শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২০, ০১:৫২ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
সংবাদ শিরোনাম :
সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ্যাড. সাহারা খাতুনের মৃত্যুতে এমপি শিবলী সাদিকের শোক সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন মারা গেছেন করোনা আক্রান্ত হয়ে লেফটেন্যান্ট কর্নেল আনোয়ারুল আজীম হেলালের মৃত্যু বর্ডার গার্ড প্রধান মেজর জেনারেল মোঃ সাফিনুল ইসলাম রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান সাহেদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞায় বেনাপোলে নজরদারী জোড়দার মোংলায় দিপঙ্কার মৃধা’র ১০ হাজার মাস্ক বিতরণের প্রথম ধাপে ১২’শ বিতরণ বাংলাদেশ নৌবাহিনীর অধিনায়ক অ্যাডমিরাল আ ম ম ম আওরঙ্গজেব চৌধুরী বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত দুর্নীতিবাজরা পুলিশে থাকতে পারবে না আইজিপি পাইকগাছায় প্যানেল চেয়ারম্যানকে অপমান করায় প্রতিবাদ সভা ও থানায় জিডি
ধর্ষন না হয়েও মিথ্যা ধর্ষণের অভিযোগ

ধর্ষন না হয়েও মিথ্যা ধর্ষণের অভিযোগ


হুমায়ুন কবির।
কেন্দুয়া (নেত্রকোনা) প্রতিনিধিঃ নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়ায় এক নারীর কথিত ধর্ষণের ঘটনা নিয়ে বেশ কিছু দিন ধরে সব মহলে অালোচনা সমালোচনা চলছে।

এর প্রতিবাদে সাম্প্রতিক কেন্দুয়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন করেছে উপজেলা চিরাং ইউনিয়নের প্রিন্স কবীর খান বাবু নামের এক যুবক ও তার পক্ষে এলাকাবাসী।

সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন চলাকালে ওই যুবকসহ তার পক্ষে এলাকাবাসী বক্তব্যে উল্লেখ্য করেন, গত ৪-৫ মাস পূর্বে এক নারী।
প্রিন্স কবীর খান বাবুর বিরুদ্ধে অহেতুক অভিযোগ নিয়ে থানা পুলিশের কাছে যায়।
পরে সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার এএসপি কেন্দুয়ার সার্কেল,কেন্দুয়া থানার পুলিশ তদন্ত করে ওই নারীর কথিত অভিযোগের সাথে তার কোন সম্পৃক্ততা না থাকায় উভয় পক্ষের স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে তাকে থানা হতে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
এর পরে ও প্রিন্স কবীর খান বাবুকে জড়িয়ে এক নারীর কথিত ধর্ষণের বিষয়ে বিভিন্ন গন্যমাধমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা।

তাদের দাবী এলাকার একটি কুচক্রী মহল মিথ্যা তথ্য দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ অনলাইন মাধ্যমে ওই যুবকসহ তার পরিবারকে সমাজ ও দেশের মানুষের কাছে হেয় প্রতিপন্ন করার লক্ষে একটি মহল উঠে পড়ে লেগেছে। তাই বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে মিথ্যা তথ্য দিয়ে নিউজ প্রকাশ করাচ্ছে।

অপর দিকে ওই নারীর ভাই উপজেলার পাইকুড়া ইউনিয়নের পাড়াতলি গ্রামের কামরুল ইসলাম
বাদী হয়ে পুলিশের বিভিন্ন মহলসহ জেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে অভিযোগ তুলছে।
কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)র বিরুদ্ধে।তাদের দাবী ওসি ধষর্ণের মামলা নেয়নি।

এ দিকে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার কেন্দুয়ার সার্কেল এএসপি মাহমুদুল হাসান কেন্দুয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক(তদন্ত) হাবিবুল্লাহ খান বলছেন,তদন্তে পেয়েছি ওই নারী ধর্ষনের শিকার হননি এবং থানায় কোন লিখিত অভিযোগও দেননি। তাহলে মামলা কার নিব।

এছাড়াও কেন্দুয়া পৌর আ.লীগের সভাপতি মোঃ কামরুল হাসান ভুঞা বলেন,ওই মেয়েটি দর্শিতা না হয়েই ধর্ষণের অভিযোগ তুলে অালোচনায় এসেছে।

এছাড়াও ওই মেয়েটি ওই সময়ই একেক রকমের কথাবার্তা বলেছে। বিষয়টি আমাদের কাছেই হাস্যকর মনে হয়েছে।

তিনি অারো বলেন,সেদিন ঘটনা শুনে আমি এবং চিরাং ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতি শামছু মহাজন ও সাধারন সম্পাদক এনামুল কবীর খান থানায় গিয়েছিলাম।

মেয়েটি কথা শুনলাম,পুলিশ পরিদর্শক(তদন্ত)হাবিবুল্লাহ খান এর কথা শুনলাম,এবং কেন্দুয়ার সার্কেল এএসপি কথা শুনে বুঝতে পারলাম।
বিষয়টি আমাদের কাছেই হাস্যকর মনে হয়েছে।

এ সময় মেয়েটির ভাই কামরুল ইসলাম নিজেও স্বীকার করেছে এরকম আরো ঘটনা নিয়ে তারা পারিবারিক ভাবেও বিব্রত।

এ বিষয়ে (মঙ্গলবার ৩০জুন) কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)মোহাম্মদ
রাশেদুজ্জামান বলেন,থানা পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার লক্ষে একটি কুচক্রী মহল উঠে পড়ে লেগেছে।

তিনি অারো বলেন,ওই চক্র’টি একেক সময় একেক রকম মিথ্যা তথ্য দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেশ বাসীর সামনে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

এর মধ্যে উল্লেখ যোগ্য মিথ্যা কয়েকটি তথ্য তিনি উল্লেখ করে বলেন,ওই নারীর ভাই কামরুল ইসলাম বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম সোশ্যাল মিডিয়ায় তার বোন’কে এসএসসি পরীক্ষার্থী ও কুমারী বলে উল্লেখ করেছে যা সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন।
এছাড়াও ওই নারীর বিয়ে হয়েছিল।একাধিক ছেলেদের প্রেমের অভিনয় করে ফাঁদে ফেলে। বিভিন্ন কায়দায় মোবাইল নাম্বার সংগ্রহ করে ব্ল্যাকমেইল করে।
এস,এস সি পরীক্ষা না দিয়েও মিথ্যা তথ্য দেয়।একেক সময় একেক নাম প্রকাশ করে।এসব কিছুর ডকুমেন্ট পুলিশের কাছে রয়েছে।

এসএসসি পরীক্ষার বিষয়ে জানতে ওই নারীর ভাই কামরুল ইসলামের মোবাইল ফোনে একাদিক বার ফোন করে তার মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় বক্তব্য জানা যায়নি।

তবে স্থানীয় সুত্রে জানা যায়,ওই নারী
উপজেলার মজলিশপুর উচ্চ বিদ্যালয় পড়াশোনা করত।

এ বিষয়ে উক্ত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রতন দেবনাথ সত্যতা নিশ্চিত করে জানান,ওই নামের কোন শিক্ষার্থী আমার স্কুল থেকে এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল না।

তিনি অারো বলেন,ওই নামের শিক্ষার্থী গত ২০১৬ইং সনে অনুষ্ঠিত জে এস সি পরীক্ষায় নিয়মিত শিক্ষার্থী হিসেবে অংশ গ্রহন করে।
এবং এক বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছিল।পরবর্তীতে ওই শিক্ষার্থী অামার স্কুল হতে কোন পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে নাই।

এছাড়াও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়,ওই নারী এলাকার একাদিক ছেলেদের সাথে নিজেকে কুমারী দাবী করা সহ
উচ্চ শিক্ষিত দাবী করে বিভিন্ন নাম ব্যবহার করে প্রতারণার করে অাসছিল।

এ ব্যাপারে কেন্দুয়া উপজেলা নারী নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির সাধারন সম্পাদক কল্যাণী হাসান বলেন,অামি একজন নারী হিসেবে।সবসময় নারীদের পাশে দাঁড়িয়েছি।
অামার জানতে ধর্ষণের শিকার হয়ে থানায় অভিযোগ নিয়ে গেলে পুলিশ মামলা নেয়নি। এমন কোন লিখিত অভিযোগ অামাদের কাছে ওই নারী বা তার পরিবারের লোকজন করে নাই। তাই অামি এ ব্যাপারে কিছু জানিনা।

Please Share This Post in Your Social Media






© natunbazar24.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD