বৃহস্পতিবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২১, ০৬:১৬ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
সংবাদ শিরোনাম :
পাইকগাছায় এমপি’র সহায়তায় প্রধানমন্ত্রীর অর্থ চেক পেলেন ২৯ অসহায় নারী-পুরুষ নড়াইলে স্বাধীনতার সুবর্ন জয়ন্তী উপলক্ষে সু বিশাল র‌্যালী নওগাঁর আত্রাইয়ে অভ্যন্তরীণ আমন ধান ও চাল সংগ্রহ এর শুভ উদ্বোধন মহেশপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় মুক্তিযোদ্ধা নিহত পুলিশ স্বামীর পরকীয়ায় সংসার খরচবন্ধ অসহায় স্ত্রী সন্তানের মানবেতর জীবন কুড়িগ্রামে আনসার ও ভিডিপি কর্তৃক জাতীয় পতাকা প্রদক্ষিণ র‌্যালী উদযাপন নড়াইলে পরাজিত মেম্বার প্রার্থীকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত আজ ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি দিবস ভোক্তা অধিকার আইন বিষয়ে সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের পাশাপাশি জনগণকেও সচেতন হতে হবে- ইউএনও মিজাবে রহমত। ভালুকার মেদুয়ারী ইউনিয়নে নৌকার মাঝি হতে চান যুবলীগ নেতা অধ্যাপক রবিন।।
আওয়ামী লীগের প্রতিপক্ষ আওয়ামী লীগ

আওয়ামী লীগের প্রতিপক্ষ আওয়ামী লীগ

তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি
রাজশাহী-১ আসনের নির্বাচনী এলাকায় আসল আওয়ামী লীগ ও হঠাৎ আওয়ামী লীগ মূখোমূখি অবস্থানে রয়েছে। আসল (আদর্শিক) আওয়ামী লীগ যখন নৌকার পক্ষে জনমত গড়ে তুলতে আওয়ামী লীগের উন্নয়ন-অর্জন তুলে ধরে সাধারণ মানুষের মন জয় করে তাদের পক্ষে নিতে কাজ করছে, তখন হঠাৎ (হাইব্রিড মতলববাজ) আওয়ামী লীগ সাধারণ মানুষকে পুলিশের ভয় ও নানা ধরণের হুমকি-ধামকি দিয়ে পেশী শক্তির ভয় দেখিয়ে তাদের পক্ষে নিতে চেস্ট করে তা বুমেরাং হয়ে উঠেছে. জনমত তো বাড়ছেই না বরং অধিকাংশক্ষেত্রে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে বলে তৃণমূলের অভিমত।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগকে সাংগঠনিকভাবে গতিশীল, দলীয় কর্মকান্ড জোরদার এবং প্রবীণ-ত্যাগী, নিবেদিতপ্রাণ নেতা ও কর্মীদের সক্রীয় করতে উদ্যোগ নেয়া হলেও জনবিচ্ছিন্ন ও বির্তকিত এক বগি নেতার কারণে আওয়ামী লীগ সেই উদ্যোগের সুফল ঘরে তুলতে ব্যর্থ হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তৃণমূলের অভিযোগ,আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে বিরাজমান মতবিরোধের মূলেই রয়েছে ওই বগি নেতা যে কিনা সুঁই হয়ে ঢুকে ফাল হয়ে বেরুনোর মতলবে রয়েছে তিরি এক সময় জেলার সভাপতি ও সাংসদের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কছে লিখিত অভিযোগ করেছিল। কিšত্ত তৃণমূলের তোপের মূখে তাঁর সেই অভিলাষ উবে গেছে হয়েছে জনবিচ্ছিন্ন। ওই বগি নেতা ও তার অনুগত হাইব্রিডদের আধিপত্য ও বির্তকিত কর্মকান্ডে অতিষ্ঠ হয়ে দলের অনেক প্রবীণ-ত্যাগী ও নিবেদিতপ্রাণ নেতা তাদের অনুসারিদের নিয়ে নিস্ক্রীয় রয়েছে। আবার কেউ কেউ শারীরিক ভাবে লাঞ্চিত হবার আশঙ্কায় দলীয় কর্মকান্ড থেকে দুরে সরে রয়েছে। ফলে আওয়ামী লীগের প্রতিপক্ষ এখন আওয়ামী লীগ অর্থাৎ একদিকে নিবেদিতপ্রাণ ও ত্যাগী আসল আওয়মী লীগ অন্যদিকে মতলববাজ হাইব্রিড হঠাৎ আওয়ামী লীগ। ইতমধ্যে ওই বগি নেতার নির্দেশে তার অনুসারী বলে পরিচিত হাইব্রিডরা গণমাধ্যমকর্মী, ছাত্রলীগ নেতা ও দলীয় কর্মীদের ওপর নির্যাতন করেছে, কিšত্ত তাদের অদৃশ্য ক্ষমতার দাপটের কাছে সকলেই অসহায় নির্যাতনের শিকার হলেও বিচার চাইতে পারেনি এরা আওয়ামী লীগের থেকেও শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। অথচ তাদের এসব কর্মকান্ডের কারণে আওয়ামী লীগ ও সাংসদ ওমর ফারুক চৌধূরীর সব অর্জন উবে যেতে বসেছে। আবার ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার নির্বাচিত হবার মতো গ্রহণযোগ্যতা না থাকলেও তিনিই আওয়ামী লীগের রাজনীতি অনেকটা নিয়ন্ত্রণ করছেন বলে প্রচার আছে। এদিকে পরিচ্ছন্ন ব্যক্তি ইমেজ, কর্মী ও জনবান্ধব নেতা হিসেবে দলমত নির্বিশেষে সব-শ্রেণী-পেশার মানুষের কাছে এখানো এমপি ফারুক চৌধূরীর ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। কিšত্ত এসব মতলববাজ হাইব্রিডদের নানা বির্তকিত কর্মকান্ডের দায় পড়ছে আওয়ামী লীগের ভোট ব্যাংকের ওপর। মতলববাজ হাইব্রিডরা রাতারাতি এমন ভাবে ফুলেঁেফপে উঠেছে যে তাদের ছায়ায় প্রকৃত আওয়ামী লীগ হারিয়ে যেতে বসেছে। এখনই এদের ছেঁটে দলে ব্যালেন্স করা না হলে আগামিতে আওয়ামী লীগের জন্য কঠিন সময় অপেক্ষা করছে। এমপি ফারুক চৌধূরীর জনপ্রিয়তা ও আওয়ামী লীগের বিশাল কর্মী বাহিনীকে কাজে লাগাতে পারলে আওয়ামী লীগের বিজয় কেউ ঠেকাতে পারবে না। কিšত্ত তৃণমূলের বিশাল কর্মী বাহিনীর কাছে বিষফোঁড়া হয়ে উঠেছে মতলববাজ হাইব্রিডরা। আওয়ামী লীগকে ডোবাতে এসব হাইব্রিডরাই যথেস্ট তারাই আওয়ামী লীগকে আওয়ামী লীগের প্রতিপক্ষ করে তুলেছে বলে প্রচার রয়েছে। ফলে এদের কারণে সাংগঠনিক দুরাবস্থা সৃষ্টি ও সাধারণ মানুষের মধ্যে এমপিকে নিয়ে নেতিবাচক মনোভাব তৈরী হচ্ছে এর দায় নিবে কে ?। এসব কারণে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জনবিচ্ছিন্ন ওই বগি নেতা ও তার অনুগত অনুপ্রবেশকারী হাইব্রিডদের বিভিন্ন বির্তকিত কর্মকান্ডের কারণে অভিমান করে গোদাগাড়ী উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নন্দিত নেতা আতাউর রহমান, তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মুন্ডুমালা পৌর মেয়র জননেতা গোলাম রাব্বানী, কলমা ইউপি আওয়ামী লীগের (সাবেক) সভাপতি সাদেকুন্নবী চৌধূরী বাবু, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল আজিজ মন্ডল, ও মুন্ডুমালা পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুর রহমান প্রমূখগণ রাজনীতি থেকে নিজেদের দুরে শরিয়ে রেখেছেন বলে জনশ্র“তি রয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তানোর পৌর আওয়ামী লীগের এক নেতা বলেন, ইউপি সদস্য হবার যোগ্যতা নাই, কেউ আবার কাউন্সিলর প্রার্থী হয়ে ১৭ ভোট পেয়েছে অথচ অনুপ্রবেশকারী এমন হাইব্রিডরা যদি নেতৃত্ব দেয় তখন দলের নিবেদিতপ্রাণ নেতাকর্মীদের দলে জায়গা হয় না। ফলে বিষয়টি দলের নীতিনির্ধারকদের ভাবিয়ে তুলেছে। অথচ প্রায় প্রতিনিয়ত বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ব্যানারে দলে দলে নেতাকর্মীরা (মতলববাজ) আওয়ামী লীগে যোগদান করছে। আসলে এরা পূর্বেও আওয়ামী লীগ ছিল না, এখানো নাই ভবিষ্যতেও হবে না, এরা নিজেদের চাকরি ব্যবসা-বাণিজ্য, গভীর নলকুপের অপারেটর ইত্যাদি টিকিয়ে রাখতে কেউ আমার অপকর্ম আড়াল করে মামলা থেকে বাঁচতে আওয়ামী লীগে যোগ দিচ্ছেন যেটা আওয়ামী লীগ বুঝতে পারছে না। আর তাই এরা দলে দলে আওয়ামী লীগে যোগদান করার পরেও দলের সাংগঠনিক কর্মকান্ডে কোনো প্রভাব পড়ছে না আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক দুরস্থা কাটছে না। ফলে তৃণমূলের নেতাকর্মী ও সাধারণের মনে প্রশ্ন উঠেছে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ব্যানারে নেতাকর্মী আওয়ামী লীগে যোগদান করছেন আসলে তারা কারা ? আর তাদের যোগদানের উদ্দেশ্যেই বা কি ? বিপুল নেতাকর্মীর যোগদানের পরেও যদি দলের সাংগঠনিক কর্মকান্ড গতিশীল না হয় ? তাহলে ডাকঢোল পিটিয়ে তাদের এতো ঘটা করে দলে যোগদান করিয়ে লাভ কি ? বরং তাদের কারণে আওয়ামী লীগ মাথাভারী সংগঠনে পরিনত হচ্ছে বলে মনে করছেন তৃণমূলের নেতা ও কর্মী-সমর্থকগণ। আর এসব নবাগত হাইব্রিডদের ভিড়ে প্রবীণ, ত্যাগী, পরীক্ষিত ও নিবেদিতপ্রাণ নেতাকর্মীরা হারিয়ে যাচ্ছে এতে দল সাংগঠনিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও পর্যবেক্ষক মহলের অভিমত, আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের কিছু হাইব্রিড জনবিচ্ছন্ন বগি নেতা গণমাধ্যমে প্রচার পেতে ও দলের হাইকমান্ডের কাছে নিজের অবস্থান জাহির করতেই বিভিন্ন রাজনৈদিক দলের ব্যানারে এলাকার একশ্রেণীর সুবিধাভোগী মতলববাজদের দলে দলে আওয়ামী লীগে যোগদান করাচ্ছে। আর এসব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারের জন্য কিছু বখাটে যুবককে মুঠোফোন কিনে দিয়েছেন। আওয়ামী লীগের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে নয় নিজেদের মতলব পূরুণের জন্য মতলববাজরা দলে দলে আওয়ামী লীগে ভিড় জমাচ্ছে। রাজনৈতিক দলের পদ-পদবী নাই এসব মতলববাজ যারা আওয়ামী লীগে যোগদান করছে, আবার এদের অনেকেরই জীবনটাই রাজনৈতিক পালা বদলের,আবার কেউ গভীর নলকুপের অপারেটর রক্ষা, আতœীয়-স্বজনদের চাকরি বাগানোর তাগিদে আওয়ামী লীগে যোগদান করছেন। অথচ সাধারণের মধ্যে এসব মতলববাজদের গ্রহণযোগ্যতা কতটুকু, তারা নিজেরাই আওয়ামী লীগে ভোট দিবেন কি না ?, তাদের রাজনৈতিক অবস্থান কি ইত্যাদি বিষয়ে খোজখবর না নিয়ে এভাবে দলে দলে মতলববাজদের আওয়ামী লীগে যোগদান করানোয় রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগ মাথাভারী সংগঠনে পরিণত হচ্ছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অভিমত। অনেক মতলববাজ আবার আওয়ামী লীগে যোগদান করেও গোপণে আওয়ামী লীগ বিরোধী নেতৃত্ব’র সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে চলছে। কারণ ভবিষ্যতে যেনো খোলস পাল্টাতে তাদের কোনো সমস্যা না হয়। তারা বলছে, এভাবে মতলববাজদের দলে না ভিড়িয়ে বরং দলের অনেক ত্যাগী ও নিবেদিতপ্রাণ নেতাকর্মী যারা নানা কারণে মান-অভিমানে দীর্ঘদিন ধরে নিস্ক্রীয় রয়েছে তাদের আবারো সক্রিয় করা হলে আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক ভাবে আরও বেশী লাভবান হবে। আর তা না করা গেলে দেখা যাবে এসব মতলববাজদের ভিড়ে অনেক নেতাকর্মী দেখা গেলেও ভোটের মাঠে উল্টো চিত্র ফুটে উঠবে বলে তুণমূল নেতাকর্মীরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছে। #

Please Share This Post in Your Social Media



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© natunbazar24.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD