সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২০, ০১:৩৬ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
সংবাদ শিরোনাম :
ভারতের উজানের পানিতে কায়বার সাড়ে ৩শ’হেক্টর জমি পানির নিচে মাঝরাতে স্বাভাবিক গতিতে ফিরল ইন্টারনেট সংগীত পরিচালক আলাউদ্দিন আলী আর নেই এএসআইকে লাঞ্ছিতের ঘটনায় প্রত্যাহার বামনা থানার ওসি ইলিয়াস ছাতকের গোবিন্দগঞ্জে নির্মাণাধিন গোল চত্ত্বরকে মুক্তিযোদ্ধা চত্ত্বর নামকরনের দাবী রাণীনগরে মারপিট করে লিজকৃত পুকুর থেকে সাড়ে তিন লক্ষ টাকার মাছ লুটের অভিযোগ রাণীনগরে করোনা পরীক্ষার নামে নার্স সেজে গৃহবধুকে হত্যার চেষ্টা ॥ থানায় মামলা নওগাঁয় একই পরিবারের ৩ জনসহ নতুন করে ৯ জন আক্রান্ত ঃ মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৯৯৯ জন পুলিশ-বিজিবি’র যৌথ উদ্যোগে জনসচেতনতামূলক সভা যায়যায় দিন পত্রিকার মানিকছড়ি প্রতিনিধি রবিউল করোনায় আক্রান্ত
নেছারাবাদে শাহিনের পোল্ট্রি এবং ডেইরি খামারের দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ কাটাপিটানিয়া এলাকাবাসী

নেছারাবাদে শাহিনের পোল্ট্রি এবং ডেইরি খামারের দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ কাটাপিটানিয়া এলাকাবাসী


আনোয়ার হোসেন।।
পিরোজপুর জেলা প্রতিনিধি//

পিরোজপুরের নেছারাবাদে, প্রাণি সম্পদ ও পরিবেশ অধিদপ্তরের কোন প্রকার অনুমোদন ছাড়াই গড়ে তুলেছেন শাহিন পোলট্রি নামের খামার। বলদিয়া ইউনিয়নের কাটাপিটানিয়া গ্রামে ৫একর জমির উপর রয়েছে ফার্মটি।কতৃপক্ষের অব্যবস্থাপনায় নষ্ট হচ্ছে কৃষকের ফসলি জমি। এলাকায় জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। পরিবেশ দুষনের কারনে এলাকার মানুষের মধ্যে ক্ষোভ এবং হতাশার জন্ম দিয়েছে। ফার্মটিতে রয়েছে গরু,ছাগল,হাস মুরগির যৌথ খামার। খামারের বর্জ্যে দূষিত হচ্ছে এলাকার পরিবেশ। তীব্র দুর্গন্ধে ওই গ্রামের বাসিন্দাদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায় ২০০৫ সালে খামারটি গড়ে তুলেছেন শাহিন মিয়া। খামারে পাঁচ থেকে সাত হাজারের বেশি মুরগি রয়েছে।এর সাথে রয়েছে গবাদিপশুর খামার। গবাদিপশুর বিষ্ঠা এবং মুরগীর বিষ্ঠা সরাসরি মাছের খাবার হিসাবে ব্যবহার করা হয়। দুর্গন্ধে আশপাশের মানুষের দুর্ভোগের শেষ নাই।

সরেজমিনে ২ জুলাই কাটাপিটানিয়া এলাকায় গিয়ে এর সত্যতা পাওয়া যায়।খামারে কর্মরত এক ব্যক্তি বলেন, এই খামারে রয়েছে ২১টি গরু,৩০টি ছাগল,এবং ৭০০০ হাজার মুরগি আছে। খামারটির ভেতরে ঢুকে দেখাযায় গরুর বিষ্ঠা এবং মুরগির বিষ্ঠা সরাসরি পুকুরে সাথে সংযোগ করে দেয়া হয়েছে এবং খামারের আসে পাশে রয়েছে ১৫০ থেকে ২০০ লোকের জনবসতি। ঐ গ্রামের বাসিন্দা আরতি মিস্ত্রী বলেন, দীর্ঘ ১৫ টি বছর ধরে আমারা অসহায়ের মতো বসবাস করছি। বিষ্ঠার দুর্গন্ধে থাকা যায় না। রোদ উঠলে বাতাসে গন্ধ আরও বেশি ছড়িয়ে পড়ে। একই গ্রামের মিনতি বালা বলেন, খালের পানিতে গোসল করতে পারি না, পানির গন্ধে বমি আসে। গোসল করার পরে শরীর চুলকাতে থাকে।গন্ধে তৃপ্তি নিয়ে খাওয়া দাওয়া করা যায় না। একদিকে করোনার ভাইরাস নিয়ে ভয়ে ভয়ে আছি অন্যদিকে বিষ্ঠার দুর্গন্ধে ঘুমাতেও কষ্ট হয়।
এ বিষয় খামার মালিক শাহিন মিয়া বলেন,আমি যে ভাবে খামার গড়েছি তাতে করো কোন ক্ষতি হয় না।মুরগির বিষ্ঠা মাছে খেয়ে ফেলে এবং গরুর বিষ্ঠায় পানিতে অক্সিজেন তৈরি হয়। আমার কারনে অনেক বেকার লোকের কর্ম সংস্থান হয়েছে।
এ বিষয় নেছরাবাদ উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা বলেন,নেছারাবাদ উপজেলায় ৪২৭টি গরুর খামার এবং মুরগির ফার্ম আছে ১০০০ হাজারের মতো।পরিবেশ দুষনের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন,খামারিরা যখন ফার্ম করে তখন যদি আমাদের সাথে যোগাযোগ করে তাহলে আমি পরামর্শ দিতে পারি তারা কি ভাবে পরিবেশ বান্ধব ফার্ম তৈরি করতে পারে।সরকারের একটা নিয়ম আছে যে কোন ফার্ম তৈরির পুর্বে প্রাণি সম্পদ ও পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে অনুমোদন নিতে হয়।কিন্তু এখানে এসে দেখলাম তার বিপরীত।তবে আমি খামারিদের দিক নির্দেশনা দিতেছি যাতে পরিবেশ দুষিত না হয়। তার পরেও শাহিন মিয়াকে ডেকে তার সাথে কথা বলবো এবং পরিবেশ যাহাতে দুষিত না হয় সেদিকে নজর দিতে বলবো।তার খামারে বায় গ্যাস প্লান তৈরি করার ব্যাপারে আলাপ করে দেখবো।

Please Share This Post in Your Social Media






© natunbazar24.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD