বৃহস্পতিবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:৪৫ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
সংবাদ শিরোনাম :
আসন্ন ১০নং জামালপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ২বারের সফল মেম্বার আবারো টিউবওয়েল মার্কার সদস্য পদপ্রার্থী ফসলি জমিতে ইটভাটা-পরিবেশ দূষণ হলেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নিরবতা নিয়ন্ত্রণহীন স্বর্ণের দাম-হাজার হাজার শ্রমিক বেকার হয়ে মানবেতর জীবনযাপন সুজানগরে পাট ব্যবসায়ী ও স্টেক হোল্ডারদের সাথে উদ্বুদ্ধকরণ সভা পাইকগাছার গড়ইখালী আলমশাহী ইনিস্টিউটের বার্ষিক ফলাফল ঘোষনা পুরস্কার বিতরণ আজ ঐতিহাসিক পাইকগাছার কপিলমুনি মুক্ত দিবস নড়াইলের লোহাগড়া ১২ ইউপিতে প্রতীক বরাদ্দ আগামী ২৬ নভেম্বর। নির্বাচন বগুড়ায় পুলিশের হয়রানি বন্ধে সাংবাদিক সম্মেলন নওগাঁর আত্রাইয়ে আইজিপি কাপ-২০২১ জাতীয় যুব কাবাডি প্রতিযোগিতার উদ্বোধন ঈদগাঁওর সার্বিক নিরাপত্তার নিশ্চিতে পুলিশের অভিযান আটক -২
ভারতীয় গরু না আসায় রাজস্ব কম হলেও লাভবান খামারীরা

ভারতীয় গরু না আসায় রাজস্ব কম হলেও লাভবান খামারীরা

আজিজুল ইসলামঃ সামনে কোরবানির ঈদ। প্রবেশে কড়াকড়ির কারনে যশোর ও সাতক্ষীরার সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় গরু আসছেনা বল্লেই চলে।সীমান্তের পশু খাটালগুলো খাঁ খাঁ করছে । ব্যাবসা মন্দা যাচ্ছে ভারত নির্ভর গরু ব্যাবসায়ীদের। ভারতীয় গরুতে সয়লাব থাকে দক্ষিননাঞ্চলের সর্ববৃহত পশুহাট সাতমাইল।

তবে কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে ‘খামারিদের’ পশুতে জমজমাট হয়ে উঠেছে দক্ষিন পশ্চিমাঞ্চলের সর্ববৃহৎ যশোরের বাগআঁচড়া ‘সাতমাইল পশুহাট’ ।

গরু ব্যাবসায়ীরা বলছেন, যশোরের বেনাপোল থেকে সাতক্ষীরার দেবহাটা পর্যন্ত সীমান্তের ইছামতি নদীর অংশটুকু বাদে বেশিরভাগ স্থানজুড়ে কাঁটাতারের বেড়া। রয়েছে বিজিবি-বিএসএফের যৌথ নজরদারি । ফলে এই সীমান্ত দিয়ে গরু নিয়ে আসা এখন কঠিন।

গরু আনার পর যশোর ও সাতক্ষীরা সীমান্তে পশু খাটালে গরুগুলো রাখা হয়। বর্তমানে গরু না আসায় খাটাল গুলো গরিশুন্য। ‘নাভারণ ও সোনাবাড়ীয়া পশুশুল্ক করিডোরে’ এসব পশুর ভ্যাট আদায় করা হয় ।
শুল্কবিভাগের নাভারন পশু শুল্ক করিডোরের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা আঞ্জুমান আরা বেগম বলেন, গত বছর প্রতিদিন গড়ে ১৭০টির মত গরু বাংলাদেশে আসলেও এবার সে সংখ্যা ৩৫ এ দাড়িয়েছে তবে ঈদকে সামনে রেখে তা আরো কমে ২০/২২ এ দাড়িয়েছে।তিনি আরো বলেন, চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে ভারত থেকে বাংলাদেশে আসা পশুর সংখ্যা সাত হাজার ৫২৬টি । এ থেকে রাজস্ব আদায় হয়েছে ৩৭ লাখ ৬৩ হাজার টাকা।

অথচ গত বছর একই সময়ে ভারত থেকে ৩৫ হাজার ৬৭৮টি পশু আসে । সরকার ওই সময় এক কোটি ৭৮ লাখ টাকা ৩৯ হাজার টাকার রাজস্ব আয় করেছিল ।

সীমান্তের একটি সুত্র জানায় ‘আক্রমন হলেই গুলি’ বিএসএফের এমন হুশিয়ারির পর থেকে বিজিবি রয়েছে সতর্ক অবস্থায়। যে কারনে বাংলা রাখালরা আর গরু আনতে ওপার যাচ্ছেনা।এতে সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে।

খুলনা ২১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক মেজর সৈয়দ সোহেল আহমেদ জানান, ভারত থেকে গরু তেমন আসছে না । গরু আনতে কোনো বাংলাদেশি রাখালকে ভারতে যেতে দেওয়া হচ্ছে না।

সৈয়দ সোহেল আহমেদ বলেন, সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশী গরুর রাখালরা যাতে অবৈধভাবে ভারতে গরু আনতে না যায় সে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়ে বিভিন্ন যায়গায় জনসচেতনতামূলক মতবিনিময় সভা করা হচ্ছে ।

নাম না প্রকাশ করার শর্তে কয়েক জন গরুর রাখাল বলেন, দু’দেশের শুন্যরেখায় যেখানে কাঁটাতারের বেড়া নেই,সেই পথ দিয়ে কিছু গরু আসছে । অবশ্য তার সংখ্যা খুবই কম। ভারতীয় রাখালরাই সীমান্তের শুন্যরেখায় এসে গরুগুলো দিয়ে যাচ্ছে।

‘ভারতীয় গরু-ছাগল না এলেও বাগআঁচড়া সাতমাইল পশুহাটে এর কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না’ এমনটি জানিয়ে যশোরের প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ভবতোষ কান্তি সরকার।তিনি বলেন,জেলার প্রায় ১১ হাজার খামারে কোরবানির জন্য ৩৬ হাজার গরু ও ৩২হাজার ছাগল ও ভেড়া প্রস্তুত করা হয়েছে । অথচ কোরবানির জন্য যশোরের চাহিদা ২৭ হাজার গরু ও ২০ হাজার ছাগল ।

যশোরের বাগআঁচড়া ‘সাতমাইল পশুহাটের’ সেক্রেটারি আবু তালেব বলেন,ভারতীয় পশু বেচাবিক্রির জন্য এই হাটটি নাম করা । গত তিন বছর ধরে ভারতীয় গরু কম আসায় খামারিদের দেশি গরুতে বাজার সয়লাব হয়ে যাচ্ছে ।ঈদের প্রতিহাটে অন্তত দুই হাজার গরু বেচাবিক্রি হচ্ছে বাগআঁচড়া সাতমাইল।

২০১৮ সালের গত মে মাস জুড়ে মাত্র ২১৫টি গরু, জুন মাসে ৫২৬টি গরু ও ৫৮টি ছাগল এবং জুলাই মাসে ৯৯২টি গরু ও মাত্র ১১টি ছাগল এসেছে। এ ছাড়া গত বৃহস্পতিবার ১০টি এবং শুক্রবার ২১টি গরু ও ১৯টি ছাগল এসেছে ভারত থেকে।

স্থানিয় গরুর খামারীরা জানালেন ভারতীয় গরু না আসার কারনে তারা এবছর অনেক লাভবান হয়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© natunbazar24.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD