শনিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২১, ০৮:০২ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
সংবাদ শিরোনাম :
ঝিনাইদহ জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য ফোরামের বিজয় ঝিনাইদহে স্বামীর লাঠির আঘাতে স্ত্রী নিহত নড়াইলের লোহাগড়া ১২টি ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে আ’লীগের ৪৩ বিদ্রোহীসহ ৬৭ জন প্রার্থী মহেশপুরে পরকীয়ার জের ধরে এক গৃহবধুকে পিটিয়ে হত্যা বীর মুক্তিযোদ্ধা উপজেলা সাবেক চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসেন সেরনিয়াবাতের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সুনামগঞ্জ সদরের নিয়ামতপুরে লাঙ্গলমার্কা কর্মীর হামলায় অটোরিক্সার কর্মী আহত রাজশাহীর কাটাখালী পৌর ফান্ড থেকে সাড়ে ৩ কোটি টাকা গায়েব ভোটের জোয়ারে আবারও এগিয়ে বাদল চেয়ারম্যান কাঁঠালে কামালের জন্য লাঙ্গলে ভোট জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ডাঃ কে আর ইসলাম কুসুমপুরা ইউনিয়নকে মডেল ইউনিয়নে রূপান্তর করা হবে- এম এজাজ চৌধুরী
সাধারণ মানুষ হত্যার আসামী গ্রেফতার হয় কিন্তু বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীরা আটক হচ্ছে না কেন?

সাধারণ মানুষ হত্যার আসামী গ্রেফতার হয় কিন্তু বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীরা আটক হচ্ছে না কেন?

হেলাল শেখঃ
সাধারণ মানুষকে হত্যা করলে এর জন্য রাস্তা-ঘাট অবরোধ করা হয়, গাড়ি বাড়ি ভাংচুর করা হয়, কিন্তু আমাদের বাঙ্গালী জাতির মহান নেতা-জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের যারা হত্যা করেছে তারা অনেকেই বিদেশে পালিয়ে আছে, এই হত্যাকারীদের আটক করা হচ্ছে না কেন? কেনই বা পুরোপুরিভাবে বিচার হচ্ছে না। এই সরকারের আমলে বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচার না করা হলে আর কোনদিন এই হত্যাকান্ডের বিচার হবে কি?

“১৯৭৫ সালে আগস্ট মাসের ১৫ তারিখে বঙ্গবন্ধুর সহপরিবারে হত্যা করা হয়” আজ দুঃখের সাথে বলতে হয়, সাধারণ এক দুইজন ছাত্র বা সাধারণ মানুষ গাড়ি চাপায় নিহত হলে রাস্তা অবরোধ করা হয়, ৯ থেকে ১০ দফা দাবি করা হয়! কেউ কি বলতে পারেন যে, বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের গ্রেফতার করে দোষীদের ফাঁসি চাই দিতে হবে, এমন দাবী কি কেউ করেছেন? কেন বঙ্গবন্ধু হত্যার আসামীদের বিদেশ থেকে দেশে আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না জাতি জানতে চায়।

বিশেষ করে ১৯৪৭ সালে পাকিস্থান স্বাধীন হওয়ার পর পরবর্তী দশকে কোন শাসন চালু ছিলো কেউ জানেন কি?

৬ দফার অনানুষ্ঠানিক ঘোষণা কে, কবে এবং কোথায় দেয়া হয়? সুত্রমতে, শেখ
মুজিব, ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৬ এবং লাহোরে। প্রিয় পাঠকগণ জানেন কি? শেখ মুজিব কবে
কোথায় আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফার ঘোষণা দেন? ২৩ মার্চ, ১৯৬৬। লাহোরে এক সাংবাদিক
সম্মেলনে। রাজনীতি করলে মারামারি করতে হয়, হামলা, মামলার শিকার হতে হয় তা চিরসত্য। কিন্তু কাউকে হত্যা করে নয়। হত্যাকারী যেই হোক না কেন তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। সাধারণ মানুষ হত্যার বিচার যদি হয়, বঙ্গবন্ধুর হত্যার আসামি সবার বিচার কবে হবে?

প্রিয় পাঠক জানেন কি শেখ মুজিবকে প্রধান আসামী করে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করার পর তা প্রত্যাহার করা হয় জানুয়ারি, ১৯৬৯-২২ ফেব্রুয়ারি-১৯৬৯। পাকিস্থানের প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ৭ ডিসেম্বর ১৯৭০ সালে। ওই নির্বাচনের ফলাফলে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় পরিষদের ১৬৭টি এবং পাকিস্থান পিপলস পার্টি ৮৮টি আসন লাভ করে। বিশেষ করে পূর্ব- পাকিস্থান প্রাদেশিক আইন পরিষদের ৩০০টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ২৮৮টি আসন জয় লাভ করে এবং অবশিষ্ট ১২টি আসন অন্যান্য দল। ৬ মার্চ ১৯৭১ সালে প্রেসিডেন্ট জাতীয় পরিষদের অধিবেশনের নতুন ঘোষণা দেয়া হয়।

এখন সারাবিশ্ব ৭ই মার্চ ভাষণকে শ্রদ্ধা ও সম্মান জানিয়েছে। প্রিয় পাঠক জানেন কি? ৭ই মার্চ
১৯৭১ সালে শেখ মুজিবের ঐতিহাসিক ভাষণের বৈশিষ্ট্য কি?-অহিংস ও অসহযোগ আন্দোলনের
কর্মসূচি প্রদান, স্বাধীনতার পরোক্ষ ঘোষণা, পর্ব পাকিস্থানে আওযামী লীগের অসামরিক
প্রশাসন চালু করা।

ঢাকায় মুজিব-ইয়াহিয়া বৈঠক শুরু হয় ১৬ মার্চ ১৯৭১ থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত, ১০দিন চলে আলোচনা। তখন আলোচনার বৈঠক ভেঙ্গে দিয়ে ইয়াহিয়া খান ঢাকা ত্যাগ করে ২৫ মার্চ রাতে।

এরপর পাকিস্থান সেনাবাহিনী গণহত্যা শুরু করে। ২৫ মার্চ রাতেই শেখ মুজিবকে ধানমন্ডির ৩২ নং বাসা থেকে বন্দী করা হয়। এরপর ঘটে যায় অনেক ঘটনা। “৯ মাস যুদ্ধের পর দেশ স্বাধীন হয়”। লক্ষ লক্ষ মানুষের তাজা রক্তের বিনিময়ে এই স্বাধীনতা পেয়েছি আমরা। পেয়েছি লাল সবুজ পতাকা।

আজ আমরা বাংলা ভাষায় কথা বলছি, বাংলা আমাদের অহংকার। আওয়ামী লীগ আগেও ছিলো এখনও আছে, আগামীতেও থাকবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। আল্লাহু সৃষ্টি করেছেন মানুষকে মানবতার কল্যাণে কাজ করার জন্য। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর সহপরিবারের রক্ত দিয়ে প্রমান করে গেছেন যে, শেখ পরিবার দেশের মানুষকে ভালোবেসে জীবন দিতে পারে। প্রিয় পাঠকগণ শেখ মুজিব সম্পর্কে জানার শেষ নেই। তবুও যতোটুকুও জানার দরকার জানুন এবং জাতিকে জানার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার বলে এই প্রতিবেদক সাইফুল ইসলাম হেলাল শেখ এর অনুরোধ রইল।

সুত্রে জানা গেছে, ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইন দ্বারা পাকিস্থান সৃষ্টির পরবর্তী দশক শাসিত হয়। এই শাসন ব্যবস্থাকে ভাইস রিগ্রাল ব্যবস্থা বলা হয়। বিশেষ করে পাকিস্থানের দুই অঞ্চলের মধ্যে বৈষম্য ও বিভেদের কারণ কি? তা হলো পাকিস্থানি শাসনচক্রের নীতিহীনতা, অদূরদর্শিতা ও স্বার্থপরতা। পাকিস্থানের প্রথম গভর্নর ছিলেন মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ। তখন পাকিস্থানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন লিয়াকত আলী খান। লিয়াকত আলী খানের মৃত্যুর পর, খাজা নাজিম উদ্দিন প্রধানমন্ত্রী হন।

এরপর ১৯৫৩ সালে গোলাম মুহম্মদ গভর্নর জেনারেল হন। খাজা নাজিমউদ্দিনের পর
পাকিস্থানের প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হন বগুড়া জেলার মুহম্মদ আলী।

উক্ত নিউজ তথ্য সুত্র কমপিউটার বিসিএস প্রিলিমিনারী গাইড থেকে নেয়া। বাংলাদেশের ৬৪ জেলা ও ৮টি বিভাগে প্রায় ১৮ কোটি মানুষের নেতা জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী বর্তমান সফল সরকার প্রধান। তিনি শেখ মুজিবুর রহমানেরই কন্যা।

আগস্ট মাস আসলে শুধু কাঙালিভোজ বা গণভোজ ও দোয়া করলে কি হয়? প্রতিদিন শেখ মুজিব এর জন্য দোয়া করা দরকার। তাঁর জন্যই আজ আমরা বলতে পারি আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি। বাংলা ভাষায় কথা বলছি এখন।

শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবার নিয়ে কিছু লিখবো বলে চিন্তা করি তাই লেখছি। যতোদিন বাঁচবো শেখ মুজিবকে মনে রাখবো। ১৫ আগস্টসহ প্রতিতি বিশেষ দিন ও প্রতিটি দিন যেন আমরা সেই নেতার স্মৃতি স্বরণ করি। বঙ্গবন্ধুর আত্মার শান্তির জন্য এসো সবাই দোয়া করি-আমিন।

Please Share This Post in Your Social Media



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© natunbazar24.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD