বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৬:০৫ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
সংবাদ শিরোনাম :
ময়মনসিংহে ওসি কামালের নেতৃত্বে পুলিশের অভিযানে মাদক ব্যবসায়ীসহ গ্রেফতার-১৩ জাতীয় তরুণ পার্টি ফুলবাড়িয়া পৌর শাখার আহবায়ক কমিটির অনুমোদন।। কেন্দুয়ায় ধানের পোকা চিহ্নিত করতে ‘আলোক ফাঁদ’ স্থাপন হালুয়ারঘাট-ধারারগাঁও সেতু নির্মাণের দাবীতে বিশাল মানব বন্ধন ও জনসভা ঝিকরগাছার শংকরপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির জানাজায় বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা অমিত তারাকান্দায় ৫৩ পূজামন্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আশ্বাস -ইউএনও’র।। ঝিনাইদহে অফিসিয়ালি তদারকি ছাড়া ৮৮ কোটি টাকার সড়ক নির্মাণ হচ্ছে! নড়াইলে মোটর সাইকেল দুর্ঘটনায় এসএসসি পরীক্ষার্থী নিহত নাচোলে তাল গাছের বীজ বপন মহাসংকটে স্বরূপকাঠি সমিতি
গোপালগঞ্জে মৃত্যুর ঘটনাকে হত্যাকান্ড দাবি করে মামলা

গোপালগঞ্জে মৃত্যুর ঘটনাকে হত্যাকান্ড দাবি করে মামলা

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি : গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বৌলতলী ইউনিয়নে একটি মৃত্যুর ঘটনাকে হত্যাকান্ড দাবি করে আদালতে মামলা করেছেন মৃতের মা। অভিযুক্তের তালিকায় সংশিস্নষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের নাম থাকায় বিষয়টি এলাকায় আলোচনার ঝড় তুলেছে। এ ঘটনায় দুপক্ষের মধ্যে চরম অসনেত্মাষ বিরাজ করছে। এক পক্ষ দাবি করছে বর্তমান চেয়ারম্যানকে বিপদে ফেলে আগামীতে চেয়ারম্যান হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন এক প্রভাবশালী ব্যক্তি। তাই আত্মহত্যাকারীর মাকে দিয়ে অর্থের বিনিময়ে আদালতে মামলা করানো হয়েছে।
জানা গেছে, বৌলতলী গ্রামের দিনমজুর অমৃত বিশ্বাসের ছেলে অমিত বিশ্বাস (১৯) কাজ না করে পাড়া মহলস্নায় ঘুরে বেরিয়ে সময় কাটাতেন। এই নিয়ে মা-বাবার সঙ্গে তার ঝগড়া হয়। বাবা-মায়ের গালমন্দ সইতে না পেরে ২০১৬ সালের ২৮ এপ্রিল রাতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। পরে এলাকাবাসীর সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাস’ল থেকে অমিতের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদনেত্মর জন্য তা গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায় এবং একটি অপমৃত্যু মামলা রেকর্ড করেন। ময়না তদনত্ম শেষে লাশ পরিবারের কাছে হসত্মানত্মর করে পুলিশ।
পরে মৃত অমিতের মা যুথিকা বিশ্বাস গোপালগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে মর্মে পাঁচ জনকে বিবাদী করে একটি অভিযোগ দাখিল করেন। আদালতের নির্দেশে অভিযোগটি গোপালগঞ্জ সদর থানা বিগত ২০১৬ সালের ২৬ মে রেকর্ড করেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ময়না তদনত্ম প্রতিবেদন এবং থানা পুলিশ ও সিআইডি পুলিশের দীর্ঘ তদনত্ম শেষে মৃত্যুর কারণ আত্মহত্যা বলে উলেস্ন্যখ করে। ২০১৬ সালের ১৪ ডিসেম্বর মামলাটির চূড়ানত্ম প্রতিবেদন আদালতে পেশ করা হয়।
ওই প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মামলার বাদী ও অমিতের মা যুথিকা বিশ্বাস চূড়ানত্ম প্রতিবেদনকে অনাস’া প্রদান করেন এবং পূর্বের মামলার পাঁচ আসামিসহ বৌলতলী ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান সুকানত্ম বিশ্বাস, স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি হরিচাঁদ বিশ্বাস, যুবলীগ নেতা দীপংকর বিশ্বাসসহ আরো ছয় জনকে বিবাদী করে ২০১৭ সালের ২৬ জুন আদালতে আরো একটি অভিযোগ দাখিল করেন। আদালত অভিযোগটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) গোপালগঞ্জকে তদনত্ম করে প্রতিবেদন পেশ করার নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার তদনত্মকারী কর্মকর্তা মো: আরিফুর রহমান ফরাজি বলেন, তদনেত্মর দায়িত্ব পাওয়ার পর ইতিমধ্যে চারজনকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ করেছি। একজনের ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিও নেওয়া হয়েছে। তারা এখন জামিনে রয়েছেন। এখন পর্যনত্ম মামলার তদনত্ম কার্যক্রম চলছে। শিগগির আদালতে প্রতিবেদন পেশ করা হবে।
বৌলতলী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও মামলার অভিযুক্ত ব্যক্তি সুকানত্ম বিশ্বাস বলেন, অমিত বিশ্বাস মারা যাওয়ার সময় আমি ঢাকায় ছিলাম। আত্মহত্যার সংবাদ পেয়ে আমি আমার পরিষদের মেম্বার পাঠিয়ে লাশের সৎকার করিয়েছি। অমিত পারিবারিক কলহের কারণে আত্মহত্যা করেছিল বলে জানতে পারি। কিন’ অমিতের মা অন্যদের প্ররোচণায় পরে একটি হত্যা মামলা করেছিলেন। হাসপাতাল কর্তৃক ময়না তদনত্ম প্রতিবেদন এবং থানা পুলিশ ও সিআইডি তদনত্ম করে মামলাটির চূড়ানত্ম প্রতিবেদন আদালতে পেশ করে।
সুকানত্ম বিশ্বাস আরো বলেন, ময়না তদনত্ম প্রতিবেদনে লেখা হয় অমিত বিশ্বাস ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেছে। পুলিশ রিপোর্টে বাদীর অভিযোগের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি বলে উলেস্নখ করা হয়। এরপর বাদী যুথিকা বিশ্বাস এসব রিপোর্টের ওপর না রাজি দিয়ে আরো একটি মামলা করেছেন। সে মামলায় আমাকেসহ আরো ছয় জনকে আসামি করা হয়েছে। শুনেছি রাজনীতিতে এবং ইউনিয়ন পলিটিক্সে আমার প্রতিদ্বন্দিরা অমিতের মাকে প্রলোভন দেখিয়ে এবং তাকে আর্থিক সহায়তা করে আমাকে হেয় করতে এই মামলা করিয়েছেন। আমি ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি। পরবর্তীতে যাতে এই ধরনের নোংরা রাজনীতির জন্ম না হয়।

Please Share This Post in Your Social Media



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© natunbazar24.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD