বুধবার, ২৫ মে ২০২২, ০৬:২৫ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
সংবাদ শিরোনাম :
বানারীপাড়ায় দুদিন ব্যাপী বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ বিষয়ক কর্মশালা সম্পন্ন বীরগঞ্জের নিজপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের উন্মুক্ত বাজেট ঘোষনা ও বার্ষিক উন্নয়ন পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসীদের হামলায় আহত-৭, থানায় একাধিক অভিযোগ আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা মঞ্জুরুল আলম রাজিবকে অভিনন্দন নড়াইলে ২১৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার যুবক গ্রেপ্তার রাজারহাটে আনসার ভিডিপি’র উপজেলা সমাবেশ-২০২২ অনুষ্ঠিত ভারশোঁ ইউপির উথরাইল বিলে মাছের পোনা অবমুক্ত নড়াইলে মাছের ঘেরে গাঁজা চাষ, আটক ২ নাচোলে ভোটার তালিকা হালনাগাদ উপলক্ষে মতবিনিময় কেশবপুরে বঙ্গবন্ধু জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টে ফাইনালে চাম্পিয়ান সুফলাকাটি ইউনিয়ন ফুটবল একাদশ
সাতক্ষীরায় যৌতুক মামলায় যুবকের তিন বছরের কারাদণ্ড

সাতক্ষীরায় যৌতুক মামলায় যুবকের তিন বছরের কারাদণ্ড

মো: আজিজুল ইসলাম(ইমরান) সাতক্ষীরা প্রতিনিধি।।

সাতক্ষীরায় যৌতুক মামলায় সালাউদ্দিন সরদার (২৮) নামে এক যুবককে তিন বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা দিয়েছেন আদালত। জরিমানা পরিশোধ করতে না পারলে আরও ছয় মাস সাজ ভোগ করতে হবে। বৃহস্পতিবার (২৮ জুন) বিকালে সাতক্ষীরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক হোসনে আরা আক্তার এ রায় ঘোষণা করেন। সাজাপ্রাপ্ত সালাউদ্দিন সরদার জেলার আশাশুনি উপজেলার গোয়ালডাঙ্গা গ্রামের বজলুর রহমানের ছেলে। মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৩ সালে আশাশুনি উপজেলার গোয়ালডাঙ্গা গ্রামের বজলুর রহমানের ছেলে সালাউদ্দিন সরদারের সাথে শ্রীকলস গ্রামের রমজান আলীর মেয়ে সেলিনা খাতুনের বিয়ে হয়। বিয়ের সময় রমজান আলী জামাই সালাউদ্দিন সরদারকে নগদ টাকাসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র দেন। তাদের সংসারে একটি ছেলে সন্তন জন্মগ্রহণ করে। ছেলের বয়স যখন পাঁচ বছর তখন সেলিনা খাতুন আবারও গর্ভধারণ করেন। সাত মাসের অন্তঃস্বত্তাবয় সালাউদ্দিন সরদার তাকে যৌতুকের দাবিতে নির্যাতন শুরু করেন। এক পর্যায়ে নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে সেলিনা খাতুন বাবার বাড়িতে ফিরে আদালতে মামলা করেন। ওই মামলায় আদালতের নির্দেশে আর নির্যাতন করবেন না মর্মে মুচলেকা দিয়ে সেলিনা খাতুনকে আবার বাড়ি নিয়ে যান সালাউদ্দিন সরদার। কিš‘ ২০১০ সালের ১৭ আগস্ট ফের সালাউদ্দিন সরদার, তার ভাই রবিউল ইসলাম, বাবা বজলুর রহমান ও মা লাইলি বেগম তার উপর ৩০ হাজার টাকা যৌতুকের দাবিতে নির্যাতন শুরু করেন। এই ঘটনায় ওই বছরের ১৮ আগস্ট নির্যাতনের শিকার সেলিনা খাতুনের মা রেবেকা খাতুন চারজনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় আদালত তিনজনের সাক্ষ্য গ্রহণ ও নথি পর্যালোচনা করে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সালাউদ্দিন সরদারকে এ সাজা দেন। মামলার অপর তিন আসামিকে খালাস দেন আদালত। সাতক্ষীরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পিপি অ্যাডভোকেট জহুরুল হায়দার বাবু বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media






© natunbazar24.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD