রবিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ১১:৩৭ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
সংবাদ শিরোনাম :
পুনরায় নৌকা মার্কা পেয়ে সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন সৈয়দ আহমেদ মাষ্টার কেশবপুরে চমক দেখিয়ে ১১টি ইউনিয়নে নৌকার প্রার্থী ঘোষনা নড়াইলে পুলিশ সুপার ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত ও পুরস্কার বিতরণ করেন।এসপি প্রবীর কুমার রায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে ভোঁপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা ১১ মাসে ঝিনাইদহ বিআরটিএ ও ট্রাফিক পুলিশের জরিমানা আদায় আড়াই কোটি টাকা নাচোলে কাগজ সত্যায়িত করতে ৩ কর্মদিবস! নড়াইলে কবিয়াল বিজয়সরকারের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পন তানোরে সুজনের শীতবস্ত্র বিতরণ বানারীপাড়ায় আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস পালন বানারীপাড়ায় চুরি করতে গিয়ে জনতার হাতে আটক
রাজশাহীতে জনপ্রিয়তায় ফারুকের থেকে পিছিয়ে আমিনুল

রাজশাহীতে জনপ্রিয়তায় ফারুকের থেকে পিছিয়ে আমিনুল

আলিফ হোসেন, তানোর
রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) ভিআইপি এই সংসদীয় আসনের নির্বাচনী এলাকায় আওয়ামী লীগ দলীয় সাংসদ, সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী, রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বিলাস ও প্রচার বিমূখ রাজনৈতিক নেতা আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধূরী এমপির রাজনৈতিক দূরদর্শীতা, পরিচ্ছন্ন ব্যক্তি ইমেজ, নিজস্ব স্বকীয়তায় তৃণমূলের রাজনীতিতে জনপ্রিয়তার দিক দিয়ে সাবেক ডাকমন্ত্রী ব্যারিস্টার আমিনুলের থেকেও অনেক বেশি এগিয়ে রয়েছেন। রাজনৈতিক অঙ্গনে এমপি ওমর ফারুক চৌধূরী ও ব্যারিস্টার আমিনুলের পরস্পরবিরোধী অবস্থান সাধারণ মানুষের মধ্যে ফুটে উঠেছে, ধীর গতিতে হলেও এই আঞ্চলের সাধারণ মানুষ এই দু’রাজনৈতিক নেতার মধ্যে পার্থক্য বুঝতে শুরু করেছে। আবার তানোর-গোদাগাড়ী বিএনপির একটি বৃহত অংশ এখানো ব্যারিস্টার আমিনুল বিরোধী অবস্থানে রয়েছে।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও পর্যবেক্ষক মহলে এই দু’নেতার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অবস্থান-কর্মকান্ড নিয়ে উঠেছে আলোচনার ঝড় চলছে চুল-চেরা বিশ্লেষণ, যেখানে ব্যারিস্টার আমিনুল হকের থেকে নেতুত্ব, ব্যক্তিত্ব, রাজনৈতিক দূরদর্শীতা ও জনপ্রিয়তায় ফারুক চৌধূরী এমপি অনেক বেশি এগিয়ে রয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলের অভিমত, ব্যারিস্টার আমিনুল হক যেখানে গোদাগাড়ী ছাত্রলীগ নেতা ফিরোজ হত্যার প্রধান আসামি রহুলকে পুলিশের এসআই পদে চাকরি দিয়েছেন, অথচ একই পদে তানোর উপজেলা ছাত্রদল সভাপতি এমদাদ মন্ডলের সকল যোগ্যতা থাকা স্বত্বেও শুধুমাত্র তানোরের বাসিন্দা হওয়ায় তাকে চাকরি থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। তেমনি আবার বিএমডিএ ও কার্ব এনজিওতে শুধুমাত্র তার আতœীয়-স্বজন, দলীয় ক্যাডার ও গোদাগাড়ীকে প্রাধান্য দেয়া হলেও তানোরের মানুষকে বঞ্চিত করা হয়েছে।
অথচ ফারুক চৌধূরী এমপি তানোর-গোদাগাড় উভয় উপজেলায় বে-সরকারি পর্যায়ে হলেও একাধিকবার চাকরি মেলা আয়োজন করে দলমত নির্বিশেষে হাজার হাজার বেকারের নিঃখরচায় (কর্ম সংস্থান) চাকরি দিয়েছেন। এছাড়াও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, পুলিশের এসআই থেকে শুরু করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরি পদে অসংখ্য মানুষকে বিনা পয়সায় চাকরি পাইয়ে দিয়েছেন। এমনকি প্রায় ১০ বছর এমপি থাকলেও এমপির সম্মানি ভাতার একটি টাকা তিনি নিজে গ্রহণ না নিয়ে সেই টাকা এলাকার হতদরিদ্র পরিবারের মধ্যে বিতরণ করে আসছেন। এসব কারণে ভোটার ও সাধারণের কাছে আমিনুলের থেকে এমপি ফারুক চৌধূরী পচ্ছন্দ ও জনপ্রিয়তায় অনেক বেশি এগিয়ে রয়েছেন। অন্যদিকে তানোর পৌর এলাকার কাশিম বাজার এলাকায় তার নিজস্ব কয়েক কোটি টাকা মূল্যর প্রায় ১০ বিঘা জমি সেচ্ছায় দান করেছেন সরকারি পলিটেনিক্যাল ইন্সটিটিউট স্থাপনের জন্য। আবার কৃষকের কথা বিবেচনা করে বিভিন্ন শিল্পপতিদের এলাকায় নিয়ে এসে কৃষিভিত্তিক অসংখ্য শিল্প-কারখানা গড়ে তুলেছেন যেখানে দলমত নির্বিশেষে এলাকার হাজার হাজার বেকারের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। জানা গেছে, দেশের গতানুগতিক রাজনীতিতে যেটা অনেকটা বিরল, যেখানে একশ্রেণীর জনপ্রতিনিধি বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার একশ্রেণীর সাংবাদিক বগলদাবা করে নিজেদের প্রচারে ব্যস্ত সেখানে এমপি ফারুক চৌধূরী এক্ষেত্রে অনেকটা মিয়মান। তিনি প্রচার নয় উন্নয়ন কাজে বিশ্বাসী তায় তিনি নিরবে নিভৃতে আপন গতিতে রাস্তা-ঘাট-ব্রীজ-কালভ্রাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দৃষ্টিন্দন একাডেমিক ভবনসহ বিপুল পরিমাণ দুশ্যমান উন্নয়ন কাজ করে চলেছেন তবে তা সাধারণের মধ্যে সেই ভাবে প্রচার হয়নি যদিও সচেতন মহল এসব বিষয়ে অবগত রয়েছে। এসব বিবেচনায় দলমত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিলাস ও প্রচার বিমূখ এই জনপ্রতিনিধির আকাশচুম্বি জনপ্রিয়তার সৃষ্টি হয়েছে। নির্বাচনী এলাকার সাধারণ মানুষের জন্য তার দরজা সব সময় খোলা রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবী, আমলা থেকে শুরু করে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের পাশাপাশি প্রত্যন্ত ও নিভৃত পল্লীর একেবারে হতদরিদ্র খেটে খাওয়া মানুষগুলোও ফারুক ভাই সম্বোধন করে সরাসরি তার সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারে ও সহজেই যে কোনো কথা বলতে পারেন। সমস্যার সমাধান বা পাওয়া না পাওয়া বড় কথা নয় যে কোনো সমস্যায় সাধারণ মানুষ ছুটে গিয়ে তার কাছে কথা বলতে পারেন আবার তিনিও মনোযোগ সহকারে তাদের কথা শোনেন। এসব বিবেচনায় নির্বাচনী এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে কর্মী ও জনবান্ধব নেতা হিসেবে তার ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে। ফলে ওমর ফারুক চৌধূরী এমপির অকৃত্রিম জনপ্রিয়তার কাছে, সাবেক ডাকমন্ত্রী ব্যারিস্টার আমিনুল হকের কৃত্রিম জনপ্রিয়তা উবে গেছে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন যতো ঘনিয়ে আসছে ততোই কর্মী ও জনবান্ধব নেতা হিসেবে সাধারণ মানুষের মধ্যে এমপি ফারুকের জনপ্রিয়তা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। বিপরীতে সাবেক ডাকমন্ত্রী ব্যারিস্টার আমিনুল হক দীর্ঘদিন রাজনীতির মাঠে অনুপস্থিত থাকায় অনেকটা জনবিচ্ছিন্ন হয়ে সাধারণ মানুষের কাছে প্রতিনিয়ত জনপ্রিয়তা হারাচ্ছে। আবার নির্বাচনী এলাকায় হঠাৎ করেই নব্য জেএমবির উঙ্খানে ফের সাধারণ মানুষের মধ্যে আলোচনায় উঠে এসেছে ব্যারিস্টার আমিনুল এছাড়া নিজ দলের তৃণমূলের নেতাকর্মীরা তাকে সূখের পায়রা নামে অভিহিত করে তার ওপর থেকে মূখ ফিরিয়ে নিচ্ছে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অভিমত, রাজশাহী-১ সংসদীয় আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেয়ে তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন ব্যারিস্টার আমিনুল হক। একবার পূর্ণ মন্ত্রী ও একবার প্রতিমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। কিšত্ত ওয়ানইলেভেন সেনা সমর্থীত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে নেতাকর্মীদের বিপদের মূখে ফেলে ও তাদের সঙ্গে সব যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে তিনি আতœগোপণ করেন। আর এই সময়ের মধ্যে তাঁর বিরুদ্ধে হত্যা, বিদেশে অর্থ পাচার ও জঙ্গীবাদে মদদদানসহ ১৩টি মামলা হয়। এছাড়াও ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় তিনি দলের আদর্শিক তৃণমূলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ওপর আস্থা না রেখে রাজনীতিতে বশংবদ সৃষ্টি করে প্রয়াত শীষ মোহাম্মদ ও আব্দুল মজিদ মাস্টারের ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল হয়ে এই দুই ঘনিষ্ঠ সহরের দিকনির্দেশনায় রাজনীতি করেন। এ সময় সাধারণ মানুষ ও তৃণমূলে নেতাকর্মীদের ওপর আস্থা না রেখে তাকে সন্তুষ্ট করতে রাজনীতির মাঠে একশ্রেণীর বগি নেতা ও রাজনৈতিক পরিচয়ের টাউট-বাটপার বাহারী ব্যানার পোস্টার ও প্যানা দিয়ে তার কৃত্রিম জনপ্রিয়তা সৃষ্টি করে তাকে মুগ্ধ করে সাধারণ মানুষ ও তৃণমূলের নেতাকর্মীদের কাছে থেকে দুরে সরিয়ে রাখে। তিনিও সাধারণ মানুষ ও তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা বা গুরুত্ব না দিয়ে রাজনীতিতে বশংবদ সৃষ্টি করে ঢাকায় ঠান্ডা ঘরে বসে গরম কফির কাপে চুমুক দিয়ে নেতামূখী নেতা নির্ভর রাজনীতিকে প্রাধান্য দেন। এতে সাধারণ মানুষ তো দুরের কথা দলের ইউনিয়ন বা ওযার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীগণ সরাসরি তার সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারেনি গড়ে ওঠেনি তাদের সঙ্গে সম্পর্ক তিনি নিজেও এই স্তরের কোনো নেতাকর্মীকে নাম ধরে চেনেন না। আবার রাজনৈতিক হানাহানি, মিথা মামলা মোর্কদমা ও নেতাদের ক্ষমতার দাপটের কারণে সাধারণ মানুতো বটেই নিজ দলের তৃণমূলে অনেক নেতাকর্মীকে রাতের পর রাত পরিবার-পরিজন ছেড়ে পালিয়ে বেড়াতে হয়েছে। আবার তার এসব কর্মকান্ডের প্রতিবাদে ওই সময় বিএনপি নেতা এমরান আলী মোল্লা ও যুবদল নেতা মিজানুর রহমান মিজান তানোরে তাকে একাধিকবার অবাঞ্চিত ঘোষণা করে তার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল, কুশপুত্তলিকা দাহ ও পথে পথে ব্যারিকেড দিয়েছেন। অপরদিকে বিএনপি ক্ষমতাচ্যুত হবার পর শীষ মোহাম্মদ প্রয়াত ও আব্দুল মজিদ মাস্টার আনুষ্ঠানিক ভাবে আওয়ামী লীগে যোগদান করলে ঘনিষ্ঠ দুই সহচর হারিয়ে তিনি রাজনীতির মাঠে অনেকটা একা হয়ে পড়েন, সঙ্গে সঙ্গে তার কৃত্রিম জনপ্রিয়তাও রাতারাতি (উবে) হারিয়ে যায়। আবার তৃণমূলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে তার তেমন কোনো সম্পর্ক গড়ে না উঠায় রাজনীতিতে তার হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে তিনি শত চেস্টা করেও বার বার ব্যর্থ হন, হারিয়ে যায় তার কৃত্রিম জনপ্রিয়তা রাজনীতির মাঠে অনেকটা একা হয়ে পড়েন। তার সময়ে সরকারি-বেসরকারি চাকরির জন্য এলাকার সাধারণ মানুষ বাড়ি-ভিটে, জায়গা-জমি বিক্রি করে লাখ লাখ টাকা দিলেও অধিকাংশ মানুষের কপালে চাকরি জোটেনি আবার টাকা ফেরত না পেয়ে ফতুর হয়েছে বলেও নির্বাচনী এলাকায় প্রচার আছে।

অপরদিকে এমপি ফারুক চৌধূরী নেতা নির্ভর রাজনীতিতে বিশ্বাসী নয় তার রাজনীতি শুরু থেকেই পা-ফাটা সাধারণ মানুষ, তৃণমূল নেতাকর্মী ও ভোটার নির্ভর। তিনি রাজনীতিতে বশংবদ সৃষ্টির কোনো সুযোগ দেননি তার রাজনীতি পুরোটায় তৃণমূল ও সাধারণ মানুষমূখী। ফলে তৃণমূল ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে তার নিবিড় সম্পর্ক গড়ে উঠে সৃষ্টি হয় অকৃত্রিম জনপ্রিয়তা। আর রাজনীতিতে এই বংশবদ সৃষ্টি বা এমপি ফারুককে জিম্মি করে রাজনীতি করতে ব্যর্থ হয়ে তার নিজ দলের একশ্রেণীর নেতা তার ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে উঠে। কিšত্ত নির্বাচনী এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে এমপি ফারুকের অকৃত্রিম জনপ্রিয়তায় বিন্দুমাত্র প্রভাব পড়েনি বরং প্রতিনিয়ত তা আরো গভীর হয়েছে। নির্বাচনী এলাকার এমন কোনো পাড়া-মহল্লা নাই যেখানে এমপি ফারুকের পা পড়েনি বা তিনি এসব এলাকার মানুষের সঙ্গে স্বশরীরে কথা বলেননি। তৃণমূলের এমন কোনো নেতাকর্মী বা সমর্থক নাই যাকে তিনি নাম ধরে চিনেন না। একজন রাজনৈতিক নেতার কতটুকু রাজনৈতিক দূরদর্শীতা ও বিচক্ষণতা থাকলে এমনটা হয় তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত এমপি ফারুক। এখানো নির্বাচনী এলাকার সাধারণ মানুষের জন্য এমপি ফারুকের দরজা খোলা যে কোনো মানুষ যে কোনো সময় তার সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাত করে অভাব-অভিযোগের কথা বলতে পারেন, যেটা দেশের গতানুগতিক রাজনীতিতে অনেকটা বিরল। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, পুলিশের এসআই থেকে শুরু প্রাইমারি স্কুলের দফতরি পদে বিনা পয়সায় অসংখ্য মানুষকে চাকরি দিয়েছেন। এছাড়াও ব্যক্তি উদ্যোগে চাকরি মেলা করে বিনা পয়সার হাজার হাজার বেকারদের চাকরির ব্যবস্থা করেছেন। তার অনুরোধেই বিভিন্ন শিল্পপতিরা তানোরে ব্যক্তি উদ্যোগে হলেও কৃষি ভিত্তিক শিল্প-কারখানা গড়ে তুলেছেন। আবার তিনি হতদরিদ্র মৎস্যজীবীদের জন্য প্রায় দু’কোটি টাকা ব্যয়ে তিনটি মৎস্য অভয়াশ্রম ও একটি কজওয়ে নির্মাণ করেছেন। সাধারণ মানুষের অভিমত, তারা দুবেলা দুমুঠো ডাল-ভাত খেয়ে কোনো ঝুট ঝামেলা, রাজনৈতিক হানাহানি বা মামলা মোর্কদমায় না পড়ে পরিবারের সঙ্গে নির্বিঘেœ রাত্রিযাপন করতে পারেন এটাই তাদের প্রত্যাশা। আর এমপি ফারুকের নির্বাচনী এলাকায় এটা এখানো বিদ্যমান রয়েছে। তার সময়ে কোনো রাজনৈতিক হানাহানি, পুলিশি হয়রানি, মিথ্যা মামলা বা রাজনৈতিক নেতাদের ক্ষমতার অপব্যবহারের কারণে কোনো সাধরণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এমনটি বিরল। এছাড়াও নির্বাচনী এলাকার সব মানুষের সব প্রত্যাশা তিনি হয়তো পূরুণ করতে পারেননি এটা যেমন সত্য, তেমনি আবার তার দ্বারা নির্বাচনী এলাকার একটি মানুষও ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি সেটাও সত্য। এছাড়াও বিএনপির দূর্গ বলে পরিচিত রাজশাহী অঞ্চলে আওয়ামী লীগের আজকের যে জয়জয়কার তার সিংহভাগ কৃতিত্ব ও অবদান এমপি ফারুকের তার অবদান অস্বীকার করার কোনো উপায় নাই। তিনি আওয়ামী লীগে আশার আগে ও আশার পরে রাজশাহী অঞ্চলে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক অবস্থান বিশ্লেষণ করলেই এই সত্য বেরিয়ে আসবে। এসব বিবেচনায় এমপি ফারুকের বিরুদ্ধে যতোই অভিযোগ উঠুক বা অপপ্রচার হোক আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে এখানে এখানো তার বিকল্প কোনো নেতৃত্ব গড়ে উঠেনি সেই সম্ভবনাও নাই। ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে এমপি ফারুক চৌধূরীর অকৃত্রিম ও আকাশচুম্বি জনপ্রিয়তা রয়েছে। নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। #

Please Share This Post in Your Social Media



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© natunbazar24.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD