মঙ্গলবার, ২৪ মে ২০২২, ০৯:৫৪ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
সংবাদ শিরোনাম :
বীরগঞ্জের নিজপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের উন্মুক্ত বাজেট ঘোষনা ও বার্ষিক উন্নয়ন পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসীদের হামলায় আহত-৭, থানায় একাধিক অভিযোগ আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা মঞ্জুরুল আলম রাজিবকে অভিনন্দন নড়াইলে ২১৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার যুবক গ্রেপ্তার রাজারহাটে আনসার ভিডিপি’র উপজেলা সমাবেশ-২০২২ অনুষ্ঠিত ভারশোঁ ইউপির উথরাইল বিলে মাছের পোনা অবমুক্ত নড়াইলে মাছের ঘেরে গাঁজা চাষ, আটক ২ নাচোলে ভোটার তালিকা হালনাগাদ উপলক্ষে মতবিনিময় কেশবপুরে বঙ্গবন্ধু জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টে ফাইনালে চাম্পিয়ান সুফলাকাটি ইউনিয়ন ফুটবল একাদশ চাটখিলে ব্যবসায়ীর স্ত্রীকে ধর্ষন করে ভিডিও ধারনের অভিযোগে যুবক আটক
দেশে কয়েক লাখ শ্রমিক বেকার হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে!

দেশে কয়েক লাখ শ্রমিক বেকার হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে!

হেলাল শেখঃ
বাংলাদেশে পোশাক শ্রমিক ও স্বর্ণ শিল্পীসহ কয়েক লাখ যুবক বেকার হয়ে পড়েছে। এর কারণে তারা খেয়ে, না খেয়ে, অনাহারে, অর্ধাহারে থেকে মানবেতর জীবনযাপন করছে বলে অনেকেই জানান।
জানা গেছে, শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধির অজুহাতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে লোক নিয়োগ বন্ধ করে দিয়েছেন মালিক। এর কারণে দিন নিদ বেকারের সংখ্যা বাড়ছে। বিশেষ করে “৩ হাজার টাকা প্রতি ভরি স্বর্ণের মূল্য বিষয়টি রহস্যজনক” এমন প্রশ্ন অনেকেরই। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দুই কারণে সোনার নিলাম হচ্ছে না। প্রথমত, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভল্টে জমা রাখা বেশিরভাগ সোনার বিষয়ে মামলা এখনও বিচারাধীন। দ্বিতীয়ত, নিলাম ডাকা হলেও সোনা ব্যবসায়ীরা ৪০ হাজার টাকার সোনার দাম বলেন, মাত্র তিন হাজার টাকা, বা তারও কম! প্রশ্ন সমস্যাটি কোথায়? সংশ্লিষ্ট প্রশাসন এ বিষয়ে সঠিকভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করলে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব বলে মনে করেন অনেকেই।
জুয়েলার্স মালিক ও স্বর্ণশিল্পী শ্রমিক সুত্রে জানা গেছে, ৯৬ রতি, ১৬ আনায় ১ভরি সোনার ভেতরে ২ আনা তামা খাইদ মিশানো হয়, কেউ আবার তার চেয়ে বেশি খাইদ মিশিয়ে ভেজাল ও নি¤œমানের অলংকার তৈরি করে বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। এ খাইদ যদি ১৯-২০ হয় তাও সোনার মূল্য এতোটা কম হওয়ার কথা নয় বলে ব্যবসায়ীরা জানান। তারা বলেন, ব্যাংকে যে স্বর্ণ রয়েছে, তা বিদেশী না কি দেশী ? বিদেশী স্বর্ণের বিস্কুট এক নম্বর জাতের সোনা, এর মধ্যে কোনো প্রকার খাইদ থাকার কথা নয়। আর যদি সোনার তৈরি অলংকার হয় তা ১৮, ২১, বা ২২ ক্যারেট হলেও তার মুল্য ৩০ হাজারেরও বেশি টাকা হওয়ার কথা। কথিত আছে যে, স্বর্ণকার-না কি মায়ের নাকের সোনাও চুরি করে! আসলে কি তাই ? এই প্রশ্নের জবাবে সাইফুল ইসলাম নামের একজন স্বর্ণ শিল্পী শ্রমিক কারিগর বলেন, এক ভরি সোনার অলংকার তৈরি করতে ২-৩ আনা সোনা বেশি নিতে হয়-সেই বাড়তি সোনা-আবার কাজের শেষে ছাঁটকাট বা গসাগুড়া বেড় হয়ে যায়। এটাকে চুরি বলা যায় না।
উক্ত ব্যাপারে সোনা ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ জুয়েলার্স মালিক সমিতির সভাপতি-শ্রী গঙ্গাচরণ মালাকার গণমাধ্যমকে জানান, “বাংলাদেশ ব্যাংক এখন আমাদের কাছে আন্তর্জাতিক বাজার দরে সোনা বিক্রি করুক, আমরা সোনা কিনে নেবো।” তিনি বলেন, তখনকার পরিস্থিতি যাই হোক না কেন, এখন আমরা কম দাম দেবো না। আন্তর্জাতিক বাজারে যে দাম আছে, তাই দেবো। অবশ্য বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, দুই কারণে সোনার নিলাম হচ্ছে না। প্রথমত, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভল্টে জমা রাখা বেশিরভাগ সোনার বিষয়ে মামলা এখনও বিচারাধীন রয়েছে। দ্বিতীয়ত, নিলাম ডাকা হলেও সোনা ব্যবসায়ীরা দাম হাঁকেন খুবই কম। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক (কারেন্সি অফিসার) আওলাদ হোসেন চৌধুরী বলেন, বেশিরভাগ সোনা সংক্রান্ত মামলাই বিচারাধীন। আর বিচারাধীন থাকার কারণে সোনা নিলাম হচ্ছে না।
একটি মামলায় আদালত থেকে কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী থেকে একজন আসামী জামিনে আছেন, মুন্সীগঞ্জ জেলার শ্রীনগর এলাকার মোঃ শরীফ মিয়া এ প্রতিনিধিকে জানান, বিদেশ থেকে যেসকল স্বর্ণের বার বা বিস্কুট আকারে বাংলাদেশে আসে সে স্বর্ণগুলো বিশুদ্ধ ও উন্নত মানের সোনা। এসব স্বর্ণ জব্দ করার পর, সাধারণত বাংলাদেশ ব্যাংক কিনে নেয়। আর নিলামের টাকা বাংলাদেশ ব্যাংক সরকারকে দেয়া হয়। এগুলোকে রিজার্ভে দেখানোর জন্য ভল্টে রেখে দেয়া হয়। সেগুলো ভেজাল বা নি¤œমানের হতে পারে না।
প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় ব্যাংক সর্বশেষ সোনার নিলাম ডেকেছিল ২০০৮ সালে। জানা যায়, ওই বছরে চার দফায় ৯১ কেজি সোনা নিলাম করা হয়। তারপর থেকে এ পর্যন্ত ৯৬৩ কেজির বেশি পরিমাণ সোনা জব্দ করার পর সেই সোনা আদালতের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের অস্থায়ী খাতে জমা পড়েছে। সুত্র জানায়, স্বাধীনতার পর থেকে জব্দ হওয়া সোনার মধ্যে রাষ্টের অনুকুলে আদালত থেকে বাজেয়াপ্ত হওয়া দুই হাজার ৩০০ কেজি সোনা কিনে রিজার্ভে যোগ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ বছরে ১৮ কেজি সোনা রিজার্ভে নেওয়ার কথা ছিল। এ ছাড়া ১০ কেজি সোনা নিলামে বিক্রির কথা থাকলেও আপাতত তা স্থগিত করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
এ বিষয়ে ঢাকার সাভারের আশুলিয়ার “জামগড়া জুয়েলারী মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জয়া জুয়েলার্স এর মালিক মধুসূধন বনিক বলেন, এ বিষয়ে জুয়েলার্স মালিকরা জড়িত নয়”। উক্ত বেকার যুবকদের বিষয়ে নাজমুল নামের একজন শ্রমিক বলেন, পোশাক শ্রমিকদের বেতন সর্বনি¤œ ১০ হাজার টাকা ঘোষণা করেছে সরকার। এই অজুহাতে পোশাক শিল্প মালিকরা শ্রমিক নিয়োগ প্রায় বন্ধ করে দিয়েছে। সাভার আশুলিয়া ও ধামরাই এবং গাজীপুরে প্রায় এক লাখ পোশাক শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েছেন। প্রতি মাসের ১-১০ তারিখে চাকরি নিতে আসা নারী ও পুরুষ বিভিন্ন কারখানার গেটের সামনে তা দেখা যায়।

Please Share This Post in Your Social Media






© natunbazar24.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD