বৃহস্পতিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২২, ০৮:৫৪ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
সংবাদ শিরোনাম :
ফুলবাড়িয়া উপজেলা পরিষদের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত অভিযান চলমান: আশুলিয়ায় তিতাস গ্যাসের অবৈধ সংযোগ বন্ধ হচ্ছে না কেন? পাইকগাছায় খেঁজুরের রস আহরণে ব্যস্ত গাছিরা রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফাজ্জল হোসেন দিনাজপুরে লক্ষিত জন গোষ্ঠীর মাঝে সবজির চারা বিতরণে মেয়র সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম স্বাদে অতুলনীয় আত্রাইয়ের নারীদের তৈরি কুমড়ো বড়ি মহেশপুরের ভারতীয় সীমান্ত থেকে এক বাংলাদেশীর লাশ উদ্ধার। নড়াইলের জয়পুর শ্রী তারক ধামে সন্ত্রাসী হামলায় মতুয়ারা আহত বিচারের দাবী র‌্যাব-১২’র পৃথক অভিযানে সিরাজগঞ্জের সদরে ইয়াবা ও ফেন্সিডিলসহ ০৩ জন মাদক কারবারী আটক তারাগঞ্জে বাস-পিকআপ মুখোমুখি সংঘর্ষ নিহত ১
হাওরের ঝুকিপূর্ণ শিক্ষা ব্যবস্থা- সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জের সুখদেবপুর-যশমন্তপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাদে ফাটল

হাওরের ঝুকিপূর্ণ শিক্ষা ব্যবস্থা- সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জের সুখদেবপুর-যশমন্তপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাদে ফাটল

কেএম শহীদুল,সুনামগঞ্জ
সুনামগঞ্জের প্রত্যন্ত জনপদ জামালগঞ্জ উপজেলার হাওর পাড়ের শিক্ষা ব্যবস্থা এখন রয়েছে ঝুকিপূর্ণ। উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে ১২৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২৫ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী। হাওরাঞ্চলের দুর্গম যাতায়াতের জন্য প্রাথমিক শিক্ষার অবস্থা খুবই করুন। উপজেলার অভ্যন্তরে প্রবাহিত সুরমা বৌলাই ও ধনুনদীর মাঝখানে মিনি পাকনার হাওর। হাওরের মধ্যবর্তী ৪টি গ্রামের সমন্বয়ে সুখদেবপুর-যশমন্তপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। যার পাশাপাশি রয়েছে কৃষ্ণপুর ও শ্রীমোহন্তপুর গ্রাম। ৪টি গ্রামের ৬ শত পরিবারের রয়েছে ১৫০০ জন গোষ্ঠি। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়–য়া শিক্ষার্থী সংখ্যা ৩ শতাধিক। এখানে ৩০ বছর পূর্বে ও ছিল না কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষক কিংবা শিক্ষার্থী।
মান্দাতার আমলের শিক্ষা ব্যবস্থা অন্ধকারে তিমিয়েই আছে আজও। জালের সাথে জেলে আর পানির সাথে মাছের সম্পর্ক রেখেই যুগের পর যুগ কাটিয়েছেন এই এলাকার মানুষ। তারা জেলে সম্প্রদায়। ১৯৭৫ সালে বিদ্যালয় স্থাপন করলেও ১৯৯২ সালে রেজিঃ প্রাথমিক বিদ্যালয় রূপান্তরিত হয় এই স্কুল দু’টি। সম্প্রতি সরকারি করন করেন হলে হাওরের প্রকৃতির সাথে যুদ্ধ করে বাচঁতে গিয়ে শিক্ষার প্রতি অনুরাগী বা মনোযোগী হবার ফুরসত তাদের মিলে না। বিদ্যালয় শুরু থেকেই শিক্ষক স্বল্পতা থাকলেও শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির হার লক্ষনীয়। বর্ষা মৌসুমে শিশু থেকে ৫ম শ্রেনী পর্যন্ত ছাত্রছাত্রীরা স্বহস্তে বৈঠা হাতে নৌকা চালিয়ে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়। হঠাৎ একটা ঝড়ের ঝাপটায় নতুন শিশুদের জীবন ছিন্ন ভিন্ন হবার আশংকা থাকে সর্বক্ষণ। হেমন্ত কালেও ৪ টি গ্রামের যোগাযোগের নেই কোন রাস্তা। বিদ্যালয় সৃষ্টি থেকেই নেই কোন নলকূপ। বিশুদ্ধ পানির অভাবে অনেক সময় শিশুরা পেটের পীড়ায় ভুগে ও স্কুল ফাঁকি দিয়ে বাড়িতে চলে যায় শিক্ষার্থীরা। ১৯৯৮ সালে নির্মিত বিল্ডিংয়ের ছাদে ফাটল ধরে ইট, সুরকি খসে পড়ছে অহরহ। শিক্ষার্থীরা ছাদ ভাঙ্গার আতংকে ভোগে ক্লাশ করছে। শতাধিক শিক্ষার্থীর জন্য সরকারি কিংবা বেসরকারি উদ্দ্যোগে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির জন্য বর্ষা মৌসুমে একটি ইঞ্জিন চালিত নৌকা খুব বেশি প্রয়োজন। প্রধান শিক্ষক নিশা রানী বর্মন বলেন, ৬ জন শিক্ষকের স্থলে আছি মাত্র ২ জন। গেল বছরে পিএসসিতে ৯৫% সফলতা এনেছি। আরো ৩ জন শিক্ষক থাকলে আরো ভালো ফলাফল দিতে পারবো। সহকারি শিক্ষক আজির উদ্দিন বলেন, আমাদের শিক্ষক যেমন দরকার তেমনি ছাদ ধসে যাওয়া বিল্ডিং মেরামত দরকার। সভাপতি অদ্বৈত্য চন্দ্র বর্মন বলেন ইউপি চেয়ারম্যান ১০ জোড়া বেঞ্চ, ২টি চেয়ার ২ আলমারী দিয়েছেন । অন্য তিন গ্রামের ছাত্র-ছাত্রীরা বিদ্যালয়ে আসতে ছোট নৌকা দিয়ে আসে, ঝড়-তুফানে পড়লে দুঘর্টনা ঘটবে। একটা নৌকার দরকার খুব বেশি। এই এলাকা খুবই গরীব এলাকা। পূর্বে স্কুল না থাকায় ৩০ বছরে আগে কেউ লেখাপড়া জানতো না, এখন হাই স্কুলে, কলেজে পড়–য়া ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা ৩০ জনের বেশি। স্কুলের জায়গায় মাটি ভরাট করার অর্থ না থাকায় জাতীয় সংগীত পরিবেশন করে বারান্দায়। বিদ্যালয়ের দেয়াল উচু করে নির্মান না করায় ঢেউয়ে বিদ্যালয়ের বসতভিটা ভেঙ্গে ফেলছে। প্রাক- প্রাথমিক শিক্ষায় ব্র্যাকের শিক্ষাতরী কিংবা কোন এনজিওদের শিক্ষা কার্যক্রম নেই। পরিদর্শন নেই শিক্ষা কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের।
এ ব্যাপারে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বজলুল রশিদ বলেন, আগামী বছরে নতুন শিক্ষক নিয়োগ হলে শূন্য পদ পূরণ করা হবে। ##

Please Share This Post in Your Social Media



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© natunbazar24.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD