মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২২, ০৯:৪৩ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
সংবাদ শিরোনাম :
তিতাস গ্যাসের অবৈধ সংযোগ দিয়ে জমজমাট বাণিজ্য-প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা সুজানগরে খালেদা জিয়া সহ কেন্দ্রীয় অন্যান্য নেতাদের রোগ মুক্তি কামনা করে দোয়া পাইকগাছায় পরিকল্পিত উপায় বাগদা চিংড়ি ও ধান চাষের লক্ষে মত বিনিময় সভা। পাইকগাছায় নিরাপদ সড়ক চাই সংগঠনের পক্ষ থেকে পঙ্গু আঃ খালেককে সিঙ্গার সেলাই মেশিন বিতরণ পাইকগাছার কপিলমুনিতে দু’টি গ্রুপের পৃথক ভাবে রায় সাহেবের ৮৮তম তিরোধান দিবস পালিত সুজানগরে উপহারের ঘর পরিদর্শন করলেন পুলিশ সুপার সুজানগরে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুলিশ সুপারের শীতবস্ত্র বিতরণ তানোরে রাজশাহী জেলা সমিতির শীতবস্ত্র বিতরণ সেলাই দক্ষতা প্রশিক্ষণ ও সেলাই মেশিন বিতরণ কার্যক্রম সভাপতি মানিক এবং সম্পাদক শাহজাহান বানারীপাড়ায় নতুনমুখের সম্মেলন অনুষ্ঠিত
সাতক্ষীরায় শিশু পাচারের অভিযোগে এক নারীর যাবজ্জীবন কারাদন্ড

সাতক্ষীরায় শিশু পাচারের অভিযোগে এক নারীর যাবজ্জীবন কারাদন্ড

মো: আজিজুল ইসলাম(ইমরান)
প্রথম শ্রেণীর এক স্কুল ছাত্রীকে পাচারের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে এক নারীর যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে। বুধবার দুপুরে সাতক্ষীরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক হোসনে আরা আক্তার এ রায় ঘোষণা করেন। সাজাপ্রাপ্ত আসামী হলেন মোছাঃ আফরোজা ও ওরফে তাছলিমা খাতুন। তিনি সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপাজেলার পরানপুর গ্রাম বর্তমানে কালিগঞ্জ উপজেলার রতনপুর গ্রামের নুর ইসলামের মেয়ে। মামলার বিবরনে জানা যায়, পরানপুর গ্রামের এক দিন মজুরের পাঁচ বছরের মেয়ে ৮৬নং পরানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণীতে পড়তো। ২০০৩ সালের ৬ মার্চ সকাল ৮টার দিকে বাড়ি থেকে স্কুলে যায় সে। স্কুল শেষে সে আর বাড়ি ফেরেনি। সহপাঠি ময়না ও টুম্পার মাধ্যমে পরিবারের সদস্যরা জানতে পারে যে স্কুল শেষে তাকে খালা পরিচয়ে এক নারী মাঠ থেকে ডেকে নিয়ে যায়। জানতে পেরে ইউপি চেয়ারম্যান জিএম আব্দুল করিম মসজিদসহ বিভিন্ন ভাবে মাইকিং করার ব্যব¯’া করেন। রাত ১০টার দিকে বৈশখালি গ্রামের লোকজন আফরোজাকে আটক করলেও কয়েকজন পালিয়ে যায়। এ সময় উদ্ধার করা হয় ওই শিশুকে। এ ঘটনায় উদ্ধার হওয়া ওই শিশুর দাদা বাদি হয়ে আফরোজা খাতুন, রতনপুর গ্রামের বাবু, বাবলু ও আবু হান্নানের নাম উল্লেখ করে পরদিন শ্যামনগর থানায় একটি পাচারের মামলা দায়ের করেন। ২০০৩ সালের ৩০ জুন মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা শ্যামনগর থানার উপপরিদর্শক ফয়সাল জামান এজাহারভুক্ত আসামীদের নামে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ১০ জন সাক্ষীর জবানবন্দি ও মামলার নথি পর্যালোচনা শেষে আসামী আফরোজা খাতুনের বিরুদ্ধে পাচারের অভিযোগ সন্দোহতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক তাকে উপরোক্ত কারাদন্ডাদেশ দেন। অপরাধ প্রমানিত না হওয়ায় অপর তিন জনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়। আসামী আফরোজা পলাতক রয়েছেন। রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন বিশেষ পিপি অ্যাড. জহুরুল হায়দার বাবু।

Please Share This Post in Your Social Media



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© natunbazar24.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD