সোমবার, ২৯ নভেম্বর ২০২১, ১১:২৮ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
সংবাদ শিরোনাম :
জাতির পিতার মাজার জিয়ারত করেছেন পূবাইল থানা আওয়ামীলীগ নেতারা মহেশপুর উপজেলার ১২ টি ইউনিয়ন -বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দের সাথে জেলা বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। মহেশপুর ৫৮ বিজিবির অভিযানে ১২ কেজি রূপার গহনা জব্দ পঞ্চগড়ে নির্বাচন সুষ্ঠু অবাধ সংক্রান্তে পুলিশ সুপারের প্রেস ব্রিফিং বানারীপাড়ায় প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় বিষ খাইয়ে হত্যার চেষ্টা বখাটে আটক পঞ্চম ধাপে ৭০৭ ইউপি নির্বাচন ৫ জানুয়ারি-সাভারে রয়েছে জটিলতা তৃতীয় ধাপে নওগাঁয় দুুই উপজেলার ২২ ইউনিয়নে নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে নওগাঁয় সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ নওগাঁর পত্নীতলায় স্বাধীনতা বিরোধী ব্যক্তিতে নৌকা প্রতীক না দেয়ার দাবীতে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে নারকীয় হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ফ্রিল্যান্সিংয়ে তরুণদের স্বপ্ন দেখালো ধামইরহাটের ফিরোজ
সাংবাদিকদের নেই কোনো নিরাপত্তা-হামলা, মামলা ও হত্যার শিকার হচ্ছেন অনেকেই!

সাংবাদিকদের নেই কোনো নিরাপত্তা-হামলা, মামলা ও হত্যার শিকার হচ্ছেন অনেকেই!

হেলাল শেখঃ
সাংবাদিকদের নেই কোনো নিরাপত্তা-হামলা, মামলা ও হত্যার শিকার হচ্ছেন অনেকেই, এ যেন দেখার কেউ নেই।

জানা গেছে, কোনো সাংবাদিককে কেউ যদি অন্যায় ভাবে মারপিট করে এর প্রতিবাদ কেউ করতে চায় না। কোনো সাংবাদিক যদি সন্ত্রাস বাহিনর হামলা, মামলা ও হত্যার শিকার হয়, তাহলে দুই চার দিন এর প্রতিবাদ সমাবেশ করেন কিছু সাংবাদিক আর অন্যরা আনন্দ উপভোগ করে থাকে, এটাতো সাংবাদিকদের নীতি হতে পারে না।

জাতীয় দৈনিক বজ্রশক্তি পত্রিকা, প্রতিনিধিঃ বাংলার প্রতিদিন এর মফস্বল সম্পাদক, দৈনিক পৃথিবী প্রতিদিন, ও নতুন বাজার পত্রিকাসহ মিডিয়া গ্রুপের সাংবাদিক হেলাল শেখ বলেন, আমি সাংবাদিকতা পেশায় দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার হয়েছি অনেক বার কিন্তু আমার মত অনেক সাংবাদিক হামলা, মামলার শিকার হলেও থানায় কোনদিন সাধারণ ডায়েরি করে না। এখন আর তা হবে না, আজকাল কিছু সন্ত্রাসীরা সাংবাদিকদের উপর হামলা, মামলা করছে। পাবনার নারী সাংবাদিক নদী ও সাংবাদিক দম্পতি সাগর রুনি হত্যার বিচার আজও হয়নি।

উক্ত বিষয়ে কয়েকজন সাংবাদিককে প্রশ্ন করলে তারা বলেন, সন্ত্রাসীরা ঐক্যবদ্ধ তাই তারা সাংবাদিকদের উপর হামলা, মামলা করে রেহাই পাচ্ছে। আর সাংবাদিকরাই সাংবাদিকদের শক্র হচ্ছে। কেনই বা নিজেদের সাথে নিজেরা বিবাদে জড়িয়ে পড়ছেন ? সেই সাথে দলীয়করণ সাংবাদিকতায় প্রকৃত সাংবাদিকরা অবহেলিত হচ্ছেন বলে অনেকেরই অভিমত।

রাজধানী ঢাকার উত্তরা, মিরপুর, সাভার, আশুলিয়া, ধামরাই, গাজীপুর, টাঙ্গাইল, মানিকগঞ্জসহ সারা দেশেই বিভিন্ন এলাকায় সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসীরা দল ও নামধারীদের দৌরাত্ম্য বাড়ছে। এরা সরকার বিরোধী কাজ করলেও তেমন কিছুই হয় না তাদের। প্রশ্ন কোন খুঁটির জোড়ে সন্ত্রাসীরা অপরাধ করেও গ্রেফতার হচ্ছে না?

জানা গেছে, বিভিন্ন নামে বেনামে চাঁদাবাজি করছে অনেকেই। কিছু সাংবাদিক সন্ত্রাসীদের দালালি, করে! “সাংবাদিকরা দালালি ছাড়ুন, আর দালালরা সাংবাদিকতা ছাড়ুন”। ওই সকল সাংবাদিক ও সন্ত্রাসীরা বলে, মাত্র পাঁচশত টাকা খরচ করে পরিচয়পত্র বানিয়ে সাংবাদিক হওয়া যায়। তারা সাংবাদিক ও থানার কিছু সৎ ওসি’র নিয়ে খারাপ মন্তব্য করে থাকে, এ যেন দেখার কেউ নেই।

সম্প্রতি একটি বেসরকারী টেলিভিশন চ্যানেল ইন্ডেপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের অপরাধ অনুসন্ধানী প্রতিবেদন মূলক ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান “তালাশ” এর প্রচারিত তথ্যানুযায়ী জানা গেছে, কোনো নির্দিষ্ট পত্র-পত্রিকা বা গনমাধ্যমে চাকরী না করেও মিরপুরস্থ ও সাভার আশুলিয়ায় নামধারী বিভিন্ন সাংবাদিক শ্রমিক নেতা বড় পদধারী ও সদস্য পরিচয় দিয়ে এরা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে গোটা রাজধানীজুড়ে, সেই সঙ্গে মানিকগঞ্জ, ধামরাই, টাঙ্গাইলসহ ঢাকার আশেপাশের বিভিন্ন এলাকায় এসব সাংবাদিক ও শ্রমিক নেতা রয়েছে। অথচ উচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা তো দূরের কথা! এদের অনেকেরই প্রাথমিক শিক্ষাগত যোগ্যতাও নেই! সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে ‘সাংবাদিক’ শব্দটি ও নিজেদের নাম সঠিকভাবে লেখা/উচ্চারনসহ নামটিও লিখতে পারেন না অনেকেই।

বিশেষ করে কিছু সাংবাদিকের নিউজ লেখার প্রশ্নই উঠেনা, তবে তাদের কোমরে ও স্বব্যবহৃত বিভিন্ন যানবাহনে গর্বভরে শোভা পায় বিভিন্ন নামধারী সংস্থার পরিচয়পত্র ও স্টীকার! এ ধরনের কয়েকজন নামধারী সাংবাদিক ও শ্রমিক নেতার সাথে কথা বলে, তাদের সাংবাদিকতা ও শ্রমিক নেতা হওয়ার নেপথ্যে জানতে চাইলে বেড়িয়ে এসেছে আরও চাঞ্চল্যকর ও লোমহর্ষক ব্যাপার! নিজের ইচ্ছা থাকলেই না কি মাত্র ৫’শ-হাজার টাকার বিনিময়েই সাংবাদিক হওয়াসহ এসকল সংস্থার বড় পদধারী বনে যাওয়া তুচ্ছ ব্যাপার তারা বলেন।

রাজধানীর উত্তরা, মিরপুর, সাভার ও আশুলিয়ার সাংবাদিকরা বিভিন্ন ভাবে ভাগ হয়ে একাধিক সংগঠন করেছে। এর সঙ্গে একদল শ্রমিক ও সাংবাদিক অন্যায় ভাবে হয়রানিমূলক ভাবে কিছু সাংবাদিকের উপর হামলা, মামলা করার চেষ্টা করছে। এ ধরনের কয়েকটি সংগঠনে চা-বিক্রেতা, অটোরিক্সা, সি.এন.জি, বাস-ট্রাক চালক ও মাদক ব্যবসায়ীসহ প্রায় শতাধিক নামধারি ব্যক্তির সন্ধান পাওয়া যায়, এর মধ্যে আশুলিয়ায়ও এরকম সদস্য রয়েছে বলে সংগঠনগুলোর স্বঘোষিত চেয়ারম্যান নিজেরাই দাবি করেন।

বিশেষ করে পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হলেও কিছু হয় না তাদের লজ্জা বলতে কিছু নেই। তারা অনেকেই কিছু পুলিশের সাথে থানায় একপ্রকার দালালি করে বলে অনেকেই জানান।

বিশেষ করে পক্ষান্তরে জনমনে পশ্নঃ একটি এলাকায় শতাধিক সাংবাদিক কি করে থাকে এমন মন্তব্য করেছে আশুলিয়ার খোরশেদ নামের এক কথিত শ্রমিক নেতা। সেই সাথে পুলিশ ও সাংবাদিক নিয়ে খারাপ মন্তব্য করায় গত ৫ সেপ্টেম্বর দুপুরে আশুলিয়ার জামগড়া ট্রাফিক বক্সের পাশে কিছু জনতা ও সাংবাদিরা তাকে পিটুনি দিয়েছে। আশুলিয়ায় শিল্প-কারখানায় কোনো ঘটনা-দূর্ঘটনা ঘটলেই দলবেধে হাজির হয় তারা কিন্তু তাদের সংশ্লিষ্ট সংগঠনের কোনো বৈধ কাগজপত্র আছে কি নাই তাও পরিস্কার না। জানা গেছে, অনেকেই প্রতারণামূলক অবৈধ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত রয়েছে বলে এলাকাবাসী জানান। এরা প্রতারক, মাদক ব্যবসা ও মাদক সেবনসহ বিভিন্ন সিন্ডিকেট এর সাথে জড়িত। এরা অনেকেই এলাকার রাজনৈতিক নেতা ও কিছু পুলিশের নাম ভাঙ্গিয়ে নতুন নতুন কৌশলে দাপটের সাথে চলে বলে বিভিন্ন সুত্রে জানায়।

স্থানীয় প্রশাসন ও প্রকৃত সাংবাদিকদের প্রশ্ন-পাঁচশ-হাজার টাকার বিনিময়ে সাংবাদিক বা শ্রমিক নেতা তৈরির কারিগর ও এসকল ভিত্তিহীন প্রতিষ্ঠানের অন্তরালে চাঁদাবাজির নেপথ্য আসলে কারা রয়েছে? সম্প্রতি পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রকৃত সাংবাদিকগণও কয়েকদফা তাদের বর্বরতার স্বীকার হয়েছেন। ফলে এসব অঞ্চলের বাসিন্দাদের মধ্যে সাংবাদিক ও শ্রমিক নেতা এবং সন্ত্রাসীদের সম্পর্কে নেতিবাচক ধারনার জন্ম দিয়েছে জনমনে।

এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডি.এম.পির একজন উর্দ্ধতন পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, দীর্ঘদিন উল্লেখিত বিষয়টি আমাদের নখদর্পনে থাকলেও নির্দিষ্ট অভিযোগের অভাবে আমরা উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারছিনা। এসকল নামধারী ব্যক্তিদের কোন দায়বদ্ধতা নেই। পক্ষান্তরে পুলিশ-প্রশাসনের রয়েছে সীমাহীন দায়বদ্ধতা। তবে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে এসকল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সঠিক তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহনসহ প্রতিষ্ঠানের অন্তরালে যৎসামান্য অর্থের বিনিময়ে যারা এই চক্র তৈরির কারিগর ও থলের বিড়ালদের খুঁজে বের করে যথাযোগ্য আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উক্ত অনুসন্ধানে ঢাকা জেলাসহ প্রায় প্রতিটি এলাকার প্রকৃত পেশাদার সাংবাদিক ও পুলিশের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সহযোগীতা কামনা করছেন প্রকৃত সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ। আর কত সাংবাদিক ও পুলিশ হামলা, মামলা ও হত্যার শিকার হবে?

উক্ত বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন সাংবাদিক নেত্রীবৃন্দ ও সচেতন মহল।

Please Share This Post in Your Social Media



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© natunbazar24.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD