রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:২১ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
সংবাদ শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈলে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতনকারী জড়িত অপরাধীদের গ্রেফতারের দাবীতে মানববন্ধন মুন্সীগঞ্জ মিরকাদিমে ডিবি পুলিশের অভিযানে ২৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ একজন গ্রেপ্তার করোনায় মানুষকে বাঁচাতে শেখ হাসিনা যখন যা দরকার সবই করছেন-অধ্যাপক ডাঃ এম এ আজিজ।। জনসেবার ইচ্ছা থেকেই ইউপি নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছি- ত্রিশালের কাঁঠালে প্রার্থী ফাতেমা খাতুন।। অ্যাডভোকেট তালিকাভুক্তি হলেন সাংবাদিক তরিকুল ইসলামে ছোট ভাই ‘আবু সাহিদ’ বি‌ডি‌সি ক্রাইম বার্তার উপদ‌েষ্টা কে ফু‌লের শু‌ভেচ্ছা জানা‌লেন বি‌ডি‌সি ক্রাইম বার্তা প‌রিবার তারাকান্দায় প্রয়াত চেয়ারম্যানপুত্র শিশিরকে নৌকার মাঝি হিসাবে চান ভোটাররা। সরকারের ভিশন বাস্তবায়নে নিরলস প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন চেয়ারম্যান উজ্জল। ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণকাজ উদ্বোধন করেছেন সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের দুর্যোগে জনগণের পাশে ছিল শেখ হাসিনা সরকার-পলক
তানোরে বন কর্মকর্তার বানিজ্যে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট

তানোরে বন কর্মকর্তার বানিজ্যে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট

তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি
রাজশাহীর তানোরে সরকারিবিধি ও নীতিমালা উপেক্ষা করে যত্রতত্র গড়ে উঠেছে অবৈধ করাতকল (স’মিল)। এভাবে যত্রতত্র ব্যাঙের ছাতার মতো করাত কল গড়ে উঠায় একদিকে প্রাকৃতিক পরিবেশ হুমকির মূখে পড়ছে অন্যদিকে উজাড় হচ্ছে বন। সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, সংরক্ষিত, রক্ষিত বন ও সমুদ্র তীরবর্তী এলাকার ১০ কিলোমিটার এছাড়া পৌর এলাকায় সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী করাত কল নির্মাণ করতে হবে, সকল করাত কল মালিককে লাইসেন্স, প্রতিবছর লাইসেন্স নবায়ন ও রেজিষ্ট্রার খাতা তৈরী করতে হবে। বিগত ১৯৯৮ ও ২০০২ সালে গাছ কেনা বেচার ক্ষেত্রে বিধিমালা ও কিছু সংশোধিত বিধিমালাও প্রণয়ন হয়। বিধিমালায় উল্লেখ্য রয়েছে, বন বিভাগের কর্মকর্তা ছাড়াও প্রশাসনিক কর্মকর্তা যেকোনো প্রয়োজনে করাতকলের কার্যক্রম পরিদর্শন করতে পারবেন। কিন’ সরকারী ওই বিধিমালা সম্পর্কে তানোরের অধিকাংশ করাত কল মালিকরা অবগত না থাকায় গড়ে উঠেনি লাইসেন্সধারী করাতকল। ফলে প্রায় শতাধিক করাত কল গড়ে উঠলেও অধিকাংশের কোন লাইসেন্স নাই। প্রতিটি করাত কলের লাইসেন্স ফি দু’হাজার ও নবায়ন ফি পাঁচশ’ টাকা নবায়ন বাধ্যতামুলক হওয়ায় সরকারের প্রতি বছর এখাত থেকে প্রচুর পরিমান রাজস্ব আদায় হচ্ছে। কিন-ু তানোরের অধিকাংশ করাত কলের কোন লাইসেন্স না থাকায় সরকার প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হতে বঞ্চিত হচ্ছে। এদিকে এসব করাতকল অডিটের নামে উপজেলা বন কর্মকর্তা করাতকল প্রতি দেড় থেকে দু’হাজার টাকা করে আর্থিক বাণিজ্য করছেন বলেও গুঞ্জন রয়েছে। তানোরের মালার মোড় এলাকার একটি স’মিলের এক কর্মচারি বলেন, তাদের প্রতিমাসে এক হাজার টাকা ও ছয়মাস পর পর দু’হাজার টাকা করে বন কর্মকর্তাকে দিতে হয় নইলে ভ্রাম্যমান অভিযানের ভয়ভীতি দেখানো হয়। এছাড়াও স্বাধীনতা ও মহান বিজয় দিবস উৎযাপনে তাদের আর্থিক অনুদান হিসেবে নগদ টাকা গুনতে হয়, আর বন বিভাগের কর্মচারি ফণি ভূষণ এসব টাকা উত্তোলন করেন। তবে ফনি ভূষণ এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
জানা গেছে, তানোরে সরকারি বিধিমালার তেমন কোন প্রয়োগ না হওয়ায় গাছ কেনা বেচার ক্ষেত্রে সরকারী বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে করাত কল মালিকরা অবাধে কিনছেন গাছ। ফলে বেড়েই চলেছে গাছ কাটা পরিবেশ হচ্ছে হুমকির সম্মুক্ষীণ। তা ছাড়া রেজিষ্টার খাতা না থাকায় কোনটি বৈধ বা কোনটি অবৈধ তা যেমন বোঝার উপায় নেই, তেমনি সরকারী কর ফাঁকি দিতেও করাত কল মালিকদের তেমন বেগ পেতে হচ্ছে না। তানোরে বেসরকারি বা ব্যক্তি মালিকানাধীন শিশু, মেহেগুনী, ইউকালেক্টর ও ইপিলিপি’র তেমন কোন বাগান বা মজুদ না থাকলেও তানোরের অধিকাংশ করাত কলেই এসব গাছের বিপুল পরিমাণ কাঠ প্রতিদিনই চেরাই হচ্ছে ও মজুদ রয়েছে।
তানোরে যে সব কাঠ চেরাই হয় তার বেশিরভাগই চোরাই কাঠ। বিভিন্ন এলাকার সরকারী রাস-ার গাছ রাতের আঁধারে কেটে নিয়ে এসব করাত কলে চেরাই করা হচ্ছে। বিএমডিএ, এলজিইডি ও বন বিভাগের একশ্রেণীর কর্মকর্তা-কর্মচারীর সঙ্গে গাছ চোর সিন্ডিকেটের সদস্যদের রয়েছে গভীর সখ্যতা। অসাধু ওইসব কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ আর্থিক সুবিধা নিয়ে ওই গাছ চোর সিন্ডিকেটের কাছে নামমাত্র মূল্যে লাখ লাখ টাকার গাছ বিক্রি ও গাছ চুরিতে সর্বাত্নকভাবে সহযোগীতা করছে বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে। এব্যাপারে উপজেলা বন কর্মকর্তা দেবাশিষ দে এসব অভিযোগ অসী্বকার করে বলেন, তাদের জানা মতে তানোরে ১৫টি স’মিলের লাইসেন্স আছে, আর জনবল সংকটের কারণে তারা স’মিলগুলো নিয়মিত পরিদর্শন করতে পারেন না।

Please Share This Post in Your Social Media



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© natunbazar24.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD