রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:১৪ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
সংবাদ শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈলে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতনকারী জড়িত অপরাধীদের গ্রেফতারের দাবীতে মানববন্ধন মুন্সীগঞ্জ মিরকাদিমে ডিবি পুলিশের অভিযানে ২৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ একজন গ্রেপ্তার করোনায় মানুষকে বাঁচাতে শেখ হাসিনা যখন যা দরকার সবই করছেন-অধ্যাপক ডাঃ এম এ আজিজ।। জনসেবার ইচ্ছা থেকেই ইউপি নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছি- ত্রিশালের কাঁঠালে প্রার্থী ফাতেমা খাতুন।। অ্যাডভোকেট তালিকাভুক্তি হলেন সাংবাদিক তরিকুল ইসলামে ছোট ভাই ‘আবু সাহিদ’ বি‌ডি‌সি ক্রাইম বার্তার উপদ‌েষ্টা কে ফু‌লের শু‌ভেচ্ছা জানা‌লেন বি‌ডি‌সি ক্রাইম বার্তা প‌রিবার তারাকান্দায় প্রয়াত চেয়ারম্যানপুত্র শিশিরকে নৌকার মাঝি হিসাবে চান ভোটাররা। সরকারের ভিশন বাস্তবায়নে নিরলস প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন চেয়ারম্যান উজ্জল। ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণকাজ উদ্বোধন করেছেন সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের দুর্যোগে জনগণের পাশে ছিল শেখ হাসিনা সরকার-পলক
ঝিকরগাছায় কর্মসৃজন প্রকল্পের অর্থ লোপাট

ঝিকরগাছায় কর্মসৃজন প্রকল্পের অর্থ লোপাট

আজিজুল ইসলাম,যশোর প্রতিনিধিঃ যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার প্রকল্প বাস্ত বায়ন কর্মকর্তা এ এস এম বায়েজিদ হোসেনের বিরুদ্ধে কর্মসৃজন প্রকল্পের অর্থ লোপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগে প্রকাশ উক্ত কর্মকর্তা প্রতক্ষ ও পরোক্ষ মদদে প্রকল্প সভাপতিরা কাজ না করে কর্মসৃজন প্রকল্পের লোক বল নিয়োগ না করে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানের মাধ্যমে বরাদ্দকৃত কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ছাড়া ঐ কর্মকর্তা প্রথম দফায় ৪০ দিনের কর্মসৃজন প্রকল্পের অর্থ প্রকল্প সভাপতিদের মাধ্যমে নাম মাত্র কাজ দেখিয়ে ট্যাগ অফিসার, প্রকল্প সভাপতি ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এ এস এম বায়েজিদ হোসেন লক্ষ লক্ষ টাকা ভাগ বাটোয়ারা করে পকেটস্থ করেন। সম্প্রতি দ্বিতীয় দফায় এ কর্মকর্তা গত ১৫ ই এপ্রিল থেকে কর্মসৃজন প্রকল্পের কাজ শুরু করেন। অনুরুপভাবে এবারো কর্মসৃজন প্রকল্পের অর্থ কাজ না করে ভাগ বাটোয়ারা করে নেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন। এরই মধ্যে বাংলাদেশ দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রনালয়ের মহা পরিচালকের দপ্তর থেকে পরিচালক পরিবিক্ষণ আনিছুর রহমান ও জেলা ত্রাণ কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম ৭ দিন ব্যাপি ঝিকরগাছা ও চৌগাছার প্রতিটি ইউনিয়নের কর্মসৃজন প্রকল্প পরিদর্শন করে দেখতে পান কোন প্রকল্পে ৩ জন, ২ জন, ৫ জন, ৭জন ছাড়া নির্ধারিত কোন লোক নেই। এছাড়া প্রকল্প সংশ্লিষ্ট নয় এমন লোক ও পাওয়া গেছে একাধিক প্রকল্পে। এ ঘটনায় নাভারন ইউনিয়নের কর্মসৃজন প্রকল্পে কোন লোক না থাকায় ঐ ইউনিয়নের সমস্ত কার্যক্রম স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। বুমেরাং হয়ে যায় ঘটনাটি। অর্থলোপাটের বিষয়টি তদন্ত কর্মকর্তাদের হাতে নাতে ধরা পড়ে। এ ঘটনায় ঝিকরগাছা উপজেলা প্রশাসন ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার দাত্রদাহ শুরু হয়। সরকারের লক্ষ বাস্তবায়ন না করে প্রকল্পের সভাপতি ও সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানের মাধ্যমে কর্মসৃজন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ কারীর বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা গ্রহণ এখন সময়ের ব্যাপার বলে জানিয়েছেন জেলা ত্রাণ কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম। প্রথম পর্যায়ের ৪০ দিনের কর্মসৃজন প্রকল্পের অর্থ কাজ না করেই ট্যাগ অফিসার ও প্রকল্প সভাপতি এবং সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যানদের মাধমে বরাদ্দকৃত সমুদয় অর্থ ভাগ বাটোয়ারা করে নেয় এ কর্মকর্তা। খাতা পত্র ঠিক রেখে হাজিরা শিটে ভুয়া ¯^াক্ষর দিয়ে বিল উত্তলোন করে লোপাট করার অভিযোগ রয়েছে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের লক্ষ উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন না করে অতি দরিদ্রদের কর্ম সংস্থান না করে তাদের নাম ব্যবহার করে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ কারীর বিরুদ্ধে দুর্নিতি দমন কমিশন কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানিয়েছে এলাকা বাসি। এছাড়া টি আর ও কাবিটা প্রকল্পের বরাদ্দকৃত অর্থ কাজ না করে হরিলুট করার অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসির অভিযোগ দুর্নিতিবাজ প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এ এস এম বায়েজিদ হোসেনের বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নিতি ও প্রকল্পের কাজ না করে অর্থ লোপাটের ঘটনায় বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানিয়েছেন। এ ব্যাপারে যশোর জেলা ত্রাণ কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম এক সাক্ষাতকারে বলেন, বাংলাদেশ ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রনালয়ের মহাপরিচালকের নির্দেশে পরিচালক পরিবিক্ষণ আনিছুর রহমানসহ ২ সদস্যের একটি তদন্ত দল ঝিকরগাছা উপজেলা ও চৌগাছা উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নের প্রত্যেকটি কর্মসৃজন প্রকল্পে তদন্তে যেয়ে ব্যাপক অসংগতি পাওয়া যায়। প্রকল্প সংশ্লিষ্ট নয় এমন লোকও পাওয়া গেছে ঐ সমস্ত প্রকল্পে। ৩ থেকে ৭ জনের বেশি কোন প্রকল্পে লোক পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া নাভারন ইউনিয়নে কর্মসৃজন প্রকল্পে কোন লোক না থাকায় ঐ ইউনিয়নের কর্মসৃজন প্রকল্পের কাজ স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছে তদন্ত দল।

Please Share This Post in Your Social Media



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© natunbazar24.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD