বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:২৮ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
সংবাদ শিরোনাম :
ময়মনসিংহে ওসি কামালের নেতৃত্বে পুলিশের অভিযানে মাদক ব্যবসায়ীসহ গ্রেফতার-১৩ জাতীয় তরুণ পার্টি ফুলবাড়িয়া পৌর শাখার আহবায়ক কমিটির অনুমোদন।। কেন্দুয়ায় ধানের পোকা চিহ্নিত করতে ‘আলোক ফাঁদ’ স্থাপন হালুয়ারঘাট-ধারারগাঁও সেতু নির্মাণের দাবীতে বিশাল মানব বন্ধন ও জনসভা ঝিকরগাছার শংকরপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির জানাজায় বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা অমিত তারাকান্দায় ৫৩ পূজামন্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আশ্বাস -ইউএনও’র।। ঝিনাইদহে অফিসিয়ালি তদারকি ছাড়া ৮৮ কোটি টাকার সড়ক নির্মাণ হচ্ছে! নড়াইলে মোটর সাইকেল দুর্ঘটনায় এসএসসি পরীক্ষার্থী নিহত নাচোলে তাল গাছের বীজ বপন মহাসংকটে স্বরূপকাঠি সমিতি
গাইবান্ধায় নদীগর্ভে অর্ধশতাধিক ঘর-বাড়ি বিলীন

গাইবান্ধায় নদীগর্ভে অর্ধশতাধিক ঘর-বাড়ি বিলীন

রেজুয়ান খান রিকন, গোবিন্দগঞ্জ প্রতিবেদক :
গাইবান্ধার তিস্তা-যমুনা, করতোয়া, ব্রক্ষপুত্র নদ-নদীগুলোতে পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে তীব্র ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। সদরের কামারজানী ইউনিয়নের গাঘাট গ্রাম তীব্র ভাঙ্গন অর্ধ-শতাধিক ঘর-বাড়ীসহ গাছের বাগান ও আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। দুই দিনের ভাঙ্গনে অর্ধশতাধিক পরিবারের প্রায় এক কোটির টাকার অধিক ক্ষতি হয়েছে। ভিটা-মাটি হারা এসব পরিবারের চোখের পানি যেন থামছেই না। সব হারিয়ে তারা এখন নিঃস্বরিক্ত তীব্র ভাঙ্গন দেখা দিলেও গাইবান্ধা পানি উনয়ন বোর্ড কোন পদক্ষেপ গ্রহন না করায় এলাকাবাসীর মাঝে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার ভোর থেকে শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত নদীর স্রোত বদ্ধি হওয়ায় গাঘাট গ্রামের উজানে সাহা পাড়ায় বিরতীহীন ভাঙ্গনে ৩০ মিনিট সময়ের মধ্য ৫টি ঘর ও ভিটা বিলীন হয় যায়।

স্থানীয়রা জানান, গাইবান্ধা পানি উনয়ন বোর্ডকে শত শত বার ভাঙ্গনরোধে ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ করেও কোন কাজ হয়নি। উজান এবং ভাটিতে কাজ করলেও মাঝের অংশ দেড়’শ মিটার কাজ করলে আজ ভাঙ্গনে ঘর বাড়ীগুলা বিলীন হয়ে যেত না।

গাঘাট গ্রামর গৌতম চন্দ্র জানান, নদী থেকে আমার বাড়ীর দুরত্ব তিন’শ ফিট কিন্তু ভোর বেলায় তীব্র ভাঙ্গনে দেখা দেয়ায় ঘর টিন,খুটি,কাঠ খুলতে পারিনি,ঘরসহ নদীর করাল গ্রাসে বিলীন হয়ে গেছে।

গাঘাট গ্রামের দুলাল চন্দ্র সাহা বলেন, ভোরের আযানের পর থেকেই নদীর পানির বিকট শব্দ আর আমার ঘরের দিকে তীব্র ভাঙ্গন ধেয়ে আসতে শুরু করেছে । ঘর ও সরঞ্জামাদি সরিয়ে নেয়ার আগেই সব কিছু করাল গ্রাসে নিশ্চিহৃ হয়ে গেল। হায় ভগবান এ কেমন লীলা তোমার।

গাইবান্ধা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ শফিকুর রহমান বলেন, নদী ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্তদের উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব রকম সহায়তা দেয়া হবে।
গাইবান্ধা পানি উনয়ন বোর্ড নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাহাবুবুর রহমান মুঠাফোনে বলেন, কামারজানী নদী ভাঙ্গনরাধ ইতাপূর্বে প্রস্তাবনা পাঠানো হলেও বরাদ্দ পাওয়া যায়নি। ভাঙ্গনরোধে জরুরী ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ডাম্পিং কাজ করা হবে।
রংপুর অঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলীর মীর মোশারফ হোসেন বলেন,গাইবান্ধা পাউবা ডিভিশনর অধীন কামারজানী বদরের গাঘাট এলাকায় তীব্র ভাঙ্গনের তথ্য পেয়ছি। ভাঙ্গনরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে নির্বাহী প্রকৌশলীকে নির্দেশ দিয়েছি।

Please Share This Post in Your Social Media



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© natunbazar24.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD