রবিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২১, ১০:২৮ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
সংবাদ শিরোনাম :
গণমাধ্যম কর্মী ও শিক্ষকসহ মধ্যবিত্তদের মানবেতর জীবনযাপন-হচ্ছে মানবাধিকার লঙ্ঘন পাইকগাছায় বিশ্ব খাদ্য দিবস ও জাতীয় ইঁদুর নিধন অভিযান উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত শৈলকুপায় আ’লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে অর্ধশত আহত বাড়িঘার ভাংচুর মন্দিরে হামলা-ভাংচুরের প্রতিবাদে ঝিনাইদহে মানববন্ধন ঝিনাইদহে ভাতিজার লাঠির আঘাতে চাচা খুন তানোরের কাঁমারগা ইউপিতে এগিয়ে মসলেম সার্ক কালচারাল ফোরামের “গোল্ডেন জুবলী অ্যাওয়ার্ড-২০২১” পদক পেলেন সিনিয়র সাংবাদিক এস মিজানুল ইসলাম দেশ ও জাতির সংকটে রুদ্রের কবিতা হয়ে উঠেছে তারুণ্যের হাতিয়ার – স্বরণানুষ্টানে বক্তারা শক্তি দিয়ে নয় মানুষের ভালবাসা দিয়ে জয়ী হতে চাই – চেয়ারম্যান প্রার্থী আরেফিন চৌধুরীর গোদাগাড়ীতে নৌকার প্রার্থী সোহেলের পথ সভায় বৃষ্টি উপেক্ষা করে জনতার ঢল।
ওজন নিয়ন্ত্রণের সঠিক সময় রমজান

ওজন নিয়ন্ত্রণের সঠিক সময় রমজান

রোজার সময় আমাদের খাদ্যাভ্যাসে প্রচুর পরিবর্তন লক্ষ করা যায়। বাঙালি ভোজনরসিক হওয়ায় ইফতারে তৈলাক্ত ও মশলাযুক্ত খাবার বেশি পছন্দ করে। অতিরিক্ত তেলযুক্ত এ খাবারগুলো খেয়ে রোজায় ওজন কমার পরিবর্তে উল্টো বাড়িয়ে ফেলেন অনেকেই। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে এসব তেলজাতীয় খাবার এড়িয়ে চলাই ভালো।
এ ছাড়া গরমের এই লম্বা সময়ে রোজা রাখা বেশ কষ্টকর। তাই ইফতারে প্রচুর পানি পান করা উচিত। প্রচুর পানি পান করলে একদিকে যেমন শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকবে, তেমনি পানি শূন্যতার হাত থেকে রক্ষা পাবে শরীর। ইফতার থেকে সেহরির মধ্যবর্তী সময়ে তাই অন্তত আট গ্লাস পানি পান করা উচিত। রোজার সময় শরীরের পাচক প্রক্রিয়া কমে যায়। যার ফলে, শরীরের খাদ্যের চাহিদাও কমে যায়। তাই রোজা শেষে ইফতার হওয়া উচিত হালকা ও সুষম। ইফতারে খেজুর, কাঁচা ছোলা, ফলমূল কিংবা সবজির সুপ বা সালাদ গ্রহণ করা যেতে পারে।
এ ছাড়া কোনোমতেই সেহেরি বর্জন করা উচিত নয়। সেহেরি না করলে সারাদিনের ক্ষুধার পরিমাণ বেড়ে যাবে। এতে ইফতারে বেশি পরিমাণ খাবার খাওয়া হয়, যা শরীরে অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। রাত ও সেহরির খাবারে ভাত বা রুটির সাথে মাছ, মুরগির মাংস কিংবা ডিম এবং সবজি খাওয়াই ভালো। রমজানে আমাদের দৈনন্দিন কাজকর্ম স্বাভাবিক ভাবেই করা উচিত। এ ছাড়া, হালকা ব্যায়াম করলে ওজন থাকবে নিয়ন্ত্রণে।

Please Share This Post in Your Social Media



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© natunbazar24.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD