মঙ্গলবার, ১৭ মে ২০২২, ০৫:০৪ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
সংবাদ শিরোনাম :
কুসিক নির্বাচনে প্রার্থী হলেন সিআইপি এমরান খান আজ শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আশুলিয়ায় কুকুরের মাংস দিয়ে বিরায়ানী বিক্রির অভিযোগে ১ জন আটক পাইকগাছা থানার আসাদুজ্জামান ও মোঃ নাসির উদ্দিন খুলনা জেলা শ্রেষ্ট কর্মকর্তা নির্বাচিত যে কোন দুর্যোগে সিপিপি’র কর্মীরা জীবন বাজী রেখে মানুষের কল্যানে কাজ করেন- এমপি- বাবু খুলনার দক্ষিঞ্চালে মৌসুমের শুরুতেই ভাইরাসে মরে যাচ্ছে চিংড়ি মাছ; দুশ্চিন্তায় চাষিরা বিরামপুরে বোরো ধান সংগ্রহে উন্মক্ত লটারির মাধ্যমে কৃষক নির্বাচন ঝিনাইদহে মেয়র প্রার্থীর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলার প্রতিবাদে শান্তি মিছিল নড়াইলে ডিবি পুলিশের অভিযানে ফেনসিডিল সহ আটক ১ বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের শুভ উদ্ভোধন
পঞ্চগড়ে অযত্ন-অবহেলায় ‘দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার একমাত্র’ রকস মিউজিয়াম

পঞ্চগড়ে অযত্ন-অবহেলায় ‘দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার একমাত্র’ রকস মিউজিয়াম

মো: বাবুল হোসাইন, পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি: পঞ্চগড় সরকারি মহিলা কলেজে প্রতিষ্ঠিত ‘দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার একমাত্র’ রকস মিউজিয়ামে সংরক্ষিত সংগ্রহশালা দেখতে প্রতিবছর দেশ বিদেশ থেকে হাজার হাজার পর্যটক এবং গবেষক ছুটে আসেন। কিন্তু সঠিক সংরক্ষণ, অর্থ ও অভিজ্ঞ লোকবলের অভাবে এই জাদুঘরে সংগৃহীত প্রাচীন নিদর্শনগুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ১৯৯৭ সালে পঞ্চগড় সরকারি মহিলা কলেজের অভ্যন্তরে প্রতিষ্ঠানটির তৎকালীন অধ্যক্ষ নাজমুল হক ব্যক্তিগত উদ্যোগে গড়ে তোলেন দেশের একমাত্র পাথরের জাদুঘর। পরবর্তীতে এই জাদুঘরটি রকস মিউজিয়াম নামে পরিচিতি পায়। অল্প সময়ের মধ্যে এই জাদুঘরের খ্যাতি দেশ বিদেশেও ছড়িয়ে পড়ে। পঞ্চগড় পৌরসভা ও জেলা পরিষদের সহযোগিতায় গত কয়েক বছর আগে স্বল্প পরিসরে রকস ভবন নির্মাণ করা হয়। তবে পর্যটক এবং স্থানীয় শিক্ষক, সংস্কৃতিকর্মী ও পেশাজিবীদের অভিমত জাদুঘরে সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের অভাব রয়েছে। তারা চান সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের সহযোগিতা। রকস মিউজিয়ামের পরিচালক এবং ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান গোলাম কিবরিয়া জানান, ‘দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় এটি একমাত্র রকস মিউজিয়াম। উত্তরাঞ্চলের ভূখন্ডের বয়স নির্ণয়, ভূ-বৈশিষ্ট্য অনুসন্ধান, প্রাগৈতিহাসিক কালের নমুনা সংগ্রহ, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং পুরাতাত্ত্বিক ও নৃতাত্ত্বিক নিদর্শন সংগ্রহ করার জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রিক এ মিউজিয়াম স্থাপন করা হয়। হিমালয় কন্য খ্যাত পঞ্চগড় জেলার ভূগর্ভে রয়েছে প্রচুর নুড়ি আর গভীরে রয়েছে প্রাচীন যুগের শিলাস্তর। এই শিলাস্তরের কালানুক্রমিক নমুনা নিয়ে গড়ে তোলা হয়েছে এই রকস মিউজিয়াম বা পাথরের জাদুঘর। এই কলেজের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক হাসনুর রশিদ বাবু জানান, যায়গার অভাবে জাদুঘরের বাইরে মাঠের মধ্যে ফেলে রাখা হয়েছে বিশালাকারের অনেকগুলো পাথর। রোদ বৃষ্টিতে এসব পাথরের রং বদলে যাচ্ছে। এছাড়া ভবনের ভেতরে উন্মুক্ত রাখা হয়েছে বিভিন্ন ধরনের ছোট-বড় পাথর। আছে জাতিতাত্ত্বিক সংগ্রহশালা। এ অঞ্চলের আদিবাসী, উপজাতিদের ব্যবহৃত জিনিসপত্র এবং ভূগর্ভে প্রাপ্ত অশ্মিভূত কাঠ, তিনশ’ থেকে ২ হাজার বছরের পুরনো ইমারতের ইট, পাথরের মূর্তি এবং পোড়ামাটির নক্সা রয়েছে এখানে।###

মো: বাবুল হোসাইন,
পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি

Please Share This Post in Your Social Media






© natunbazar24.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD