বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:৪৫ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
সংবাদ শিরোনাম :
ময়মনসিংহে ওসি কামালের নেতৃত্বে পুলিশের অভিযানে মাদক ব্যবসায়ীসহ গ্রেফতার-১৩ জাতীয় তরুণ পার্টি ফুলবাড়িয়া পৌর শাখার আহবায়ক কমিটির অনুমোদন।। কেন্দুয়ায় ধানের পোকা চিহ্নিত করতে ‘আলোক ফাঁদ’ স্থাপন হালুয়ারঘাট-ধারারগাঁও সেতু নির্মাণের দাবীতে বিশাল মানব বন্ধন ও জনসভা ঝিকরগাছার শংকরপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির জানাজায় বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা অমিত তারাকান্দায় ৫৩ পূজামন্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আশ্বাস -ইউএনও’র।। ঝিনাইদহে অফিসিয়ালি তদারকি ছাড়া ৮৮ কোটি টাকার সড়ক নির্মাণ হচ্ছে! নড়াইলে মোটর সাইকেল দুর্ঘটনায় এসএসসি পরীক্ষার্থী নিহত নাচোলে তাল গাছের বীজ বপন মহাসংকটে স্বরূপকাঠি সমিতি
গোপালগঞ্জে এক স্কুল শিক্ষিকার মিথ্যা অভিযোগে হয়রানীর শিকার হচ্ছে শিক্ষা কর্মকর্তা রুহুল আসলাম

গোপালগঞ্জে এক স্কুল শিক্ষিকার মিথ্যা অভিযোগে হয়রানীর শিকার হচ্ছে শিক্ষা কর্মকর্তা রুহুল আসলাম

শিমুল খান।।
নিজস্ব প্রতিনিধি, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জে এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার মিথ্যা অভিযোগে বার বার হয়রানীর শিকার হচ্ছে মুকসুদপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুন্সী রুহুল আসলাম। তিনি বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানা গেছে।
প্রধান শিক্ষিকা সাবিহা শারমিনের করা বিভিন্ন অভিযোগ ও কয়েকটি মামলা থেকে জানা যায়, ২০১২ সালে তিনি কাশিয়ানী উপজেলায় কর্মরত থাকা অবস্থায় তৎকালীন এটিও মুন্সী রুহুল আসলামের সাথে তার প্রেমের সম্পর্ক তৈরী হয়। প্রেমের সম্পর্কের পাশাপাশি তাদের উভয়ের মধ্যে দৈহিক সম্পর্কও তৈরী হয়। এরই জের ধরে শিক্ষা কর্মকর্তা মুন্সী রুহুল আসলাম ১০/০৮/২০১২ ইং তারিখে খুলনায় তার এক বন্ধুর বাসায় কাজি ডেকে বিয়ে করেন শিক্ষিকা সাবিহা শারমিনকে এবং শিক্ষিকা সাবিহা শারমিনকে তার পিতার বাড়ীতে নিয়ে কয়েকবার দৈহিক সম্পর্কে লিপ্ত হয়।
শিক্ষা কর্মকর্তা মুন্সী রুহুল আসলামের সাথে শারীরিক সম্পর্কের কারনে এক সময় গর্ভবতী হয়ে পড়েন সাবিহা শারমিন। কিছু দিন পর ২৭/১০/২০১৪ ইং তারিখে তার কোল জুড়ে আসে একটি পুত্র সন্তান। সেই পুত্র সন্তান পিতার দাবী নিয়ে বার বার তিনি ছুটে যান রুহুল আসলামের কাছে। কিন্তু হুরুল আসলাম তার কথার কোন গুরুত্ব না দিয়ে বার বার ফেরত পাঠান সাবিহা শারমিনকে। যার কারণে সাবিহা শারমিন বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন ও আদালতের দারস্থ হয়ে কয়েকটি মামলা করেন মুকসুদপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুন্সী রুহুল আসলামের বিরুদ্ধে।
সাবিহা শারমিনের জীবনে বিগত ২০১২ সালে ঘটে যাওয়া ঘটনা সে সময়ে তিনি কোন প্রতিকার না করে দীর্ঘ ৬ বছর পর ২০১৮ সালে মানবাধিকার সংস্থায় আবেদন ও গোপালগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল আদালতে পর পর দুটি মিথ্যা মামলা করে তাকে হয়রানি করছেন বলে জানান রুহুল আসলাম।
তিনি আরো জানান, সাবিহা শারমিন আমাকে সমাজে হেয় করার জন্য ও আমাকে হয়রানি করার জন্য প্রথমে আমার বিরুদ্ধে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে আবেদন করেন। অথচ মানবাধিকার কমিশনের শুনানির দিন আমি স্বশরীরে উপস্থিত থাকলেও সাবিহা শারমিন উপস্থিত ছিলেন না। এরপর তিনি প্রথমে আমার বিরুদ্ধে গোপালগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালে একটি মামলা করেন যার নং-১৬৪/১৮ তারিখ ০৯/০৪/২০১৮ ইং ও পরবর্তীতে তিনি আমার বিরম্নদ্ধে গোপালগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালে আরও একটি ধর্ষন মামলা করেন যার নং-২৭৬/১৮ তারিখ ১১/০৬/২০১৮ ইং। এতেও তিনি ড়্গ্যানত্ম না হয়ে বর্তমানে আমাকে মোবাইল ফোনে এবং আমার অফিসে লোক পাঠিয়ে আমাকে প্রাননাশের হুমকি দিচ্ছেন। আমি ও আমার পরিবারের কথা চিনত্মা করে মুকসুদপুর এবং কাশিয়ানী থানায় কয়েকটা সাধারন ডায়েরী করেছি যার বাদি আমি ও আমার স্ত্রী।
জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ও আদালতের দুটি মামলার নথি থেকে জানা যায়, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে করা আবেদনে তিনি উলেস্নখ করেন ১০/০৮/২০১২ ইং তারিখে খুলনায় তার এক বন্ধুর বাসায় কাজি ডেকে তাকে বিয়ে করেন শিড়্গা কর্মকর্তা মুন্সী রম্নহুল আসলাম। আদালতে করা ১৬৪/১৮ নম্বর মামলার অভিযোগে দেখা যায় ১০/০৮/২০১২ ইং তারিখে শিড়্গা কর্মকর্তা মুন্সী রম্নহুল আসলাম তার কাশিয়ানীর ভাড়া বাসায় শিড়্গিকা সাবিহা শারমিনের সাথে দৈহিক সম্পর্কে মিলিত হন। পরবর্তীতে শিড়্গা কর্মকর্তা মুন্সী রম্নহুল আসলাম নাকি শিড়্গিকা সাবিহা শারমিনের পিতার নিকট যৌতুক বাবদ ১০ লড়্গ টাকা দাবী করেন। আবার আদালতে করা ২৭৬/১৮ নম্বর মামলার অভিযোগে দেখা যায় ১০/০৮/২০১২ ইং তারিখে শিড়্গা কর্মকর্তা মুন্সী রম্নহুল আসলাম কাশিয়ানীতে তার জন্ম দিনের অনুষ্ঠান শেষ করে শিড়্গিকা সাবিহা শারমিন কে নিয়ে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়নে ছোটফা গ্রামে শিড়্গিকা সাবিহা শারমিনের বাবার বাড়ীতে আসেন এবং রাতে সেখানে অবস’ান করেন। আসলে কোন ঘটনাটা সঠিক তা তিনি স্পষ্ট করে উলেস্নখ করেননী।
শিড়্গিকা সাবিহা শারমিন এক একটি মামলায় এক এক রকম অভিযোগ এনেছেন একই তারিখ উলেস্নখ করে শিড়্গা কর্মকর্তা মুন্সী রম্নহুল আসলামের বিরম্নদ্ধে। বার বার ওই শিড়্গা কর্মকর্তা মুন্সী রম্নহুল আসলামের বিরম্নদ্ধে শিড়্গিকা সাবিহা শারমিনের মিথ্যা অভিযোগ আনায় বিষয়টি এখন হ-জ-ব-র-ল অবস’ায় পরিনত হয়েছে।এ ব্যাপারে নাম প্রকাশ না করার শর্তে মুকসুদপুর উপজেলা প্রাথমিক শিড়্গা অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী জানায়, আমাদের শিড়্গা কর্মকর্তা মুন্সী রম্নহুল আসলাম স্যার একজন অনেক ভালো মানুষ। শিড়্গিকা সাবিহা শারমিন শুধু শুধু বার বার আমাদের স্যারের বিরম্নদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে স্যারকে হয়রানী করছেন। তিনি এখন বদলী হয়ে গোপালগঞ্জে চাকরি করলেও স্যারের পিছু ছাড়েনী। তারা আরো বলেন যেহেতু আদালতে মামলা হয়েছে দেখা যাক আদালতে এর কি সুরাহা হয়।
এ ব্যাপারে নাম প্রকাশ না করার শর্তে মুকসুদপুরে কর্মরত কয়েকজন স্কুল শিড়্গক জানায়, আমাদের টিও স্যারের মত মানুষ হয় না। তিনি অনেক ভালো একজন মানুষ। কেন কি কারনে শিড়্গিকা সাবিহা শারমিন আমাদের টিও স্যারকে বার বার হয়রানির করছেন তা আমাদের বোধগম্য নয়। যেহেতু আদালতে মামলা হয়েছে দেখা যাক আদালত এর কি সুরাহা করেন।
এ ব্যাপারে শিড়্গিকা সাবিহা শারমিনের ব্যবহৃত মোবাইল ০১৭৭৯-৮০৭৩৮২ নম্বরে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, শিড়্গা কর্মকর্তা মুন্সী রম্নহুল আসলাম আমাকে বিয়ে করেছেন। আমার সনত্মানের পিতার দাবীতে আমি তার বিরম্নদ্ধে আদালতে মামলাও করেছি। আদালত বিষয়টির সুরাহা করবে। আপনারা এ ব্যাপারে কোন নিউজ করবেন না। কখনো নিউজ করার প্রয়োজন মনে হলে আমি আপনাদের খুজে নিবো। আমি প্রয়োজনে মিডিয়ার সাথে কথা বলবো। এ সময় তিনি নিউজটি না করার জন্য বার বার অনুরোধ করেন। পরবর্তীতে তিনি কয়েকজন ব্যাক্তিকে দিয়ে এই প্রতিনিধিকে ফোন করান নিউজটি না করার জন্য।
বর্তমানে মুকসুদপুর উপজেলা প্রাথমিক শিড়্গা কর্মকর্তা মুন্সী রম্নহুল আসলাম ও শিড়্গিকা সাবিহা শারমিনের বিষয়টি মুকসুদপুর, কাশিয়ানীসহ প্রতিটি উপজেলার প্রাথমিক শিড়্গা অফিসের আলোচ্য বিষয় হিসাবে রম্নপ নিয়েছে। এ নিয়ে সব সময়ই চলে আলোচনা-সমালোচনা। সকলে এখন তাকিয়ে আছে আদালতের দিকে এ ঘটনার কি সুরাহা হয় তা জানতে।

Please Share This Post in Your Social Media



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© natunbazar24.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD