বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৯:১২ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
তানোরে ধর্ষন চেস্টার অভিযোগ

তানোরে ধর্ষন চেস্টার অভিযোগ


আলিফ হোসেন,তানোর প্রতিনিধি।।
রাজশাহীর তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) অফিস সহায়ক (পিয়ন) মোহাম্মদ আরিফ-এর বিরুদ্ধে ধর্ষণ চেস্টার অভিযোগ উঠেছে। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যর সৃস্টি হয়েছে, উঠেছে সমালোচনার ঝড়। এদিকে এঘটনায় পরস্পরবিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে,আরিফের দাবি একটি বিশেষ মহলের মদদে ওই নারী তাকে ফাঁসানোর জন্য তার বিরুদ্ধে ধর্ষণ চেস্টার মিথ্যা অভিযোগ করেছে শুনানিতে তার প্রমমান মিলেছে। অপরদিকে ভিকটিম নারীর অভিযোগ তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের অফিস সহায়ক (পিয়ন) আরিফের সঙ্গে তার স্বামীর বন্ধুত্বের সম্পর্কের সুত্রধরে তার বাড়িতে আরিফের যাতায়াত। তিনি বলেন, ঘটনার দিন আরিফ তার স্বামীর সঙ্গে মদ্যপ অবস্থায় তার বাড়িতে যায়। এসময় ভিকটিমের স্বামী প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে গেলে ঘরে একা পেয়ে আরিফ তাকে ধর্ষণের চেস্টা করে। এ সময় তার চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে আরিফ দৌড়ে পালিয়ে যায়, তবে আরিফ পালিয়ে গেলেও তার কাছে থাকা অফিসের এক গোছা চাবি ফেলে যায়। ভিকটিম বিষয়টি গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে অবহিত করে ও অফিসের চাবি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে জমা দিয়ে আরিফের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন বলে জানান। এঘটনায় ভিকটিম পরিবার বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এবং সালিশ কেন্দ্রের হস্তক্ষেপ কামনা করে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি করেছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক গ্রামবাসী বলেন, আরিফ কেনো তাকে টাকা ধার দিবেন, আবার পাওনা টাকা চাওয়ায় তাকে কেনইবা ফাঁসানোর চেস্টা করা হবে,তবে কি নেপথ্যে অনকিছু রয়েছে এই ঘটনা অবশ্যই নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি রাখে।
প্রত্যক্ষদর্শী সুত্র জানায়,চলতি বছরের ৮ আগস্ট মঙ্গলবার উভয় পক্ষকে নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে শুনানি করা হয়। এদিকে শুনানী শেষে ভিকটিম ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছে দাবি করে কাঁদতে কাঁদতে তানোর পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর মুকুলকে নিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যানের কাছে ন্যায় বিচার প্রার্থনা করেন। এবিষয়ে জানতে চাইলে আরিফ হোসেন বলেন, তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার। তিনি বলেন, ওই নারীর স্বামী তার বাল্যবন্ধু সেই সুত্রে তার সঙ্গে তার পরিচয়, তিনি আরো বলেন ওই নারী তাঁর কাছে থেকে টাকা ধার নিয়েছে এবং সেই টাকা ফেরত দেবার কথা বলে তাকে বাড়িতে ডেকে ফাঁসানোর চেস্টা করা হয়েছে। তবে হঠাৎ করে তিনি তাকে টাকা ধার দিবেন কেনো এই প্রশ্নের কোনো সদোত্তর না দিয়ে কৌশলে এড়িয়ে গেছেন। এবিষয়ে জানতে চাইলে ভিকটিম নারী বলেন, কোনো মেয়ে নিজের ইজ্জ্বতের বদনাম হোক সেটা চাই না বা মিথ্যা বলে না। তিনি বলেন, আরিফের অপরাধের সব ডকুমেন্ট তার কাছে রয়েছে, তিনি অভিয়োগের সুষ্ঠু তদন্ত চেয়ে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এব্যাপারে যোগাযোগের চেস্টা করা হলে মুঠোফোনে কল গ্রহণ না করায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) সুশান্ত কুমার মাহাতোর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।#

Please Share This Post in Your Social Media






© natunbazar24.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD