বৃহস্পতিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২২, ০৮:৪৬ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
সংবাদ শিরোনাম :
ফুলবাড়িয়া উপজেলা পরিষদের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত অভিযান চলমান: আশুলিয়ায় তিতাস গ্যাসের অবৈধ সংযোগ বন্ধ হচ্ছে না কেন? পাইকগাছায় খেঁজুরের রস আহরণে ব্যস্ত গাছিরা রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফাজ্জল হোসেন দিনাজপুরে লক্ষিত জন গোষ্ঠীর মাঝে সবজির চারা বিতরণে মেয়র সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম স্বাদে অতুলনীয় আত্রাইয়ের নারীদের তৈরি কুমড়ো বড়ি মহেশপুরের ভারতীয় সীমান্ত থেকে এক বাংলাদেশীর লাশ উদ্ধার। নড়াইলের জয়পুর শ্রী তারক ধামে সন্ত্রাসী হামলায় মতুয়ারা আহত বিচারের দাবী র‌্যাব-১২’র পৃথক অভিযানে সিরাজগঞ্জের সদরে ইয়াবা ও ফেন্সিডিলসহ ০৩ জন মাদক কারবারী আটক তারাগঞ্জে বাস-পিকআপ মুখোমুখি সংঘর্ষ নিহত ১
গোপালগঞ্জে স্নাতক পাশ করেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক

গোপালগঞ্জে স্নাতক পাশ করেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি : বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ নীতিমালা লঙ্ঘন করে বশেমুরবিপ্রবির সিএসই বিভাগে প্রভাষক পদে নিয়োগপ্রাপ্ত মো: আক্কাছ আলীর বিরম্নদ্ধে স্নাতক শ্রেনীতে ভর্তি পরীড়্গার ফলাফল পরিবর্তন করে অকৃতকার্যদের পাশ দেখিয়ে ফলাফল প্রকাশসহ লাখ লাখ টাকা অবৈধ ভাবে উপার্জনসহ নানান অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ সকল অবৈধ কাজ করে রাতারাতি তিনি হয়ে যান আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ। পাশাপাশি একজন অযোগ্য ব্যক্তিকে প্রভাষক পদে নিয়োগ দানের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারন শিড়্গক ও সিইসি বিভাগের শিড়্গার্থীরা।
২০১৬-১৭ শিড়্গাবর্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক শ্রেনীতে ভর্তি পরীড়্গার প্রশ্ন মডারেশন কমিটির সদস্য ও রেজাল্ট প্রোসেসিং কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মো: আক্কাছ আলী। ওই সময় ভর্তি পরীড়্গার রেজাল্ট সীট পরিবর্তন করে অকৃতকার্য ছাত্রদের কৃতকার্য দেখিয়ে ফল প্রকাশ করেন এবং এ সময় লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন বলে অভিযোগ ওঠে তার বিরম্নদ্ধে। ফলে অনেক মেধাবী ছাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়। এছাড়া ওই শিড়্গাবর্ষে তিনি তার আপন ছোট ভাই মো: লিয়াকত মাতুব্বরকে সিএসই বিভাগে অনৈতিক ভাবে ভর্তি করান।
বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, বিগত ২০১৫ সালের ৭ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপড়্গ বিভিন্ন পদে নিয়োগের জন্য বশেমুরবিপ্রবি/র/নিয়োগ/২৬-২৯/৫৪৬(৫) স্মারকে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। সেখানে প্রভাষক পদে প্রার্থীকে অবশ্যই সংশিস্নষ্ট বিষয়ে মাস্টার ডিগ্রীধারী যোগ্যতা সম্পন্ন হতে হবে বলে স্পষ্ট ভাবে উলেস্নখ করা হয়। ওই পদে মোট ১৬ জন প্রার্থী আবেদন করেন। এরমধ্যে ৩ জন পিএইচডি, ১২ জন এমএসসি ও ১ জন বিএসসি ডিগ্রীধারী প্রার্থী আবেদন করেন। কিন’ আবেদনকারিদের মধ্য কেবল মো: আক্কাছ আলীর শিড়্গাগত যোগ্যতা বিএসসি (সম্মান) বলে উলেস্নখ করা হয়।
নিয়োগ আবেদনের তথ্যাদি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, সিএসই বিভাগের প্রভাষক পদে চাকরিতে আবেদনকারী প্রার্থীদের মধ্যে অন্যান্য সবার শিড়্গাগত যোগ্যতা খ্যাতনামা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএসসিসহ পিএইচডি ডিগ্রী হলেও, মো: আক্কাছ আলীর শিড়্গাগত যোগ্যতা সংশিস্নষ্ট বিষয়ে বিএসসি (সম্নান) ডিগ্রী। যোগ্য প্রার্থীদের বাদ দিয়ে একজন স্নাতক ডিগ্রিধারী প্রার্থীকে কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টের মত একটি গুরম্নত্বপূর্ন বিভাগে প্রভাষক হিসেবে নিয়োগ দানের অনত্মরালে রহস্য কি এ প্রশ্ন এখন সবার।
অপরদিকে, প্রভাষক হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর মো: আক্কাছ আলী খুব দ্রম্নত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছাকাছি পৌছে যেতে সড়্গম হন। মাত্র তিন মাসের মাথায় তিনি সহকারী অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি লাভ করেন। যা বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালার পরিপনি’। এরপর তিনি আর থেমে থাকেননি। উপাচার্যের কান ভারী করে জেষ্ঠ একজন শিড়্গককে টপকে তিনি সিএসসি বিভাগের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিয়ে নেন। এর পর আর তাকে পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, খুবই সাধারন নিম্ন বিত্ত পরিবারের সনত্মান মো: আক্কাছ আলী। এক বছর আগের তিনি মাস শেষ না হতেই সহকর্মীদের কাছ থেকে তাকে টাকা ঋণ করে সংসার চালাতে হতো। অথচ রাতা-রাতি কি ভাবে তিনি শহরের নীলের মাঠ এলাকায় জমি ক্রয় করে আলীশান বহুতল ভবন নির্মানের কাজে হাত দিলেন তিনি। তার টাকার উৎস কোথায় এ সম্পর্কেও প্রশ্ন করেন তিনি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএসসি বিভাগের একজন শিড়্গার্থী নাম না প্রকাশের অনুরোধে বলেন, আমরা সিএসসি (সম্মান) এর একজন শিড়্গার্থী হিসেবে অসম্মানিত বোধ করি যখন আমাদের সমমানের ডিগ্রীধারী একজন শিড়্গক আমাদেরকে পাঠ দান করেন। পাশাপাশি নিজের ছোট ভাই মো: লিয়াকত মাতুব্বরকে মেধা তালিকায় প্রথম স’ানে আনতে সহকর্মী শিড়্গকদের প্রভাবিত করে বেশী নম্বর ও প্রশ্ন পাইয়ে দেয়ার অভিযোগ করেছে ওই শিড়্গার্থী। নাম প্রকাশ করা হলে তাকে বহিস্কার করা হবে বলে বার বার অনুরোধ করেছেন তিনি।
এ ব্যাপারে বশেমুরবিপ্রবির সিএসসি বিভাগের চেয়ারম্যান মো: আক্কাস আলীর সাথে কথা বললে তিনি তার বিরম্নদ্ধে আনিত সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি কোন অনিয়ম ও দূর্নীতি করেননি। তবে এ সময় তিনি তার বিরম্নদ্ধে উত্থাপিত ভর্তি পরীড়্গার ফলাফল পরিবর্তনের বিষয়ে অভিযোগ সম্পর্কে কোন সদুত্তর দিতে পারেননি। এছাড়া তার আয়ের উৎসের স্বপড়্গে কোন কাগজপত্রও দেখাতে পারেননি তিনি।
বশেমুরবিপ্রবির সিএসসি বিভাগের চেয়ারম্যান মো: আক্কাস আলীর এ সকল বিষয়ে শিড়্গক ও শিড়্গার্থীবৃন্দ দ্রম্নত প্রধানমন্ত্রীর হসত্মড়্গেপ প্রার্থনা করেছেন। তারা আশা করেন প্রধানমন্ত্রী তার ব্যাক্তিগত গোযেন্দা সংস’া, দুর্নীতি দমন কমিশন এবং বিশ্ববিদ্যালয় মুঞ্জুর কমিশন দ্বারা সুষ্ঠ তদনত্ম পূর্বক ব্যবস’া গ্রহন করবেন। এ বিশ্ববিদ্যালয় যেন বিশ্বে সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিত্ব করতে পারে এমনটাই প্রত্যাশা করেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিড়্গক-শিড়্গার্থী ও কর্মচারীরা।

Please Share This Post in Your Social Media



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© natunbazar24.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD