শনিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২২, ০৫:১৪ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
সংবাদ শিরোনাম :
বানারীপাড়া- উজিরপুরে সাংসদ রুবিনা মীরার কম্বল বিতরন লস্করপুরে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক সারাদেশে এমএলএম প্রতারণার নতুন ফাঁদ-হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা জেলা প্রশাসক ও উপজেলা প্রশাসন পরিদর্শন করলেও আশুলিয়ায় নয়নজুলি খাল উদ্ধার হয়নি কুইজ প্রতিযোগিতায় প্রথম হলেন ওসি পুত্র নিহান বানারীপাড়ায় নিষিদ্ধ বেহুন্দি জাল জমা দিয়ে জেলে পরিমলের অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট নওগাঁ জেলা শাখার সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত ধামইরহাটে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ যুবক গ্রেফতার শাজাহানপুরে করণা আক্রান্তদের রোগমুক্তি কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত নড়াইলে লক্ষীপাশা আদর্শ মহিলা ডিগ্রি কলেজে দাবিকৃত টাকা না দেওয়ায় টিকা পায়নি শিক্ষার্থীরা
টাঙ্গাইলে তিন হাজার পোলট্রি খামার বন্ধ

টাঙ্গাইলে তিন হাজার পোলট্রি খামার বন্ধ

আল আমিন শোভন।।।
নিজস্ব প্রতিবেদক টাঙ্গাইল :-

দেশের অন্যতম পোলট্রি শিল্প এলাকা হিসেবে টাঙ্গাইল জেলা পরিচিত। দেশের এক-তৃতীয়াংশ মাংস ও ডিমের চাহিদার জোগান দেওয়া হয় এ জেলা থেকেই। সিন্ডিকেট দৌরাত্ম্যে সম্ভাবনাময় এ শিল্পে দেশি উদ্যোক্তারা অস্তিত্ব হারাতে চলছে। সুস্পষ্ট নীতিমালা না থাকার সুযোগে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা পোলট্রি শিল্পে কর্তৃত্ব ও আধিপত্য বিস্তার করছে। উৎপাদন খরচের চেয়ে বাজারে ব্রয়লার মুরগি ও ডিমের দাম কম। লোকসানের মুখে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে টাঙ্গাইলে শত শত পোলট্রি খামার। খামার বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ব্যবসায়ীরা ঋণের টাকা পরিশোধ করতে না পেরে দিশাহারা হয়ে পড়েছেন। গত কয়েক বছরে টাঙ্গাইলে প্রায় তিন হাজার পোলট্রি খামার বন্ধ হয়ে গেছে।
জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর সূত্রে জানা যায়, টাঙ্গাইলে নিবন্ধিত এবং অনিবন্ধিত মিলিয়ে পোলট্রি ফার্ম রয়েছে পাঁচ হাজার ৯৩৫টি। এর মধ্যে লেয়ার ফার্ম তিন হাজার ৭৯৪টি এবং ব্রয়লার ফার্ম দুই হাজার ১৪১টি।
জেলার খামারিরা জানান, লাখ লাখ টাকা খরচ করে পোলট্রি খামার করা হয়। খামারে নিজের পরিশ্রম তো আছেই। এক একটি খামারে দুই থেকে চারজন করে কর্মচারী রাখা হয়েছে। কিন্তু সে অনুযায়ী লাভবান হওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। বর্তমানে একটা ডিম উৎপাদন করতে খরচ হচ্ছে ছয় টাকার কাছাকাছি। অথচ সে ডিম বিক্রি করতে হচ্ছে চার টাকার কিছু উপরে। এক কেজির মুরগি উৎপাদন করতে খরচ হচ্ছে ১২০ টাকা। সেখানে বিক্রি করতে হচ্ছে ৯০-৯৫ টাকায়। এ অবস্থায় অনেক খামারিরা লোকসানের মধ্যে রয়েছেন।
সখীপুর পোলট্রি খামারি রফিক বলেন, এক হাজার মুরগির খামার করতে হলে জায়গা ছাড়াই প্রায় আট লাখ টাকা খরচ হয়। অথচ বছর শেষে লাভের পরিবর্তে লোকসান দিতে হচ্ছে। স্থানীয় পর্যায়ের পোলট্রি ব্যবসা এখন কফিনে বন্দি হওয়ার অবস্থায় আছে। বড় মাপের কিছু ব্যবসায়ী আমাদের মতো ছোট খামারিদের ধ্বংস করে এ খাতকে তাদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টায়। তারা ডিম ও মুরগি উৎপাদন শুরু করেছে। খামারিরা ধ্বংস হলে তারা উচ্চমূল্য নির্ধারণ করে বাজার তৈরি করবে।
আরেক খামারি রাজ্জাক হাসান বলেন, আমি প্রথমইে ১০ লাখ টাকা নিয়ে একটি পোলট্রি ফার্ম শুরু করেছিলাম। আমার এখন সব শেষ হয়ে গেছে। এ পোলট্রি শিল্পে সরকারের নজরদারি না থাকা এবং বহুজাতিক কোম্পানির কালো থাবায় তার এ পরিণতি হয়েছে।
টাঙ্গাইল জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা এসএম আউয়াল হক বলেন, মুরগির ডিম ও মাংসের মূল্য নির্ধারণ নেই। এটি উঠানামা করে। বহুজাতিক কোম্পানিগুলো সরকারের নির্দেশনা অনেক ক্ষেত্রে মানে না। একটি বাচ্চার দাম যেখানে ৩০ টাকা সেখানে কখনো কখনো ১৪০ টাকা পর্যন্ত দাম বাড়িয়ে দেওয়া হয়। তাদের নিয়ন্ত্রণে আনা গেলে প্রান্তিক খামারিরা ক্ষতিগ্রস্ত হতো না। তা ছাড়া মধ্যস্বত্ব ভোগীরাও লাভের বড় অংশ নিয়ে যাচ্ছে।
এছারা স্থানীয় পশু হাসপাতাল থেকে অনেক সময় ভেকসিন এবং সঠিক পরমর্শ থেকে খামারিরা বঞ্চিত হচ্ছেন বলে জানিয়েছেন অনেক খামারি।
প্রবাদে আছে *ডিম পাড়ে হঁসে” খায় বাগদাসে —
সহজ শর্তে ব্যাংক লোনের ব্যবস্থা না থাকায় ডিমের উপর দাদনের টাকা শোধ করতে গিয়ে অবস্থা ঠিক
প্রবাদবাক্য মধ্য আটকে গেছে।

Please Share This Post in Your Social Media



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© natunbazar24.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD