রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:৫৭ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
সংবাদ শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈলে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতনকারী জড়িত অপরাধীদের গ্রেফতারের দাবীতে মানববন্ধন মুন্সীগঞ্জ মিরকাদিমে ডিবি পুলিশের অভিযানে ২৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ একজন গ্রেপ্তার করোনায় মানুষকে বাঁচাতে শেখ হাসিনা যখন যা দরকার সবই করছেন-অধ্যাপক ডাঃ এম এ আজিজ।। জনসেবার ইচ্ছা থেকেই ইউপি নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছি- ত্রিশালের কাঁঠালে প্রার্থী ফাতেমা খাতুন।। অ্যাডভোকেট তালিকাভুক্তি হলেন সাংবাদিক তরিকুল ইসলামে ছোট ভাই ‘আবু সাহিদ’ বি‌ডি‌সি ক্রাইম বার্তার উপদ‌েষ্টা কে ফু‌লের শু‌ভেচ্ছা জানা‌লেন বি‌ডি‌সি ক্রাইম বার্তা প‌রিবার তারাকান্দায় প্রয়াত চেয়ারম্যানপুত্র শিশিরকে নৌকার মাঝি হিসাবে চান ভোটাররা। সরকারের ভিশন বাস্তবায়নে নিরলস প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন চেয়ারম্যান উজ্জল। ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণকাজ উদ্বোধন করেছেন সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের দুর্যোগে জনগণের পাশে ছিল শেখ হাসিনা সরকার-পলক
সাংবাদিকদের হিংসা বিবাদ-দলীয়করণে হামলা, মামলার শিকার হচ্ছেন অনেকেই!

সাংবাদিকদের হিংসা বিবাদ-দলীয়করণে হামলা, মামলার শিকার হচ্ছেন অনেকেই!

হেলাল শেখঃ
সারা দেশে সাংবাদিকদের নিজেদের সাথে নিজেরা হিংসা বিবাদ করছে, সেই সাথে দলীয়করণ সাংবাদিকতায় প্রকৃত সাংবাদিকরা দেশের প্রেসক্লাব থেকে দুরে থাকছেন।

রাজধানীসহ মিরপুর, সাভার, আশুলিয়া, গাজীপুর, উত্তরা, টাঙ্গাইল, ধামরাই, মানিকগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় সংঘবদ্ধ দল ও নামধারী-ভুয়া সাংবাদিকের দৌরাত্ম্য বাড়ছে। সরকারী দপ্তর, বিভিন্ন ব্যবসায়ী, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ও সর্বস্তরের জনগণ অতিষ্ঠ ও অসহায় হয়ে পড়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে সচেতন মহলে।

১ জুলাই ২০১৮ইং রবিবার সুত্রে জানা গেছে, চিঠি ও কাড দিয়ে চাঁদাবাজি করছে অনেকেই। আবার তারা কিছু পুলিশ অফিসারদের ফুলের তুরা বা উপহার দিয়ে থাকেন। এটা একপ্রকার দালালি, ” সাংবাদিকরা দালালি ছাড়ুন, আর দালালরা সাংবাদিকতা ছাড়ুন”। বেশিরভাগই ভুয়া সাংবাদিকরা বলে বেড়ায় মাত্র পাঁচশত টাকা খরচ করে পরিচয়পত্র বানিয়ে সাংবাদিক বনে গেছে তারা, ভুয়া পরিচয়পত্র গলায় ঝুঁলিয়ে চাঁদাবাজি করছে বলে অভিযোগ উঠেছে বিভিন্ন মহলে। তারা বলেন, টাকা হলে সাংবাদিক হওয়া যায়, অনেকেই আক্ষেপের সাথে অভিযোগ করেছেন, যে সাংবাদিকের মত মহৎ পেশা এখন যদি টাকায় বেচা কেনা হয়, তাহলে সাংবাদিকদের মানসম্মান থাকলো কোথায়?

সম্প্রতি একটি বেসরকারী টেলিভিশন চ্যানেল ইন্ডেপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের অপরাধ অনুসন্ধানী প্রতিবেদন মূলক ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান “তালাশ” এর প্রচারিত তথ্যানুযায়ী জানা গেছে, কোনো নির্দিষ্ট পত্র-পত্রিকা বা গনমাধ্যমে চাকরী না করেও মিরপুরস্থ নামধারী বিভিন্ন সাংবাদিক উন্নয়ন সংস্থার বড় পদধারী ও সদস্য পরিচয় দিয়ে এরা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে মিরপুরসহ গোটা রাজধানীজুড়ে, সেই সঙ্গে গাজীপুর, উত্তরা, সাভার, আশুলিয়া, মানিকগঞ্জ, ধামরাই, টাঙ্গাইলসহ ঢাকার আশেপাশের বিভিন্ন এলাকায় এসব সাংবাদিক রয়েছে। অথচ উচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা তো দূরের কথা! এদের অনেকেরই প্রাথমিক শিক্ষাগত যোগ্যতাও নেই! সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে ‘সাংবাদিক’ শব্দটি সঠিকভাবে লেখা/উচ্চারনসহ নিজের নামটিও লিখতে পারেন না এইসব ভুয়া সাংবাদিকদের অনেকেই।

বিশেষ করে ভুয়া সাংবাদিকদের নিউজ লেখার প্রশ্নই উঠেনা, তবে তাদের কোমরে ও স্বব্যবহৃত বিভিন্ন যানবাহনে গর্বভরে শোভা পায় বিভিন্ন নামধারী সাংবাদিক সংস্থার পরিচয় পত্র ও স্টীকার! এ ধরনের কয়েকজন নামধারী সাংবাদিকদের সাথে কথা বলে তাদের সাংবাদিকতার নেপথ্যে জানতে চাইলে বেড়িয়ে এসেছে আরও চাঞ্চল্যকর ও লোমহর্ষক ব্যাপার! নিজের ইচ্ছা থাকলেই মাত্র পাঁচশ-হাজার টাকার বিনিময়েই নাকি সাংবাদিক হওয়াসহ এসকল সাংবাদিক উন্নয়ন সংস্থার বড় পদধারী বনে যাওয়া তুচ্ছ ব্যপার!

রাজধানীর উত্তরা, মিরপুর, সাভার ও আশুলিয়ার সাংবাদিকরা বিভিন্ন ভাবে ভাগ হয়ে একাধিক গ্রুফে পরিণত হয়েছে। একদল অন্যদলের সঙ্গে হামলা, মামলায় জড়িয়ে পড়ছে। এ ধরনের কয়েকটি সংগঠনে চা-বিক্রেতা, অটোরিক্সা, সি.এন.জি, বাস-ট্রাক চালক ও মাদক ব্যবসায়ীসহ প্রায় তিন শতাধিক নামধারি সাংবাদিক এর সন্ধান পাওয়া যায়, এর মধ্যে আশুলিয়ায় এরকম সদস্যও রয়েছে বলে সংগঠনগুলোর স্বঘোষিত চেয়ারম্যান নিজেরাই দাবী করেন। পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হলেও কিছু হয় না, তারা অনেকেই কিছু পুলিশের সাথে থানায় একপ্রকার দালালি করে বলে অনেকেই জানান।

বিশেষ করে পক্ষান্তরে জনমনে পশ্নঃ একটি এলাকায় শতাধিক সাংবাদিক কি করে থাকে? যে কোনো ঘটনা-দূর্ঘটনা ঘটলেই দলবেধে হাজির হয় এই বাহিনী। বিভিন্ন কৌশলে ও সংবাদপত্রে প্রকাশের ভয়ভীতি দেখিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান থেকে মোটা অংকের চাঁদা আদায়সহ হয়রানী করে আসছে তারা। এতে প্রকৃত সাংবাদিকদের নাম ভাঙ্গিয়ে চলে অনেকেই এ যেন দেখার কেউ নেই।

স্থানীয় প্রশাসন ও প্রকৃত সাংবাদিকদের প্রশ্ন-পাঁচশ-হাজার টাকার বিনিময়ে সাংবাদিক তৈরির কারিগর ও এসকল ভিত্তিহীন প্রতিষ্ঠানের অন্তরালে চাঁদাবাজীর নেপথ্য আসলে কারা রয়েছে? সম্প্রতি পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রকৃত সাংবাদিকগণও কয়েকদফা তাদের বর্বরতার স্বীকার হয়েছেন। ফলে এসব অঞ্চলের বাসিন্দাদের মধ্যে সাংবাদিক ও সংবাদপত্র সম্পর্কে নেতিবাচক ধারনার জন্ম দিয়েছে।

এবিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডি.এম.পির একজন উর্দ্ধতন পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, দীর্ঘদিন উল্লেখিত বিষয়টি আমাদের নখদর্পনে থাকলেও নির্দিষ্ট অভিযোগের অভাবে আমরা উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারছিনা। এসকল নামধারী ও ভুয়া সাংবাদিকদের কোন দায়বদ্ধতা নেই। পক্ষান্তরে পুলিশ-প্রশাসনের রয়েছে সীমাহীন দায়বদ্ধতা। তবে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে এসকল প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সঠিক তদন্ত ব্যবস্থা গ্রহনসহ প্রতিষ্ঠানের অন্তরালে যৎসামান্য অর্থের বিনিময়ে সাংবাদিক তৈরির কারীগর ও থলের বিড়ালদের খুঁজে বের করে যথাযোগ্য আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সেই সাথে এই অনুসন্ধানে এলাকার প্রকৃত পেশাদার সাংবাদিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সহযোগীতা কামনা করছেন প্রকৃত সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ, এবং সচেতন মহল।

Please Share This Post in Your Social Media



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© natunbazar24.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD