শুক্রবার, ২০ মে ২০২২, ০৩:৫৮ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
সংবাদ শিরোনাম :
দালালরা নিয়েছে লাখ লাখ টাকা: অভিযানে গ্যাসের ৫ শতাধিক অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন! কেউ কারো বিরুদ্ধে বদনাম না করাই মঙ্গল-প্রকৃত সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান ঘন ঘন যান্ত্রিক ত্রুটিতে আতংকে থাকেন রোগীরা ঝিনাইদহ জেনারেল হাসপাতালের লিফট চালায় সিকিউরিটি গার্ড সুজানগর পৌরসভার উদ্যোগে পারিবারিক সাইলো বিতরণ সুজানগরে স্কুল ছাত্রীকে পিটিয়ে জখম করার ঘটনায় অভিযুক্ত ফাহাদ গ্রেফতার সুজানগরে স্কুল ছাত্রীকে পিটিয়ে জখম, অভিযুক্ত বখাটের গ্রেফতার দাবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন সুজানগর পৌরসভা ঝিনাইদহ মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১ মুন্সীগঞ্জে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১ নড়াইলের ছাত্রলীগের সাবেক দুই নেতা সিলেটে থেকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের সৈনিক ও ত্যাগী নেতা হওয়া সহজ না

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের সৈনিক ও ত্যাগী নেতা হওয়া সহজ না

সাইফুল ইসলাম জয় (হেলাল শেখ)
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সম্পর্কে জাতিকে জানা দরকার। শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের সৈনিক ও ত্যাগী নেতা হওয়া এতো সহজ না। ১৯৪৭সালে পাকিস্থান স্বাধীন হওয়ার পর পরবর্তী দশকে কোন শাসন চালু ছিলো প্রিয় পাঠক সবাই জানেন কি? সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ ও ইতিহাস জানতে হলে বেশি বেশি বই পড়তে হবে এবং নিজে জানুন আর অন্যদেরকে জানতে সহযোগিতা করুন।
বিশেষ করে ৬দফার অনানুষ্ঠানিক ঘোষণা কে, কবে ও কোথায় দেয়া হয় জানেন কি? সুত্রমতে, শেখ মুজিব, ৫ফেব্রুয়ারি ১৯৬৬ সালে লাহোরে। প্রিয় পাঠকগণ জানেন কি? শেখ মুজিব কবে কোথায় আনুষ্ঠানিকভাবে ৬দফার ঘোষণা দেন? ২৩ মার্চ ১৯৬৬ সালে লাহোরে এক সাংবাদিক সম্মেলনে। রাজনীতি করলে মারামারি সংঘর্ষ হতেই পারে, হামলা, মামলার শিকার হতে হবে এটা নতুন কিছু নয়। বিশেষ করে শেখ মুজিবকে প্রধান আসামী করে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করার পর তা প্রত্যাহার করা হয় জানুয়ারি, ১৯৬৯-২২ফেব্রƒয়ারি ১৯৬৯। পাকিস্থানের প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ৭ডিসেম্বর ১৯৭০ সালে। ওই নির্বাচনের ফলাফলে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় পরিষদের ১৬৭টি এবং পাকিস্থান পিপলস্ পার্টি ৮৮টি আসন লাভ করে। বিশেষ করে পূর্ব-পাকিস্থান প্রাদেশিক আইন পরিষদের ৩০০টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ২৮৮টি আসন লাভ করে এবং অবশিষ্ট ১২টি আসন অন্যান্য দল। ৬ মার্চ ১৯৭১ সালে প্রেসিডেন্ট জাতীয় পরিষদের অধিবেশনের নতুন ঘোষণা দেয়া হয়।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চ ভাষণকে শ্রদ্ধা ও সম্মান জানিয়েছেন বিশ্ব নেতারা। প্রিয় পাঠক জানেন যে,৭ই মার্চ ১৯৭১-এ শেখ মুজিবের ঐতিহাসিক ভাষণের বৈশিষ্ট্য কি?-অহিংস ও অসহযোগ আন্দোলনের কর্মসূচি প্রদান, স্বাধীনতার পরোক্ষ ঘোষণা, পর্ব পাকিস্থানে আওযামী লীগের অসামরিক প্রশাসন চালু করা। ঢাকায় মুজিব-ইয়াহিয়া বৈঠক শুরু হয় ১৬মার্চ ১৯৭১থেকে ২৫মার্চ পর্যন্ত, ১০দিন চলে আলোচনা। তখন আলোচনার বৈঠক ভেঙ্গে দিয়ে ইয়াহিয়া খান ঢাকা ত্যাগ করে ২৫মার্চ রাতে। এরপর পাকিস্থান সেনাবাহিনী গণহত্যা শুরু করে। ২৫মার্চ রাতেই শেখ মুজিবকে ধানমন্ডির ৩২নং বাসা থেকে বন্দী করা হয়। এরপর ঘটে যায় অনেক ঘটনা, ৯ মাস যুদ্ধের পর দেশ স্বাধীন হয়। ৩০ লাখ মানুষের তাজা রক্তের বিনিময়ে এই স্বাধীনতা পেয়েছি আমরা। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ তাঁর পরিবারের দুই কন্যা ছাড়া সবাইকে হত্যা করে ঘাতকরা। তার দুই কন্যা ছাড়া সহপরিবারের রক্ত দিয়ে প্রমান করেছেন যে, শেখ পরিবার দেশের মানুষকে ভালোবেসে, এবং জনগণের জন্য জীবন দিতে পারেন। প্রিয় পাঠকগণ শেখ মুজিব সম্পর্কে জানার শেষ নেই। বর্তমানে পুলিশ, সাংবাদিক, আইনজীবী, রাজনৈতিক নেতা বেশিরভাগ মানুষ অর্থ ও স্বার্থের জন্য কাজ করেন কিন্তু মানবিক শব্দটা কি তা আমরা অনেকেই জানিনা, আর জানার চেষ্টাও করিনা এটা খুবই লজ্জাজনক।
সুত্রে জানা গেছে, ১৯৩৫সালে ভারত শাসন আইন দ্বারা পাকিস্থান সৃষ্টির পরবর্তী দশক শাসিত হয়। এই শাসন ব্যবস্থাকে ভাইস রিগ্রাল ব্যবস্থা বলা হয়। বিশেষ করে পাকিস্থানের দুই অ লের মধ্যে বৈষম্য ও বিভেদের কারণ কি? তা হলো পাকিস্থানি শাসনচক্রের নীতিহীনতা, অদূরদর্শিতা ও স্বার্থপরতা। পাকিস্থানের প্রথম গভর্নর ছিলেন মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ। তখন পাকিস্থানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন লিয়াকত আলী খান। লিয়াকত আলী খানের মৃত্যুর পর, খাজা নাজিম উদ্দিন প্রধানমন্ত্রী হন। এরপর ১৯৫৩ সালে গোলাম মুহম্মদ গভর্নর জেনারেল হন। খাজা নাজিমউদ্দিনের পর পাকিস্থানের প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হন বাংলাদেশের বগুড়ার মুহম্মদ আলী। উক্ত নিউজ তথ্য সুত্র কমপিউটার বিসিএস প্রিলিমিনারী গাইড থেকে নেয়া হয়। বাংলাদেশের ৮টি বিভাগের মধ্যে ৬৪ জেলা ও উপজেলায় প্রায় ১৮কোটি জগণের নেতা বাংলাদেশ আওয়ালীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্তমান সরকার প্রধান, তিনি শেখ মুজিবুর রহমানেরই কন্যা। জয় বাংলা, আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি। বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলাদেশ, বঙ্গবন্ধু মানেই শক্তি ও বঙ্গবন্ধু মানেই স্বাধীন বাংলাদেশ।

Please Share This Post in Your Social Media






© natunbazar24.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD