রবিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২১, ০৮:৪৩ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
সংবাদ শিরোনাম :
গণমাধ্যম কর্মী ও শিক্ষকসহ মধ্যবিত্তদের মানবেতর জীবনযাপন-হচ্ছে মানবাধিকার লঙ্ঘন পাইকগাছায় বিশ্ব খাদ্য দিবস ও জাতীয় ইঁদুর নিধন অভিযান উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত শৈলকুপায় আ’লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে অর্ধশত আহত বাড়িঘার ভাংচুর মন্দিরে হামলা-ভাংচুরের প্রতিবাদে ঝিনাইদহে মানববন্ধন ঝিনাইদহে ভাতিজার লাঠির আঘাতে চাচা খুন তানোরের কাঁমারগা ইউপিতে এগিয়ে মসলেম সার্ক কালচারাল ফোরামের “গোল্ডেন জুবলী অ্যাওয়ার্ড-২০২১” পদক পেলেন সিনিয়র সাংবাদিক এস মিজানুল ইসলাম দেশ ও জাতির সংকটে রুদ্রের কবিতা হয়ে উঠেছে তারুণ্যের হাতিয়ার – স্বরণানুষ্টানে বক্তারা শক্তি দিয়ে নয় মানুষের ভালবাসা দিয়ে জয়ী হতে চাই – চেয়ারম্যান প্রার্থী আরেফিন চৌধুরীর গোদাগাড়ীতে নৌকার প্রার্থী সোহেলের পথ সভায় বৃষ্টি উপেক্ষা করে জনতার ঢল।
সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরে পণ্য খালাসে তীব্র শ্রমিক সংকট দেখা দিয়েছে।

সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরে পণ্য খালাসে তীব্র শ্রমিক সংকট দেখা দিয়েছে।

শহর প্রতিনিধি:
মো: অজিজুল ইসলাম(ইমরান)
ভোমরা স্থলবন্দরে পণ্য খালাসে তীব্র শ্রমিক সংকট,বাহিরের শ্রমিক এনে ব্যবসায়ীদের গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত টাকা। সরকার নির্ধারীত ফি পরিশোধ করেও শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না। ব্যবসায়ীরা বিষয়টি সংশিৱষ্ট কর্তৃপক্ষকে বারবার অবহিত করেও কোনো প্রতিকার মিলছে না। বাধ্য হয়ে ব্যবসায়ীরা নিজ উদ্যোগে অতিরিক্ত টাকা খরচ করে শ্রমিক আনিয়ে পণ্য খালাস করতে হচ্ছে। নিজ উদ্যোগে পণ্য খালাসে ব্যবসায়ীদের ট্রাকপ্রতি আড়াই থেকে ৩ হাজার টাকা বাড়তি গুনতে হচ্ছে। ভোমরা স্থলবন্দরের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ও পাথর আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স রোহিত ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী রামকৃষ্ণ চক্রবর্তী জানান, বন্দরে প্রতিদিন গড়ে ২০ থেকে ২২ ট্রাক পাথর খালাস হয়। এসব পাথর খালাসের সময় শ্রমিক পাওয়ার জন্য ট্রাকপ্রতি ১ হাজার ৫০০ থেকে ১ হাজার ৬০০ টাকা সরকার নির্ধারিত ফি জমা দিতে হয়। কিন’ ফি পরিশোধের পরও কোনো শ্রমিক পাওয়া যায় না। ট্রাকপ্রতি আরো আড়াই থেকে ৩ হাজার টাকা দিয়ে নিজ উদ্যোগে শ্রমিক আনিয়ে পাথর খালাস করতে হয়। এদিকে ভোমরা স’লবন্দরের অপর এক প্রতিষ্ঠান মেসার্স গণি অ্যান্ড সন্সের ব্যবস্থাপক অশোক কুমার ঘোষ জানান, তারা বিভিন্ন ধরনের কৃষিজ পণ্য আমদানি করেন। প্রতিদিন গড়ে ১২ থেকে ১৫ ট্রাক পণ্য বন্দর থেকে খালাস করতে হয়। কিন’ সরকারি ফি জমা দিলেও তাদের শ্রমিক খরচ হিসেবে বাড়তি টাকা ব্যয় করতে হয়। এতে ট্রাকপ্রতি আড়াই থেকে ৩ হাজার টাকা অতিরিক্ত গুনতে হয়। শুধু রামকৃষ্ণ চক্রবর্তী বা অশোক কুমারই নন, ভোমরা বন্দর ব্যবহারকারী সব ব্যবসায়ীকেই পণ্য খালাসের সময় অতিরিক্ত অর্থ গুনতে হচ্ছে। প্রতিদিন ২৮০ থেকে ৩০০টি পণ্যবাহী ট্রাক ভোমরা স’লবন্দরে প্রবেশ করে। এ হিসাবে পণ্য খালাসের সময় প্রতিদিন ৭ থেকে ৮ লাখ টাকা ব্যবসায়ীদের পকেট থেকে অতিরিক্ত বেরিয়ে যাচ্ছে। ভোমরা স’লবন্দরের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কাজী দিলওয়ার নওশাদ রাজু জানান, ভোমরা স’লবন্দরে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৩০০ পণ্যবাহী ট্রাক প্রবেশ করে। এসব ট্রাকের পণ্য খালাসের সময় সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বন্দরের শ্রমিক সরবরাহকারী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ড্রব কমিউনেকেশন লিমিটেডের কাছে টনপ্রতি ৭৭ টাকা হিসেবে ১ হাজার ৫০০ থেকে ১ হাজার ৬০০ টাকা করে জমা দিতে হয়। নিয়ম অনুযায়ী, ঢাকার ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তাদের শ্রমিক দিয়ে পণ্য খালাস করিয়ে দেবে। কিন্তু টাকা নেয়ার পরও তারা শ্রমিক দেয় না। ব্যবসায়ীরাও বাধ্য হন নিজ উদ্যোগে বাড়তি খরচে পণ্য খালাস করতে। এ বিষয়ে ভোমরা স’লবন্দর কর্তৃপক্ষের উপপরিচালক মো.আব্দুল জলিল জানান, পণ্য খালাসের জন্য সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী টনপ্রতি ৭৭ টাকা হারে ফি নেয়া হয়। এর পরও টাকাপয়সা নেয়ার বিষয়টি আমার জানা নেই। ব্যবসায়ীরাও এ বিষয়ে অভিযোগ করেননি বলে জানান তিনি। এ ব্যাপারে ড্রব কমিউনেকেশনের প্রতিনিধি ফকরুল আলমের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, পণ্য খালাসের সময় সরকারি নিয়ম অনুযায়ী টাকা নেয়া হয়। কিন’ পরবর্তীতে ব্যবসায়ীরা পণ্য খালাসের জন্য লেবারদের টাকা দেন কিনা, তা আমরা জানি না। ভোমরা শুল্ক স্টেশনের দায়িত্ব থাকা কাস্টমসের বিভাগীয় সহকারী কমিশনার মো.রেজাউল হক জানান, বিষয়টিতে কাস্টমসের সংশিৱষ্টতা না থাকায় কোনো মন্তব্য করা যাবে না। এটি বন্দর কর্তৃপক্ষের বিষয়। এ কারণে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায় করা হলেও কাস্টমস কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা নিতে পারবে না।

Please Share This Post in Your Social Media



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© natunbazar24.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD