সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:০৮ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
সংবাদ শিরোনাম :
ইয়ারপুর ইউপি’র ১নং ওয়ার্ডের মেম্বার প্রার্থী আবুল কাশেম জনমতে এগিয়ে জেলা শিক্ষা অফিসারের মহিশালবাড়ী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় পরিদর্শন। সুজানগরে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে সেমিনার মাঠ কাঁপানো ফুটবলার থেকে জনপ্রতিনিধি নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান আঃ ছালাম কেরু কেশবপুরে জেলা বিএনপি নেতা নয়ন চৌধুরীর ১১তম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত বানারীপাড়ায় প্রধানমন্ত্রীর ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে যুবলীগের বৃক্ষ রোপন মুজিব শতবর্ষ নওগাঁ জেলা দাবা লীগ-২০২১ উদ্বোধন প্রাথমিকের শিক্ষকরা বাড়ি বসেই পাচ্ছেন অবসর উত্তর ছুটি ও পেনশনের সুবিধা নড়াইলে পুলিশের সাপ্তাহিক মাস্টার প‍্যারেড পরিদর্শন করলেন এসপি প্রবীর কুমার রায় মুন্সীগঞ্জে নদী তীর থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার
পুলিশ দম্পতি বাবা মায়ের হত্যা-ঐশীর মৃত্যুদন্ড চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন

পুলিশ দম্পতি বাবা মায়ের হত্যা-ঐশীর মৃত্যুদন্ড চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদক হেলাল শেখঃ পুলিশ দম্পতি মাহফুজুর রহমান ও তার স্ত্রী স্বপ্না রহমানকে হত্যায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পরিবর্তে তাদের মেয়ে ঐশী রহমানের মৃত্যুদণ্ড চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। সোমবার আপিল দায়ের করার বিষয়টি অ্যাডভোকেট অন রেকর্ড আইনজীবী সুফিয়া খাতুন গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছে। গত ৫ জুন বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম ও বিচারপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ ঐশীকে বিচারিক আদালতের দেয়া মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। সে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করে ঐশীর মৃত্যুদণ্ড চায় রাষ্ট্রপক্ষ। ২০১৩ সালের ১৬ আগস্ট রাজধানীর মালিবাগের চামেলীবাগে নিজেদের বাসা থেকে পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের (পলিটিক্যাল শাখা) ইন্সপেক্টর মাহফুজুর রহমান ও তার স্ত্রী স্বপ্না রহমানের ক্ষত-বিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এর পর দিন ঐশী গৃহকর্মী সুমীকে নিয়ে রমনা থানায় আত্মসমর্পণ করেন। ২০১৪ সালের ৯ মার্চ গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ইন্সপেক্টর আবুল খায়ের মাতুব্বর ঢাকার সিএমএম আদালতে ঐশী রহমান এবং তার দুই বন্ধু মিজানুর রহমান রনি ও আসাদুজ্জামান জনিসহ চারজনকে আসামি করে পৃথক দুটি চার্জশিট দাখিল করেন। অন্য আসামি গৃহকর্মী খাদিজা আক্তার সুমি অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তার মামলাটির বিচার চলছে শিশু আদালতে। এরপর ২০১৫ সালের ১২ নভেম্বর ঐশীকে মৃত্যুদণ্ড, তার বন্ধু মিজানুর রহমানকে দুই বছরের কারাদণ্ড দিয়ে রায় দেন ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল। এরপর ২০১৫ সালের ৬ ডিসেম্বর মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস চেয়ে হাইকোর্টে আপিল করে ঐশী। পরে মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমিয়ে হাইকোর্ট গত ৫ জুন ঐশীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। জানা গেছে, জনি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের যমুনা ৩ নং ওয়াডে তিনি অনেক কষ্টে কারাভোগ করেছেন, সেখানে বন্দী অবস্থায় রাইটারের সহকারী হিসেবে কাজ করতেন। জনির খুব কাছের এক বন্ধু জানান, ঐশী রহমাম একজন মাদক সেবনকারী ছিলেন, সে নিজেই অপরাধ করে অন্যদের জড়িত করেন, আল্লাহু তার বিচার করবেন, ঐশী নারী জাতিকে কলঙ্কের একটি নজির যে, নিজের বাবা মা’কে নিজ হাতে হত্যা করেছে। তার বাবা পুলিশ অফিসার হিসেবে খুব ভালো মানুষ ছিলেন। শুধুমাত্র একটু সচেতনতার অভাবে এই হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। এখন মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযান চলছে, এ সময় ঐশীর কঠোরতম বিচার দাবী জনির বন্ধুদের। এ রকম যেন আর কোনো মা বাবাকে তার আদরের সন্তানের হাতে খুন হতে না হয় এজন্য মাদক বিরোধী অভিযানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ও এই সরকারকে ধন্যবাদ জানান তারা।

Please Share This Post in Your Social Media



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© natunbazar24.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD