মঙ্গলবার, ২৪ মে ২০২২, ০৯:২৩ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
সংবাদ শিরোনাম :
বীরগঞ্জের নিজপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের উন্মুক্ত বাজেট ঘোষনা ও বার্ষিক উন্নয়ন পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসীদের হামলায় আহত-৭, থানায় একাধিক অভিযোগ আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা মঞ্জুরুল আলম রাজিবকে অভিনন্দন নড়াইলে ২১৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার যুবক গ্রেপ্তার রাজারহাটে আনসার ভিডিপি’র উপজেলা সমাবেশ-২০২২ অনুষ্ঠিত ভারশোঁ ইউপির উথরাইল বিলে মাছের পোনা অবমুক্ত নড়াইলে মাছের ঘেরে গাঁজা চাষ, আটক ২ নাচোলে ভোটার তালিকা হালনাগাদ উপলক্ষে মতবিনিময় কেশবপুরে বঙ্গবন্ধু জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টে ফাইনালে চাম্পিয়ান সুফলাকাটি ইউনিয়ন ফুটবল একাদশ চাটখিলে ব্যবসায়ীর স্ত্রীকে ধর্ষন করে ভিডিও ধারনের অভিযোগে যুবক আটক
বর্ষালী ধানের বাম্পার ফলন

বর্ষালী ধানের বাম্পার ফলন

মো: আনিসুর রহমান আগুন, সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধিঃ
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় চলতি মৌসুমে বর্ষালী ধানের বাম্পার ফলন হওয়ায় কৃষকদের মাঝে ব্যাপক উৎসহ উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। ইরি বোরো ধান কাটার পর ওই জমিতে ত্রিফলা হিসাবে বর্ষালী ধান চাষাবাদ করা হয়। বোনাস ফসল পাওয়ার আশায় উপজেলার সর্বত্রই চলতি মৌসুমে ব্যাপক বর্ষালী ধানের চাষাবাদ হয়েছে।
উপজেলার ১৫টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় ইতিমধ্যে বর্ষালী ধান কাটামারি শুরু হয়েছে। আজ থেকে ৫ বছর আগে উপজেলায় বর্ষালী ধানের চাষাবাদ ছিল না। দিন দিন এর চাহিদা বেড়েই চলছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকার কারণে চলতি মৌসুমে বর্ষালী ধানের ফলন ভাল হয়েছে। অল্প জমিতে অধিক ফলনের আশায় কৃষকরা এখন আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহার করে জমিতে একাধিক ফসল চাষাবাদ করছে। শান্তিরাম ইউনিয়নের কৃষক আন্জু মিয়া জানান, তিনি দুই বিঘা জমিতে বর্ষালী ধান চাষ করে ছিল। বিঘা প্রতি ১৫ মন ধান পেয়েছে। গত বছর তিনি দুই বিঘা জমিতে ২৮ মন ধান পেয়েছিল। তিনি আরও বলেন বর্ষালী ধানে সার ও বালাই নাশক কম প্রয়োগ করতে হয়। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে ২ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে বর্ষালী ধানের চাষাবাদ হয়েছে। গত বছর এর পরিমান ছিল ৪৫০ হেক্টর। দিন দিন এর পরিমান বেড়েই চলছে। সাধারণত ব্রি-২৮, ব্রি-৪৮ ও ব্রি-৫০ জাতের ধান বর্ষালী মৌসুমে বেশি চাষাবাদ করা হয়। উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রাশেদুল ইসলাম জানান, কৃষি মন্ত্রীর বিশেষ নিদের্শনায় উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের সার্বিক তত্ত্বাবধানে উপজেলায় বর্ষালী ধানের চাষাবাদ প্রতি বছর বেড়েই চলছে। অল্প খরচে বোনাস ফসল হিসাবে ইরি বোরো ধান কাটার পর বর্ষালী ধান রোপন করা হয়। প্রায় ১৩০ হতে ১৪০ দিনের মধ্যে এর ফলন পাওয়া যায়। তিনি বলেন আমন মৌসুম শুরু হওয়ার আগেই বর্ষালী ধান কেটে ঘরে তোলা যায়।

Please Share This Post in Your Social Media






© natunbazar24.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD