রবিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ১০:৩৫ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
সংবাদ শিরোনাম :
পুনরায় নৌকা মার্কা পেয়ে সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন সৈয়দ আহমেদ মাষ্টার কেশবপুরে চমক দেখিয়ে ১১টি ইউনিয়নে নৌকার প্রার্থী ঘোষনা নড়াইলে পুলিশ সুপার ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত ও পুরস্কার বিতরণ করেন।এসপি প্রবীর কুমার রায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে ভোঁপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা ১১ মাসে ঝিনাইদহ বিআরটিএ ও ট্রাফিক পুলিশের জরিমানা আদায় আড়াই কোটি টাকা নাচোলে কাগজ সত্যায়িত করতে ৩ কর্মদিবস! নড়াইলে কবিয়াল বিজয়সরকারের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পন তানোরে সুজনের শীতবস্ত্র বিতরণ বানারীপাড়ায় আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস পালন বানারীপাড়ায় চুরি করতে গিয়ে জনতার হাতে আটক
আজ কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য্য’র ৭১ তম মৃত্যুবার্ষিকী

আজ কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য্য’র ৭১ তম মৃত্যুবার্ষিকী

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি : কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য্যের ৭১তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৯৪৭ সালের ১৩ মে কলকাতার যাদবপুরে মাত্র ২১ বছর বয়সে তিনি প্রয়াত হন। সুকান্ত ভট্টাচার্য্যের জীবন মাত্র মাত্র ২১ বছরের আর লেখালেখি করেন মাত্র ৬/৭ বছর। সামান্য এই সময়ে নিজেকে মানুষের কবি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে গেছেন। তার রচনা পরিসরের দিক থেকে স্বল্প অথচ তা ব্যাপ্তির দিক থেকে সুদূরপ্রসারী। একাধারে বিপ্লবী ও স্বাধীনতার আপোসহীন সংগ্রামী কবি সুকান্ত ছিলেন কমিউনিস্ট পার্টির সক্রিয় কর্মী। পার্টি ও সংগঠনের কাজ করতে গিয়ে যে ব্যাধিতে পড়েন, শেষাবধি উহা-ই হয়ে ওঠে তার অকাল মৃত্যুর কারণ। মূলত প্রগতিশীল চেতনার তরুন কবি। আট-নয় বছর বয়স থেকেই সুকান্ত লিখতে শুরু করেন। মার্কসবাদী চেতনায় আস্থাশীল কবি হিসেবে সুকান্ত কবিতা লিখে বাংলা সাহিত্যে স্বতন্ত্র স্থান করে নেন। সুকান্তকে বলা হয় গণমানুষের কবি। তার রচনার মধ্যে বিশেষ ভাবে উল্লেখযোগ্য হলো: ছাড়পত্র (১৯৪৭), পূর্বাভাস (১৯৫০), মিঠেকড়া (১৯৫১), অভিযান (১৯৫৩), ঘুম নেই (১৯৫৪), হরতাল (১৯৬২), গীতিগুচ্ছ (১৯৬৫) প্রভৃতি। তার পূর্ব পুরুষদের নিবাস গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার আমতলী ইউনিয়নের উনশিয়া গ্রামে। সুকান্তর জন্ম ১৯২৬ সালের ১৫ আগস্ট কলকাতার কালীঘাটে মামা বাড়িতে। জন্মের আগেই তার পূর্ব পুরুষরা গোপালগঞ্জ ছেড়ে ভারতে যান। দীর্ঘ দিন কবির পরিবার কলকাতায় অবস্থান করায় তার পূর্ব পুরুষদের ভিটাটি বেদখল হয়ে যায়। দীর্ঘকাল বেদখল থাকার পরে ২০০৬ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর কবির পৈত্রিক বাড়িটি দখল মুক্ত হয়। এরপর দীর্ঘ দিন শূন্য অবস্থায় পড়েছিল। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পরে জেলা পরিষদ কবির পৈত্রিক ভিটায় একটি অডিটরিয়াম ও লাইব্রেরি স্থাপন করেছেন। এখানে কবির স্মৃতিকে ধরে রাখার জন্য প্রতি বছর মার্চ মাসে একটি মেলার আয়োজন করা হয়। কিন্তু কোন বছরই বিশেষ কোন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সরকারি বা বেসরকারি ভাবে কবির জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয় না। এ ব্যাপারে অনেকেই হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

Please Share This Post in Your Social Media



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© natunbazar24.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD