রবিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২০, ০২:১৬ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতমতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। "নতুন বাজার পত্রিকা"- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
সংবাদ শিরোনাম :
বানারীপাড়া ভূমি অফিসের তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দূর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ ৩রা নভেম্বর জেল হত্যা দিবস কেশবপুরে একদিনে দুই জনের আত্মহত্যা আজ জাতির পিতার কনিষ্ঠ পুত্র রাসেলের জন্মদিন নরসিংদীর রায়পুরা থানাধীন সাউদপাড়া হতে ৮০০ পিস ইয়াবা সহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১২ পাকুন্দীয়ায় আন্তর্জাতীক দুর্যোগ-প্রশমন দিবস পালিত সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরলেন আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ-উল্লাসিত নেতাকর্মীরা সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় ইয়াবা সহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১২ ময়মনসিংহে জেলা প্রশাসনের নির্দেশে মোবাইল কোর্টে ৫মামলায় ৭৬২০০ টাকা জরিমানা।। সাতলার আ.লীগ সভাপতির দাফন সম্পন্ন- বিভিন্ন মহলের শোক
তানোর-আমনূরা রাস্তার বেহাল দশা

তানোর-আমনূরা রাস্তার বেহাল দশা


তানোর(রাজশাহী) প্রতিনিধি
রাজশাহীর তানোরের তানোর-আমনুরা প্রায় ২০ কিলোমিটার রাস্তার বেহাল দশা,মরণফাঁদ বললেও ভুল হবে না। কিন্ত্ত বিকল্প না থাকায় মরণফাঁদ জেনেও বাধ্য হয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়েই প্রতিদিন হাজারো মানুষ এই রাস্তায় দিয়ে চলাচল করছে, প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোট-খাটো দুর্ঘটনা।
জানা গেছে, প্রায় ৩০ বছর আগে
মাটির কাঁচা রাস্তাটি প্রথম পাকা করা হয়েছিল। কষ্টে থাকা সেই অঞ্চলের মানুষের চোখে স্বপ্ন হয়ে এসেছিল সেই রাস্তা। কিন্তু সেই রাস্তাই এখন দুঃস্বপ্ন হয়ে উঠেছে। সেই ৩০ বছর আগে তৈরি হওয়া রাস্তা কোন সংস্কার হয়নি। রাস্তার পিচ ও পাথর উঠে গেছে অনেক আগেই। পুরো রাস্তা খানা-খন্দে ভরা। প্রতিদিনই সেখানে ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা।
তানোর উপজেলার তানোর-মুণ্ডুমালা-আমনুরা প্রধান সড়কের চিত্র এটি। পার্শ্ববর্তী জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জ যাতায়েতের আর কোন বিকল্প রাস্তা না থাকায় অনেকটা বেকায়দায় পড়ে এই সড়ক দিয়েই চলাচল করছে তানোর ও মোহনপুর উপজেলার কয়েক লাখ মানুষ। এদিকে সড়কটি সংস্কারের ব্যাপারে কয়েক যুগ ধরে কর্তৃপক্ষ আশার বানী শুনালেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোন পদেক্ষপ দেখা যাইনি। শুধু তানোর-মুণ্ডুমালা-আমনুরা সড়কেই নয়, তানোরের সঙ্গে গেদাগাড়ী উপজেলার যোগাযোগের একমাত্র সড়ক মুন্ডুমালা-জৈট্যাবটতলা প্রায ১২ কিলোমিটার সড়কের অবস্থাও অত্যন্ত নাজুক এটিও প্রায় ১৫ বছর ধরে কোনো মেরামত করা হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে মেরামত না হওয়ায় সড়কের এমন অবস্থা দেখে মনে হবে এটি পাকা সড়ক নয়, যেনো কাদাময় কোনো গ্রামের রাস্তা। পিচ পাথর ইট বালুর কোন চিহ্ন নেই। বড় বড় গর্ততে পরিণত হয়েছে। গোদাগাড়ী হতে মুণ্ডুমালা পর্যন্ত চলছিল বাস। এ করুণ রাস্তার কারণে প্রায় ৭ বছর ধরে বন্ধ হয়ে আছে বাস চলাচলও।
তানোর উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তর(এলজিইডি) সুত্রে মতে,১৯৯২ সালের প্রায় ৫০ কিলোমিটার রাস্তা আমনুরার থেকে তানোর হয়ে রাজশাহী পর্যন্ত প্রধান সড়ক কাচা থেকে পাকা করণ করা হয় । এর মধ্যে আমনুরার ধামধুম ব্রিজ থেকে বাগসারা পর্যন্ত ৩৩ কিলোমিটার প্রধান সড়কটি তানোর উপজেলার মধ্যে রয়েছে। তানোর উপজেলার ৩৩ কিলোমিটার পাকা সড়কের মধ্যে মুণ্ডুমালা বাজার হতে-বাগসারা পর্যন্ত ২৬ কিলোমিটার সড়ক একাধিক বার সংস্কার করা হলেও মুণ্ডুমালা-থেকে আমনুরা ধামধুম পর্যন্ত ৭ কিলোমিটার সড়কটি ১৯৯২ সালের পরে ২৮ বছরের একবারেও স্ংস্কার করা হয়নি। যার কারণে এ সাত কিলো সড়কের এখন এমন পর্যায়ে গেছে যে রাস্তা পিচ পাথর উঠেছে তো বটে নিচ থেকে ইট বালি সরে গিয়ে খাল-ডুবাতে পরিণত হয়েছে। হয়েছে সড়কের মাঝে মাঝে বিশাল বিশাল ভঙ্কর গর্ত সৃস্টি হয়েছে। অথচ এমন সড়ক দিয়ে প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ নিয়ে চলাচল করছেন হাজার হাজার মানুষ।
স্থানীয়রা জানান,আমনুরা থেকে মুণ্ডুমালা মাত্র সাত কিলোমিটার রাস্তার জন্য পোরশা, রহনপুর, নাচোল আড্ডার উপজেলার কয়েক লাখ মানুষকে ৪০ কিলোমিটার ঘুরে গোদাগাড়ী হতে রাজশাহী শহরে যাতায়াত করতে হচ্ছে। এতে খরচ ও সময় দুটোই বেশি লাগছে। আর ৪০ কিলোমিটার ঘুরে রাজশাহী যাতায়াতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়ছে রোগীবহনকারী যানবহন গুলো। আমনুরা থেকে রাজশাহী যাতায়াত করে এমন একাধিক বাস চালক জানান,মুন্ডুমালা থেকে সাত কিলোমিটার আমনুরা সড়কটি চলাচলে অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এ রাস্তায় চলতে হচ্ছে হেলে দুলে। যাত্রীরা ভয়ে জড়সড় হয়ে পড়ে। অনেক সময় সড়কের মাঝ পথে চাকা পুতে পড়ে থাকে গাড়ি।
তারা আরো জানান, সড়কটি সংস্কারের জন্য একযুগ ধরে সড়ক কতৃপক্ষকে বাস মালিক সমিতি পক্ষে অনুরোধ করা হলেও এখন পর্যন্ত তা করা হয়নি। বাস মালিক সমিতি প্রতিবছর এ রাস্তায় ভাঙ্গা চোরা ও বড় গর্তে নিজে থেকে ইটের খোয়া ফেলে। তবু ও কর্তৃপক্ষ রাস্তাটি একবারের জন্য দেখ ভাল করেনি। শুধু সাধারণ যাত্রীদের কথা বিবেচনা করে অনেকটা ঝুঁকি নিয়ে এ সড়কে গাড়ী চালাচ্ছেন তারা।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তর (এলজিইডি) তানোর উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান,তানোর হতে আমনুরা ধামধুম ১৭ কিলোমিটার রাস্তা শুধু সংস্কারই নয়, রাস্তার দুই পাশে তিন ফিট করে সম্প্রাসরণ ও করা হবে, ইতমধ্যে এই রাস্তার আংশিক কাজ শুরু হয়েছে। অক্টোবর-নভেম্বর মাসে পুরোদমে কাজ শুরু করবে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান।#

Please Share This Post in Your Social Media






© natunbazar24.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD