বৃহস্পতিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২২, ০৮:৩১ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
সংবাদ শিরোনাম :
ফুলবাড়িয়া উপজেলা পরিষদের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত অভিযান চলমান: আশুলিয়ায় তিতাস গ্যাসের অবৈধ সংযোগ বন্ধ হচ্ছে না কেন? পাইকগাছায় খেঁজুরের রস আহরণে ব্যস্ত গাছিরা রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফাজ্জল হোসেন দিনাজপুরে লক্ষিত জন গোষ্ঠীর মাঝে সবজির চারা বিতরণে মেয়র সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম স্বাদে অতুলনীয় আত্রাইয়ের নারীদের তৈরি কুমড়ো বড়ি মহেশপুরের ভারতীয় সীমান্ত থেকে এক বাংলাদেশীর লাশ উদ্ধার। নড়াইলের জয়পুর শ্রী তারক ধামে সন্ত্রাসী হামলায় মতুয়ারা আহত বিচারের দাবী র‌্যাব-১২’র পৃথক অভিযানে সিরাজগঞ্জের সদরে ইয়াবা ও ফেন্সিডিলসহ ০৩ জন মাদক কারবারী আটক তারাগঞ্জে বাস-পিকআপ মুখোমুখি সংঘর্ষ নিহত ১
নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণহীন-ডিজেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে কৃষিতে

নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণহীন-ডিজেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে কৃষিতে

হেলাল শেখঃ দেশে নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণহীন এবং ডিজেলের দামও বৃদ্ধি, কৃষকের জমিতে পানি নেই। কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে, আর কৃষকের জমিতে ফসল না হলে মানুষ খাবে কি? সারা দেশে বৃষ্টি নেই, একদিকে জমিতে পানি নেই। অন্যদিকে ডিজেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে কৃষিতে। নতুন ফসল ফলনে বিঘাপ্রতি জমিতে উৎপাদন ব্যয় বাড়ছে দেড় থেকে ২হাজার টাকা পর্যন্ত। সেই সাথে প্রায় ৩০ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে টিলার ব্যবহারের খরচ ও কৃষি শ্রমিকদের মজুরিও বাড়ছে। এ নিয়ে কারো কোনো মাথা ব্যথা নেই।
বিশেষ করে প্রান্তিক কৃষকদের দাবি-বীজ, কীটনাশকের বাড়তি দামের কারণে উৎপাদন খরচ আগের চেয়ে বেশ বেড়েছে কিন্তু মৌসুমে তারা ফসলের নায্যমূল্য পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন অনেকেই। এতে তাদের অনেক বেশি লোকসান গুনতে হচ্ছে। কৃষকরা বলেন, কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে। কৃষি জমিতে ফসল না হলে মানুষ কি খেয়ে বাঁচবে এমননি প্রশ্ন করেন অনেক কৃষক।
উত্তরের প্রায় জেলাগুলোতে চলছে রবি মৌসুমের চাষাবাদ। নতুন ফসলে ভরে উঠেছে উত্তরের জেলাগুলোর মাঠ থেকে। আলু, গম, সরিষা বুনছেন অনেক কৃষক তাদের জমিতে। উৎপাদন হচ্ছে, হরেক রকমের সবজি। দেখা যায়, ফলন ভালো হলেও মলিন কৃষকের মুখ। সার, বীজ ও কীটনাশকের দাম বৃদ্ধির কারণে চাষাবাদ করতে এমনিতেই হিমশিম খাচ্ছেন কৃষকরা, সেখানে মৌসুমের শুরুতেই ডিজেলের মূল্য বৃদ্ধি কৃষকের জন্য মরার ওপর খাড়ার ঘা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ডিজেলের বাড়তি দামে বেড়েছে উৎপাদন ব্যয়। তাই অনেক বর্গা চাষি মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন ফসল আবাদ করা থেকে। অনেক কৃষি কর্মকর্তাও মনে করেন যে, ডিজিলের দাম বৃদ্ধির নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে আবাদি ফসলের ওপর। বেড়েই চলেছে কৃষকের খরচ। এর সাথে কৃষি শ্রমিক ও টিলারের মালিকরা বাড়িয়ে দিয়েছেন মজুরি ও খরচ। কয়েক মাস আগেও (৩৩ শতাংশ) এক বিঘা জমিতে খরচ হত ৫০০ থেকে ১ হাজার টাকা, যা বর্তমানে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার থেকে ১৫০০টাকা। এমন পরিস্থিতিতে কৃষি পণ্যের নায্যমূল্য নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন কৃষকরা।
এ বিষয়ে সাইফুল ইসলাম নামের এক কৃষক বলেন, কিছু কৃষক আছেন যে, তারা এক বিঘা জমি বন্দকী হিসেবে এক বছরের ফসল ভোগ করার জন্য ৫ হাজার টাকা দিয়ে জমির মালিকের কাছ থেকে নিয়ে সার, বীজ ও কীটনাশক কিনে জমিতে দিয়ে ফসল আবাদ করেন, জমি চাষাবাদ করাসহ এক বিঘায় তাদের খরচ হয় প্রায় ১৫ হাজার টাকা, অনেক ফসল আবাদ করে কৃষকের লোকসান হয়। কারো আবার এর চেয়ে বেশি বা কম খরচ হয়। কৃষকরা অনেকেই বলেন, কোনো কারণে এক বছর ফসল নষ্ট হলে, অনেক সময় না খেয়ে থাকতে হয় তাদেরকে। অনেক কষ্টে মানবেতর জীবনযাপন করতে হয় বলে অনেকেই জানান। শুধু তাই নয়, এক ডিজেলের দাম বৃদ্ধির কারণে প্রতিটি সেক্টরেই এর প্রভাব পড়েছে। এতে দেশের জনগণের মরার ওপর খাড়ার ঘা বলে অভিমত প্রকাশ করেন সচেতন মহল।

Please Share This Post in Your Social Media



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© natunbazar24.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD