শনিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২২, ০৬:২৫ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
সংবাদ শিরোনাম :
বরিশাল জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাড: তালুকদার মো: ইউনুস করোনায় আক্রান্ত বানারীপাড়া- উজিরপুরে সাংসদ রুবিনা মীরার কম্বল বিতরন লস্করপুরে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক সারাদেশে এমএলএম প্রতারণার নতুন ফাঁদ-হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা জেলা প্রশাসক ও উপজেলা প্রশাসন পরিদর্শন করলেও আশুলিয়ায় নয়নজুলি খাল উদ্ধার হয়নি কুইজ প্রতিযোগিতায় প্রথম হলেন ওসি পুত্র নিহান বানারীপাড়ায় নিষিদ্ধ বেহুন্দি জাল জমা দিয়ে জেলে পরিমলের অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট নওগাঁ জেলা শাখার সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত ধামইরহাটে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ যুবক গ্রেফতার শাজাহানপুরে করণা আক্রান্তদের রোগমুক্তি কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত
সাংবাদিকরা বহুমুখী বাঁধা অতিক্রম করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে

সাংবাদিকরা বহুমুখী বাঁধা অতিক্রম করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে

হেলাল শেখঃ
সাংবাদিকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেন। পরিবার, সমাজ, দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করেন “কলম সৈনিক সাংবাদিক”। তবে সবার কল্যাণে সেবামূলক কাজ করতে গিয়ে যদি কোনো সাংবাদিক ছোট কোনো ভুল করেন, তার সেই ভুলের জন্য তার উপর হয় হামলা, মামলা, এমন কি হত্যাকান্ডের ঘটনাও ঘটে থাকে অনেক সময়। কেউ রাখে না কোনো সাংবাদিকের খবর! কারণ সাংবাদিকইতো খবর তৈরি করেন। জনগণ থেকে সরকার-কেউ সাংবাদিকদের কল্যাণের চিন্তা করেন না।

বিশেষ করে আজ আমার নিজের কথা বলছি, আজও আমার মা চান না যে, আমি সাংবাদিকতা করি। কারণ সাংবাদিকতা করলে যে কোনো সময় হামলা, মামলার শিকার হতে হয় তাই, এর সঙ্গে জীবনের ঝুঁকি রয়েছে। আজও মা বলেন, বাবা’রে তুমি কি সাংবাদিকতা ছাড়বে না? আপনারা হয়ত বলবেন, মহৎ পেশা সাংবাদিকতা তাইতো? আমার মা বলেন, মহৎ পেশা মানছি, কিন্তু সাংবাদিকতা করতে গিয়ে যদি আমার সন্তানকে হারাতে হয়। সে সাংবাদিকতার দরকার নাই। প্রতিটি মা” বাবা তার সন্তানের জন্য নিরাপত্তা চায়, সন্তানের মঙ্গল কামনা করেন সকল মা বাবা তাই নয় কি?

বাংলাদেশের ইতিহাসে এক সাংবাদিক দম্পতি সাগর রুনি ও রঞ্জু, শ্যামলসহ অনেক সাংবাদিককে হত্যা ককরা হয়েছে। হত্যার শিকার হওয়া সাংবাদিকের পরিবারের বাকি সদস্যদের চিন্তা কেউ করেন কি? এসব সাংবাদিক হত্যার সঠিক বিচার কবে হবে কেউ বলতে পারি না আমরা।

বিশেষ করে একজন প্রকৃত সাংবাদিক হতে গেলে তাকে অবশ্যই টেনিং করা দরকার, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সংবাদ সংগ্রহ করে, নিজের টাকায় কলম, খাতা কিনে সংবাদ লিখতে হয়, আমার বাস্তবতায় আমি জানি-২০বছর আগের সাংবাদিকতা আর এখন এ সময়ের সাংবাদিকতা অনেকটা আলাদা। এখন সাংবাদিক হতে সংশ্লিষ্ট পত্রিকার প্রকাশক/সম্পাদককে টাকা দিতে হয়। টাকার বিনিময়ে পরিচয়পত্র দিয়ে থাকেন অনেকেই, কিন্তু এতে কোনো সাংবাদিকের টেনিং লাগে না। মোটরসাইকেলের স্টিকার লাগিয়ে দাপিয়ে বেড়ায় টাকা কামানোর দান্দায় বেশিরভাগ ওই সকল নতুন ও ভুয়া অপসাংবাদিকরা। এর জন্য দায়ী কারা? এতে সম্মানহানি হয় প্রকৃত সাংবাদিকদের।

বিশেষ করে অনেক সাংবাদিক আছেন, যারা সাংবাদিক হওয়ার চেষ্টাও করে না। সাংবাদিকতার অনেক নিয়মনীতি আছে, যা সবারই জানা দরকার। যেমনঃ কোথায়? কি? কখন? কিভাবে? কেন ঘটছে? এসব না জানলে কোনো সংবাদ তৈরি করা সম্ভব নয়।

এখন সাংবাদিকতা করতে হলে-ভালো একটি মোবাইল, একটি কলম, একটি ডায়েরি, একটি ক্যামেরা ও একটি ল্যাবটপ প্রয়োজন হয়। নয়ত ডিজিটাল সাংবাদিকতা করা যাবে না। আবার এগুলো কিনার মতো টাকা আছে, কিন্তু যদি সু’শিক্ষিত না হয়-এগুলো চালাতে না পারে তাহলে সাংবাদিকতা করা সহজ নয়। সাংবাদিক শব্দ ছোট বা সহজ হলেও এই পেশাটি সহজ নয়।

দুঃখের বিষয় হলো, বেশিরভাগ সাংবাদিকের বেতন ভাতা দেয়া হয় না, প্রেসক্লাব বা রিপোর্টাস ক্লাব-এর সাংবাদিক, তারা কেন চাঁদা আদায় করবেন? তারা প্রতিষ্ঠিত সাংবাদিক। কিছু পুলিশ ও কিছু সাংবাদিক অপরাধের সঙ্গে জড়িত আছে বলে অনেকেরই অভিমত। অনেকেই মন্তব্য করেন, সাংবাদিকরা হলো যে জবর যা! চোর না হলে চোর ধরা কঠিন এমনই মন্তব্য করেন অনেকেই। যা সাংবাদিক সমাজের জন্য লজ্জাজনক ব্যাপার।

সাংবাদিকতায় নতুন ভাবে আসছে অনেক অপরাধীরা-নিজেকে পুলিশের নজর থেকে আড়াল করতে পুলিশের সাথে থানায় থাকে দিনের বেশি সময় ধরে। থানায় তারা দালালিও করে, আবার পুলিশের সাথে থেকে পুলিশ সেজে ডিউটি করে কিছু অফিসারদের সঙ্গে। তাই আমি বলি কি, দালালরা সাংবাদিকতা ছাড়ুন, আর সাংবাদিকরা দালালি ছাড়ুন। ফেসবুক এর সাংবাদিক না হয়ে প্রকৃত সাংবাদিক হন। আর কত বাবার দুহাই দিয়ে চলবে দালালরা? বাবা-অস্বীকার করলে কি হবে ভাবছেন? সময় থাকতে ভালো রাস্তায় আসেন।আমরা মাকে ভালোবাসতে চাই, মা কখনো সন্তানকে ফেলে দিবে না। কেউ পরিচয় না দিলেও মা ঠিকই তার সন্তানের পরিচয় দিবেন, সন্তানের মঙ্গল কামনা করবেন মা। এই দেশে জন্মেছি, এই দেশ আমাদের মা, মাকে ভুলে কোনো সন্তান শান্তি পাবে না।

আমি আবার উল্লেখ করি, যে সকল কলম সৈনিক সাংবাদিক সাংবাদিকতা করছেন, সবাই কি ঐক্যবদ্ধ? না। এবার আসেন, আমরা সকল সাংবাদিক নিজেদের বাঁচার জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে মিলেমিশে কাজ করি। আমি আবার বলছি, সকল সাংবাদিককে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি আমি। আমার এই ছোট প্রতিবেদনটি যদি কারো ভালো লাগে-লাইক, শেয়ার করার জন্য অনুরোধ রইল। আর খারাপ লাগলে কমেন্ট করে জানাবেন, এ বিষয়ে আপনাদের মতামত কি? মন্তব্য রিপোর্টঃ৩।

Please Share This Post in Your Social Media



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© natunbazar24.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD