গরীব সকলের কাছে খেঁজুরের গুড়েরও বেশ চাহিদা। তিনি আরো জানান, তার নিজের গাছের সংখ্যা খুবই কম। বেশির ভাগই অন্যের গাছ কেটে রস সংগ্রহ করতে হয়। তাই গাছের মালিককে রসের একটা অংশ দিতে হয়। তারপরেও প্রতিবছর তিনি রস ও গুড় বিক্রি করে লাভবান হন। গাছে সংগ্রহের জন্য যে মাটির পাত্র পাতা হয়,এলাকায় ভাড় বলে পরিচিত। এই এক ভাড় রস একশত টাকা দরে বিক্রি হচ্ছ। তাই বেশি লাভবান হন কাচা রস বিক্রয় করে।
উপজেলার গদাইপুর, গোপালপুর, মঠবাটী, পুরাইকাটী, মালথ, সিলিমানপুর সহ বিভিন্ন গ্রামে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এ এলাকার গাছিরা গাছের পরিচর্যা শেষ করেছে এবং কেউ কেউ রস আহরণ শুরু করেছে।তবে এলাকায় গাছির সংখ্যা খুব কম।সে জন্য অনেক গাছ গাছির অভাবে গাছ থেকে রস আহরণ করা সম্ভাব হয় না।তাছাড়া প্রতি বছর বহু গাছ কেটে ফেএলাকাই হচ্ছে।
উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো: জাহাঙ্গীর আলম জানান, খেঁজুরগাছ ও রসের সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবে খেঁজুর রস আহরণ ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে। তাছাড়া গাছির অভাবে অনেক গাছ থেকে রস আহরণ করা যায় না। প্রকৃতির ভারসাম্য বজায় রাখতে খেঁজুরগাছের ভূমিকা অপরিসীম। তাই কৃষি অফিস থেকে এলাকার খেঁজুরগাছ রোপন করার জন্য কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media






© natunbazar24.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD