বিজ্ঞপ্তি:
নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
সংবাদ শিরোনাম :
চুয়াডাঙ্গা জীবননগর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ আনোয়ার কবির আর নেই জয়পুরহাটে সহযোগীদের নিয়ে গৃহবধূকে গণধর্ষণ করলেন সাবেক স্বামী গোমতীনদী বাঁচলে কুমিল্লা বাঁচবে-জেলা প্রশাসক” ঘাগড়ায় আওয়ামীলীগ নেতা ওয়াহাব আকন্দের জানাযা ও দাফন সম্পন্ন টাঙ্গাইলে শুরু হয়েছে চারদিন ব্যাপী আয়কর মেলা সরকার কারিগরী শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে -সচিব লোকমান হোসেন বেনাপোল সীমান্তে ৫০ লক্ষ টাকার হেরোইন ও ইয়াবা জব্দ সচেতনতা মূলক লিফলেট বিতরণ সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ ফর্হাদ মন্ডল কেন্দুয়া উপজেলা বিএনপি’র ৪১সদস্য অাহবায়ক কমিটি গঠন সাইফুলের অনৈতিক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে লোহাগাড়া উপজেলা ব্রীকস ফিল্ড মালিক সমিতির সভাপতি মোঃ সরওয়ার কোম্পানির তীব্র প্রতিবাদ
গলাচিপায় লাভের আশংকায় তরমুজ চাষীরা

গলাচিপায় লাভের আশংকায় তরমুজ চাষীরা


মোহাম্মদ মুনতাসীর মামুন
পটুয়াখালী,গলাচিপা প্রতিনিধি

পটুয়াখালীর গলাচিপায় অতিরিক্ত বৃষ্টিতে তরমুজের ব্যাপক ক্ষতি সত্ত্বেও বিগত বছরের তুলনায় এবার ভালো ফলনের কারণে লাভের মুখ দেখবে বলে আশা করছে তরমুজ চাষিরা। এছাড়া ১৫ একর জমিতে হাইব্রিড জাতীয় বিভিন্ন রঙের ও জাতের তরমুজ চাষ করে উপজেলায় সাড়া ফেলে দিয়েছে ব্যতিক্রমী কৃষক আল আমিন। তাঁর ক্ষেতের তরমুজের কোনোটার ভেতর লাল, কোনোটা হলুদ বা কমলা রঙের। স্বাদও মিষ্টি। ফলনও হয়েছে বেশি।
স্থানীয় কৃষি বিভাগ জানায়, গলাচিপা উপজেলায় এবার রেকর্ড পরিমাণ তরমুজের ফলন হয়েছে। আরো ১৫ দিন আগেই তরমুজ বাজারে আসার কথা থাকলেও বৃষ্টির কারণে তা সম্ভব হয়নি। কিন্তু দেরিতে হলেও এ এলাকায় ইতিমধ্যে নানা প্রজাতির উচ্চ ফলনশীল (উফশী) তরমুজ বাজারে আসতে শুরু করেছে। ঢাকা-বগুড়াসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় প্রতিদিন চালান হচ্ছে হাজার হাজার তরমুজ। এবার এখন পর্যন্ত বাজার বেশ চড়া। চাষিরাও লাভের মুখ দেখতে শুরু করেছে।
গলাচিপা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তারা বলেন, এবার উপজেলায় তরমুজ উৎপাদন পাঁচ হাজার টন ছাড়িয়ে যেতে পারত। তা টাকার অঙ্কে অন্তত ৮০০ কোটি টাকায় দাঁড়াতে পারে। আশাব্যঞ্জক উৎপাদন ও মূল্যের কারণে কৃষকরা বেশ খুশি ছিল। কিন্তু অসময়ে বৃষ্টিতে অনেক ক্ষতি করে দিয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিসের হিসাব অনুযায়ী, এবার গলাচিপা উপজেলায় মোট সাত হাজার ৬০০ হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ হয়েছে, যা গত বছরের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি।
উপজেলার আমখোলা, গোলখালী, ডাকুয়া, মুরাদনগর, ইটবাড়িয়া, পানপট্টি, রতনদি তালতলী, চিকনিকান্দিসহ কয়েকটি গ্রাম ঘুরে দেখা গেছে, সর্বত্রই তরমুজের ক্ষেত। আবার কিছু ক্ষেতে ব্যস্ত সময় পার করছে কৃষকরা। প্রায় সবাই তরমুজ কাটা আর মহাজনের হাতে তুলে দেওয়াসহ ক্ষেত পরিচর্যায় কীটনাশক ও সেচ দিতে ব্যস্ত। আবার কিছু ক্ষেত নষ্ট হয়ে গেছে। অনেকের ক্ষেত পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় দিশাহারা হয়ে পড়েছেন। এসব কিছুর মধ্যে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে পাইকার এবং মহাজনরা তরমুজের গ্রামগুলোতে এসেছেন।
গোলখালী ইউনিয়নের কৃষক জহিরুল খান জানান, তিনি এবার সাত একর জমিতে তরমুজ চাষ করেছেন। তরমুজের চাষ করতে গিয়ে মোট পাঁচ লাখ টাকার ওপর খরচ হয়েছে। তিনি আশা করেছিলেন তরমুজ বিক্রি করে খরচ বাদ দিয়ে আট-নয় লাখ টাকা লাভ করবেন। কিন্তু এখন দুই লাখ থেকে তিন লাখ টাকা হয়তো লাভ থাকতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© natunbazar24.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed BY: AMS IT & Solutions