শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:৪৬ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
সংবাদ শিরোনাম :
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে অটোরিকশা চালকের মরদেহ উদ্ধার পঞ্চগড়ে ইজিবাইকের ধাক্কায় শিশুর মৃত্যু কেশবপুরে কুকুরের কামড়ে ১৩শিশুসহ ২৫ জন আহত প্রতিদিন আক্রান্তের সংখ্য বাড়ছে গজারিয়া চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলম সাহেবের শশুরের কুলখানি। নড়াইল পৌরবাসী সামান্য বৃষ্টিতে নাকাল জল জন্তনায় ধামইরহাটে ২টি ভাঙ্গা কালভার্ট দ্রুত মেরামত করা জরুরি নড়াইলে নদী ভাঙনে বিলিন হচ্ছে ঘর-বাড়ি, বিদ্যালয়-ফসলিজমি ময়মনসিংহে মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গি, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে ওসি কামালের আহবান। বরগুনার তালতলীতে পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় আটক, অতঃপর ধর্ষণ মামলা! ক্ষেতলালের ইউএনও আবু সুফিয়ানের বিদায়ী সংর্বধনা অনুষ্ঠিত
জামালপুরের সাড়ে ৩শ বছরে পুরাকীর্তি স্থাপত্যের স্মৃতিবাহক দয়াময়ী মন্দির

জামালপুরের সাড়ে ৩শ বছরে পুরাকীর্তি স্থাপত্যের স্মৃতিবাহক দয়াময়ী মন্দির

সৈকত আহমেদ বেলাল, জামালপুর প্রতিনিধি : প্রায় সাড়ে তিন’শ বছর ধরে জামালপুরর স্মৃতিবহন করছে শ্রী শ্রী দয়াময়ী মন্দির। জেলার দর্শনীয় কার্বকার্য্যপুর্ণ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এটি অন্যতম।
জানা যায়, নবাব মুর্শিদ কুলিখাঁর সময় ময়মনসিংহ জেলার ঈশ্বরগঞ্জ থানার বর্তমানে গৌরিপুর রামগোপাল জমিদারের জমিদারী জাফরশাহী পরগনার জায়গীরদার কৃষ্ণরায় চৌধুরী ১৬৯৮ খৃীষ্টাব্দে (১১০৪ বঙ্গাব্দ) সালে জামালপুর পৌর শহরের প্রাণকেন্দ্রে প্রায় ১৪ একর জমির উপর হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করেন। পরে এটি দেবতাদের নামে উৎসর্গ করে (দেবোত্তর) এস্টেট হিসাবে প্রতিষ্ঠা করেন রানী শ্রীমতি নারায়নী রায় চৌধুরী। জনশ্র্বতি আছে, কৃষ্ণরায় চৌধুরীর পুত্র রাজা যোগেন্দ্র কিশোর রায় চৌধুরীর স্ত্রী রাধা রঙ্গিনী চৌধুরী স্বপ্নে আদিষ্ট হয়ে স্বামীকে মন্দিরের অবকাঠামোগত উন্নয়ন করার অনুরোধ করেন। স্ত্রীর অনুরোধে রাজা যোগেন্দ্র কিশোর রায় চৌধুরী পরবর্তিতে মন্দিরের মূল অবকাঠামো ঠিক রেখে ব্যাপক উন্নয়ন করেন এবং এর নামকরণ করেন দয়াময়ী মন্দির। এ মন্দিরের মধ্যে শীব, কালী, নাট, মনষাদেবীসহ একাধিক দেবদেবীর মন্দির রয়েছে। মন্দিরের দৃষ্টিনন্দন অপূর্ব কার্বকার্য ও চিত্রকর্ম দেখে চোখ ফেরানো যায়না।
মন্দির কমিটির যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক শ্যামল দাস বলেন, শ্রী শ্রী (ঈশ্বর) দয়াময়ী মহাদেব্যা মাতার জাগ্রত শক্তির মাহত্মের নানা অলৌকিক কাহিনী শুধু বাংলাদেশে নয় পার্শ্ববর্তী ভারতেও প্রচলিত রয়েছে। প্রতি বছর ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে অসংখ্য ভক্তবৃন্দ ছুটে আসেন জামালপুরে। ভক্তবৃন্দরা মন্দিরে ছাগ শিশু (পাঠা) ও অন্যান্য আনুষাঙ্গিক উপচার মানত করে পুঁজা অর্চনার মধ্যে দিয়ে সন’ষ্টি চিত্ত্বে ফিরে যান। তিনি অলৌকিক ঘটনার কথা উলেৱখ করে বলেন, পাকিস্তান আমলে মন্দিরে ডাকাত পড়েছিল। দয়াময়ী মহাদেব্যা মাতার জাগ্রত শক্তির কারণে ডাকাতরা ধরা পড়ে। ১৯৬১ সালে নিরাপত্তাজনিত কারণে মন্দিরে বিগ্রহানীর অলংকার এবং মুল্যবান তৈজসপত্রাদি ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের ট্রেজারীতে জমা রাখা হয়েছে। এছাড়া মন্দিরের নামে দেবোত্তর সম্পত্তির নিজস্ব কাচারী, প্রয়োজনীয় দস্তাাবেজ ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ সরকার অধিগ্রহণ করে নিয়েছে। ১৯৯৫ সালের এ মন্দিরের অভূতপুর্ব উন্নয়ন হয়েছে। ওই বছর দয়াময়ী মন্দির, অন্নপূর্ণা, শীব বিগ্রহ, নাট মন্দির ও ভোগ ঘরসহ মন্দির কমপেৱক্সের দ্বিতল ভবনের ২৭টি কক্ষ পুনঃনির্মান করা হয়।
বর্তমান সরকারের উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় মন্দিরের সামনে প্রায় দেড়শ কোটি টাকা ব্যয়ে জামালপুর কালচারাল ভিলেজ নির্মিত হচ্ছে। এতে মন্দিরটির সৌন্দর্য্য হারাবে বলে হিন্দু ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায়ের লোকজন জানান। তারা সাড়ে ৩০০ বছরের স্মৃতি বিজরিত দয়াময়ী মন্দিরের সৌন্দর্য্য ও স্মৃতি রৰায় প্রধানমন্ত্রীর হস্তৰেপ কামনা করেছেন।
দয়াময়ী মন্দির পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক সিদ্ধার্থ শংকর রায়, রাধামোহন জিউ মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি বীরেন্দ্র চন্দ্র দাস মন্দিরের স’াপত্য ঠিক রেখে কালচারাল ভিলেজ নির্মাণের দাবী জানান।

Please Share This Post in Your Social Media



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© natunbazar24.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD