বৃহস্পতিবার, ২১ অক্টোবর ২০২১, ১১:২৮ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
সংবাদ শিরোনাম :
আকস্মিক বন্যায় ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দি তিস্তার পানি বিপদসীমার ৭০ সেঃ মিঃ উপরে আশুলিয়ায় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ৩টি গরু ও স্বর্ণালংকার লুট সাম্প্রতিক ধর্মীয় উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য লন্ডনে থাকা তারেক রহমানই দায়ী-হুইপ স্বপন ধামইরহাট উপজেলা আওয়ামীলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত ঝিনাইদহে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে নারীর মৃত্যু সাম্প্রদায়িক হামলার প্রতিবাদে ঝিনাইদহে মানববন্ধন নড়াইল জেলার বিভিন্ন ধর্মের মানুষের সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা বানারীপাড়া সৈয়দকাঠি ইউনিয়ন নির্বাচনে মাওলানা মোঃ কবির হোসেনের মনোনয়ন পত্র বৈধ ঘোষনা বানারীপাড়ায় আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত মন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা পরিচয়ে প্রতারণা,প্রতারক রাসেলকে গ্রেফতার করেছে কোতোয়ালী পুলিশ।।
মাদকে পৃষ্ঠপোষকতার শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হচ্ছে….প্রধানমন্ত্রী

মাদকে পৃষ্ঠপোষকতার শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হচ্ছে….প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, মাদক ব্যবসায় পৃষ্ঠপোষকতাকারী ও মাদকের গডফাদারদের আইনের আওতায় আনতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন করা হচ্ছে। এতে মাদক ব্যবসায় পৃষ্ঠপোষক ও মাদকের গডফাদারসহ মাদক সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখার প্রস্তাব করা হবে।

২০ জুন, বুধবার জাতীয় সংসদে স্বতন্ত্র সাংসদ রুস্তম আলী ফরাজীর প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ তথ্য জানান। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হওয়ার পর প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপিত হয়। সংসদ নেতা শেখ হাসিনা বলেন, বিদ্যমান মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-১৯৯০ অনুযায়ী মাদক অপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড রয়েছে। তবে বিদ্যমান আইনে কোনো ব্যক্তির দখলে/কর্তৃত্বে/অধিকারে মাদকদ্রব্য পাওয়া না গেলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ কম। এতে মাদক ব্যবসায় জড়িত মাস্টারমাইন্ডরা সহজেই পার পেয়ে যায়। মাদক ব্যবসায় পৃষ্ঠপোষকতাকারী ও মাদকের গডফাদারসহ মাদক সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রয়োগের লক্ষ্যে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮ প্রণয়ন করা হচ্ছে।

বিশেষ করে সংশোধিত আইনে মাদক ব্যবসায় পৃষ্ঠপোষক ও মাদকের গডফাদারসহ মাদক সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখার প্রস্তাব করা হবে। এ ছাড়া এই আইনে মাদক ব্যবসায় পৃষ্ঠপোষক ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানকেও আইনের আওতায় আনার জন্য মানি লন্ডারিং-সংক্রান্ত অপরাধ তদন্তে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের ক্ষমতা দেওয়া হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, মাদকদ্রব্য ও মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অপরাধীদের বিরুদ্ধে সরকার সব সময় কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

মাদকের আগ্রাসন প্রতিরোধে মাদক চোরাকারবারি, মাদক ব্যবসায়ী, মাদকসেবী, মাদক চোরাচালান সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সারা দেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। মাদক-সংশ্লিষ্ট অপরাধীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযানের পাশাপাশি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। যানবাহন ও মাদক স্পটগুলোতে তল্লাশি অভিযান চলছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, গত ১৮ মে থেকে এ পর্যন্ত চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য, অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং এগুলো পরিবহনের বাহন উদ্ধার ও জব্দ করা হয়েছে। এ পর্যন্ত মাদকদ্রব্য সংশ্লিষ্ট ১৫ হাজার ৩৩৩টি মামলা করা হয়েছে। মোট ২০ হাজার ৭৬৭ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করে বিচারের জন্য সোপর্দ করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-১৯৯০-এর অধীনে সংঘটিত অপরাধের বিচার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পৃথক আদালত গঠনের পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে মাদক অপরাধীদের তাৎক্ষণিক সাজা দেওয়া হচ্ছে। মাদক অপরাধ-সংক্রান্ত মামলার বিচার কার্যক্রম আলাদা কোনো আদালতের মাধ্যমে পরিচালনার বিষয়টি আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয় খতিয়ে দেখছেন।

সরকারি দলের সাংসদ মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। সে নীতি বাস্তবায়নে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাবসহ অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থা মাদক অপরাধ নিয়ন্ত্রণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। ২০১৭ সালে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরসহ সব সংস্থা ১ লাখ ৩২ হাজার ৮৮৩ জন মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ১ লাখ ৬ হাজার ৫৩৬টি মামলা করেছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, মাদক সমস্যা নিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে মহাপরিচালক পর্যায়ে নিয়মিত ফলপ্রসূ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পাশাপাশি ইয়াবা পাচার রোধে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে তিনটি দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয়েছে। প্রতিটি সভাতেই মিয়ানমারকে ইয়াবার উৎপাদন ও প্রবাহ বন্ধ করার জন্য এবং মিয়ানমার সীমান্তে ইয়াবা তৈরির কারখানা সম্পর্কে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করা হয়েছে।

মিয়ানমারের সঙ্গে ডিসি-ডিএম পর্যায়ে সভা করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কক্সবাজার জেলায় ৯৪ জনবলের বিশেষ জোন স্থাপন ও বর্ডার লিয়াজোঁ অফিস স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।

নতুনবাজার/হেলাল শেখ

Please Share This Post in Your Social Media



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© natunbazar24.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD