বুধবার, ১৮ মে ২০২২, ০৮:৫২ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
সংবাদ শিরোনাম :
শৈলকুপায় জমি নিয়ে বিরোধ সংঘর্ষে ১৫ জন আহত নওগাঁর আত্রাইয়ে শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত বিয়ের জন্য চাপ দেয়ায় সুজানগরে স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা পাইকগাছায় জোড় পূর্বক গৃহবধূকে ধর্ষনের চেষ্টা;গণ পিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ পাইকগাছায় নার্সারীতে জোড় কলম তৈরীতে ব্যাস্ত সময় পার করছে শ্রমিকরা সুজানগরে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে মুন্সীগঞ্জে আ’লীগের আলোচনা সভা ও র‌্যালী পঞ্চগড়ে কাঁচা চা পাতার ন্যায্যমূল্যের দাবিতে সভা ময়মনসিংহ জেলায় শ্রেষ্ঠ এসিল্যান্ড জিন্নাত শহীদ পিংকি শেখ হাসিনা দেশে ফিরে এসেছেন বলেই দেশে গণতন্ত্র ফিরেছে-ত্রিশালে নয়ন
১৪ নভেম্বর দেশে প্রথম হানাদার মুক্ত হয় কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলা

১৪ নভেম্বর দেশে প্রথম হানাদার মুক্ত হয় কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলা

মো জুয়ের রানা কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি :
স্বাধীনতা যুদ্ধে দেশের প্রথম হানাদার মুক্ত উপজেলা কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলা। ১৯৭১ সালের ১৩ নভেম্বর দিবাগত রাতে মুক্তিযোদ্ধা ও মিত্র বাহিনী ৪টি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে দক্ষিণ দিকে খোলা রেখে ভূরুঙ্গামারী উপজেলার তিন দিক থেকে আক্রমণ চালায়। সারারাত তুমুল যুদ্ধ শেষে পাকবাহিনীরা রায়গঞ্জের দিকে পিছু হটলে মুক্তি বাহিনী ও মিত্র বাহিনী মিলে ভূরুঙ্গামারী দখলে নেয় এবং বর্তমান উপজেলা পরিষদের সামনে (তৎকালিন সিও অফিস) জাতীয় পতাকা উত্তেলন করা হয়। ১৪ নভেম্বর দেশের প্রথম হানাদার মুক্ত উপজেলা হিসেবে হানাদার মুক্ত হয় ভুরুঙ্গামারী উপজেলা।
এইযুদ্ধে পাকবাহিনীর ক্যাপ্টেন আতাউল্যা খান বোমার আঘাতে মারা যান এবং বাঙ্কাকারে তার পাশে একজন নির্যাতিতা (বীরাঙ্গানা)মহিলার লাশ পাওয়া যায়। যুদ্ধে ৩০/৪০ জন জীবিত পাক সেনা, তৎকালিন সিও অফিসের বাস ভবন থেকে চারজন (বীরাঙ্গনা) নির্যাতিতা মেয়েকে উদ্ধার করা হয়। যাদের একজন ৬/৭ মাসের গর্ভবতী ছিলো এবং একজন ময়মমনসিংয়ের কলেজ পড়–য়া ছাত্রী ছিলেন। একই ভাবে ভূরুঙ্গামারী সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে একই অবস্থায় ১৬ জন মেয়েকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মেয়ে ও জীবিত পাক সেনাদের মিত্র বাহিনী ভারতে নিয়ে যায়। এযুদ্ধে পাক ও মিত্র বাহিনীর বিপুল সংখ্যক সৈন্য মারা যা। মুক্তিযুদ্ধের পূর্বা লীয় কমান্ডার জেনারেল জগজিৎ সিং আরোরা এবং সাব সেক্টর কমান্ডার মেজর নওয়াজিসের পরিকল্পনায় সমস্ত আক্রমন পরিচালিত হয়। প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও ভূরুঙ্গামারী প্রেস ক্লাব দিবসটি পালন উপলক্ষে ব্যাপক কর্মসুচি গ্রহণ করেছে।

Please Share This Post in Your Social Media






© natunbazar24.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD