মঙ্গলবার, ২৪ মে ২০২২, ০৮:২১ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
সংবাদ শিরোনাম :
বীরগঞ্জের নিজপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের উন্মুক্ত বাজেট ঘোষনা ও বার্ষিক উন্নয়ন পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসীদের হামলায় আহত-৭, থানায় একাধিক অভিযোগ আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা মঞ্জুরুল আলম রাজিবকে অভিনন্দন নড়াইলে ২১৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার যুবক গ্রেপ্তার রাজারহাটে আনসার ভিডিপি’র উপজেলা সমাবেশ-২০২২ অনুষ্ঠিত ভারশোঁ ইউপির উথরাইল বিলে মাছের পোনা অবমুক্ত নড়াইলে মাছের ঘেরে গাঁজা চাষ, আটক ২ নাচোলে ভোটার তালিকা হালনাগাদ উপলক্ষে মতবিনিময় কেশবপুরে বঙ্গবন্ধু জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টে ফাইনালে চাম্পিয়ান সুফলাকাটি ইউনিয়ন ফুটবল একাদশ চাটখিলে ব্যবসায়ীর স্ত্রীকে ধর্ষন করে ভিডিও ধারনের অভিযোগে যুবক আটক
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় মৃত্যু ঝুঁকিতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স : দীর্ঘ ৭ মাস ধরে অপারেশন বন্ধ

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় মৃত্যু ঝুঁকিতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স : দীর্ঘ ৭ মাস ধরে অপারেশন বন্ধ

নিজস্ব প্রতিনিধি, গোপালগঞ্জ : যে হাসপাতালে রোগী ভর্তি হন জীবন বাঁচাতে, সেই হাসপাতালের ছাদ ভেঙে পড়ছে। আর তাই জীবন বাঁচাতে এসে বর্তমানে মৃত্যু ঝুঁকিতে রোগী ও স্বজনরা থাকছেন তটস্থ। তারপরও এক প্রকার বাধ্য হয়েই সাধারণ মানুষ সেখানে অবস্থান করে চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করছেন।
হাসপাতাল ভবনের দ্বিতীয় তলায় মহিলা ও পুরুষ ওয়ার্ডের প্রবেশ দ্বারে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নোটিশ টাঙিয়ে দিয়েছে। সেখানে লেখা আছে এ ওয়ার্ডের ছাঁদ ভেঙ্গে পড়তেছে, এখানে থাকলে নিজ দায়িত্বে থাকবেন। তারপরও নিজ নিজ দায়িত্বে রোগীরা সেখানে থাকছেন। নিচ্ছেন চিকিৎসা সেবা। চিকিৎসক ও নার্সরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এ হাসপাতালে কাজ করে যাচ্ছেন। এ ছাড়া চিকিৎসক সংকটে গত ৭ মাস ধরে এ হাসপাতালে অপারেশন বন্ধ রয়েছে।
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বর্তমানে এ অবস্থা বিরাজ করছে দীর্ঘ দিন যাবত। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, কোটালীপাড়া উপজেলার সাড়ে ৩ লাখ মানুষকে চিকিৎসাসেবা দিতে ৪০ বছর আগে ৩১ বেডের এ হাসপাতাল ভবন নির্মাণ করা হয়। হাসপাতাল ভবনটি এখন জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ। দ্বিতীয় তলা ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সেখানে ছাদের পলেস্তারা, ঢালাই, ভিমের ঢালাই খসে পড়ছে। ছাদের রড বেরিয়ে গেছে। অনেক সময় পলেস্তারা খসে পড়ে প্রতি নিয়ত রোগী, নার্স ও চিকিৎসকরা আহত হচ্ছেন। এ কারণে হাসাপাতাল কর্তৃপক্ষ মহিলা ও পুরুষ ওয়ার্ডের প্রবেশ দ্বারে সতর্কতা নোটিশ টাঙিয়ে দিয়েছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্র আরো জানিয়েছে, ৩১ বেডের এ হাসপাতালটিকে ৫০ বেডে উন্নীত করা হয়েছে। কিন্তু এখানে জনবল রয়েছে ৩১ বেডের। ২২ জন চিকিৎসকের স্থলে কর্মরত রয়েছেন মাত্র ৯ জন চিকিৎসক। গত ৭ মাস ধরে গাইনি ও অ্যানেসথেশিয়া বিশেষজ্ঞ নেই। এ কারণে বন্ধ রয়েছে অপারেশন।
কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সিনিয়র স্টাফ নার্স জ্যাকলিন রুনু বৈদ্য বলেন, কর্তব্যরত অবস্থায় ছাদের পলেস্তারা খসে পায়ে পড়ে আহত হয়েছি। আমাদের বসার রুমের ছাদের অবস্থা ভালো নয়। ঝুঁকির মধ্যে দায়িত্ব পালন করে যেতে হচ্ছে। কখনো কখনো ছাদের পলেস্তারা খসে চিকিৎসক ও রোগীরা আহত হচ্ছেন।
কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. প্রেমানন্দ মন্ডল বলেন, প্রকৌশল বিভাগ অনেক আগেই এ ভবন পরিত্যক্ত ঘোষণা করেছে। আমরা এখানে রোগী রাখতে চাই না। রোগীরা জোর করে এখানে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা সেবা নেন। তাই আমরাও সতর্কতা মূলক নোটিশ টাঙিয়ে দিয়েছি। ৩ মাসের মধ্যে হাসপতালের এ ভবন ভেঙে নতুন আধুনিক ভবন নির্মাণ কাজ শুরুর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, এখানে চিকিৎসক সংকট প্রকট। ৭ মাস ধরে হাসপাতালে গাইনি ও অ্যানেসথেশিয়া বিশেষজ্ঞ নেই। তাই অপারেশন বন্ধ রয়েছে। চিকিৎসক সংকটের মধ্যেও প্রতিদিন ৩/৪ শ রোগীকে আমরা চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছি।

Please Share This Post in Your Social Media






© natunbazar24.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD