শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:৪৩ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
সংবাদ শিরোনাম :
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে অটোরিকশা চালকের মরদেহ উদ্ধার পঞ্চগড়ে ইজিবাইকের ধাক্কায় শিশুর মৃত্যু কেশবপুরে কুকুরের কামড়ে ১৩শিশুসহ ২৫ জন আহত প্রতিদিন আক্রান্তের সংখ্য বাড়ছে গজারিয়া চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলম সাহেবের শশুরের কুলখানি। নড়াইল পৌরবাসী সামান্য বৃষ্টিতে নাকাল জল জন্তনায় ধামইরহাটে ২টি ভাঙ্গা কালভার্ট দ্রুত মেরামত করা জরুরি নড়াইলে নদী ভাঙনে বিলিন হচ্ছে ঘর-বাড়ি, বিদ্যালয়-ফসলিজমি ময়মনসিংহে মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গি, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে ওসি কামালের আহবান। বরগুনার তালতলীতে পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় আটক, অতঃপর ধর্ষণ মামলা! ক্ষেতলালের ইউএনও আবু সুফিয়ানের বিদায়ী সংর্বধনা অনুষ্ঠিত
রাজশাহী-১ আসনে ফারুকের থেকে পিছিয়ে আমিনুল

রাজশাহী-১ আসনে ফারুকের থেকে পিছিয়ে আমিনুল

আলিফ হোসেন, তানোর : রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) সংসদীয় আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সাংসদ, সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী, রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বিলাস ও প্রচার বিমূখ নেতা এমপি ওমর ফার্বক চৌধূরী রাজনৈতিক দূরদর্শিতা ও নিজস্ব স্বকীয়তায় তৃণমূলের রাজনীতিতে জনপ্রিয়তায় অন্যদের থেকে এগিয়ে রয়েছেন। রাজনৈতিক অঙ্গনে এমপি ওমর ফার্বক চৌধূরী ও ব্যারিস্টার আমিনুলের বিপরিতমূখী অবস’ান সাধারণ মানুষের মধ্যে ফুটে উঠেছে, ধীর গতিতে হলেও সাধারণ মানুষ এই দু’রাজনৈতিক নেতার মধ্যে পার্থক্য বুঝতে শুর্ব করেছে।
স’ানীয় রাজনৈতিক বিশেৱষক ও পর্যবেৰক মহলে এই দু’নেতার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অবস’ান-কর্মকান্ড নিয়ে উঠেছে আলোচনার ঝড় চলছে চুল-চেরা বিশেৱষণ, যেখানে ব্যারিস্টার আমিনুল হকের থেকে নেতুত্ব, ব্যক্তিত্ব, রাজনৈতিক দূরদর্শীতা ও জনপ্রিয়তায় এমপি ফার্বক চৌধূরী অনেক এগিয়ে রয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলের অভিমত, ব্যারিস্টার আমিনুল হক যেখানে গোদাগাড়ি ছাত্রলীগ নেতা ফিরোজ হত্যার প্রধান আসামি রহুলকে পুলিশের এসআই পদে চাকরি দিয়েছেন, অথচ একই পদে তানোর উপজেলা ছাত্রদল সভাপতি এমদাদ মন্ডলের সকল যোগ্যতা থাকা স্বত্বেও শুধুমাত্র তানোরের বাসিন্দা হওয়ায় তাকে চাকরি থেকে বঞ্চিত করেছেন। তেমনি আবার বিএমডিএ ও কার্ব এনজিওতে শুধুমাত্র তার আত্নীয়-স্বজন, দলীয় ক্যাডার ও গোদাগাড়িকে প্রাধান্য দেয়া হলেও তানোরের মানুষকে বঞ্চিত বঞ্চিত করা হয়েছে।
অথচ এমপি ফার্বক চৌধূরী তানোর-গোদাগাড়ি উভয় উপজেলায় একাধিকবার চাকরি মেলা আয়োজন করে দলমত নির্বিশেষে হাজার হাজার বেকারের নিঃখরচায় (কর্ম সংস’ান) চাকরি দিয়েছেন। এছাড়াও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, পুলিশের এসআই থেকে শুর্ব করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরি পদে অসংখ্য মানুষকে বিনা পয়সায় চাকরি পাইয়ে দিয়েছেন। এমনকি প্রায় ১০ বছর এমপি থাকলেও এমপির সম্মানি ভাতার একটি টাকা তিনি নিজে গ্রহণ না নিয়ে সেই টাকা এলাকার হতদরিদ্র পরিবারের মধ্যে বিতরণ করে আসছেন। এসব কারণে ভোটার ও সাধারণের কাছে আমিনুলের থেকে এমপি ফার্বক চৌধূরী পচ্ছন্দ ও জনপ্রিয়তায় অনেক এগিয়ে রয়েছে। অন্যদিকে তানোর পৌর এলাকার কাশিম বাজার এলাকায় কয়েক কোটি টাকা মূল্যর প্রায় ১০ বিঘা জমি সেচ্ছায় দান করেছেন সরকারি পলিটেনিক্যাল ইন্সটিটিউট স’াপনের জন্য। আবার কৃষকের কথা বিবেচনা করে বিভিন্ন শিল্পপতিদের এলাকায় নিয়ে এসে কৃষিভিত্তিক অসংখ্য শিল্প-কারখানা গড়ে তোলেছেন যেখানে এলাকার হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস’ানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, দেশের গতানুগতিক রাজনীতিতে যেটা অনেকটা বিরল, যেখানে একশ্রেণীর জনপ্রতিনিধি বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার একশ্রেণীর সাংবাদিক বগলদাবা করে নিজেদের প্রচারে ব্যস্ত সেখানে এমপি ফার্বক চৌধূরী এক্ষেত্রে অনেকটা মিয়মান। তিনি প্রচার নয় উন্নয়ন কাজে বিশ্বাসী তায় তিনি নিরবে নিভৃতে আপন গতিতে উন্নয়ন কাজ করে চলেছেন। যে কারণে দলমত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিলাস ও প্রচার বিমূখ এই জনপ্রতিনিধির আকাশচুম্বি জনপ্রিয়তার সৃষ্টি হয়েছে। নির্বাচনী এলাকার সাধারণ মানুষের জন্য তার দরজা সব সময় খোলা রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবী, আমলা থেকে শুর্ব করে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের পাশাপাশি প্রত্যন্ত ও নিভৃত পলৱীর একেবারে হতদরিদ্র খেটে খাওয়া মানুষরাও ফার্বক ভাই সম্বোধন করে সরাসরি তার সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারে ও সহজেই যে কোনো কথা বলতে পারেন। সমস্যার সমাধান বা পাওয়া না পাওয়া বড় কথা নয় যে কোনো সমস্যায় সাধারণ মানুষ ছুটে গিয়ে তার কাছে কথা বলতে পারেন আবার তিনিও মনোযোগ সহকারে তাদের কথা শোনেন। এসব বিবেচনায় নির্বাচনী এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে কর্মী ও জনবান্ধব নেতা হিসেবে তার ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে। ফলে স’ানীয় সাংসদ ওমর ফার্বক চৌধূরী এমপির অকৃত্রিম জনপ্রিয়তার কাছে, সাবেক ডাকমন্ত্রী ব্যারিস্টার আমিনুল হকের কৃত্রিম জনপ্রিয়তা উবে গেছে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন যতো ঘনিয়ে আসছে ততোই কর্মী ও জনবান্ধব নেতা হিসেবে সাধারণ মানুষের মধ্যে এমপি ফার্বকের জনপ্রিয়তা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। বিপরীতে সাবেক ডাকমন্ত্রী ব্যারিস্টার আমিনুল হক অনেকটা জনবিচ্ছিন্ন হয়ে সাধারণ মানুষের কাছে প্রতিনিয়ত জনপ্রিয়তা হারাচ্ছে। আবার নির্বাচনী এলাকায় হঠাৎ করেই নব্য জেএমবির উঙ্খানে ফের সাধারণ মানুষের মধ্যে আলোচনায় উঠে এসেছে ব্যারিস্টার আমিনুল আবার নিজ দলের তৃণমূলের নেতাকর্মীরা তাকে সূখের পায়রা নামে অভিহিত করেছেন বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।
স’ানীয় রাজনৈতিক বিশেৱষকদের অভিমত, রাজশাহী-১ সংসদীয় আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেয়ে তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন ব্যারিস্টার আমিনুল হক। একবার পূর্ণ মন্ত্রী ও একবার প্রতিমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। কিনত্ত সেনা সমর্থিত গত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় তিনি আত্নগোপণ করেন। আর এই সময়ের মধ্যে তাঁর বির্বদ্ধে জঙ্গীবাদে মদদদানসহ ১৩টি মামলা দায়ের হয়। এছাড়াও ক্ষমতায় থাকা অবস’ায় তিনি তৃণমূলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ওপর আস’া না রেখে রাজনীতিতে বশংবদ সৃষ্টি করে প্রয়াত শীষ মোহাম্মদ ও আব্দুল মজিদ মাস্টারের ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল হয়ে পড়ে এবং এই দুই ঘনিষ্ঠ সহরের দিকনির্দেশনায় রাজনীতি করেন। এ সময় সাধারণ মানুষ ও তৃণমূলে নেতাকর্মীদের ওপর আস’া না রেখে তাকে সন’ষ্ট করতে রাজনীতির মাঠে একশ্রেণীর বগি নেতা ও রাজনৈতিক পরিচয়ের টাউট-বাটপার বাহারী ব্যানার পোস্টার ও প্যানা দিয়ে তার কৃত্রিম জনপ্রিয়তা সৃষ্টি করে তাকে মুগ্ধ করে সাধারণ মানুষ ও তৃণমূলের নেতাকর্মীদের কাছে থেকে দুরে সরিয়ে রাখে। তিনিও সাধারণ মানুষ ও তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা বা গুর্বত্ব না দিয়ে রাজনীতিতে বশংবদ সৃষ্টি করে ঢাকায় ঠান্ডা ঘরে বসে গরম কফির কাপে চুমুক দিয়ে নেতামূখী নেতা নির্ভর রাজনীতিকে প্রাধান্য দেন। এতে সাধারণ মানুষ তো দুরের কথা দলের ইউনিয়ন বা ওযার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীগণ সরাসরি তার সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারেনি গড়ে ওঠেনি তাদের সঙ্গে সম্পর্ক তিনি নিজেও এই স্তরের কোনো নেতাকর্মীকে নাম ধরে চেনেন না।

রাজনৈতিক হানাহানি, মিথা মামলা মোর্কদমা ও নেতাদের ক্ষমতার দাপটের কারণে সাধারণ মানুতো বটেই নিজ দলের তৃণমূলে অনেক নেতাকর্মীকে রাতের পর রাত পরিবার-পরিজন ছেড়ে পালিয়ে বেড়াতে হয়েছে। আবার তার এসব কর্মকান্ডের প্রতিবাদে ওই সময় বিএনপি নেতা এমরান আলী মোলৱা ও যুবদল নেতা মিজানুর রহমান মিজান তানোরে তাকে একাধিকবার অবাঞ্চিত ঘোষণা করে তার বির্বদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল, কুশপুত্তলিকা দাহ ও পথে পথে ব্যারিকেড দিয়েছেন। অপরদিকে বিএনপি ক্ষমতাচ্যুত হবার পর শীষ মোহাম্মদ প্রয়াত ও আব্দুল মজিদ মাস্টার আনুষ্ঠানিক ভাবে আওয়ামী লীগে যোগদান করলে তিনি রাজনীতির মাঠে অনেকটা একা হয়ে পড়েন, সঙ্গে সঙ্গে তার কৃত্রিম জনপ্রিয়তাও রাতারাতি (উবে) হারিয়ে যায়। আবার তৃণমূলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে তার তেমন কোনো সম্পর্ক গড়ে না উঠায় রাজনীতিতে তার হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে তিনি শত চেস্টা করেও বার বার ব্যর্থ হন, হারিয়ে যায় তার কৃত্রিম জনপ্রিয়তা রাজনীতির মাঠে অনেকটা একা হয়ে পড়েন। তার সময়ে সরকারি-বেসরকারি চাকরির জন্য এলাকার সাধারণ মানুষ বাড়ি-ভিটে, জায়গা-জমি বিক্রি করে লাখ লাখ টাকা দিলেও অধিকাংশ মানুষের কপালে চাকরি জোটেনি আবার টাকা ফেরত না পেয়ে ফতুর হয়েছে বলেও নির্বাচনী এলাকায় প্রচার আছে।
অপরদিকে এমপি ফার্বক চৌধূরী নেতা নির্ভর রাজনীতিতে বিশ্বাসী নয় তার রাজনীতি শুর্ব থেকেই পা-ফাটা সাধারণ মানুষ ও তৃণমূল নির্ভর। তিনি রাজনীতিতে বশংবদ সৃষ্টির কোনো সুযোগ দেননি তার রাজনীতি পুরোটায় তৃণমূল ও সাধারণ মানুষমূখী। ফলে তৃণমূল ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে তার নিবিড় সম্পর্ক গড়ে উঠে সৃষ্টি হয় অকৃত্রিম জনপ্রিয়তা। অথচ তার নিজ দলের কিছু নেতা অবৈধ সুবিধা আদায় ও বশংবদ সৃষ্টিতে ব্যর্থ হয়ে তার ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে উঠে। কিনত্ত নির্বাচনী এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে এমপি ফার্বকের অকৃত্রিম জনপ্রিয়তায় বিন্দুমাত্র প্রভাব পড়েনি বরং প্রতিনিয়ত তা আরো গভীর হয়েছে। নির্বাচনী এলাকার এমন কোনো পাড়া-মহলৱা নাই যেখানে এমপি ফার্বকের পা পড়েনি বা তিনি এসব এলাকার মানুষের সঙ্গে স্বশরীরে কথা বলেননি। তৃণমূলের এমন কোনো নেতাকর্মী বা সমর্থক নাই যাকে তিনি নাম ধরে চিনেন না। একজন রাজনৈতিক নেতার কতটুকু রাজনৈতিক দূরদর্শীতা ও বিচক্ষণতা থাকলে এমনটা হয় তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত এমপি ফার্বক। এখানো নির্বাচনী এলাকার সাধারণ মানুষের জন্য এমপি ফার্বকের দরজা খোলা যে কোনো মানুষ যে কোনো সময় তার সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাত করে অভাব-অভিযোগের কথা বলতে পারেন, যেটা দেশের গতানুগতিক রাজনীতিতে অনেকটা বিরল। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, পুলিশের এসআই থেকে শুর্ব প্রাইমারি স্কুলের দফতরি পদে বিনা পয়সায় অসংখ্য মানুষকে চাকরি দিয়েছেন। এছাড়াও ব্যক্তি উদ্যোগে চাকরি মেলা করে বিনা পয়সার হাজার হাজার বেকারদের চাকরির ব্যবস’া করেছেন। তার অনুরোধেই বিভিন্ন শিল্পপতিরা তানোরে ব্যক্তি উদ্যোগে হলেও কৃষি ভিত্তিক শিল্প-কারখানা গড়ে তুলেছেন। আবার তিনি হতদরিদ্র মৎস্যজীবীদের জন্য প্রায় দু’কোটি টাকা ব্যয়ে তিনটি মৎস্য অভয়াশ্রম ও একটি কজওয়ে নির্মাণ করেছেন।
সাধারণ মানুষের অভিমত, তারা দুবেলা দুমুঠো ডাল-ভাত খেয়ে কোনো ঝুট ঝামেলা, রাজনৈতিক হানাহানি বা মামলা মোর্কদমায় না পড়ে পরিবারের সঙ্গে নির্বিঘ্নে রাত্রিযাপন করতে পারেন এটাই তাদের প্রত্যাশা। আর এমপি ফার্বকের নির্বাচনী এলাকায় এটা এখানো বিদ্যমান রয়েছে। তার সময়ে কোনো রাজনৈতিক হানাহানি, পুলিশি হয়রানি, মিথ্যা মামলা বা রাজনৈতিক নেতাদের ক্ষমতার অপব্যবহারের কারণে কোনো সাধরণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এমনটি বিরল। এছাড়াও নির্বাচনী এলাকার সব মানুষের সব প্রত্যাশা তিনি হয়তো পূর্বণ করতে পারেননি এটা যেমন সত্য, তেমনি আবার তার দ্বারা নির্বাচনী এলাকার একটি মানুষও ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি সেটাও সত্য। এমপি ফার্বকের বির্বদ্ধে যতো অভিযোগই উঠুক বা অপপ্রচার হোক আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে এখানে এখানো তার বিকল্প কোনো নেতৃত্ব গড়ে উঠেনি সম্ভবনাও নাই। এসব বিবেচনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে এমপি ফার্বক চৌধূরীর অকৃত্রিম ও আকাশচুম্বি জনপ্রিয়তা রয়েছে। নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

Please Share This Post in Your Social Media



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© natunbazar24.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD